০১:৪৪ পি.এম
নরসিংদীর সদর উপজেলার পাইকাদি এলাকায় তিন মাস বয়সী এক শিশুর পা মুচড়ে দেওয়ার ঘটনাটি ভাইরাল ভিডিওর ঘটনা হিসেবে তিনজনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। পুলিশের তরফ থেকে এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু, প্রধান অভিযুক্ত শিশুটির চাচি লতা বেগম এখন পলাতক রয়েছেন।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বুধবার (১৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার বাদী হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রিভেনশন অফিসার লিজা আক্তার। মামলায় শিশুটির চাচি লতা বেগম, তার স্বামী কাউসার মিয়া এবং বাবা আলমাস মিয়াকে আসামি করা হয়েছে। তবে, শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে কোনও মামলা এখনও দায়ের করা হয়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, নরসিংদী সদর উপজেলার আমদিয়া ইউনিয়নের পাইকাদি এলাকার জহিরুল মিয়া ও সাময়া আক্তার দম্পতির তিন মাস বয়সী ছেলে রিজিক জন্মের পর 다양한 শারীরিক জটিলতার কারণে ভর্তি ছিলেন হাসপাতালে। এই সময়ে বাড়ির কাজকর্ম নিয়ে সাময়া আক্তারের সঙ্গে তার শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে লতা বেগমের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়।
আরও পড়ুন: জামায়াতের কর্মী ছাড়া কাউকে ভিক্ষাও দেয় না’ এমপি খোকন তালুকদার
অভিযোগ পাওয়া গেছে, গত ১১ জুন পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে লতা বেগম শিশুটির পা মুচড়ে দেন। ঘটনাটি শিশুটির মায়ের মোবাইল ফোনে রেকর্ড করা হয়েছিল। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
ঘটনার পর পুলিশ শিশুটির বাড়িতে এসে খোঁজখবর নেয়। জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটির বাবা জহিরুল মিয়া ও মা সাময়া আক্তার জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি সম্পাদনা করা হয়েছে। তাদের দাবি, শিশুটির পা ভাঙেনি এবং তার পায়ে কোনো ব্যান্ডেজ বা প্লাস্টারও নেই। বিষয়টি পারিবারিকভাবে মীমাংসা করা হয়েছে।
মাধবদী থানার ওসি মো. কামাল হোসেন মন্তব্য করেছেন, মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনার মামলা হয়েছে। সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রিভেনশন অফিসার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলার পর দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করার অভিযান চলমান রয়েছে। তিনি আরও জানান, শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো মামলা করা হয়নি।
আরও পড়ুন: মণ্ডপের দেয়ালে শিল্পকর্মে বাবার আত্মত্যাগের গল্প ও কৃষকের অবদান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন