মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
০৮:৪৬ পি.এম
উক্ত পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ রায়হান কবির।
এ সময় সম্মানিত বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা সফরসূচী অনুযায়ী নিম্নোক্ত কার্যক্রম সম্পাদন করেনঃ
১। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ‘বিতর্ক উৎসব ২০২৬’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
২। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে ‘Pilot Initiative for Climate Resilient Drainage & Canal Restoration’ প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন।
৩। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সরকারের অগ্রাধিকার পরিকল্পনা ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির আওতায় বৃক্ষরোপণ করেন।
৪। ফতুল্লা রাজস্ব সার্কেল, নারায়ণগঞ্জ সদর অফিস পরিদর্শন করেন।
৫। উপজেলা ভূমি অফিস, নারায়ণগঞ্জ সদর পরিদর্শন করেন।
৬। ভূমি সেবা সহায়তা কেন্দ্র, নারায়ণগঞ্জ সদর পরিদর্শন করেন।
৭। জেলা প্রশাসন, নারায়ণগঞ্জ এর পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে অফিসার্স ক্লাব, নারায়ণগঞ্জ এর নতুন ভবন সম্প্রসারণের শুভ উদ্বোধন করেন।
৮। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন স্কুলে স্যানিটারি ভেন্ডিং মেশিন, ইন্টারঅ্যাকটিভ ডিজিটাল বোর্ড এবং ফায়ার ফাইটার সরঞ্জাম বিতরণ করেন।
৯। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নারায়ণগঞ্জ এর বিভিন্ন শাখা পরিদর্শন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৩ জুন ২০২৬ |
“বিজ্ঞানের সৌরভ তব ব্যাপিত হোক” স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত পাই দিবস কুইজ প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজ্ঞান ও গণিতপ্রেমী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে ব্যাপন কিশোর বিজ্ঞান সাময়িকীর উদ্যোগে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।
দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় বিজ্ঞান, গণিত, যুক্তি ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতার চমৎকার প্রদর্শন দেখা যায়। দুইটি পৃথক বিভাগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার, সনদপত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাবা টেক ওয়ার্ল্ডের প্রতিষ্ঠাতা নাদিমুল হক জুলহাস, কিডজানা ক্রিয়েটিভ সেন্টারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ ইয়াং সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড ইনোভেটরস সোসাইটি (BYSIS)-এর সভাপতি মোসাদ্দেক হোসাইন, কিডজানা ক্রিয়েটিভ সেন্টারের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ও BYSIS-এর প্রধান আন্তর্জাতিক কর্মসূচি সমন্বয়ক সাদেকুল ইসলাম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্যাপনের সম্পাদনা সহযোগী জামিল আহসান, আদনান মুস্তারী, আব্দুল্লাহ আদিল মাহমুদ, জুরাইস ইবনে আশরাফ এবং আলী আম্মার মুয়াজ।
বিজয়ীদের তালিকা
গ্রুপ ‘ক’ (৬ষ্ঠ–৮ম শ্রেণি):
- প্রথম: মাহানুর মুবিন মানহা (ঢাকা বিমানবন্দর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়)
- দ্বিতীয়: নাফসিন আহমেদ তানাজ (রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ)
- তৃতীয়: মো. আশরাফুল ইসলাম (চৌগাছা সরকারি শাহাদাত পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়)
- চতুর্থ: আহমেদ সাফি মুস্তাওরিদ (তানজিমুল উম্মাহ দাখিল মাদ্রাসা, রংপুর)
- পঞ্চম: জুহাইর ফেরদৌস হাসান (সিএমপি স্কুল অ্যান্ড কলেজ)
গ্রুপ ‘খ’ (৯ম–১২শ শ্রেণি):
- প্রথম: ফুজায়েল মো. আরিফ (শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কা. মাদ্রাসা)
- দ্বিতীয়: মামুন অর রশিদ (আল হেরা এডুকেট হোম হাই স্কুল)
- তৃতীয়: আবদুল মাজিদ (রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ)
- চতুর্থ: রেতম দাস (সরকারি বি.এল. কলেজ, খুলনা)
- পঞ্চম: মাহবুব এলাহী (আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল)
অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা, গবেষণাভিত্তিক চিন্তাভাবনা এবং উদ্ভাবনী দক্ষতা বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, বিজ্ঞানচর্চা, সৃজনশীল অনুসন্ধান এবং প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।
ব্যাপনের সম্পাদক ড. শামসুল আরিফিন জিলানী প্রতিযোগিতার বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে বিজয়ীদের মাঝে সনদপত্র, ক্রেস্ট এবং বিভিন্ন পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরওয়ের ক্রাউন প্রিন্স হাকনের সৎছেলে মারিয়াস বোরগ হোইবি ধর্ষণ ও গার্হস্থ্য সহিংসতার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। দেশটির একটি আদালত তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।
সোমবার দেওয়া রায়ে অসলো আদালত জানান, হোইবি দু’টি ধর্ষণের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে একটি ঘটনা ঘটেছিল ক্রাউন প্রিন্সের নিজ বাড়ির বেসমেন্টে। তবে তার বিরুদ্ধে আনা আরও দুটি ধর্ষণের অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
২৯ বছর বয়সী হোইবি সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ, বিশেষ করে ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। তবে অন্যান্য কিছু অভিযোগের বিষয়ে তিনি দায়িত্ব স্বীকার করেছিলেন। আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করতে পারবেন।
মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষ হোইবির জন্য সাত বছর সাত মাসের কারাদণ্ডের আবেদন করেছিল। তবে আদালত তাকে চার বছরের সাজা দিয়েছেন।
সাত সপ্তাহ ধরে চলা এই বিচার কার্যক্রমে নরওয়ের রাজপরিবারের একসময়কার অত্যন্ত ইতিবাচক ভাবমূর্তিতে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে।
মামলার শুনানিতে হোইবির মাদকাসক্তি, যৌন সম্পর্কের নিজস্ব ধারণ করা ভিডিও এবং ৮০০টিরও বেশি ইলেকট্রনিক বার্তা আদালতে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।
রায় ঘোষণার সময় জন স্ভেরড্রুপ এফজেস্টাড নামের বিচারক বলেন, ক্রাউন প্রিন্সের বাড়িতে সংঘটিত ধর্ষণের ঘটনায় প্রমাণিত হয়েছে যে, ভুক্তভোগী ওই পরিস্থিতিতে প্রতিরোধ করতে সক্ষম ছিলেন না।
হোইবি কারাগার থেকে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে রায় শুনেছেন। তবে আদালত কক্ষে তাকে দেখা বা শোনা যায়নি।
ধর্ষণের অভিযোগ আনা নারীদের মধ্যে একজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন রায় শুনতে। বিচারক যখন হোইবিকে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগে দোষী ঘোষণা করেন, তখন ওই নারী কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় তার আইনজীবীর দেওয়া টিস্যু দিয়ে তিনি চোখ মুছেন।
রাজপরিবারের ভাবমূর্তিতে আঘাত
হোইবির এই মামলার কারণে নরওয়ের রাজপরিবারের জনপ্রিয়তা ও দীর্ঘদিনের ইতিবাচক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এর আগে ক্রাউন প্রিন্সেস নরওয়ের রাজকন্যা মেটে-মারিট, যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়াত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়ে ‘ভুল সিদ্ধান্তের’ জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন। এপস্টেইন ২০০৮ সালে অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।
মামলার সময় পরিচালিত নরওয়ের নরস্ট্যাট জরিপে দেখা যায়, রাজতন্ত্র বজায় রাখার পক্ষে জনসমর্থন জানুয়ারির ৭০ শতাংশ থেকে কমে ৬০ শতাংশে নেমে আসে। একই সময়ে রাজতন্ত্রের পরিবর্তে অন্য শাসনব্যবস্থা চাওয়া মানুষের সংখ্যা ১৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৭ শতাংশ হয়।
তবে মে মাসে রাজপরিবারের প্রতি জনসমর্থন কিছুটা ফিরে আসে। ওই সময় জরিপে ৬৪ শতাংশ মানুষ রাজতন্ত্র বজায় রাখার পক্ষে মত দেন এবং ২৩ শতাংশ মানুষ বিকল্প ব্যবস্থা চেয়েছেন।
মারিয়াস হোইবির মা মেটে-মারিট বর্তমানে ব্যক্তিগতভাবেও কঠিন সময় পার করছেন। তিনি পালমোনারি ফাইব্রোসিসে আক্রান্ত এবং তার ফুসফুস প্রতিস্থাপন প্রয়োজন।
রাজপরিবারের এই সংকটের মধ্যেই হোইবির বিরুদ্ধে আদালতের এই রায় নরওয়ের রাজতন্ত্র নিয়ে নতুন করে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। সূত্র: সিএনএন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা প্রদান করেছেন রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের ১৯৭০ সালের এসএসসি ব্যাচের সহপাঠীরা।
সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে রাজশাহী জেলা পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁকে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় দীর্ঘদিনের সহপাঠীরা তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য শুভকামনা জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আয়কর আইনজীবী অ্যাডভোকেট নুরুল হাসান, কৃষিবিদ মো. আজিজুল ইসলাম, রুয়েটের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল মতিন, মেহেরপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ.ই.এম. আব্দুল্লাহ, অ্যাডভোকেট অঙ্কুশ, ব্যবসায়ী আলফাত উদ্দিন আহমেদসহ রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের ১৯৭০ সালের এসএসসি ব্যাচের অন্যান্য সদস্যরা।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোঃ এরশাদ আলী ঈশা দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবা, জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড ও নেতৃত্বের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে তাঁর দায়িত্ব গ্রহণে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সফলতা কামনা করেন।
জবাবে অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা সহপাঠীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, সহপাঠীদের এই ভালোবাসা ও সম্মান আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করেছে। রাজশাহীর উন্নয়ন ও জনসেবায় আমি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যেতে চাই।
অনুষ্ঠানটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে অংশগ্রহণকারীরা পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণের পাশাপাশি জেলা ও অঞ্চলের উন্নয়ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির আওতায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হচ্ছে।
সরকারের ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহীর তানোর উপজেলায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) উদ্যোগে পুনঃখননকৃত খালপাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন) তারিখে উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের ধামধুম খালপাড়ে ফলজ, বনজ ও ঔষধি প্রজাতির গাছ রোপণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) ও বিএমডিএ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএমডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান, তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খাঁন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোদাগাড়ী সার্কেল) মীর্জা আব্দুস সালাম, তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মাসুদ পারভেজসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
একই দিন উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের লব্ব্যাতলা খালপাড়েও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তিনি প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ এবং রোপণকৃত গাছের যথাযথ পরিচর্যার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় বৃক্ষের গুরুত্ব অপরিসীম। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম সময়োপযোগী ও অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ। সরকারের ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি দেশের সবুজায়ন বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ