ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দিনে ফাঁকা, রাতে মাদকসেবীদের আড্ডাস্থল ফুটওভার ব্রিজ


দিনে ফাঁকা, রাতে মাদকসেবীদের আড্ডাস্থল ফুটওভার ব্রিজ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনের জিরো পয়েন্ট ও গল্লামারী সড়কে নির্মাণ করা ফুটওভার ব্রিজটি বর্তমানে পথচারীহীন হয়ে পড়েছে। সোমবার তোলা ছবিতে দেখা যায়, ফুটওভার ব্রিজটির কোনও ব্যবহার নেই। এর নির্মাণের পর থেকে তাতে মানুষ চলাচল করছে না। রাত্রিবেলায় ব্রিজটি মাদকসেবীদের কবজায় চলে যায়।

স্থানীয় সড়ক ও জনপদ বিভাগ (সওজ)-এর দেওয়া তথ্যমতে, ব্রিজটি পরিকল্পনা করা হয়েছিল শিক্ষার্থী ও জনসাধারণের সুবিধার জন্য। ২০২৪ সালের জুন মাসে এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। ফুটওভার ব্রিজটি স্টিল প্লেট ও ১১টি পিলারের ওপর নির্মিত এবং এটি অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ২০১০ সাল থেকে প্রধান ফটকের সামনে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানাচ্ছিল। সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান ও স্থানীয় সংসদ সদস্য উভয়েই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পৃথকভাবে ডিও লেটার দেন। এরপর খুলনা সড়ক ও জনপদ বিভাগ ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

আরও পড়ুন: নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য স্বজনদের দীর্ঘ অপেক্ষা

তবে সোমबार (৬ জুলাই) সরেজমিনে এ ফুটওভার ব্রিজটিতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে খুবই কম সংখ্যক মানুষ ব্যবহার করছে। স্থানীয়দের মতে, ভর্তি পরীক্ষার মতো বিশেষ সময়ে ব্রিজটির প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হলেও বছরের অধিকাংশ সময় ব্রিজটি প্রায় অব্যবহৃত থাকে।

এছাড়া, ব্রিজের আশপাশের কিছু বাসিন্দা ও বহিরাগতরা রাতে মাদক সেবনসহ বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ফুটওভার ব্রিজটি কেন ব্যবহার করা হচ্ছে না - এই প্রশ্নের জবাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের একজন ছাত্র বলেন, ‘রাস্তায় স্পিড ব্রেকার থাকায় যানবাহন নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই আমার কাছে ব্রিজ ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের বিপরীত পাশে চায়ের দোকানদারের বক্তব্য, ‘ব্রিজটি সারাবছর ধরেই অব্যবহৃত থাকে। রাত হলেই মাদকসেবীরা ব্রিজের ওপর মাদক সেবন করে। এছাড়া অশালীন কার্যক্রমও ঘটে।’

আরও পড়ুন: মুন্সীগঞ্জ ডিসি অফিসে সোলার প্যানেলে উৎপাদন হবে ৮০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. কাজী সাইফুল ইসলাম জানান, ‘সড়কের দুই পাশে ব্যারিয়ার স্থাপন করলে পথচারীরা বাধ্য হয়ে ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করবে, ফলে নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত হবে ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমবে। ভবিষ্যতে প্রধান ফটকের বিপরীতে আরো দোকানপাট গড়ে উঠলে এর ব্যবহার আরো বাড়বে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘পথচারীদের নিরাপদ চলাচলের স্বার্থে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়েছে, তাই সবার উচিত এটি ব্যবহার করা।’ তিনি আরও বলেন, ‘সেখানে যদি কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ড ঘটে, সেগুলোর বিরুদ্ধে থানা ও পুলিশ প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে ভরা মৌসুমেও ইলিশের দেখা নেই, হতাশ জেলেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


কাউখালীতে ভরা মৌসুমেও ইলিশের দেখা নেই, হতাশ জেলেরা

পিরোজপুরের কাউখালীতে ভরা মৌসুমে উপজেলাবাসীর নদ-নদীতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। কঁচা, সন্ধ্যা, গাবখান ও কালিগঙ্গা নদীতে, দিন-রাত জাল ফেলার পরও অধিকাংশ জেলেরা খালি হাতে ফিরে আসছেন। যদিও দু-একটি ইলিশ ধরা পড়ছে, তবে এর দাম সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। ফলে একদিকে যেমন জেলেদের মধ্যে হতাশা উপনীত হচ্ছে, অন্যদিকে বাজারে ইলিশের দামও অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে গেছে। স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি ২ হাজার ৬০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এমনকি ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশও প্রতি কেজি ২ হাজার টাকার বেশি দাম হাঁকা হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষ ইলিশ কিনতে হিমশিম খাচ্ছে। উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, কাউখালী উপজেলায় প্রায় ২ হাজার ৫০০ জন ইলিশ শিকারি জেলে রয়েছেন। তাদের অধিকাংশেরই প্রধান জীবিকা হচ্ছে নদীতে মাছ ধরা। কিন্তু চলতি মৌসুমে পর্যাপ্ত ইলিশ না পাওয়ায় তারা অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছেন। কঁচা নদীর জেলে কাউছার হোসেন ও সমীরণ বলেন, "সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জাল ফেলেও কোনো দিন একটাও ইলিশ পাই না। যা পাই, তা দিয়ে নৌকার তেলের খরচও ওঠে না। সংসার চালানো খুব কষ্ট হয়ে গেছে।" সন্ধ্যা নদীর জেলে মজিবর ও হিরন বলেন, "ভরা মৌসুমে এমন অবস্থা আগে খুব কম দেখেছি। আমরা নদীতে সময় দিচ্ছি, কিন্তু মাছ নেই। বিকল্প কোনো কাজও নেই। অনেক পরিবার এখন অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে।" মৎস্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইলিশের স্বাভাবিক চলাচল ও প্রজনন অনেক সময় নদীর পানির প্রবাহ, লবণাক্ততার পরিবর্তন, জলবায়ু পরিস্থিতি এবং অতিরিক্ত আহরণের ওপর নির্ভর করে। এ বছর বিভিন্ন পরিবেশগত কারণে ইলিশের গতিপথ পরিবর্তিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নদীতে পর্যাপ্ত ইলিশ না আসার পেছনে নানা কারণ রয়েছে। এ প্রসঙ্গে কাউখালী উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, "চলতি সময়ে জেলেদের প্রত্যাশা অনুযায়ী ইলিশ ধরা পড়ছে না, বিষয়টি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। নদীর পরিবেশগত পরিবর্তন, পানির প্রবাহ এবং মাছের চলাচলের ধরন বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। জেলেদের দুর্ভোগের বিষয়টিও আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। বিভিন্ন সময়ে সরকারিভাবে জেলেদের সহায়তা দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানবপাচার রোধে একত্রে কাজ করবে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


মানবপাচার রোধে একত্রে কাজ করবে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম

বাংলাদেশ এবং ভিয়েতনামের দুই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদফতরে এই বৈঠক দু'পক্ষের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অন্যদিকে, ভিয়েতনাম প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির জননিরাপত্তা বিষয়ক উপমন্ত্রী সিনিয়র লেফটেন্যান্ট জেনারেল নগুয়েন ভ্যান লং।

আজ বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বৈঠকের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল উভয় দেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করা, নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং মানবপাচার ও অবৈধ অভিবাসন রোধে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকারের বিষয়টি নিশ্চিত করা।

গত জানুয়ারিতে ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির ১৪তম জাতীয় কংগ্রেস সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং নতুন নেতৃত্ব আগামী পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। এই বিষয়টি বৈঠকের শুরুতে ভিয়েতনাম সরকারকে সালাহউদ্দিন আহমদ আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন সরকার ভিয়েতনামের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক স্তরে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সম্পর্ককে আরও গতিশীল করতে আগ্রহী।

১৯৭৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত ঐতিহাসিক কূটনৈতিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ভিয়েতনামের সঙ্গেও তার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও বহুমুখী অংশীদারিত্বকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দু'দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কানেক্টিভিটি এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

বৈঠকে ভিয়েতনামে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা জটিলতা এবং অনিয়মিত অভিবাসীদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সালাহউদ্দিন আহমদ অনিয়মিত অভিবাসীদের প্রত্যাবাসন বিষয়ে ভিয়েতনাম সরকারকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন।

তিনি বাংলাদেশি প্রকৃত পর্যটক, ব্যবসায়ী, বৈধ কর্মজীবী এবং পারিবারিক ভিসাপ্রত্যাশী নাগরিকদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ ও শিথিল করার অনুরোধ জানান।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করে মন্ত্রী বলেন, মানবপাচার, মাদক চোরাচালান ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ দমনে উভয় দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ জোরদার করা প্রয়োজন।

এতদ্বারা দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে বলেও মন্ত্রী জানান, দুই দেশের মধ্যে 'প্রেফারেন্সিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট' (পিটিএ) স্বাক্ষরিত হবে। এতে দ্রুতই বাণিজ্যের পরিমাণ দ্বিগুণ হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী ভিয়েতনাম সরকারকে ধন্যবাদ জানান কারণ তারা বাংলাদেশ থেকে আলু আমদানির অনুমতি দিয়েছে এবং তিনি আন্তর্জাতিক মানের বাংলাদেশি ওষুধ সাশ্রয়ী মূল্যে আমদানির অনুরোধ করেন।

একইসঙ্গে বাংলাদেশের আকর্ষণীয় বিনিয়োগ পরিবেশের সুবিধা নিয়ে ভিয়েতনামের ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ আসিয়ান-এ বাংলাদেশের 'সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার' হওয়া এবং আরসিইপি-এর সদস্যপদ প্রাপ্তিতে ভিয়েতনামের জোরালো সমর্থন প্রত্যাশা করেন।

ভিয়েতনাম পক্ষ বাংলাদেশের উত্থাপিত বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে এবং দু'দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামীতে আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫. ফরিদপুরে তহবিলের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


৫. ফরিদপুরে তহবিলের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে ৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

 

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে ‘শ্রমিক কল্যাণ’ তহবিলের নামে রশিদ দিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগে পুলিশ ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা থেকে চারজনকে আটক করেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, তারা গত দুই সপ্তাহ ধরে মহাসড়কে পরিবহন থামিয়ে নিয়মিত টাকা সংগ্রহ করছিলেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যার আগে ফরিদপুর সদর উপজেলার মুন্সিবাজার এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে তাদের হাতেনাতে আটক করে। পরে কোতোয়ালি থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সেগুলো নেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে, এবং তারা শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি থানার ওসি মো. মাহমুদুল হাসান।

আটক ব্যক্তিরা হলেন মো. ফরহাদ হোসেন, মো. দিলু মিয়া, মো. জুলফিকার ও মো. মতি শেখ। তারা সদর উপজেলার বাসিন্দা এবং শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, গত কয়েক দিন ধরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী বিভিন্ন যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে ‘শ্রমিক কল্যাণ’ তহবিলের নামে রশিদ দিয়ে টাকা আদায় করা হচ্ছিল। বিষয়টি স্থানীয়দের প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ নজরদারি বৃদ্ধি করে। এর ফলে মঙ্গলবার অভিযানের মাধ্যমে আটক চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল যে, প্রতিটি বাস থেকে নির্দিষ্ট হারে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। পরে জানা যায়, আটক ব্যক্তিরা শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য। সংগঠনটি শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করে এবং তাদের তহবিলে অর্থ জমা দেওয়া হয়। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, ‘স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে পরিবহন থেকে টাকা উত্তোলনের সময় চারজনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে জানতে পারি চাঁদা আদায়কারীরা শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য। নিহত-আহত শ্রমিকদের কল্যাণে সংগঠনটি কাজ করে বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের জিম্মায় তাদের চারজনকে দেওয়া হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁ জেলা গোয়েন্দা শাখার স্পেশাল ড্রাইভ : আসল ডিবির হাতে সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী, ভুয়া ডিবি সুমন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০২ পি.এম


নওগাঁ জেলা গোয়েন্দা শাখার স্পেশাল ড্রাইভ : আসল ডিবির হাতে সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী, ভুয়া ডিবি সুমন গ্রেফতার

আজ আনুমানিক সাড়ে বারোটার দিকে আমার অফিসে (পুলিশ সুপার নওগাঁ মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম) এর কাছে এক ভুক্তভোগী এসে জানান যে, তার বলিহার বাজারে ঔষধের দোকান আছে। গত ০২/০৭/২০২৬ তারিখে দুপুর বেলা তার দোকান বন্ধ করে মোটর সাইকেল যোগে দুবলহাটি বাজারে তার ভাগিনার হাসের খামের দিকে রওনা হয়। পথিমধ্যে ইন্টিতলা মোড় পার হয়ে ২০০ গজ এগিয়ে গেলে মোটর সাইকেল করে দুইজন ব্যাক্তি ভুক্তভোগী ভোগির মোটর সাইকেল থামায়। ভুক্তভোগী কে মার ধর করে ভয়ভীতি দেখিয়ে ২০ হাজার টাকা জোর করে ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগীর কথা শুনে পুলিশ সুপার দ্রুত তাকে মামলা দায়ের করার পরামর্শ দেন সেই সাথে ভিকটিম কে জেলা গোয়েন্দা শাখায় প্রেরণ করেন। একই সাথে জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ কে দ্রুত আসামি সনাক্ত করে গ্রেফতারের নির্দেশনা দেন। জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ এর একটা বিশেষ টীম তথ্য প্রযুক্তি ও তথ্য সংগ্রহ করে যাচাই বাছাই করে নওগাঁ সদর থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে দলনেতা ও সন্ত্রাসী ভুয়া ডিবি সুমন কে গ্রেফতার করে। সুমন নামধারী এই সন্ত্রাসী নিজেকে ডিবি সুমন নামের সবার কাছে পরিচয় দেয়। এবং সে বলে জানিস আমি একজন ডিবিকে মেরেছি, সেজন্য আমার নাম ডিবি সুমন।

গ্রেফতার করার পর জেলা গোয়েন্দা শাখায় সন্ত্রাসী সুমনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসা করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ভুয়া ডিবি সুমন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। ভুয়া ডিবি সুমনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনের মামলা, ডাকাতির প্রস্তুতি মামলা, দস্যুতার মামলা, মারামারির মামলা, মাদক মামলা সহ প্রায় দশটি মামলা আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%