১২:৫৯ পি.এম
সুন্দরবনে বিষ ব্যবহার করে মাছ শিকার এবং বন বিভাগের কর্মীদের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার অভিযোগে পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করেছে। একই ঘটনায় বিষ সরবরাহের অভিযোগে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের তাৎক্ষণিক নির্দেশনার পর অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। রোববার তিনজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে পুলিশ কর্তৃক।
গত ৩ নভেম্বর সুন্দরবনের ঢাংমারি এলাকায় নদীতে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার করছিল কয়েকজন। বন বিভাগের কর্মীরা তাদের ধাওয়া করার সময় অভিযুক্তরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ ঘটনার একপর্যায়ে আত্মরক্ষায় সরে আসতে বাধ্য হন বন বিভাগের কর্মীরা।
আরও পড়ুন: সমবায়ের হাত ধরেই বদলাবে গ্রামীণ মানুষের জীবন প্রতিমন্ত্রী টুকু
পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অভিযুক্তদের গ্রেফতার এবং মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন। পরে পূর্ব বন বিভাগের এক কর্মকর্তা বাদী হয়ে দাকোপ থানায় মামলা দায়ের করেন।
এরপর শনিবার (৭ নভেম্বর) মোংলা থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকারের অভিযোগে সোহেল শেখ ও লাইজু বেগমকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সুন্দরবনে বিষ সরবরাহকারী মো. সেলিম মিয়াকেও আটক করা হয়।
দাকোপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন এ বিষয়ে বলেন, ‘শনিবার দিনভর অভিযান চালিয়ে মোংলা থেকে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্তরা বিষ দিয়ে মাছ শিকারের কথা স্বীকার করেছে। গ্রেফতারের পর তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’
এর আগে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, বিষ বিক্রি ও বিষ দিয়ে মাছ ধরার সঙ্গে জড়িত সকলকে সতর্ক করা হচ্ছে। সুন্দরবনে এ ধরনের অপরাধ কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
আরও পড়ুন: নাশকতা ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে
তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন