মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১৬ এম
মার্কিন সেনাবাহিনীর সচিব ড্যান ড্রিসকল পদত্যাগ করেছেন। এই তথ্যটি মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
ড্রিসকলের পদত্যাগের খবরটি দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে চলমান টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে এসেছে। মার্কিন সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক জেনারেলকে সরিয়ে দেওয়ার এবং উচ্চপদস্থ জেনারেলের সংখ্যা কমানোর বিষয়ে বিতর্কিত উদ্যোগের কারণে তাদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছিল।
ড্রিসকলের চলতি বছরের শেষ নাগাদ দায়িত্ব ছাড়ার সম্ভাবনা আগে থেকেই ছিল। তবে, তার পদত্যাগের পর হোয়াইট হাউস তার কাজের প্রশংসা করেছে।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা স্ট্রং এগেইন’ কর্মসূচির বাস্তবায়নে সেনাবাহিনী বিভাগে ড্রিসকল অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘ঐতিহাসিক সামরিক অভিযান পরিচালনায় নেতৃত্ব দেওয়া, সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি ও যুদ্ধ সক্ষমতার ওপর গুরুত্ব বাড়ানো এবং রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে আলোচনায় সহায়তা করাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ড্রিসকল গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।’
আনা কেলি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করে ড্রিসকলের অবদানের ফলে মার্কিন সেনাবাহিনী আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধান শিক্ষক তপন কুমার সাহার দাহ সম্পন্ন হয়েছে, যিনি বিদ্যালয় থেকে শিক্ষকতার বিদায় সংবর্ধনার দিন মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৫৯ বছর।
তিনি ছিলেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের বাকিলা ইউনিয়নের রাধাসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। সোমবার (৩১ আগস্ট) যখন তার মরদেহ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নিয়ে আসা হয়, তখন শিক্ষার্থী ও সহকর্মীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।
রবিবার (৩০ আগস্ট) রাত ৩টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চাঁদপুর শহরের নিজ বাসভবনে মারা যান তপন কুমার সাহা। হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
২০০৯ সাল থেকে তিনি প্রধান শিক্ষক হিসেবে এই বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সোমবার বিদ্যালয় মাঠে তার অবসরের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তার মৃত্যুর কারণে সেই অনুষ্ঠান আর হয়নি। পরে, তার মরদেহ বিদ্যালয় মাঠে নিয়ে আসা হলে শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও অভিভাবকরা ফুলের তোড়া দিয়ে তাকে শেষ বিদায় জানান।
এসময় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কান্না ও সহকারী শিক্ষকদের চোখের জল পরিবেশকে ভারী করে তোলে। সবশেষে, একই দিন বিকেলে তাকে হাজীগঞ্জের বলাখাল গ্রামে স্বশানে দাহ করা হয়।
মৃতের সহকর্মী লিমা আক্তার জানান, সোমবার (৩১ আগস্ট) তিনি চাকরি থেকে অবসরে যাচ্ছিলেন এবং একই দিন তার বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল। বিদ্যালয় মাঠে তার বিদায়ী সংবর্ধনার জন্য সামিয়ানা টানানো হয়েছিল এবং স্যারের ছবি সম্বলিত একটি ক্রেস্ট প্রস্তুত করা হয়েছিল।
কিন্তু তার কয়েক ঘণ্টা আগে সব শেষ করে স্যার চলে গেলেন পরপারে, এমনটাই জানালেন লিমা আক্তার। তিনি আরও জানান, স্যার ১ ছেলে ও ১ মেয়ের জনক। ছেলে শাওন সাহা মাস্টার্সে এবং মেয়ে তৃপ্তি সাহা বিওপিতে অধ্যয়নরত।
তপন কুমার সাহা চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের রাধাসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সোমবার তার কর্মজীবন শেষ করে অবসরে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু রাতে হৃদরোগ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাটহাজারীতে পাহাড়ের বনভূমি পরিদর্শনের সময় লুৎফর রহমান (৫৭) নামের এক বন বিভাগের কর্মকর্তার মৃত্যু ঘটেছে। গতকাল সোমবার, হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় সূত্র এবং ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকালে হাটহাজারী বন বিভাগের ডেপুটি রেঞ্জ কর্মকর্তা লুৎফর রহমান (৫৭) পৌরসভার পশ্চিম পাহাড়ের ফিল্ড ফায়ার রেঞ্জ সংলগ্ন ময়লার ভাঘার এলাকা, শিলছড়ি নামক স্থানে পাহাড় পরিদর্শনে যান। সেখানে তিনি উঁচু দুর্গম পাহাড়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে হাটহাজারী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান জানান, স্ট্রোকজনিত কারণে ওই বন কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রধান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির বিয়ের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। খবর রয়েছে যে, ইউরোপের লিচেনস্টাইন রাজ্যের এক রাজপরিবারের তরুণীর সঙ্গে তার বিয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে কিছুদিন ধরে চলা গুঞ্জনের পর অবশেষে বিলাওয়াল মুখ খুলেছেন।
বিলাওয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তার বাগদান ও বিয়ের খবরকে সরাসরি ‘গুজব’ হিসেবে খারিজ করেছেন। তিনি জানান, ‘প্রিন্সেস গ্লোরিয়া’ নামে কোনো নারীর সঙ্গে তার পরিচয় নেই।
সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় বিলাওয়াল বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তাকে শুধু বাগদানই করায়নি, বরং বিয়ের খবরও ছড়িয়ে দিয়েছে। তবে বাস্তবে তার জীবনে এমন কিছু ঘটেনি।
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার বিয়ের কথাও পাকা করে ফেলেছে, বাগদানও করিয়েছে এবং এমনকি বিয়েও দিয়ে দিয়েছে। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এমন কিছুই ঘটেনি।
অনলাইনে তার সঙ্গে ‘প্রিন্সেস গ্লোরিয়া’ নামের এক ইউরোপীয় নারীর সম্পর্ক ও সম্ভাব্য বিয়ের যে খবর ছড়িয়েছে, সেটিও তিনি অস্বীকার করেছেন। বিলাওয়াল বলেন, ‘আমি কোনো প্রিন্সেস গ্লোরিয়াকে চিনি না।’
তবে ভবিষ্যতে বিয়ে বা বাগদান নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হলে সেটি কিভাবে জানানো হবে, সে বিষয়েও পরিষ্কার করেছেন পিপিপি চেয়ারম্যান। বিলাওয়াল বলেন, আমার জীবনে যদি এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে সেই ঘোষণা আমার পরিবারই করবে।
বিলাওয়াল দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এসব ‘নাটক’ ছড়ানোর উদ্দেশ্য হলো জনগণের দৃষ্টি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ইস্যু থেকে সরিয়ে দেওয়া।
কীভাবে ছড়াল বিয়ের গুঞ্জন?
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে, বিলাওয়াল ইউরোপের একটি অভিজাত পরিবারের নারীর সঙ্গে বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার বাবা ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি ইউরোপে গিয়ে সম্ভাব্য বিয়ের বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
গুঞ্জনে কথিত পাত্রী হিসেবে ‘গ্লোরিয়া ভন হ্যাবসবার্গ’-এর নামও উঠে এসেছে। তবে এসব দাবির কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি এবং বিলাওয়াল নিজেই এখন তা অস্বীকার করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের নারোয়াল জেলার সিরাজ গ্রামে ১০০ বছরেরও বেশি পুরনো একটি ঐতিহ্যবাহী হিন্দু মন্দির ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে, যার উদ্দেশ্য মাদরাসা সম্প্রসারণ। এই ঘটনা ২১ আগস্ট ঘটেছিল এবং এটি দেশটিতে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।
সংখ্যালঘু অধিকার রক্ষা গোষ্ঠী পাকিস্তান মসীহা মিল্লাত পার্টি (পিএমএমপি) অভিযোগ করেছে যে, একদল লোক পরিকল্পিতভাবে এই
এবং ইট-গম্বুজসহ বিভিন্ন সামগ্রী সরিয়ে নিয়েছে, যাতে সংলগ্ন একটি মাদরাসার জায়গা বাড়ানো যায়। সংগঠনের চেয়ারম্যান আসলাম পারভেজ সাহোত্রা জানিয়েছেন, মন্দিরসংলগ্ন জমি পূর্বে মাদরাসাটিকে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু নিয়ম ভাঙার কারণে চলতি বছরের জানুয়ারিতে সেই ইজারা বাতিল করা হয়। জমিটি অবৈধ দখল মুক্ত করার জন্য আদেশ দেওয়া সত্ত্বেও তা বাস্তবায়ন না করায় এই ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। পিএমএমপি ইতিমধ্যে পাঞ্জাব সরকারের কাছে ঘটনার তদন্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
অন্যদিকে, সরকারি সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণকারী সংস্থা ইভাকুই ট্রাস্ট প্রপার্টি বোর্ড (ইটিপিবি) ভাঙচুরের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। ইটিপিবি কর্মকর্তা ইফতিখার রানা জানিয়েছেন, ভারি বৃষ্টির কারণে জরাজীর্ণ কাঠামোটি ধসে পড়েছে এবং কেউ এটি ভাঙেনি। তিনি আরও জানিয়েছেন, মন্দিরের নিজস্ব জমি কাউকে ইজারা দেওয়া হয়নি এবং শতবর্ষী এই স্থাপনাটির পুনরায় সংস্কারের বিষয়ে তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ