ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গাজীপুরে দুর্গাপূজা সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্নের প্রস্তুতি সভা


গাজীপুরে দুর্গাপূজা সুশৃঙ্খল পরিবেশে সম্পন্নের প্রস্তুতি সভা

গাজীপুর, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসবকে উৎসবমুখর পরিবেশে সফলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা ও পুলিশ প্রশাসন একযোগে দুর্গোৎসবকে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে আয়োজনের জন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

আজ বুধবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভাওয়াল অডিটোরিয়ামে বিশেষ প্রস্তুতি সভার আয়োজন করা হয়। সভায় আইন-শৃঙ্খলা সুরক্ষা এবং মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

গাজীপুর জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সার্বিক নিরাপত্তা কৌশল এবং মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়।

আরও পড়ুন: পাবনার জয়কালী বাড়ি মন্দিরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে শাড়ি বিতরণ

এ সভায় গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম (বার)-সহ জেলা ও মহানগর পুলিশের আওতাধীন বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ (ওসি) উপস্থিত থেকে পূজাকেন্দ্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

বৈঠকে পূজা উদযাপন কমিটির শীর্ষ প্রতিনিধিরা স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন সমস্যা, প্রয়োজন এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে তাদের মতামত জানান।

পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, সকল স্তরের মানুষের আন্তরিক সহায়তার মাধ্যমে প্রতিবছরের মতো এবারও সম্প্রীতিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বাত্মক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

সভায় জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, জেলার সর্বস্তরের পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধিরা এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: সন্দ্বীপে রোকেয়া মুজিবুল স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা ও পুরস্কার বিতরণ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে বিষধর শঙ্খিনীর সফল ৩ ঘণ্টার অস্ত্রোপচার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩১ পি.এম


চট্টগ্রামে বিষধর শঙ্খিনীর সফল ৩ ঘণ্টার অস্ত্রোপচার

চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটের এভারকিউর ভেটেরিনারি হসপিটালে লোহার নেটে জড়িয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা সাড়ে ৪ ফুট লম্বা বিষধর শঙ্খিনী সাপের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে।

অস্ত্রোপচারটি গত ৪ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে শুরু হয়ে রাত ১টা পর্যন্ত চলে। এই অস্ত্রোপচারে নেতৃত্ব দেন ডা. মোহাম্মদ রাসেল। তার সঙ্গে ছিলেন ডা. বোরহান উদ্দীন মো. সাজ্জাদ, ডা. জহির উদ্দীন ফয়সাল ও ডা. সাদ্দাম হোসাইন।

চিকিৎসকরা জানান, শঙ্খিনীর মাংসপেশিতে গুরুতর আঘাত ছিল এবং ক্ষত হাড়ের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। তবে অস্ত্রোপচারের সময় অন্যান্য অঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল। বর্তমানে সাপটি চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে; ক্ষত শুকিয়ে আসছে এবং অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে।

গত ৩ অক্টোবর রাতে নগরের সরাইপাড়া এলাকা থেকে বন্যপ্রাণী, প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় কাজ করা ন্যাচার কনজারভেশন অ্যালায়েন্স বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবীরা সাপটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, শঙ্খিনী সাধারণত শান্ত ও লাজুক স্বভাবের এবং সহজে মানুষকে কামড়ায় না। এর প্রধান খাদ্য অন্য বিষধর ও নির্বিষ সাপ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এ সাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আইইউসিএনের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে শঙ্খিনী বিপন্ন হলেও বিশ্বে এটি বিপদমুক্ত। বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে এটি একটি সংরক্ষিত প্রজাতি।

শঙ্খিনীর বিস্তৃতি ভারতীয় উপমহাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রয়েছে। এর সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ১ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। কালোর মধ্যে হলুদ ডোরাকাটা দাগ এ সাপের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

সুস্থ হয়ে উঠলে শঙ্খিনীটিকে সংশ্লিষ্টদের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং পরে বনে অবমুক্ত করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২৮৯ টন চাল বরাদ্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩২ পি.এম


রাজশাহীতে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২৮৯ টন চাল বরাদ্দ

চলতি বছরে রাজশাহী জেলার ৪৮৯টি দুর্গাপূজা মণ্ডপের জন্য সরকার ২৮৯ টন চাল বরাদ্দ করেছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই সরকার জানান, প্রতিটি মণ্ডপের জন্য বরাদ্দকৃত চালের পরিমাণ ৬০০ কেজি। এর মধ্যে রাজশাহী শহরে ৮৫টি এবং নয়টি উপজেলায় ৪০৪টি মণ্ডপ রয়েছে।

বরাদ্দকৃত চাল ইতোমধ্যে জেলায় পৌঁছেছে এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এক সপ্তাহের মধ্যে মণ্ডপ কর্তৃপক্ষের কাছে বিতরণ করা হবে।

জেলা ত্রাণ কার্যালয়ের তথ্যমতে, গত বছরের তুলনায় এ বছর মণ্ডপের সংখ্যা ১৭টি বেড়ে গেছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৪৭২টি।

বাগমারা উপজেলায় সর্বাধিক ৮৬টি মণ্ডপ রয়েছে। এরপর তানোরে ৫৯টি, পুঠিয়ায় ৫৫টি, বাঘায় ৪৮টি, গোদাগাড়ী ও চারঘাটে ৪২টি করে, মোহনপুরে ২৫টি, দূর্গাপুরে ২৪টি এবং পবায় ২৩টি মণ্ডপ রয়েছে।

এদিকে, পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রতিমা শিল্পীরা দুর্গা প্রতিমা তৈরির শেষ মুহূর্তের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আগামী ১৬ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে উৎসব শুরু হবে এবং ২১ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে এর সমাপ্তি ঘটবে।

উৎসবটি শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের উদ্দেশ্যে জেলা ও মহানগর প্রশাসন বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির জানান, মহানগর এলাকার ১০৯টি মণ্ডপে ইউনিফর্মধারী ও সাদা পোশাকের পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি প্রতিমা তৈরির স্থানগুলোতেও সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে। সূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবরারের খুনিদের শাস্তি কার্যকরের অপেক্ষায় পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩২ পি.এম


আবরারের খুনিদের শাস্তি কার্যকরের অপেক্ষায় পরিবার

কুষ্টিয়া, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদ হত্যার ৭ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের নির্যাতনের শিকার হয়ে পরদিন ভোরে মারা যান আবরার। আদালতে নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের জন্য মৃত্যুদণ্ডের রায় হলেও ৭ বছর পরেও তা কার্যকর হয়নি। পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হওয়ায় আবরারের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

আজ বুধবার আবরার ফাহাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী। এই দিনটি উপলক্ষে কুষ্টিয়ার পিটিআই সড়কের বাড়িতে পুরোনো শোকের আবহ নেমে এসেছে। সাত বছর আগে যে ঘর থেকে মাকে বিদায় জানিয়ে ঢাকার উদ্দেশে বেরিয়েছিলেন আবরার, সেই ঘরেই আজও সাজানো রয়েছে তাঁর ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, বই-খাতা, পড়ার টেবিলসহ ব্যবহৃত নানা জিনিসপত্র। তবে পরিবারের মেধাবী সন্তানটি আজ সেখানে নেই।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর কুষ্টিয়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে বাসে ওঠার আগে মা রোকেয়া খাতুন নিজ হাতে ছেলেকে খাইয়ে দিয়েছিলেন। সেটিই ছিল মায়ের সঙ্গে আবরারের শেষ দেখা। পরদিন ভোরে তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে পরিবারে যে শোকের ছায়া নেমে আসে, তা ৭ বছরেও কাটেনি।

আবরারের ১০৫ বছর বয়সী দাদা আব্দুল গফুরও নাতির হত্যার বিচার দেখে যেতে চান। জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, "বাঁচতে বাঁচতেই যেন আবরার ফাহাদের ঘাতকদের শাস্তি কার্যকর দেখে যেতে পারি।"

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আবরারের মা রোকেয়া খাতুন বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। তিনি আবরারের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজের সঙ্গে ঢাকায় বসবাস করছেন। বড় ভাই হত্যার পর ফাইয়াজও বুয়েটে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির যন্ত্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। একই প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে ভাইয়ের স্মৃতি ও অসমাপ্ত স্বপ্নকে বয়ে নিয়ে চলছেন তিনি।

কুষ্টিয়ার বাড়িতে এখনো সংরক্ষিত রয়েছে আবরারের ব্যবহৃত জিনিসপত্র। শো কেসে রাখা ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন, পড়ার টেবিল, বই-খাতা সহ প্রতিটি জিনিস পরিবারের কাছে হয়ে উঠেছে স্মৃতির শেষ আশ্রয়। এসবের মধ্যেই সন্তানকে খুঁজে ফেরেন মা-বাবা।

আবরারের স্মৃতি ধরে রাখতে স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা শহীদ আবরার ফাহাদ স্মৃতি গ্রন্থাগারের উপদেষ্টা সুলতান মারুফ তালহাসহ স্থানীয় বাসিন্দারাও দ্রুত পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং আদালতের রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। ২০১৯ সালের সেই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের সন্তান কেড়ে নেয়নি, বরং দেশজুড়ে তৈরি করেছিল ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রতিবাদ। আদালতের রায় হলেও পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হওয়ায় ৭ বছর পরও আবরারের পরিবারের কাছে বিচার প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণই রয়ে গেছে।

প্রতিবছর মৃত্যুবার্ষিকী ফিরে আসে, ফিরে আসে সেই শেষ বিদায়ের স্মৃতি। মা রোকেয়া খাতুনের হাতে খাওয়া শেষ খাবার, বাবার সঙ্গে শেষ কথা আর বাসে উঠে ঢাকার পথে ছুটে যাওয়া সেই তরুণের মুখ। পরিবারের একটাই প্রত্যাশা, আদালতের দেয়া সাজা দ্রুত কার্যকর হবে এবং আবরার হত্যার বিচার পূর্ণতা পাবে।

আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাসস’কে বলেন, দীর্ঘ ৭ বছর ধরে তাঁরা সন্তানের হত্যার বিচার পুরোপুরি কার্যকর হওয়ার অপেক্ষায় আছেন। তিনি বলেন, "৭ বছর কেটে গেল, অথচ এখনো পলাতক আসামিদের গ্রেফতার করে মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করা হয়নি। যে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের জন্য আবরার শহীদ হয়েছে, সেই স্বপ্নের রাষ্ট্র গঠনের পাশাপাশি আমরা আসামিদের দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর দেখতে চাই।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একনেক সভায় নতুন প্রকল্পের প্রস্তাব উপস্থাপন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৩ পি.এম


একনেক সভায় নতুন প্রকল্পের প্রস্তাব উপস্থাপন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে শুরু হয়েছে। এ সভাটি বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

এটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পঞ্চম সভা এবং বর্তমান সরকারের দশম একনেক সভা হিসেবে গণ্য হচ্ছে। সভায় নতুন প্রকল্পের পাশাপাশি কিছু চলমান প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি ও সময়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।

সূত্রে জানা গেছে, আজকের সভায় ১৩টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১০ হাজার ৬০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ ও অনুদান ৪ হাজার ৮১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%