ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মালদ্বীপ ম্যাচে হাতাহাতির ঘটনায় আল আমিনের কঠোর শাস্তি, ছাড় পাননি মিরাজুলও


মালদ্বীপ ম্যাচে হাতাহাতির ঘটনায় আল আমিনের কঠোর শাস্তি, ছাড় পাননি মিরাজুলও

গত জুন মাসে মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্বাগতিক দলের বিরুদ্ধে হাতাহাতির ঘটনায় যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশের আল আমিন। এই ঘটনায় তিনি কঠোর শাস্তি পেয়েছেন, ১৫ ম্যাচের জন্য তাকে নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। এদিকে, ওই ম্যাচে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাতে জড়ানো মিডফিল্ডার মিরাজুল ইসলামকেও দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

গত জুনে ডায়মন্ড জুবিলি ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশ নিতে বাংলাদেশ মালদ্বীপ সফর করেছিল। রাউন্ড রবিন লিগে ৭ জুন স্বাগতিক মালদ্বীপের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করে বাংলাদেশ ফাইনালে ওঠার সুযোগ হারায়। মিরাজুল ইসলাম ৫৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফিরিয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে তৃতীয় স্থান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় লাল-সবুজের দলকে।

কিন্তু ম্যাচের শেষের দিকে ঘটেছিল একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা। যোগ করা সময়ে একটি ফাউল নিয়ে রেফারির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি জানায় বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা। বল দখলের লড়াই চলাকালীন মালদ্বীপের হাসান ইনাজ পিয়াস আহমেদ নোভার সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। পরে যখন স্বাগতিকদের পক্ষে ফ্রি-কিক দেওয়া হয়, তখন বাংলাদেশি খেলোয়াড়েরা ক্ষোভ দেখান।

আরও পড়ুন: রেস্টুরেন্টে বকেয়া টাকা চাওয়ায় জামায়াত প্রার্থীর বিরুদ্ধে তালা দেওয়ার অভিযোগ

ঝামেলার পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টায় লাল কার্ড পান আল আমিন। বেঞ্চ থেকে প্রতিবাদ করার জন্য একই শাস্তি পান মিরাজুলও। এক পর্যায়ে আল আমিন রেফারিকে ধাক্কা দেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলে। পরে কিছুটা শান্ত হলেও, শেষ বাঁশির আগে আবারও দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

এক পর্যায়ে তর্কাতর্কি হাতাহাতিতে রূপ নেয়। দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও মারামারি শুরু হলে ম্যাচের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীকালে উভয় দলের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার ফলস্বরূপ বাংলাদেশের ফুটবলার দুইজন, আল আমিন এবং মিরাজুল, শাস্তির মুখে পড়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যেভাবে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৯ এম


রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে যেভাবে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা

আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন সংসদ সদস্যরা। ভোটগ্রহণ চলবে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য মোট ভোটার সংখ্যা ৩৪৯ জন।

ভোট দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়া—

১. সংসদ কক্ষে প্রবেশ: ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে সংসদ কক্ষে প্রবেশ করে ব্যালট সংগ্রহ করে ভোট দিতে হবে। এ সময় বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।

২. আইডি কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে: সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় সংসদ সচিবালয় থেকে সরবরাহ করা আইডি কার্ড সঙ্গে রাখতে হবে।

৩. ব্যালট সংগ্রহ: নিজ আসনে বসার পর সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে নিজের নাম ও বিভক্তি নম্বর মুদ্রিত ব্যালট পেপার নিতে হবে। ব্যালটের কাউন্টার ফয়েল বা চেকমুড়িতে নির্ধারিত স্থানে পূর্ণ নাম লিখে তা সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছে ফেরত দিতে হবে।

৪. পছন্দের প্রার্থীকে ভোট: ব্যালটের নির্ধারিত অংশে পছন্দের প্রার্থীর নামের বিপরীতে নির্দিষ্ট ফাঁকা স্থানে নিজের পূর্ণ নাম লিখে ভোট দিতে হবে।

৫. ব্যালট বাক্সে জমা: ভোট দেওয়া শেষ হলে ব্যালট পেপার সংসদ কক্ষে রাখা নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে জমা দিতে হবে।

৬. ব্যালট নষ্ট হলে: কোনো কারণে ব্যালট পেপার নষ্ট হয়ে গেলে তা ব্যালট বাক্সে রাখার আগে নির্বাচনকর্তার কাছে উপস্থাপন করতে হবে। নির্বাচনকর্তা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

৭. নির্বাচনী প্রচার নিষিদ্ধ: ভোট গ্রহণের জন্য সংসদ সদস্যদের বৈঠকে কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচার, বক্তব্য বা ভাষণ দেওয়া যাবে না।

৮. সমস্যায় চিফ হুইপের শরণাপন্ন: ভোট দেওয়ার সময় তাৎক্ষণিক কোনো সমস্যার সৃষ্টি হলে চিফ হুইপ ও বিরোধীদলের চিফ হুইপের শরণাপন্ন হতে হবে।

৯. পূর্ণ নাম লিখতে হবে: ব্যালট পেপারে যেখানে ভোটারের পূর্ণ স্বাক্ষরের কথা বলা হয়েছে, সেখানে পূর্ণ নাম লিখতে হবে।

যেভাবে ফল ঘোষণা হবে: বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই গণনা শুরু হবে। কতজন ভোট দিয়েছেন, কতটি ব্যালট বৈধ ও বাতিল হয়েছে এবং কতটি ব্যালট অব্যবহৃত রয়েছে—এসব হিসাব করা হবে। এরপর প্রার্থীদের প্রাপ্ত বৈধ ভোট গণনা করা হবে। সর্বাধিক বৈধ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন নির্বাচনকর্তা। পরে নির্বাচন কমিশন থেকে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি পদে আবারও সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হতে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১২ এম


আজ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকা সহ সারা দেশে সংগঠনটি বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালের ১৯ আগস্ট মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন দুর্যোগে মোকাবেলা করার উদ্দেশ্যে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল প্রতিষ্ঠা করেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে গত ১৫ আগস্ট সংগঠনের সভাপতি এস এম জিলানী এমপি’র সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের সঞ্চালনায় কেন্দ্রীয় কমিটির একটি সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কেন্দ্রীয় ও দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বুধবার সকাল ৭টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

এছাড়া সকাল ১০ টায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, ফাতেহা পাঠ এবং দোয়ার আয়োজন রয়েছে।

আজ দেশব্যাপী জেলা ও মহানগর শাখায় আলোচনা সভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে।

আগামীকাল ২০ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) থানা, উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে ফলজ ও বনজ বৃক্ষরোপণ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হবে।

স্বেচ্ছাসেবক দলের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঘোষিত কর্মসূচি যথাযথভাবে পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
কলকাতায় ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু

অগ্নিকাণ্ডের পর হোটেল নিয়ে নানা প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৫ এম


অগ্নিকাণ্ডের পর হোটেল নিয়ে নানা প্রশ্ন

ভারতের কলকাতার নিউ মার্কেটের মির্জা গালিব স্ট্রিটে অবস্থিত একটি বহুতল হোটেলের মধ্যে ঘটে যাওয়া একটি অগ্নিকাণ্ডে ৯ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছে ছয় জন পুরুষ, দুই জন মহিলা এবং একজন শিশু।

মঙ্গলবার গভীর রাতে ভবনের তৃতীয় তলায় থাকা একটি হোটেল থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। যদিও আগুনের তীব্রতা তুলনামূলক কম ছিল, তবুও এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এবং ঘন ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বহুতলে অবস্থানরত হোটেল ও গেস্ট হাউসের অতিথিরা।

স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই বহুতলের প্রায় প্রতিটি তলাতে আলাদা আলাদা হোটেল কিংবা গেস্ট হাউস রয়েছে। ঘরগুলি ছোট এবং যাতায়াতের জায়গাও অত্যন্ত সংকীর্ণ। ভবনে প্রবেশ ও বেরানোর জন্য মূল পথটি একটিই ছিল। আতঙ্কের সময় জানা যায় যে, আপৎকালীন নির্গমনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সেখানে ছিল না, এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে অতিথিদের পক্ষ থেকে। আগুন লাগার পর বহু মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন।

কিন্তু ধোঁয়ার কারণে করিডর এবং বারান্দাগুলি ঢেকে যাওয়ার ফলে দিক নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়ে। কিছু অতিথি শৌচাগারে আশ্রয় নিয়ে জানলা ভেঙে বেরোনোর চেষ্টা করেন। পরে দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভিতরে আটকে থাকা অতিথিদের উদ্ধার করেন।

রামপুরহাট থেকে মঙ্গলবার রাতে নিউ মার্কেটে আসা ইজাজ আহমেদ এবং তার এক বন্ধু, তারা বহুতলটির চতুর্থ তলায় একটি গেস্ট হাউসে উঠেছিলেন। ইজাজের দাবি, রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ খাওয়ার পর তারা ঘুমিয়ে যান। রাত প্রায় ২ টা ১৫ মিনিটে দুই মহিলার চিৎকারে তাদের ঘুম ভেঙে যায়। দরজা খুলতেই ঘরে ধোঁয়া ঢুকে পড়ে। পরে যখন বাইরে বেরিয়ে আসেন, তখন দেখতে পান সরু বারান্দাটিও ধোঁয়ার আচ্ছন্ন।

অতিথিদের মধ্যে কিছু অভিযোগ এসেছে যে আগুন লাগার পর হোটেল কর্তৃপক্ষের কাউকে তারা দেখতে পাননি। এছাড়া অগ্নিনির্বাপণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা সেখানে ছিল না বলে অভিযোগ এসেছে। একজন অতিথি জানিয়েছেন, দমকলকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে না পৌঁছালে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হতে পারতো। বহুতলের সর্বোচ্চ তলায় অবস্থিত একটি পরিবারকেও পরে উদ্ধার করা হয়। পরিবারের একজন মহিলার অভিযোগ, হোটেলগুলিতে অগ্নিনিরাপত্তার জন্য কর্তৃপক্ষকে পূর্বেই সতর্ক করা হয়েছিল। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগও উত্থাপন হয়েছে। এই ঘটনার মাধ্যমে প্রশ্ন উঠছে, প্রয়োজনীয় অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ওই ভবনে একাধিক হোটেল ও গেস্ট হাউস চালু ছিল। সংশ্লিষ্ট হোটেলগুলোর জন্য দমকলের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ছিল কি না, এটিও একটি প্রশ্ন।

বিজেপি নেতা সন্তোষ পাঠক অভিযোগ তুলেছেন, ‘এগুলো মূলত আবাসিক ভবন ছিল এবং সেটাকে বেআইনিভাবে বাণিজ্যিক করা হয়েছে।’ তিনি দাবি করেছেন, হোটেলের ঘর বাড়ানোর জন্য ভবনের পিলার পর্যন্ত কাটা হয়েছিল। এর ফলে কাঠামোগতভাবে ভবনটি দুর্বল হয়ে পড়ে থাকতে পারে বলে অভিযোগ ওঠেছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর এখন মূল তদন্তের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ভবনের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, হোটেলগুলির বৈধতা এবং দমকলের অনুমোদন। পাশাপাশি, ঘটনার আগে নিরাপত্তা সম্পর্কিত অভিযোগ প্রশাসনের কাছে পৌঁছেছিল কি না, এবং পৌঁছালে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভিসির বাংলোর পুকুরে মাছের খাবার: দেড় লাখ বরাদ্দ, প্রকৃত ব্যয় ২৮ হাজার ৪৫০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বেরোবি প্রতিনিধি,

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৬ এম


ভিসির বাংলোর পুকুরে মাছের খাবার: দেড় লাখ বরাদ্দ, প্রকৃত ব্যয় ২৮ হাজার ৪৫০

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্যের বাংলোর পুকুরে মাছ ও প্রাণীর খাদ্য বাবদ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া এমন তথ্যকে বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখার সরকারি হিসাব বিবরণী পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ওই অর্থবছরে সংশ্লিষ্ট খাতে বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তবে প্রকৃত ব্যয় হয়েছে মাত্র ২৮ হাজার ৪৫০ টাকা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখার নথি অনুযায়ী, ‘৩২৫১১০৬-মাছ ও প্রাণী খাদ্য’ খাতে ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অর্থবছরে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। তবে বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় করা হয়নি।

নথিতে দেখা যায়, অর্থবছরজুড়ে চারটি ভাউচারের মাধ্যমে ওই খাতে মোট ২৮ হাজার ৪৫০ টাকা ব্যয় হয়েছে। ভাউচারগুলোর তারিখ যথাক্রমে ৩০ জুলাই ২০২৪, ৪ মার্চ ২০২৫, ৪ মে ২০২৫ ও ১৫ মে ২০২৫।

অর্থবছর শেষে এ খাতে অব্যয়িত ছিল ১ লাখ ২১ হাজার ৫৫০ টাকা, যা মোট বরাদ্দের প্রায় ৮১ শতাংশ। অর্থাৎ, নথি অনুযায়ী ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ছিল সংশ্লিষ্ট খাতের বরাদ্দ, প্রকৃত ব্যয় নয়।

২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত অর্থবছরে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। তবে বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় করা হয়নি।
এদিকে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উপাচার্যের বাংলোর পুকুরের মাছের খাবার বাবদ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় এবং পরবর্তী অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, উপাচার্যের বাংলোর পুকুর নিয়ে ছড়িয়ে পড়া তথ্য সঠিক নয়। তাঁদের ভাষ্য, প্রকাশিত সংবাদটি মনগড়া, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিব্রতকর।

তবে হিসাব শাখার নথিতে থাকা তথ্য বলছে, সংশ্লিষ্ট খাতে দেড় লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও পুরো অর্থ ব্যয় হয়নি; প্রকৃত ব্যয়ের পরিমাণ ২৮ হাজার ৪৫০ টাকা। ফলে বরাদ্দ ও প্রকৃত ব্যয়ের তথ্য আলাদাভাবে উপস্থাপন করা জরুরি।

উল্লেখ্য, উপাচার্যের বাংলোর পুকুর নিয়ে ছড়িয়ে পড়া তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। এ ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%