ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

চট্টগ্রামের হালিশহরে বস্তিতে ভয়াবহ আগুন


চট্টগ্রামের হালিশহরে বস্তিতে ভয়াবহ আগুন

চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে একটি বস্তিতে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে হালিশহরের আই ব্লক এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তবে এই অগ্নিকাণ্ডে কেউ হতাহত হয়নি।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে জানা গেছে, সকালে নগরীর আই ব্লক এলাকার সেই বস্তিতে আগুন লেগেছে।

আরও পড়ুন: মির্জাগঞ্জে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী ইসরাত জাহানের লাশ ডোবা থেকে উদ্ধার

খবর পেয়ে আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশনের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৪ কার্যদিবসেই বিচার শেষ হলেও এখনো ঝুলে আছে হিটু শেখের ফাঁসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৫ এম


১৪ কার্যদিবসেই বিচার শেষ হলেও এখনো ঝুলে আছে হিটু শেখের ফাঁসি

মাগুরায় আলোচিত আছিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ফাঁসির রায় হলেও, বছর ধরে হাইকোর্টে ঝুলছে ডেথ রেফারেন্স। বিচারিক আদালতে দ্রুত রায় হলেও, সেই রায় কার্যকর কবে হবে, কেউ তা জানে না। এসব চাঞ্চল্যকর মামলার ক্ষেত্রে আসছে আলাদা বেঞ্চ গঠনের পরামর্শ।

গত ৬ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে, বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে নেয়া হয়।

অবস্থার অনতি হলে, তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।

সেই ঘটনায় বিচারের দাবিতে একসময় ফুঁসে উঠেছিল পুরো দেশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে রাজপথ, সর্বত্র ক্ষোভ আর কান্না ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আলোচনার আড়ালে চলে যায় ঘটনাটি।

শিশু আছিয়াকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আসামি হিটু শেখকে গত বছরের ১৭ মে মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। এর চার দিন পর ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে পৌঁছায়। রায় ঘোষণা এবং ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানোর এক বছর পূর্ণ হলেও, পরবর্তী অগ্রগতি নেই। কবে হবে সাজা কার্যকর, তাও অজানা। অথচ মাত্র ১৪ কার্যদিবসেই শেষ হয়েছিল আলোচিত এই মামলার বিচার।

ছোট্ট আছিয়ার ধর্ষক হিটু শেখ ফাঁসির দণ্ড পেলেও, এক বছর ধরে কারাগারেই কাটছে তার। এই ঘাতকের রায় কার্যকরের অপেক্ষায় আছিয়ার পরিবার। তার মা আয়েশা খাতুন বলেন, ‘দুনিয়ার মানুষ যে আন্দোলন করিছে, সে হিটুত এহন বিচার হলি না। হিটুর ছালপাল ঘুরে বেড়াচ্চে। আমার কোল খালি করে তারা তো দুধেমাছে খাইয়ে বেড়াচ্চে। আমি কী পালাম?’

এমন সব চাঞ্চল্যকর মামলার সাজা যখন বছরের পর বছর আটকে থাকে, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, বিচার প্রক্রিয়ার এই ধীরগতিতে কী আস্থা হারাচ্ছে মানুষ?

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কাজী জাহেদ ইকবাল বলেন, ‘হাইকোর্টে অন্যান্য মামলার পাশাপাশি অনেক ডেথ পেনাল্টি মামলা আটকে আছে। এখানে ডেথ পেনাল্টিগুলো শুনানি হয় বছরের সিরিয়াল অনুসারে। অর্থাৎ আগের বছরের ডেথ পেনাল্টিগুলো আগে শুনানি হয়, পরেরগুলো পরে হয়। এ ক্ষেত্রে এখন আমরা প্রায় চার পাঁচ বছরের মতো একটা ব্যাকলক্সের মধ্যে রয়েছি।’

এদিকে, চাঞ্চল্যকর এসব মামলার বিচার কার্যকর হতে যুগের পর যুগ লেগে যাওয়ার পেছনে আইনি জটিলতা কাটাতে আলাদা বেঞ্চ গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন আইনজীবীরা।

জাহেদ ইকবাল বলেন, ‘চিফ জাস্টিস একটা বেঞ্চ গঠন করে দিতে পারেন অথবা প্রসিকিউশন চিফ জাস্টিসের কাছে আবেদন করতে পারেন যে, আমাদের এ মামলাটা বেশি সেনসিটিভ এবং মামলাটার মাধ্যমে আমরা সমাজে একটা বার্তা দিতে চাই, এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে তাৎক্ষণিক শাস্তি এবং বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।’

শুধু আলোড়ন সৃষ্টি করা ঘটনা নয়, সবার জন্য সমান আইনও নিশ্চিত করার তাগিদ আইনজীবীদের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
রামিসা হত্যাকাণ্ড

স্ত্রীসহ আদালতে সোহেল, সাক্ষ্যগ্রহণের অপেক্ষা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৮ এম


স্ত্রীসহ আদালতে সোহেল, সাক্ষ্যগ্রহণের অপেক্ষা

ঢাকার পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হতে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে সাড়ে ১০টা থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হবে। আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে এই সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম চলবে।

প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে তোলা হয়েছে, সাক্ষ্যগ্রহণকে কেন্দ্র করে।

সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে সোহেলকে মহানগর হাজতখানা থেকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে, পৌনে ৯টার দিকে উভয় আসামিকে কারাগার থেকে হাজতখানায় এনে রাখা হয়েছিল।

এই দিনে আদালতে মামলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সাক্ষ্য দেবার কথা রয়েছে। সাক্ষীদের মধ্যে রয়েছেন মামলার বাদী রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা, সুরতহাল ও জব্দ তালিকার সাক্ষী মো. মিজানুর রহমান লিটন, প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী শেখ আবু সামা, মো. মনির হোসেন, রাইসা আক্তার, মোহাম্মদ জাকিরুল ইসলাম রাজু, মাহমুদা খাতুন, মনিরুজ্জামান শাহীন, পারভীন আক্তার, এসআই রাশেদুল ইসলাম, মো. শরীফ মিয়া, রুমা আক্তার, এসআই মো. ইকবাল হোসেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসআই মো. ইসহাক আলী, ফরেনসিক ডিএনএ বিশেষজ্ঞ শুভাজয় বৈদ্য এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অহিদুজ্জামান।

গতকাল সোমবার আদালত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা এবং মরদেহ গোপনের অভিযোগে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয়। একই দিন বিকালে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হবার জন্য সমন জারি করা হয়।

গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেন। এর আগে, ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার এজাহার ও পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ মে দুপুরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, একই ভবনের পাশে থাকা ফ্ল্যাটের বাসিন্দা ৩২ বছর বয়সি সোহেল রানা শিশুটিকে হত্যা করার পর মরদেহ বিকৃত করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে অভিযোগ রয়েছে, তিনি ফ্ল্যাটের গ্রিল কেটে পালিয়ে যান।

ঘটনার দিনই রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদ-দ্বীন হাসপাতালে নেই বৈধ অগ্নি নিরাপত্তা লাইসেন্স: ফায়ার সার্ভিস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:১২ এম


আদ-দ্বীন হাসপাতালে নেই বৈধ অগ্নি নিরাপত্তা লাইসেন্স: ফায়ার সার্ভিস

গত সপ্তাহে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের নাম আলোচনায় এসেছে। আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বৈধ অগ্নি নিরাপত্তা লাইসেন্স নেই এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো ফায়ার সেফটি প্ল্যানও জমা দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের পর থেকে হাসপাতালটি তাদের অগ্নি নিরাপত্তা লাইসেন্স নবায়ন করেনি। এছাড়াও পরবর্তীতে অগ্নি নিরাপত্তা পরিকল্পনা জমা না দেওয়ার কারণে প্রতিষ্ঠানটি বিধি লঙ্ঘনের আওতায় পড়েছে।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টাফ অফিসার শাহজাহান সিকদার বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল ২০২৩ সালের পর ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করেনি। একাধিকবার নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও হাসপাতালের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও জানান, চলতি বছরের জানুয়ারির মাসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল যে তিন মাসের মধ্যে ফায়ার সেফটি প্ল্যান জমা দিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ফায়ার প্রিভেনশন অ্যান্ড এক্সটিংগুইশিং অ্যাক্ট, ২০০৩ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) অনুযায়ী হাসপাতাল পরিচালনার আগে অগ্নি নিরাপত্তা পরিকল্পনার অনুমোদন ও বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি উল্লিখিত শর্তগুলো পূরণ করেনি।

হাসপাতালের পক্ষ থেকে আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের হিউম্যান রিসোর্স ও কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স বিভাগের পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুল দাবি করেন, হাসপাতালের সব নথি হালনাগাদ রয়েছে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পর এগুলো জমা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, বুধবার ভোরে হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার পর নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। একইসঙ্গে রমনা থানায় দায়ের করা মামলার তদন্তও চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘তুমি উন্মাদ, সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’, নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

১১:১৪ এম


‘তুমি উন্মাদ, সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’, নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প

লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে একটি তীব্র বাকবিতণ্ডা সংঘটিত হয়েছে বলে একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানাচ্ছে।

ফোনালাপে, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে 'উন্মাদ' আখ্যা দেন এবং বলেন, বর্তমানে সবাই তাকে ঘৃণা করে। তার কর্মকাণ্ডের কারণে ইসরায়েলের আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচনার মুখে পড়ার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, লেবাননে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা বৃদ্ধি করছে এবং ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা প্রচেষ্টাকেও বিপদগ্রস্ত করে তুলছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প নেতানিয়াহুর সঙ্গে ক্ষুব্ধ হয়ে আলোচনা করেন।

ফোনালাপের সময় ট্রাম্প বলেন, “তুমি উন্মাদ হয়ে গেছ। আমি না থাকলে তুমি কারাগারে থাকতে। আমি তোমাকে রক্ষা করছি। এখন সবাই তোমাকে ঘৃণা করে। তোমার কারণে ইসরায়েলকেও ঘৃণা করছে।”

এক পর্যায়ে ট্রাম্প নেতানিয়াহুর কাছে জানতে চান, “তুমি আসলে কী করছ?”

সূত্রগুলো জানাচ্ছে ট্রাম্প জানতেন যে লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের দিকে হামলা চালাচ্ছিল এবং ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নেতানিয়াহু পরিস্থিতিকে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি উসকে দিচ্ছেন বলে তিনি মনে করেন।

নেতানিয়াহুর কাছে ট্রাম্প এক হামলার পরিকল্পনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি আশঙ্কা করছিলেন, যদি বৈরুতে একটি বড় আক্রমণ হয়, তাহলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইসরায়েল আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। ট্রাম্প একজন হিজবুল্লাহ কমান্ডারকে লক্ষ্য করে আক্রমণের পরিকল্পনাতেও অসন্তুষ্টি ব্যক্ত করেন।

ফোনালাপের পর এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানান, বৈরুতে হিজবুল্লাহর লক্ষ্যবস্তুতে হামলার পরিকল্পনা থেকে ইসরায়েল আপাতত সরে এসেছে।

পরে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, তিনি নেতানিয়াহু থেকে বৈরুতে বড় আক্রমণ না চালানোর অনুরোধ করেছিলেন এবং নেতানিয়াহু সেনাদের পিছু হটার নির্দেশ দিয়েছেন। এজন্য ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে ধন্যবাদ জানান।

ট্রাম্প একই বার্তায় বলেন, হিজবুল্লাহর প্রতিনিধিদের সঙ্গেও তিনি কথা বলেছেন এবং তারা इসরায়েল ও ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হামলা বন্ধে সম্মত হয়েছে। পরিবর্তে ইসরায়েলও হামলা বন্ধ করতে রাজি হয়েছে। তবে এই সমঝোতা চলতি থাকবে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

অন্যদিকে, নেতানিয়াহু ফোনালাপের বিষয়টি স্বীকার করেছেন কিন্তু ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, হিজবুল্লাহ হামলা অব্যাহত রাখলে ইসরায়েল বৈরুতে আঘাত হানতে পারে। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর পরিকল্পিত অভিযান চলতে থাকবে বলেও জানান। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এই বিষয়ে যে কোন প্রেক্ষিত থেকে কিছু প্রাপ্ত হয়নি।

গত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে থাকলেও পরে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নতুন উত্তেজনা ইরানকে ঘিরে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। কারণ তেহরান চাইছে যে, যেকোনো সম্ভাব্য সমঝোতার আওতায় লেবাননের পরিস্থিতিও অন্তর্ভুক্ত হোক।

এদিকে লেবাননের কর্তৃপক্ষ জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর একটি প্রস্তাবে হিজবুল্লাহ সম্মতি দিয়েছে। সেই প্রস্তাব অনুযায়ী, ইসরায়েল বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে হামলা চালাবে না এবং হিজবুল্লাহও উত্তর ইসরায়েলে হামলা থেকে বিরত থাকবে।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%