ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রামিসা হত্যা মামলার রায়ে আসামিপক্ষের আইনজীবীর প্রতিক্রিয়া


রামিসা হত্যা মামলার রায়ে আসামিপক্ষের আইনজীবীর প্রতিক্রিয়া

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার, যে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল, ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষ ও ভুক্তভোগীর বাবা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অপরদিকে, আসামিপক্ষের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহও এই রায়ের সঙ্গে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।

ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এটি একটি দৃষ্টান্তমূলক রায়। রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেহীন এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন।

রায়ের পর তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায়, আসামিপক্ষের আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহ বলেন, অপরাধী অপরাধের বিচার পেয়েছে এবং তিনি এতে সন্তুষ্ট। প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে তিনি দোষও স্বীকার করেন। রায়ে সোহেল ও স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ রায় প্রকৃত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মধ্যে পড়ছে।

আরও পড়ুন: জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে ঢাকার চার স্থানে বিআরটিএর রোড শো

এই মামলার রায় ঘোষণার জন্য আজ সকালে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। ঠিক বেলা ১১টা ৫ মিনিটে বিচারক মামলার রায় পড়া শুরু করেন। সকল সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে, আসামিদের দোষী সাব্যস্ত করে আদালত মৃত্যুদণ্ডের পর অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করেন।

আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, জরিমানার টাকা আদায় হলে ভুক্তভোগী শিশুটির আত্মীয়দের সেই অর্থ পরিশোধ করা হবে। দণ্ডিত আসামিরা যদি এই অর্থ প্রদানে ব্যর্থ হন, তাহলে জেলা কালেক্টর দোষী ব্যক্তিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে সেই টাকা আদায়ের ব্যবস্থা করবেন।

অন্যদিকে, আদালত প্রাঙ্গণে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানানো শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি এই রায়ে শতভাগ খুশি। আমার মনের যে প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা ছিল, তা পূর্ণ হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আমি আশাবাদী যে এই রায় দ্রুত কার্যকর হবে। আল্লাহ পাকের রহমতে ও প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সময়ে আমরা কাঙ্ক্ষিত বিচার পেয়েছি।’

রামিসার বাবা আরও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসন, সাংবাদিক এবং বাংলাদেশের আপামর জনতা—যারা আমার এবং আমার পরিবারের এই কঠিন সমস্যার সময়ে মানসিকভাবে পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের সবার প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এখন আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের রায় দ্রুত কার্যকর দেখতে চাই।’

আরও পড়ুন: শেরপুর সীমান্তে হাতি-মানুষের সংঘাত নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোণায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আইইউবি শিক্ষার্থী সামির দাফন সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩৯ পি.এম


নেত্রকোণায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আইইউবি শিক্ষার্থী সামির দাফন সম্পন্ন

জেলা শহরের বাইপাস সড়কে ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার ফলে আলবার খান সামি (২২) নামের এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল শনিবার (৬ জুন) বাদ যোহর নামাজের পর জামাতের মাধ্যমে জানাজা পরিচালনা করা হয়। জানাজার শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন কার্য সম্পন্ন করা হয়।

পুলিশ এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে নেত্রকোণা বাইপাস সড়কে অবস্থানরত মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামি এই দুর্ঘটনার শিকার হন।

নিহত সামি রাজধানীর ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)-এর একজন শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি নেত্রকোণা পৌর শহরের চকপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইসলাম উদ্দিন খান চঞ্চলের পুত্র এবং নেত্রকোণা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিন খানের ভাতিজা।

পারিবারিক এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সামি একজন তরুণ শিক্ষার্থী যিনি তার পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক এবং সেবামূলক কাজে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির নেত্রকোণা জেলা ইউনিটের একজন সদস্য হিসেবে তাঁর দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করছিলেন।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার মধ্যরাতে সদরের বাইপাস সড়ক দিয়ে নিজের মোটরসাইকেল চালিয়ে বাসায় ফেরার পথে তিনি হঠাৎ মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এতে তিনি একটি দ্রুতগতির গাড়ির আঘাতে রাস্তার ওপর পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনা স্থানেই তার মৃত্যু ঘটে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নেত্রকোণা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার উল্লেখ করেন, ‘মধ্যরাতে বাইপাস সড়ক দিয়ে বাসায় ফেরার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতের দেহ উদ্ধার করে।’

তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর সুরতহাল প্রতিবেদন এবং প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর রাতেই নিহতের মৃতদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আমাদের মেধাবী এবং পরিচিত এই তরুণের আকস্মিক এবং অকাল মৃত্যুর ফলে তার পরিবার, সহপাঠী এবং নেত্রকোণা শহরের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে ডিবি পরিচয়ে স্বর্ণ ও টাকা ছিনতাই, গ্রেফতার ৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


রাজধানীতে ডিবি পরিচয়ে স্বর্ণ ও টাকা ছিনতাই, গ্রেফতার ৯

গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে একটি ডাকাতিচক্র অপরাধ করছে। রাজধানী থেকে ৯ ডাকাতকে গ্রেফতারের পর পুলিশ জানায়, ওয়ারীতে একটি ব্যবসায়ীর কাছ থেকে স্বর্ণ ও টাকা ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনা তদন্তে নেমে তারা এই আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সন্ধান পান।

রোববার (৭ জুন) তারা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব তথ্য প্রদান করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

গেল ২৭ মে রাত ১০টার দিকে, ওয়ারীর রথ খোলা সড়ক দিয়ে স্বর্ণ ও নগদ টাকা নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন ব্যবসায়ী হরিপদ পাল। পথে তাদের আটকায় ডিবি পরিচয়ে থাকা একদল ডাকাত। ডাকাতরা মামলার হুমকি দেখিয়ে ৫৭ ভরি স্বর্ণ এবং ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। সিসি ফুটেজে সেই ঘটনার দৃশ্য মিলেছে।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ওয়ারী থানায় মামলা দায়ের হলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে তারা জানতে পারে, ছিনতাইয়ের সাথে সরাসরি জড়িত একটি আন্তঃজেলা ডাকাত চক্র রয়েছে। ইত্তেফাক মোড় থেকে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যে কেরানীগঞ্জ থেকে ৩ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ এবং লুণ্ঠিত স্বর্ণের মধ্যে ১৭ ভরি স্বর্ণ ও টাকা উদ্ধার করা হয়। ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটিও জব্দ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মাসুদ রানা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি মূলত ডিবি পরিচয়ে অপরাধ করে আসছিল।

তিনি জানান, গ্রেফতার করা আসামিদের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ডাকাতির মামলা রয়েছে। এছাড়া, এ ঘটনার সাথে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির প্রধান সূতিকাগারে পরিণত করা হবে: মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪২ পি.এম


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির প্রধান সূতিকাগারে পরিণত করা হবে: মাহদী আমিন

ঢাকা, ৭ জুন, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, দেশের সর্ববৃহৎ উচ্চশিক্ষা নেটওয়ার্ক হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কেবল ডিগ্রি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হয়ে থাকবে না; বরং একে জ্ঞান-বিজ্ঞান, আধুনিক প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সুনাগরিক তৈরির অন্যতম প্রধান সূতিকাগারে পরিণত করা হবে। তিনি বলেন, ‘এই লক্ষ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি টেকসই, বাস্তবসম্মত ও যুগান্তকারী কর্মপরিকল্পনা রয়েছে।’ আজ রোববার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে ‘দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা’ বিষয়ক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। মাহদী আমিন বলেন, বিগত সাড়ে তিন মাসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে যে নতুন কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে, তার মূল ভিত্তি হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর সুদূরপ্রসারী ভিশন এবং বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার। উচ্চশিক্ষাকে শুধু সনদনির্ভর না করে একে কর্মমুখী, দক্ষতাভিত্তিক এবং জীবনঘনিষ্ঠ করতে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি জানান, এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ, ক্যারিয়ার সেন্টার ও জব প্লেসমেন্ট কার্যক্রম চালু, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কলাবোরেশন শক্তিশালীকরণ, শিক্ষানবিশকাল (এপ্রেন্টিসশিপ) ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ বৃদ্ধি, ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার প্রতিষ্ঠা ও তৃতীয় ভাষা শিক্ষার প্রসার, ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ কর্মসূচি, ‘ওয়ান স্টুডেন্ট ওয়ান ট্রি’ (এক শিক্ষার্থী এক গাছ) উদ্যোগ এবং পরিবেশবান্ধব ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে খাল খননসহ বিভিন্ন বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে উপদেষ্টা জানান, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপ্তি ও বিস্তৃতি বিশাল। দেশের সর্বাধিক অর্থাৎ ৩০ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ২ হাজার ২৮৫টি কলেজে অধ্যয়ন করছে। কেবল চলতি বছরেই ৪ লক্ষাধিক ছাত্রী বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হয়েছে, যা নারীর ক্ষমতায়নের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, প্রতিবছর এখান থেকে বিপুল সংখ্যক গ্র্যাজুয়েট বের হলেও তাদের একটি বড় অংশ কর্মসংস্থান খুঁজে না পেয়ে বেকারত্বের শিকার হচ্ছে। তাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত রূপান্তর মানে কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তন নয়; এটি সমগ্র বাংলাদেশের শিক্ষা, কর্মসংস্থান, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং লাখ লাখ পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের আন্দোলন। মাহদী আমিন আরও বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কেবল রাজধানীকেন্দ্রিক নয়, বরং এটি তৃণমূলের সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়নের প্রধান বাহনও। জেলা-উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত এই নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করার অর্থ হলো প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক দর্শন- অর্থাৎ তৃণমূলের উন্নয়ন, স্থানীয় সম্ভাবনার বিকাশ এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। সেশনজট দূর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার সেশনজট সমস্যার দ্রুত সমাধান ও মানসম্মত শিক্ষার প্রসারে নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশ প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ ডিজিটাইজেশন এবং নিরাপদ একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে একে একটি আধুনিক ও মানসম্মত গৌরবময় বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে, যার ইতিবাচক ফল শিক্ষার্থীরা খুব শিগগিরই পাবেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যাল প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট স্মরণ করে মাহদী আমিন বলেন, ১৯৯২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল উচ্চশিক্ষাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। তিনি অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর, সিউল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং ন্যাশনাল তাইওয়ান ইউনিভার্সিটির উদাহরণ টেনে বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ‘ন্যাশনাল’ শব্দটি কেবল নামের অংশ নয়; বরং তা জাতীয় উৎকর্ষ, চরিত্র গঠন ও নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে নিজ নিজ দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। তিনি অভিযোগ করেন, ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ সময়ে রাষ্ট্রীয় অন্যান্য কাঠামোর মতো শিক্ষা ব্যবস্থাকেও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল লক্ষ্যকে ধূলিসাৎ করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার সেই হতাশার চাদর ভেঙে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি-বান্ধব, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে, যারা আগামীর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার মূল চালিকাশক্তি হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এএসএম আমানুল্লাহ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষায় সহযোগিতা এবং মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৪৪ পি.এম


বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষায় সহযোগিতা এবং মানোন্নয়ন নিয়ে আলোচনা

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তার্কিশ কোঅপারেশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন এজেন্সির (টিকা) ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. আলি এরজান নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দল।

এটি রবিবার প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, অবকাঠোমো উন্নয়ন, কারিকুলাম আধুনিকায়ন এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উল্লেখ করেন, তুরস্ক বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি অর্জন করেছে, বাংলাদেশও ভবিষ্যতে সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে চায়। এজন্য প্রাথমিক স্তর থেকেই শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান, গণিত, প্রযুক্তি ও সমস্যা সমাধানমূলক দক্ষতার ভিত্তি শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো এমন একটি প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে একজন ১০ বছর বয়সী শিক্ষার্থী মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রবেশের সময় আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকবে।

প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগের কথা তুলে ধরে বলেন, সরকার বর্তমানে শিক্ষক প্রশিক্ষণ, নতুন শিক্ষাক্রম প্রণয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটাল শিক্ষা এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে শিক্ষা প্রশাসন, কারিকুলাম উন্নয়ন, অবকাঠামো পরিকল্পনা এবং নন-ফরমাল শিক্ষা বিষয়ে জ্ঞান বিনিময় কর্মসূচি শুরু করেছে। একই ধরনের সহযোগিতা তুরস্কের সঙ্গেও গড়ে তোলার আগ্রহ তিনি প্রকাশ করেন।

ভাইস-প্রেসিডেন্ট ড. আলি এরজান বলেন, প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের নেতৃত্ব, কর্মস্পৃহা এবং প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে তাঁর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে তার উদ্যোগ ও সংস্কার ভাবনা বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে আমরা আশাবাদী।

এই সময় উভয়পক্ষ প্রাথমিক শিক্ষা খাতে সম্ভাব্য আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা, মডেল স্কুল উন্নয়ন, শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, শিক্ষাবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ এবং জাতীয় শিক্ষা দর্শন ও পেডাগজিক্যাল পদ্ধতি বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%