০২:২২ পি.এম
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মধ্য রাতে গ্যারেজে পার্কিং করা অবস্থায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কে চলাচলকারী আনন্দ পরিবহনের একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বাসটিতে আগুন লাগার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লা স্টেডিয়াম সংলগ্ন আলিফ গ্যারেজে। যেখানে পার্কিং করা ছিল আনন্দ পরিবহনের বাসটি, যার নম্বর ঢাকা মেট্রো ব ১১-৪০৩৮।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের বেলায় আলিফ গ্যারেজে বাসটি পার্কিং করে চালক ও হেলপার চলে যান। রাত সাড়ে ১২টার দিকে হঠাৎ করে বাসটিতে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। তখন গ্যারেজের কর্মচারী সানি ও অন্যান্য লোকজন বিষয়টি দেখে নিজেদের উদ্যোগে পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। প্রায় ১০-১২ মিনিটের মধ্যে তারা আগুন নেভাতে সক্ষম হন। তবে বাসের ভেতরে কেউ না থাকায় এ ঘটনায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আগুনে বাসটির আনুমানিক ১৫-২০টি সিট ও জানালা পুড়ে গেছে।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাসের চাপায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত, স্বামী ও সন্তান আহত
ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুব আলম সময় সংবাদকে জানান, বিষয়টি সন্দেহজনক। বাসে আগুনের খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে কোনো দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছে এমন ধরনের তথ্য তারা পাননি।
ওসি আরো বলেন, এর আগে একই স্থানে একই মালিকের আনন্দ পরিবহনের বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। গত রাতেও সেখানে আরও ৪/৫টি বাস পার্কিং করা ছিল। অন্য কোনো বাসে আগুন না দিয়ে শুধুমাত্র তার বাসেই আবারও আগুন দেয়া হলো। এ কারণে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। তারা তদন্ত করছেন যে ঘটনাটি ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে কিনা। তদন্তে যদি মালিকের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তাকে ছাড় দেয়া হবে না এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি তারা শুনেছেন। এর আগেও একই পরিবহনের বাসে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। এটি পরিকল্পিত কিনা, তা তারা খতিয়ে দেখছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের শ্রমিক আন্দোলনের ওপর নজর রাখছে ভারত: রণধীর জয়সওয়াল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন