ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

আবরারের খুনিদের শাস্তি কার্যকরের অপেক্ষায় পরিবার


আবরারের খুনিদের শাস্তি কার্যকরের অপেক্ষায় পরিবার

কুষ্টিয়া, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদ হত্যার ৭ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের নির্যাতনের শিকার হয়ে পরদিন ভোরে মারা যান আবরার। আদালতে নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের জন্য মৃত্যুদণ্ডের রায় হলেও ৭ বছর পরেও তা কার্যকর হয়নি। পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হওয়ায় আবরারের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

আজ বুধবার আবরার ফাহাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী। এই দিনটি উপলক্ষে কুষ্টিয়ার পিটিআই সড়কের বাড়িতে পুরোনো শোকের আবহ নেমে এসেছে। সাত বছর আগে যে ঘর থেকে মাকে বিদায় জানিয়ে ঢাকার উদ্দেশে বেরিয়েছিলেন আবরার, সেই ঘরেই আজও সাজানো রয়েছে তাঁর ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, বই-খাতা, পড়ার টেবিলসহ ব্যবহৃত নানা জিনিসপত্র। তবে পরিবারের মেধাবী সন্তানটি আজ সেখানে নেই।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর কুষ্টিয়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে বাসে ওঠার আগে মা রোকেয়া খাতুন নিজ হাতে ছেলেকে খাইয়ে দিয়েছিলেন। সেটিই ছিল মায়ের সঙ্গে আবরারের শেষ দেখা। পরদিন ভোরে তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়ে পরিবারে যে শোকের ছায়া নেমে আসে, তা ৭ বছরেও কাটেনি।

আরও পড়ুন: ইরাকে প্রধানমন্ত্রী আল-জাইদির নতুন মন্ত্রিসভা গঠন সম্পন্ন

আবরারের ১০৫ বছর বয়সী দাদা আব্দুল গফুরও নাতির হত্যার বিচার দেখে যেতে চান। জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, "বাঁচতে বাঁচতেই যেন আবরার ফাহাদের ঘাতকদের শাস্তি কার্যকর দেখে যেতে পারি।"

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আবরারের মা রোকেয়া খাতুন বর্তমানে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। তিনি আবরারের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজের সঙ্গে ঢাকায় বসবাস করছেন। বড় ভাই হত্যার পর ফাইয়াজও বুয়েটে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির যন্ত্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। একই প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে ভাইয়ের স্মৃতি ও অসমাপ্ত স্বপ্নকে বয়ে নিয়ে চলছেন তিনি।

কুষ্টিয়ার বাড়িতে এখনো সংরক্ষিত রয়েছে আবরারের ব্যবহৃত জিনিসপত্র। শো কেসে রাখা ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন, পড়ার টেবিল, বই-খাতা সহ প্রতিটি জিনিস পরিবারের কাছে হয়ে উঠেছে স্মৃতির শেষ আশ্রয়। এসবের মধ্যেই সন্তানকে খুঁজে ফেরেন মা-বাবা।

আবরারের স্মৃতি ধরে রাখতে স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা শহীদ আবরার ফাহাদ স্মৃতি গ্রন্থাগারের উপদেষ্টা সুলতান মারুফ তালহাসহ স্থানীয় বাসিন্দারাও দ্রুত পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং আদালতের রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। ২০১৯ সালের সেই হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের সন্তান কেড়ে নেয়নি, বরং দেশজুড়ে তৈরি করেছিল ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রতিবাদ। আদালতের রায় হলেও পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হওয়ায় ৭ বছর পরও আবরারের পরিবারের কাছে বিচার প্রক্রিয়া অসম্পূর্ণই রয়ে গেছে।

আরও পড়ুন: মাদক কারবারি ধরতে গিয়ে ভারতে আটক ২ পুলিশ, ১৪ ঘণ্টায়ও মেলেনি মুক্তি

প্রতিবছর মৃত্যুবার্ষিকী ফিরে আসে, ফিরে আসে সেই শেষ বিদায়ের স্মৃতি। মা রোকেয়া খাতুনের হাতে খাওয়া শেষ খাবার, বাবার সঙ্গে শেষ কথা আর বাসে উঠে ঢাকার পথে ছুটে যাওয়া সেই তরুণের মুখ। পরিবারের একটাই প্রত্যাশা, আদালতের দেয়া সাজা দ্রুত কার্যকর হবে এবং আবরার হত্যার বিচার পূর্ণতা পাবে।

আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাসস’কে বলেন, দীর্ঘ ৭ বছর ধরে তাঁরা সন্তানের হত্যার বিচার পুরোপুরি কার্যকর হওয়ার অপেক্ষায় আছেন। তিনি বলেন, "৭ বছর কেটে গেল, অথচ এখনো পলাতক আসামিদের গ্রেফতার করে মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করা হয়নি। যে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের জন্য আবরার শহীদ হয়েছে, সেই স্বপ্নের রাষ্ট্র গঠনের পাশাপাশি আমরা আসামিদের দ্রুত ফাঁসির রায় কার্যকর দেখতে চাই।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একনেক সভায় নতুন প্রকল্পের প্রস্তাব উপস্থাপন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৩ পি.এম


একনেক সভায় নতুন প্রকল্পের প্রস্তাব উপস্থাপন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে শুরু হয়েছে। এ সভাটি বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

এটি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পঞ্চম সভা এবং বর্তমান সরকারের দশম একনেক সভা হিসেবে গণ্য হচ্ছে। সভায় নতুন প্রকল্পের পাশাপাশি কিছু চলমান প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি ও সময়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।

সূত্রে জানা গেছে, আজকের সভায় ১৩টি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১০ হাজার ৬০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ ও অনুদান ৪ হাজার ৮১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ায় প্লেগের শঙ্কায় ২০০ জন কোয়ারেন্টাইন, বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৪ পি.এম


রাশিয়ায় প্লেগের শঙ্কায় ২০০ জন কোয়ারেন্টাইন, বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ

রাশিয়ার সাইবেরিয়ায় প্লেগ গবেষণাগারের এক কর্মীর মৃত্যুর পর প্রায় ২০০ জনকে কোয়ারেন্টাইনে ও চিকিৎসা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। রুশ গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ওই নারী নিউমোনিক প্লেগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন, তবে দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ এখনো এই তথ্য নিশ্চিত করেনি। বরং, প্রাথমিক পরীক্ষায় তার মৃত্যুর সঙ্গে গবেষণাগারে থাকা কোনো জীবাণুর সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

২৮ বছর বয়সী দারিয়া শিপিলোভা ইরকুৎস্ক অ্যান্টি-প্লেগ রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব সাইবেরিয়া অ্যান্ড দ্য ফার ইস্টে কর্মরত ছিলেন। ৩০ সেপ্টেম্বর অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ২ অক্টোবর ইরকুৎস্কের কাছের শহর শেলেখভের একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু ঘটে। রুশ কর্তৃপক্ষ তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে ‘অজ্ঞাত কারণের নিউমোনিয়া’ উল্লেখ করেছে।

ঘটনার পর শিপিলোভার সংস্পর্শে আসা প্রায় ২০০ জনকে কোয়ারেন্টাইন ও চিকিৎসা পর্যবেক্ষণে নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত প্লেগ বা অন্য কোনো উচ্চঝুঁকির সংক্রামক রোগের নিশ্চিত সংক্রমণ পাওয়া যায়নি। হাসপাতালটিতেও কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

রুশ গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, গবেষণাগারে একটি পরীক্ষানল ভেঙে যাওয়ার কারণে ওই নারী প্লেগের জীবাণুর সংস্পর্শে এসে থাকতে পারেন। তবে এই দাবি এখনো প্রমাণিত নয়। রাশিয়ার জনস্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা রসপোত্রেবনাদজর জানিয়েছে যে, গবেষণাগারে কোনো বিপজ্জনক জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার মতো দুর্ঘটনার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, রুশ কর্তৃপক্ষ তাদের জানিয়েছে ইরকুৎস্কে এখন পর্যন্ত প্লেগের কোনো নিশ্চিত ঘটনা শনাক্ত হয়নি। সংস্থাটি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং রাশিয়ার বাইরে এই ঘটনার ঝুঁকি বর্তমানে খুবই কম বলে জানিয়েছে।

প্লেগ ইয়ারসিনিয়া পেস্টিস (Yersinia pestis) নামের ব্যাকটেরিয়াজনিত একটি গুরুতর সংক্রামক রোগ। সাধারণত আক্রান্ত ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী ও তাদের শরীরে থাকা মাছির মাধ্যমে এই জীবাণু ছড়ায়। সাইবেরিয়াসহ বিশ্বের কিছু অঞ্চলে প্লেগ এখনো প্রাকৃতিকভাবে বিদ্যমান।

প্লেগের তিনটি প্রধান ধরন হলো বুবোনিক, সেপটিসেমিক ও নিউমোনিক। এর মধ্যে বুবোনিক প্লেগ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এতে সাধারণত লসিকা গ্রন্থি ফুলে যায় এবং জ্বর, কাঁপুনি, মাথাব্যথা ও শরীরব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

সেপটিসেমিক প্লেগ রক্তে সংক্রমণ ঘটায়। আর নিউমোনিক প্লেগ ফুসফুসে আক্রান্ত করে। এ ধরনের সংক্রমণে কাশি, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং কখনো রক্তমিশ্রিত কফ হতে পারে। নিউমোনিক প্লেগ আক্রান্ত ব্যক্তির শ্বাসতন্ত্রের নিঃসরণ থেকে ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে থাকা অন্য মানুষের শরীরেও ছড়াতে পারে।

চিকিৎসা না করা হলে নিউমোনিক ও সেপটিসেমিক প্লেগ দ্রুত প্রাণঘাতী হতে পারে। তবে দ্রুত শনাক্ত করা গেলে অ্যান্টিবায়োটিকের মাধ্যমে প্লেগের চিকিৎসা করা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থার কারণে বর্তমানে রোগটির বৈশ্বিক ঝুঁকি অতীতের তুলনায় অনেক কম।

ইরকুৎস্কের ঘটনাটি ঘিরে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নজরদারি শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই, তবে ঘটনাটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভও জনগণ ও সংবাদমাধ্যমকে গুজব বা অনুমানের বদলে রুশ জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সরকারি তথ্য অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গবেষণাগারে সম্ভাব্য বিপজ্জনক জীবাণুর সংস্পর্শের আশঙ্কা তৈরি হলে সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করে কোয়ারেন্টাইনে রাখা এবং চিকিৎসা পর্যবেক্ষণ করা স্বাভাবিক জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা। ফলে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলেও সেটিকে নিশ্চিত প্লেগের প্রাদুর্ভাব হিসেবে দেখার মতো প্রমাণ এখনো নেই।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রুশ কর্তৃপক্ষ এখনো দারিয়া শিপিলোভার মৃত্যুর কারণ হিসেবে প্লেগ নিশ্চিত করেনি। সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের মধ্যেও প্লেগের কোনো নিশ্চিত সংক্রমণ পাওয়া যায়নি। তাই ঘটনাটি পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন থাকলেও এটিকে এই মুহূর্তে নতুন কোনো বৈশ্বিক প্লেগ মহামারির সূচনা হিসেবে দেখার কারণ নেই। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্ল্যামার নয়, ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকতে আগে দরকার যোগ্যতা: সোহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৫ পি.এম


গ্ল্যামার নয়, ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকতে আগে দরকার যোগ্যতা: সোহিনী

অভিনয় জগতে কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে গ্ল্যামার ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জনপ্রিয়তা কি এখন অভিনয় দক্ষতার চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে? এই প্রশ্নটি বলিউড ও টলিউডে নতুন নয়। সম্প্রতি, টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোহিনী সরকার তার অভিজ্ঞতা ও মতামত প্রকাশ করেছেন এই বিতর্কে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, শুধুমাত্র গ্ল্যামার দিয়ে দীর্ঘকাল ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকা সম্ভব নয়, বরং এর জন্য প্রয়োজন যোগ্যতা ও কাজের প্রস্তুতি।

দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন সোহিনী। তিনি ছোটপর্দা দিয়ে তার কর্মজীবন শুরু করে ধীরে ধীরে বড়পর্দায় নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি তার দক্ষতার প্রমাণও দিয়েছেন।

সম্প্রতি, ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের কাজের সুযোগ এবং শিল্পী নির্বাচনের বর্তমান প্রবণতা নিয়ে সোহিনী আলোচনা করেছেন। তার পর্যবেক্ষণ, অনেক নতুন অভিনয়শিল্পী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়াই এই জগতে প্রবেশ করছেন। একসময়, অভিনয়ে আসার আগে শিল্পীরা পড়াশোনা করতেন এবং দীর্ঘদিন কাজের পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত থেকে নিজেদের তৈরি করতেন।

বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে অতীতের তুলনা করে সোহিনী বলেন, বর্তমানে অনেক সময় যার গ্ল্যামার বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তা বেশি, তার কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাও বেশি। তবে তিনি মনে করেন, এই জনপ্রিয়তা দিয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া যায় না। অভিনয়কে পেশা হিসেবে নিতে হলে দক্ষতা ও যোগ্যতাই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এ প্রসঙ্গে, সহ-অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তের উদাহরণও তুলে ধরেন সোহিনী। তার মতে, যিশু ছোটবেলা থেকেই ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত থেকে দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। সেই ধারাবাহিক পরিশ্রম ও অভিজ্ঞতার কারণেই আজ তিনি নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পেরেছেন। সুতরাং, সোহিনীর বার্তা হলো, শুধু গ্ল্যামার নয়, ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকতে হলে সবার আগে প্রয়োজন যোগ্যতা।

এদিকে, দুর্গাপূজায় মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে সোহিনী সরকারের নতুন সিনেমা ‘বহুরূপী: দ্য গোল্ডেন ডাকু’। সিনেমাটিতে যিশু সেনগুপ্তের বিপরীতে তাকে দেখা যাবে। সিনেমাটির ট্রেলার প্রকাশের পর থেকেই সোহিনীর চরিত্র নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পায়রায় ভিড়লো চায়নার পতাকাবাহী "ফান ঝৌ-৬", টার্মিনালে যুক্ত হচ্ছে ৫টি আধুনিক যন্ত্রপাতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৫ পি.এম


পায়রায় ভিড়লো চায়নার পতাকাবাহী "ফান ঝৌ-৬", টার্মিনালে যুক্ত হচ্ছে ৫টি আধুনিক যন্ত্রপাতি

দীর্ঘ দুই বছরের বিরতির পর পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অবস্থিত পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনালে চায়নার পতাকাবাহী "ফান ঝৌ-৬" নামের একটি জাহাজ ভিড়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে দশটায় বন্দরের জন্য ক্রয়কৃত আধুনিক ৫টি কার্গো হ্যান্ডিলিং ইকুইপমেন্ট নিয়ে জাহাজটি সরাসরি টার্মিনালে নোঙ্গর করে। এই ইকুইপমেন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে ৮০ টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি কোয়ে গ্যান্টি ক্রেন, ৪০ টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি টায়ার্ড গ্যান্টি ক্রেন এবং ৮০ হাজার টন ক্ষমতা সম্পন্ন একটি মোবাইল হারবার ক্রেন। বন্দরের প্রথম টার্মিনালে কার্গো ও কন্টেইনার হ্যান্ডিলিং কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও দ্রুততর করার উদ্দেশ্যে এসব ইকুইপমেন্ট ক্রয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ।

১৬৮ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৬ মিটার গভীরতা নিয়ে এই জাহাজটি ১৮ সেপ্টেম্বর চায়নার পিংতান বন্দর থেকে পায়রার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।

পায়রা বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল সৈয়দ সাইফ-উল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, এর আগে ২০২৪ সালের ১৫ মে ৫০ হাজার মেট্রিকটন পাথর নিয়ে এমভি জেইন নামের একটি জাহাজ এবং ওই বছরের ১ নভেম্বর ৪৮ হাজার মেট্রিকটন পাথর নিয়ে এমভি ডা হং-১৬ নামের অপর একটি মাদারভ্যাসেল সরাসরি বন্দরের প্রথম টার্মিনালে বার্থিং করে পণ্য খালাস করেছিল।

রাবনবাদ চ্যানেলের নাব্যতা সংকটের পাশাপাশি ড্রেজিংয়ের কাজের মাধ্যমে পায়রাকে ডিজিটালাইজড পোর্ট হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%