মাসুদুর রহমান, জামালপুর প্রতিনিধি
০৪:৪৪ পি.এম
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় জুলাই যোদ্ধাদের আমন্ত্রণ না জানানো—এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আফসানার এই অবহেলা নিয়ে শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত ছিল।
জানা গেছে, উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ১৬ জুলাই উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উপজেলা ও পৌর বিএনপির কয়েকজন নেতাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সরিষাবাড়ী উপজেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এবং জুলাই যোদ্ধারা প্রায় শতাধিক ব্যক্তি ফেসবুকে পোস্ট করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা দাবি করেন, গণঅভ্যুত্থানে সরাসরি অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে এই আয়োজন করা হয়েছে, যা তাদের অবমূল্যায়ন করেছে। একই সঙ্গে তারা জেলা প্রশাসক, ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কয়েকজন ছাত্রদল নেতা ও জুলাই যোদ্ধা অভিযোগ করে বলেন, জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় থাকা ব্যক্তিদের কাউকেই ডাকানো হয়নি। তাদের দাবি, “যাদের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের স্মরণে এই আয়োজন, সেই জুলাই যোদ্ধারাই যদি উপস্থিত না থাকেন, তাহলে এ ধরনের আলোচনা সভার উদ্দেশ্য কী?” তারা জানান, অনুষ্ঠানে একজনও প্রকৃত জুলাই যোদ্ধা ছিলেন না। তারা বিষয়টিকে জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি অবহেলা ও অপমান হিসেবে দেখছেন।
অনেকে আবার প্রশ্ন তুলেছেন—যাদের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের স্মরণে এই আয়োজন, সেই জুলাই যোদ্ধারাই কেন আমন্ত্রণের বাইরে থাকা হলো? এই ঘটনার ফলে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। এটি কি অবহেলা, নাকি পরিকল্পিতভাবে উপেক্ষা? এর দায়ভার কার—আয়োজক কমিটির, সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের, নাকি অন্য কারও? এটি কি প্রশাসনিক সমন্বয়ের ঘাটতি, নাকি অন্য কোনো কারণে এমনটি ঘটেছে—এ নিয়েও আলোচনা চলছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং হস্তক্ষেপের দাবিতে আগামী রবিবার সরিষাবাড়ীতে ছাত্রনেতা ও জুলাই যোদ্ধাদের উদ্যোগে মানববন্ধনের প্রস্তুতি রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা চলছে।
অভিযুক্ত বিষয় সম্পর্কে সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সকলকে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানের আগের দিন এ বিষয়ে সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে শুক্রবার দুপুর ২টা ৩১ মিনিটে জামালপুর জেলা প্রশাসকের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার এস. এম. হুমায়ুন কবির সরকার এই প্রতিবেদককে মাসুদুর রহমানের মাধ্যমে মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি আমরা দেখব। কেন হয়েছে, কীভাবে হয়েছে—সেটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ নরওয়ের ড্রামেন শহরের পাশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে ১০০টিরও বেশি বাড়িঘর পুড়ে গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য শত শত মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১৭ জুলাই) স্থানীয় সময় বিকালে শহরের একটি ‘টাউনহাউস’(সারিবদ্ধ বাড়ি) থেকে আগুনের শুরু হয়।
এরপর মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের এলাকা ও পার্শ্ববর্তী বনাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে দমকলকর্মীরা তাদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যান। এই সময়, ৬০ জনেরও বেশি দমকলকর্মী আগুন নেভানোর কাজে নিযুক্ত ছিলেন এবং হেলিকপ্টারের সাহায্যে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা চলছিল।
অগ্নিকাণ্ডের কারণে জ্বলতে থাকা অবস্থায় এবং আগুন পার্শ্ববর্তী বনাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ায় পুলিশ শত শত মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়। এ ঘটনায় কোনো বাসিন্দার নিখোঁজ হওয়ার খবর জানা যায়নি। আগুনের সৃষ্টির কারণ কী ছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনআরকে জানিয়েছে, বর্তমানে শত শত মানুষ একটি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। উল্লেখ্য, ড্রামেন শহরটি অসলো থেকে প্রায় ৩৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের অভয়নগরে বাজার করে রাস্তা পার হওয়ার সময় ট্রাকের ধাক্কায় মারা যান উসমান ফকির (৭৬) নামক এক বৃদ্ধ।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে যশোর-খুলনা মহাসড়কের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া নূরবাগ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
এটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা। এই ঘটনায় পুলিশ ট্রাকসহ চালককে আটক করেছে।
নিহত উসমান ফকির ছিলেন ধোপাদী গ্রামের উড়োবটতলা এলাকার মৃত শরীয়তুল্লাহ ফকিরের পুত্র। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। আটককৃত ট্রাকচালক মো. আব্দুল্লাহ (৩৫) খুলনার দৌলতপুর এলাকার আব্দুল খালেক হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে বাজারের ব্যাগ হাতে উসমান ফকির নূরবাগ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিলেন। বাজার করার সময়, খুলনাগামী ‘আরএফএল’ কম্পানির একটি ট্রাক তাকে ধাক্কা দেয়। সামান্য সময় পর তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে এমদাদুল হক মনা বলেন, তার বাবা নওয়াপাড়া থেকে বাজার করে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক সবুজ বিশ্বাস জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় একজন বৃদ্ধকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকেঁ মৃত ঘোষণা করা হয়।
এ বিষয়ে নওয়াপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর আহম্মেদ বলেন, ‘আরএফএল কম্পানির ট্রাকটি থানার হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে। চালককে আটক করা হয়েছে।
মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, ‘ক্ষুদ্র ও মাঝারি পোলট্রি খামারিদের কৃষিঋণের আদলে সহজ শর্তে ঋণসুবিধার আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। উৎপাদন ব্যয় কমানো, ফিডের দাম সহনীয় রাখা এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিতের মাধ্যমে দেশের পোলট্রিশিল্পকে আরো শক্তিশালী ও টেকসই করে গড়ে তোলা হবে।’
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইল মডেল সিটিতে বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিআইএ) আয়োজিত পোলট্রি খামারি সমাবেশ ও মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু বলেন, ‘ক্ষুদ্র খামারিদের টিকে থাকতে কী কী প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা আপনারা তুলে ধরেছেন। বিপিআইএর নেতৃবৃন্দ এবং ফিড, কাঁচামাল ও এক দিনের বাচ্চা সরবরাহকারী ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ইতোমধ্যে একাধিকবার আলোচনা করেছি। সবাইকে নিয়ে বসে কিভাবে এসব সমস্যা সহনীয় পর্যায়ে আনা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। এ জন্য উপজেলা ও থানা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের তদারকি আরো জোরদার করতে হবে। অযথা অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিরাপদ পোলট্রি উৎপাদনে গুরুত্ব দিতে হবে। চিকিৎসকদের পরামর্শ ছাড়া কেউ অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না।’
‘ফিডের দাম যাতে সহনীয় থাকে, সে বিষয়ে ফিড ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করব’, আশ্বাস প্রদান করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পোলট্রি শিল্প বেঁচে থাকলে লাখো মানুষের কর্মসংস্থান হবে এবং দেশের মানুষের প্রাণিজ প্রোটিনের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই সরকার এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে এবং আরও এগিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর।’
সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত কর্মসূচির আওতায় পোলট্রি খামারিদেরও কৃষি কার্ডের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আগামী বাজেট বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ধাপে ধাপে কৃষি কার্ড বিতরণ করা হবে। চলতি বছর ৪৩ লাখ কৃষক কৃষি কার্ড পাবেন এবং পর্যায়ক্রমে সব কৃষক ও পোলট্রি খামারিদের এ সুবিধার আওতায় আনা হবে।
কৃষি কার্ডের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন সরকারি সুবিধা সহজেই পাবেন।’
বিপিআইএ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি শওকত আলী মোল্লার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. বয়জার রহমান, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রবিউল ইসলাম, বিপিআইএর কেন্দ্রীয় সভাপতি মোশারফ হোসাইন চৌধুরী, মহাসচিব এম সাফির রহমান এবং জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ উসমান গনি। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- জেলার প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি পোলট্রি খামারিদের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিপিআইএর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তথ্য বিকৃতির মাধ্যমে ট্রল করে শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে, যা একটি সুন্দর জাতি গঠনে বড় এক অন্তরায় বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) দুপুরে নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, জাতিকে একটি উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা উপহার দিতে বর্তমান সরকার যথাযথ কাজ করছে। এই ক্ষেত্রে কিছু মানুষ তরুণদের বিভ্রান্ত করে প্রযুক্তির অপতথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছেন।
নওগাঁ সদর উপজেলা হল রুমে অনুষ্ঠিত সভায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল খালেক, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাছানাত আলীসহ নওগাঁর ৬টি সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্যরা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের বরুনকান্দি মোড় এলাকায় অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে নামফলক উন্মোচনের মাধ্যমে শিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এই সময় মন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ, আধুনিক ল্যাইব্রেরি এবং কম্পিউটার ল্যাব ঘুরে দেখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ