প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গত সপ্তাহে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের নাম আলোচনায় এসেছে। আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বৈধ অগ্নি নিরাপত্তা লাইসেন্স নেই এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো ফায়ার সেফটি প্ল্যানও জমা দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের পর থেকে হাসপাতালটি তাদের অগ্নি নিরাপত্তা লাইসেন্স নবায়ন করেনি। এছাড়াও পরবর্তীতে অগ্নি নিরাপত্তা পরিকল্পনা জমা না দেওয়ার কারণে প্রতিষ্ঠানটি বিধি লঙ্ঘনের আওতায় পড়েছে।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টাফ অফিসার শাহজাহান সিকদার বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল ২০২৩ সালের পর ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন করেনি। একাধিকবার নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও হাসপাতালের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও জানান, চলতি বছরের জানুয়ারির মাসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল যে তিন মাসের মধ্যে ফায়ার সেফটি প্ল্যান জমা দিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ফায়ার প্রিভেনশন অ্যান্ড এক্সটিংগুইশিং অ্যাক্ট, ২০০৩ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) অনুযায়ী হাসপাতাল পরিচালনার আগে অগ্নি নিরাপত্তা পরিকল্পনার অনুমোদন ও বাস্তবায়ন বাধ্যতামূলক। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি উল্লিখিত শর্তগুলো পূরণ করেনি।
হাসপাতালের পক্ষ থেকে আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের হিউম্যান রিসোর্স ও কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স বিভাগের পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুল দাবি করেন, হাসপাতালের সব নথি হালনাগাদ রয়েছে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পর এগুলো জমা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বুধবার ভোরে হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার পর নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। একইসঙ্গে রমনা থানায় দায়ের করা মামলার তদন্তও চলমান রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন