মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর)প্রতিনিধি
শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১৯ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার দুটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জন পুরুষ ও ১২ জন নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) পেয়ার আহমেদ। এর আগে, শুক্রবার বিকেলে চৌমুহনী বাজারের ডালিয়া মার্কেটের রাজ আবাসিক হোটেল ও রিলাক্স আবাসিক হোটেলে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবি পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ও ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিকেল ৫টার দিকে এসআই মো. ওসমান গনির নেতৃত্বে একটি দল রাজ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালায়। এ সময় অসামাজিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে আরমান হোসেন (২২), নাছির উদ্দিন (৩২), মিজানুর রহমান (২২), মোজাম্মেল হোসেন (২০), রাকিব হোসেন (১৯) ও ৭ জন নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে, একই দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে একই এলাকার রিলাক্স আবাসিক হোটেলে এসআই মো. আনোয়ার হোসাইনের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ইমাম হোসেন (৫০) ও ৫ জন নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) পেয়ার আহমেদ আরও বলেন, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনের কারণে পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রাম বর্তমানে অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে। গত এক সপ্তাহে ভাঙনের ফলে নতুন করে ২০টি পরিবার তাদের ভিটেমাটি হারিয়ে সড়কের পাশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।
এই পরিবারগুলো মানবেতর জীবনযাপন করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাঙনের কারণে ইতিমধ্যে দেড় শতাধিক পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। অনেকেই এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। কিছু পরিবার ৮-১০ বার নতুন করে ঘর তৈরি করলেও নদীগর্ভে ভিটেমাটি হারানোর কারণে শেষ পর্যন্ত সড়কের পাশে আশ্রয় নিতে হয়েছে।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে দুমকী উপজেলার আঙ্গারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন সেল্টার, সিকদার বাড়ি জামে মসজিদ এবং মোল্লা বাড়ি। যদি ভাঙন অব্যাহত থাকে, তবে অচিরেই দুটি বাড়ি এবং একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিলীন হয়ে যাবে।
সম্প্রতি সরেজমিনে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করার সময়, ওই এলাকার বাসিন্দা নিটুলী রানীর সঙ্গে কথা হয়। তিনি জানান, এ পর্যন্ত তিনি সাতবার ভিটেমাটি হারিয়েছেন। সম্প্রতি তার শেষ আশ্রয়টুকু নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় তিনি সরকারি সড়কের পাশে আশ্রয় নিয়েছেন।
যাওয়ার জায়গা নেই’ উল্লেখ করে আরেক বাসিন্দা জাকির খান (৫০) বলেন, 'কত মানুষ আইল, কত কতা কইলাম, কামের কাম কিছুই হইল না। আমনেগো লগে কতা কইয়া হইবো কি? কেউতো আমাগো দিকে চাইলো না।'
রিপন মাল (৩৭)-এর ভাষ্য, ‘বাপ দাদাদের আমল থেকে এই গ্রামটি ভাঙছে। এই বয়সে পাঁচ-ছয়বার বসতঘর পাল্টাইছি। শেষ পর্যন্ত বাজারে গিয়া বাসা ভাড়া করে থাকছি।’
স্থানীয়দের মতে, এ পর্যন্ত তাদের সাড়ে ৩০০ একর জমি নদীগর্ভে চলে গেছে। ১৯৭৭-৭৮ সালে নদীর অপর প্রান্তে বাকেরগঞ্জের সঙ্গে নতুন চরে ৬০টি পরিবারের জন্য ৯০ একর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তবে বাকেরগঞ্জের লোকজন জবরদখল করে রাখায় তাদের কোনো পরিবার জমি পায়নি।
ভুক্তভোগী বাদল চৌকিদার জানান, বারবার নদীভাঙনে তাদের সহায়সম্বল এখন কিছুই নেই। বাধ্য হয়ে সড়কের পাশে বসবাস করতে হচ্ছে। তিনি প্রশাসনের কাছে তাদের পুনর্বাসনের দাবি জানান।
আংগারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শাহীন গাজী বলেন, ‘পায়রার অব্যাহত ভাঙনে আমাদের ওয়ার্ডটি বিলুপ্তির পথে। ভাঙনরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’
আংগারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান বলেন, ‘বাহেরচর গ্রামটি অস্তিত্ব রক্ষা এবং ভুক্তভোগীদের সাহায্যের জন্য প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা রাখার অনুরোধ করছি।’
দুমকী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী জানান, ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে উপজেলা পরিষদ থেকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হবে।ইউএনও বলেন, ‘ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের ষোলশহর স্টেশন এলাকায় শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনে কা/টা পড়ে নিহ/ত হয়েছেন ফেনীর দেলোয়ার হোসেন মিন্টু নামে ৫৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তি।
শুক্রবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে চশমা মসজিদের পাশে রেলওয়ে ক্রসিং এলাকায় চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের ধা/ক্কায় এ দু/র্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, রেললাইনের পাশের সড়কে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারকাজ চলায় পথচারীরা রেললাইন ঘেঁষে চলাচল করছিলেন। এ সময় রেললাইন দিয়ে হাঁটার সময় ১০ বছরের শিশু রাহাতের দিকে হঠাৎ ট্রেন চলে আসে।
শিশুটিকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে দেলোয়ার হোসেন মিন্টু ট্রেনে কা/টা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনায় শিশুটির ডান হাত ও ডান পা বি/চ্ছি/ন্ন হয়ে গু/রুতর আ/হত হয়। এ ঘটনায় আব্দুর রহমান নামে আরও একজন আহত হয়েছেন।
আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহত দেলোয়ার হোসেন মিন্টুর বাসা চট্টগ্রাম নগরীর পূর্ব নাসিরাবাদ তুলাতলী এলাকায় হলেও তার গ্রামের বাড়ি ফেনী জেলায়।
ষোলশহর স্টেশনের ইনচার্জ এসআই অসীম ধর দুর্ঘটনা ও হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ