১০:০৫ এম
গত জুন মাসে মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত ম্যাচে স্বাগতিক দলের বিরুদ্ধে হাতাহাতির ঘটনায় যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশের আল আমিন। এই ঘটনায় তিনি কঠোর শাস্তি পেয়েছেন, ১৫ ম্যাচের জন্য তাকে নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। এদিকে, ওই ম্যাচে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাতে জড়ানো মিডফিল্ডার মিরাজুল ইসলামকেও দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
গত জুনে ডায়মন্ড জুবিলি ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশ নিতে বাংলাদেশ মালদ্বীপ সফর করেছিল। রাউন্ড রবিন লিগে ৭ জুন স্বাগতিক মালদ্বীপের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করে বাংলাদেশ ফাইনালে ওঠার সুযোগ হারায়। মিরাজুল ইসলাম ৫৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফিরিয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে তৃতীয় স্থান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় লাল-সবুজের দলকে।
কিন্তু ম্যাচের শেষের দিকে ঘটেছিল একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনা। যোগ করা সময়ে একটি ফাউল নিয়ে রেফারির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তি জানায় বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা। বল দখলের লড়াই চলাকালীন মালদ্বীপের হাসান ইনাজ পিয়াস আহমেদ নোভার সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। পরে যখন স্বাগতিকদের পক্ষে ফ্রি-কিক দেওয়া হয়, তখন বাংলাদেশি খেলোয়াড়েরা ক্ষোভ দেখান।
আরও পড়ুন: রেস্টুরেন্টে বকেয়া টাকা চাওয়ায় জামায়াত প্রার্থীর বিরুদ্ধে তালা দেওয়ার অভিযোগ
ঝামেলার পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টায় লাল কার্ড পান আল আমিন। বেঞ্চ থেকে প্রতিবাদ করার জন্য একই শাস্তি পান মিরাজুলও। এক পর্যায়ে আল আমিন রেফারিকে ধাক্কা দেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলে। পরে কিছুটা শান্ত হলেও, শেষ বাঁশির আগে আবারও দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এক পর্যায়ে তর্কাতর্কি হাতাহাতিতে রূপ নেয়। দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও মারামারি শুরু হলে ম্যাচের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীকালে উভয় দলের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার ফলস্বরূপ বাংলাদেশের ফুটবলার দুইজন, আল আমিন এবং মিরাজুল, শাস্তির মুখে পড়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন