শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:১২ এম
সরকার ভোক্তা পর্যায়ে নভেম্বর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মন্ত্রণালয় থেকে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) প্রকাশিত এক পত্রে এই তথ্য জানানো হয়। নির্ধারিত দাম ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে।
পত্রের তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বর মাসে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম হবে ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকায় বিক্রি হবে।
এর আগে অক্টোবর মাসেও জ্বালানি তেলের এই দাম বহাল রাখা হয়েছিল। গত ২০ সেপ্টেম্বর জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করে সরকার।
সেসময় প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রাইজবন্ডের ১২৫তম ড্র আগামী রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই ড্রয়ে প্রথম পুরস্কার হিসেবে বিজয়ী ৬ লাখ টাকা পাবেন। দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা, তৃতীয় পুরস্কার ১ লাখ টাকা, চতুর্থ পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা এবং পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা প্রদান করা হবে।
সাধারণ মানুষের মধ্যে সঞ্চয়ের প্রবণতা বৃদ্ধি করতে সরকার বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড চালু করেছে। প্রাইজবন্ডের একটি উল্লেখযোগ্য সুবিধা হলো, এটি যে কোনো সময় কেনা ও ভাঙানো সম্ভব। একইসাথে, নির্ধারিত ড্রয়ে বিজয়ী হলে বন্ডের বিপরীতে পুরস্কারের অর্থ পাওয়ার সুযোগও রয়েছে।
প্রাইজবন্ডের ড্রয়ে ঘোষিত প্রতিটি বিজয়ী নম্বরের বিপরীতে সব সিরিজের একই নম্বরের বন্ড পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবে।
নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত ড্রয়ের তারিখের পূর্ববর্তী ৬০ দিনের মধ্যে বিক্রি হওয়া প্রাইজবন্ড এই ড্রয়ের আওতায় থাকবে। এখানে বন্ড বিক্রির দিন গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে, কিন্তু ড্রয়ের তারিখ গণনা করা হবে না।
আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১১৮ ধারা অনুযায়ী, প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের অর্থ থেকে ২৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হয়। ফলে বিজয়ীকে কর কর্তনের পর অবশিষ্ট অর্থ প্রদান করা হবে।
সাধারণত প্রতি বছর ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর প্রাইজবন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত তারিখে যদি সাপ্তাহিক ছুটি বা সরকারি ছুটি পড়ে, তাহলে পরবর্তী কার্যদিবসে ড্র আয়োজন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৮ দিনে বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২৬৫ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে) এই পরিমাণ দাঁড়ায় ৩২ হাজার ৬৬৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ২৮ দিনে ২৬৫ কোটি ৬০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল প্রায় ২৩৪ কোটি ডলার। এ হিসাবে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি মাসে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩১ কোটি ৬০ লাখ ডলার বা ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।
এদিকে, চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ১১২৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ৯৯২ কোটি ৫০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ। এর আগে, সদ্য বিদায় নেওয়া সেপ্টেম্বর মাসের পুরো সময়ে দেশে মোট ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ (২.৭৬ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে।
আর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ ছিল ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। অর্থবছরের পরের মাস আগস্টে আসে ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের পুরো সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩৫ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসেছিল ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জ, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আইন শিক্ষার প্রসার, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে আইন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর গুরুত্বকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, দক্ষ, সৎ, নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন আইনজীবী তৈরির মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠান একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
আজ হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে হবিগঞ্জ ল’ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মতিন খানের স্মরণসভা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, আইনজীবীদের ভূমিকা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতাও রয়েছে। সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, মানুষের অধিকার সুরক্ষা এবং আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে আইনজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, স্বৈরাচারী সরকারের পতন ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ছাত্র-জনতা রক্ত দিয়েছেন, প্রাণ দিয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। আমরা বিভিন্ন মত ও পথের অনুসারী হতে পারি, কিন্তু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে আমাদের অভিন্ন লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। জনগণ যাদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করেছে, তাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা হলো ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা। ক্ষমতার লোভে নয়, বরং ন্যায়বিচার, জনস্বার্থ ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ হয়ে আমাদের কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে ন্যায়বিচার, সাম্য, আইনের শাসন ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, মরহুম অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মতিন খান ছিলেন শিক্ষা বিস্তার ও আইন পেশার উন্নয়নে একজন দূরদর্শী, কর্মনিষ্ঠ ও নিবেদিত প্রাণ ব্যক্তিত্ব। বিশেষ করে হবিগঞ্জ অঞ্চলে আইন শিক্ষার প্রসার এবং স্থানীয় শিক্ষার্থীদের আইন বিষয়ে শিক্ষিত হয়ে আইন পেশায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টিতে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তিনি আরও বলেন, আইন শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং দক্ষ ও যোগ্য আইনজীবী তৈরিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকা অপরিহার্য। হবিগঞ্জ ল’ কলেজ ভবিষ্যতেও সৎ, দক্ষ ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন আইনজীবী তৈরির মাধ্যমে দেশের বিচারব্যবস্থার উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
স্মরণসভায় অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল হান্নান চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মো. জি কে গউছ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
এছাড়া অনুষ্ঠানে হবিগঞ্জ ল’ কলেজের অধ্যক্ষ মো. সাখাওয়াত হোসেন খান, আমন্ত্রিত অতিথি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর উত্তরায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার মানোন্নয়ন, পুলিশ সদস্যদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং পেশাগত দক্ষতা ও কর্মদক্ষতায় উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের পেশাগত পারফরম্যান্স ও কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা ও সদস্যদের পুরস্কৃত করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরের সী শেল রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি প্যালেসে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক উত্তরা বিভাগের উদ্যোগে এই কল্যাণ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় কনস্টেবল থেকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও সদস্যদের সার্বিক কল্যাণ, পেশাগত দায়িত্ব পালন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
কল্যাণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ট্রাফিক উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. শাহজাহান হোসেন, পিপিএম। সভায় সেপ্টেম্বর মাসের পেশাগত পারফরম্যান্স, দায়িত্ব পালনে দক্ষতা ও কর্মক্ষেত্রে অবদানের ভিত্তিতে বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও সদস্যদের মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠদের নির্বাচন করে পুরস্কৃত করা হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দায়িত্বশীলতা, পেশাগত উৎকর্ষ এবং জনসেবায় আন্তরিকতাকে উৎসাহিত করার চেষ্টা করা হয়।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) হিসেবে সুজাহ উদ্দিন নির্বাচিত হন। শ্রেষ্ঠ সার্জেন্ট হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন মারুফ রহমান ভূঁইয়া। শ্রেষ্ঠ সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নির্বাচিত হন রবিউল ইসলাম এবং শ্রেষ্ঠ কনস্টেবল হিসেবে পুরস্কৃত হন কং-৩৩৫২২ মো. নজরুল ইসলাম।
এছাড়া কর্মক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আরও ছয়জন পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করা হয়। সংশ্লিষ্ট মাসে পেশাগত দায়িত্ব পালনে তাঁদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। সভায় জনবান্ধব ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে উত্তরার সাধারণ মানুষের জন্য আরও জনবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। তাঁরা বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাফিক পুলিশের প্রতিটি সদস্যের দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ সময় পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দায়িত্ব পালনে সততা, নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও জনসাধারণের সঙ্গে পেশাদার আচরণ বজায় রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সেবার মান উন্নত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। এছাড়াও দায়িত্ব পালনে পুলিশ সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
কল্যাণ সভায় সড়কে দায়িত্ব পালনকালে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের নিজস্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। ব্যস্ত সড়কে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গিয়ে সদস্যদের সতর্কতা অবলম্বন এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাবিধি অনুসরণের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
পাশাপাশি কর্মকর্তা ও সদস্যদের সার্বিক কল্যাণ, কর্মপরিবেশ এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ ধরনের কল্যাণ সভা পুলিশ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, দায়িত্ববোধ ও কর্মস্পৃহা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হয়।
সভা শেষে ট্রাফিক উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. শাহজাহান হোসেন, পিপিএম বিভিন্ন দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন। তাঁর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পেশাগত দক্ষতার স্বীকৃতি প্রদান এবং সদস্যদের কল্যাণকে গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমে ট্রাফিক উত্তরা বিভাগের সেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে উত্তরার সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ