ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবীবকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিলেন বিডিএফ প্রেসক্লাব


সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবীবকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিলেন বিডিএফ প্রেসক্লাব

‎সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ও সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. হাবিবুল ইসলাম হাবিব-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বিডিএফ (ধুলিহর, ব্রহ্মরাজপুর ও ফিংড়ি) প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ।
‎বুধবার (১৭ জুন) দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ কার্যালয়ে প্রশাসকের দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়। এ সময় সাংবাদিকরা নবনিযুক্ত প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁর সফলতা কামনা করেন।
‎অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিডিএফ প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সাংবাদিক  শাহাদাৎ হোসেন বাবু, সহ-সভাপতি ও দৈনিক পত্রদূতের সাংবাদিক জিএম আমিনুল হক, সাবেক সভাপতি এম. এ. হাকিম, সাংগঠনিক সম্পাদক  শামীম রেজা, এস এম শরীফুল ইসলাম রানা, মেহেদী হাসান শিমুলসহ বিডিএফ প্রেসক্লাবের সকল সদস্য ও কর্মকর্তাবৃন্দ।
‎মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময় কালে সংবর্ধিত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন-বিডিএফ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মধ্যে যে ঐক্যের মেলবন্ধন তা জেলার অন্যান্য সাংবাদিক সংগঠন গুলোর নিকট দৃষ্টান্ত হতে পারে। এসময় তিনি প্রেসক্লাবের সদস্যদের সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে সাহসী ভুমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে আগামীতে আরও দ্বায়িত্বশীল হয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহবান জানান। এসময় বিডিএফ প্রেসক্লাবের সকল কার্যক্রম সম্পর্কে ভূয়সী প্রশংসা করে বক্তব্য রাখেন ধুলিহর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী তাকদীর আহসান রুবেল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, দুর্ভোগে শিক্ষার্থী-ব্যবসায়ীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:২৭ পি.এম


কাউখালীতে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, দুর্ভোগে শিক্ষার্থী-ব্যবসায়ীরা
 
 
পিরোজপুরের কাউখালীতে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় দিনে ও রাতে পাঁচ থেকে ছয়বার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হচ্ছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বারবার লোডশেডিংয়ে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও কর্মজীবী মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে বহুগুণ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের পাশাপাশি সন্ধ্যা ও রাতের বেলায়ও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অর্ধবার্ষিক এবং সাময়িক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে শিক্ষার্থীরা চরম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। অন্যদিকে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
 এইচএসসি পরীক্ষার্থী মানসুরা আক্তার বলেন, সন্ধ্যার পর পড়তে বসলেই বিদ্যুৎ চলে যায়। সামনে এইচএসসি পরীক্ষা, কিন্তু নিয়মিত পড়াশোনা করতে পারছি না। গরমে পড়াশোনায় মনোযোগও ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।
অভিভাবক মাহফুজুর রহমান বলেন, সন্তানদের লেখাপড়া নিয়ে আমরা খুব চিন্তিত। বিদ্যুৎ এর লোডশেডিং এর কারণে শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো ঘুমাতে পারে না, আবার পড়াশোনাও ব্যাহত হচ্ছে। এই পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান দরকার।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মোঃ তাইজুল ইসলাম বলেন, ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। ফ্রিজ ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ঠিকমতো চালানো যাচ্ছে না। 
বিশ্বকাপ ফুটবল উপভোগ করতেও দর্শকদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ চলাকালে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় খেলাপ্রেমীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা পল্লী বিদ্যুতের ইনচার্জ কামাল হোসেন বলেন, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ উৎপাদন সংকটের কারণে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি এবং আশা করছি খুব শিগগিরই সমস্যার সমাধান হবে।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরের ডাসারে ‘চায়না দুয়ারি’ জালের দাপট: হুমকির মুখে দেশীয় মাছের প্রজনন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:২৮ পি.এম


মাদারীপুরের ডাসারে ‘চায়না দুয়ারি’ জালের দাপট: হুমকির মুখে দেশীয় মাছের প্রজনন

একসময় নদী, খাল আর বিলে দেশীয় মাছের প্রাচুর্যে মুখর থাকত মাদারীপুরের ডাসার ও কালকিনি উপজেলার বিস্তীর্ণ জলাভূমি। বর্ষা এলেই জেলেদের জালে ধরা পড়ত নানা প্রজাতির দেশীয় মাছ। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই চিত্র বদলে যাচ্ছে। অবৈধ ‘চায়না দুয়ারি’ জালের নির্বিচার ব্যবহারে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে দেশীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ব্যবস্থা। এতে উদ্বেগ বাড়ছে স্থানীয় বাসিন্দা, জেলে সম্প্রদায় এবং মৎস্য সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদী, খাল ও বিলে স্থাপন করা হচ্ছে সূক্ষ্ম ফাঁসের চায়না দুয়ারি জাল। এসব জালে শুধু বড় মাছ নয়, মাছের রেণু, পোনা ও ডিম বহনকারী মা মাছও আটকা পড়ে। ফলে মাছ বড় হওয়ার আগেই নিধন হচ্ছে, যা দেশীয় মৎস্যসম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ডাসার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, খাল ও জলাশয়ের বিভিন্ন স্থানে গোপনে বসানো হয়েছে চায়না দুয়ারি জাল। স্থানীয়রা জানান, রাতের আঁধারে এসব জাল ব্যবহার করে অসাধু ব্যক্তিরা অল্প সময়ে বেশি মাছ ধরার চেষ্টা করেন। কিন্তু এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ছে পুরো জলজ পরিবেশের ওপর।

স্থানীয় প্রবীণ জেলে আব্দুল করিম বলেন, “আগে বর্ষা মৌসুমে জালে অনেক দেশীয় মাছ পাওয়া যেত। এখন মাছের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। চায়না দুয়ারি জাল ছোট মাছ পর্যন্ত ছাড়ে না। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে দেশীয় মাছ শুধু গল্পেই শুনতে হবে।”

মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চায়না দুয়ারি জালের সূক্ষ্ম ফাঁস জলজ প্রাণীর স্বাভাবিক জীবনচক্রকে ব্যাহত করে। মাছের পোনা ও প্রজননক্ষম মাছ নির্বিচারে ধরা পড়ায় মাছের বংশবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়। এর ফলে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্যও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এদিকে প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ অবৈধ জালের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তবে স্থানীয়দের দাবি, বিচ্ছিন্ন অভিযান নয়, প্রয়োজন নিয়মিত তদারকি এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি। তারা বলেন, কিছু অসাধু ব্যক্তির স্বল্পমেয়াদি লাভের কারণে দেশের মূল্যবান মৎস্যসম্পদ ধ্বংস হতে দেওয়া যায় না।

মাদারীপুরের নদী-খাল-বিল শুধু জীবিকার উৎস নয়, এটি এ অঞ্চলের মানুষের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ। দেশীয় মাছের অস্তিত্ব রক্ষায় এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো শিং, মাগুর, টেংরা, কৈ কিংবা পুঁটি মাছের প্রাচুর্যের গল্প শুধু বইয়ের পাতায় খুঁজে পাবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশীয় মৎস্যসম্পদ রক্ষায় অবৈধ চায়না দুয়ারি জালের ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। দেশের জলজ সম্পদ রক্ষায় প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগই হতে পারে টেকসই সমাধান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জরিমানা ছাড়া দেশ ছাড়ার বা বৈধ হওয়ার শেষ সুযোগ দিচ্ছে আমিরাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৩০ পি.এম


জরিমানা ছাড়া দেশ ছাড়ার বা বৈধ হওয়ার শেষ সুযোগ দিচ্ছে আমিরাত

সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকে পড়া বিদেশি নাগরিকদের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর দিয়েছে দেশটির ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্টস সিকিউরিটি (আইসিপ)। 

আঞ্চলিক ফ্লাইট বিপর্যয়ের কারণে যারা নির্দিষ্ট সময়ে দেশ ছাড়তে পারেননি, তাদের আর্থিক বোঝা কমাতে ৩০ দিনের একটি বিশেষ গ্রেস পিরিয়ড বা সময়সীমা ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। বিশেষ সুযোগটি গত ১০ জুন থেকে শুরু হয়ে আগামী ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে। এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভুক্তভোগী প্রবাসীরা কোনো ধরনের ওভারস্টে ফাইন বা জরিমানা ছাড়াই আমিরাত ত্যাগ করতে পারবেন অথবা নতুন ভিসায় নিজেদের স্ট্যাটাস বৈধ করে সেখানে বসবাস ও কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি বছরের মার্চ মাসে আইসিপ একটি মানবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় যারা আটকে পড়েছিলেন, তাদের জরিমানা মওকুফ করা হয়েছিল। বর্তমানে অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে এবং বিমান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। ফলে জরিমানা মওকুফের পূর্ববর্তী কারণটি আর বিদ্যমান না থাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য স্ট্যাটাস বৈধ করার বা দেশ ছাড়ার এটাই চূড়ান্ত সুযোগ বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আইসিপি।

এই মানবিক সুবিধা পাওয়ার জন্য প্রবাসীদের আলাদা কোনো বাড়তি আবেদন বা জটিল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে না। যারা আমিরাত ছাড়তে চান তারা সরাসরি বিমানবন্দরে চলে যেতে পারবেন, আর যারা থেকে যেতে চান তারা স্বাভাবিক নিয়মে স্ট্যাটাস পরিবর্তন করতে পারবেন। আইসিপি সংশ্লিষ্ট সকলকে যেকোনো হালনাগাদ তথ্য বা আইনি পদ্ধতির জন্য কোনো বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দিয়ে শুধুমাত্র তাদের অফিশিয়াল যোগাযোগমাধ্যম ও ওয়েবসাইট অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়ে দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লড়াই পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চের অভিজাতদের কাতারে মরক্কো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৩৩ পি.এম


লড়াই পেরিয়ে বিশ্বমঞ্চের অভিজাতদের কাতারে মরক্কো

বিশ্বমঞ্চে মরক্কো মানেই এখন আর কোনো ধুঁকতে থাকা দল নয়। বরং, ফুটবল বিশ্বের অন্যতম একটি পরাশক্তি হিসেবে এমনটাই বিশ্বাস করছেন তারা। এই বছরের ২০২২ সালের বিশ্বকাপে আশ্চর্যজনকভাবে সেমিফাইনালে খেলা মরক্কো বর্তমানে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের সপ্তম স্থানে রয়েছে। চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে, যখন তারা পরাশক্তি ব্রাজিলের বিপক্ষে এগিয়ে গিয়েছিল, তখন শেষ পর্যন্ত ১-১ ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল। তবে এই আক্ষেপ এখনো ভুলে গেলে চলবে না, কারণ আজ শুক্রবার, স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে সংঘটিত হতে যাচ্ছে মরক্কোর ম্যাচ। এই ম্যাচে জয় পেলেই নকআউট পর্বের পথে তাদের রাস্তা অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে, যেহেতু গ্রুপ পর্বে তাদের শেষ প্রতিপক্ষ তুলনামূলক দুর্বল দল, হাইতি।

স্কটল্যান্ড ম্যাচের আগের দিন বৃহস্পতিবার, যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন কমন পার্কে মরক্কোর শত শত সমর্থক জড়ো হয়েছিলেন। তারা লাল ও সবুজ রঙের ধোঁয়া উড়িয়ে, ড্রামের আওয়াজে নাচতে নাচতে পুরো এলাকা উৎসবে ভাসিয়ে দেন। সমর্থকদের চোখে-মুখে এখন আত্মবিশ্বাসের ছোঁয়া দেখা যাচ্ছে। তাদের মতে, মরক্কোর ফুটবলের মান বর্তমানে এতটাই উচ্চ, যেটি পিএসজির ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমি কিংবা রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডার ব্রাহিম দিয়াজের মতো খেলোয়াড়দের মাধ্যমে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোতে প্রতিফলিত হচ্ছে।

মন্ট্রিল থেকে দুই সন্তানকে নিয়ে বোস্টনে খেলা দেখতে আসা ৩৫ বছর বয়সী ওসামা খাতাম বলেন, একসময় বিশ্বকাপে আসা মরক্কোর জন্য একটি বড় অর্জন ছিল। এখন, জার্মানি, ফ্রান্স কিংবা স্পেনের মতো বড় দলের সঙ্গে মরক্কোর তফাত নেই। তিনি মনে করেন, এখন থেকে প্রতিটি বিশ্বকাপে মরক্কোকে এই রূপে দেখা যাবে।

মরক্কোর ফুটবলের এই নাটকীয় উত্থানের পেছনে প্রবাসী খেলোয়াড়দের অবদানের পাশাপাশি ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘মোহাম্মদ সিক্স ফুটবল একাডেমি’ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। ১৯৯৮ সালের পর টানা ২০ বছর বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে না পেরে মরক্কোর ফুটবল যখন ধ্বংসের মুখে তখন এই একাডেমিটি গড়ে তোলা হয়। এর সুফল তারা ২০১৮ সালে বিশ্বকাপে ফিরে এসে প্রথম পেতে শুরু করে এবং ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে বেলজিয়াম, স্পেন ও পর্তুগালকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠে একটি ইতিহাস গড়তে সক্ষম হয়।

শুধু সিনিয়র দলই নয়, গত বছর অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ জিতে মরক্কো ক্রমবর্ধমান তরুণ প্রতিভাদের প্রমাণ দিতে সক্ষম হয়েছে। আর এই তরুণ প্রতিভারা নিজেদের ঘরের মাঠে মেলে ধরার সুযোগ পাবে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে, যা যৌথভাবে আয়োজন করবে মরক্কো, স্পেন ও পর্তুগাল।

সমর্থকদের মতে, মরক্কো এখন শুধুমাত্র নিজেদের জন্য খেলছে না, বরং আফ্রিকা মহাদেশসহ অনুন্নত বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য এক আদর্শ ভূমিকা পালন করছে। মরক্কো দেখিয়ে দিয়েছে যে সঠিক পরিকল্পনা থাকলে আফ্রিকার যেকোনো দেশই আন্তর্জাতিক মঞ্চে শীর্ষ চারে জায়গা করে নিতে পারে। খেলা দেখতে সরাসরি মরক্কো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ৫২ বছর বয়সী মুসিন মুসলিহ আশাবাদী স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের ব্যাপারে। তিনি মনে করেন, ২০২২ সালের মতো এবারও মরক্কো আরেকটি অবিশ্বাস্য বিশ্বকাপ উপহার দেবে, এটি কোটি ভক্তের প্রত্যাশা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%