ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

“বৃষ্টির মধ্যে মৌলভীবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী”


“বৃষ্টির মধ্যে মৌলভীবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী”

 

টানা বৃষ্টির মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজারে এসে পৌঁছেছেন। তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর, এই সফরটিই মৌলভীবাজারের জন্য প্রথম।

সফরকে কেন্দ্র করে, জেলা জুড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের সদস্যদের সতর্ক অবস্থায় দেখা গেছে।

আরও পড়ুন: জাতীয় ছাত্রশক্তি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নেতৃত্বে নাঈম ও ইমরান

এদিকে, বৃষ্টির বিরূপ পরিস্থিতি সত্ত্বেও শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় জনতাটা বিস্তৃত হয়েছে। শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে, জেলার বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে মিছিল নিয়ে দলের নেতাকর্মীরা জনসভাস্থলে আসতে শুরু করেন।

বৃষ্টির অব্যাহত থাকার পরও, ছাতা, রেইনকোট ও পলিথিন মাথায় দিয়ে মাঠে অবস্থান নিয়েছেন অনেকে। মাঠে জায়গার অভাব হওয়ায় আশপাশের সড়ক ও খোলা স্থানেও মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শোনার জন্য অপেক্ষমাণ জনতার মাঝে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। জনসভাকে কেন্দ্র করে পুরো শ্রীমঙ্গল শহরে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে ডাকাতির শিকার ৫০-৬০ যানবাহন, লুট ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা

বিভিন্ন স্থান থেকে আগত নেতাকর্মীরা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং মৌলভীবাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে দিকনির্দেশনা ও ঘোষণার প্রত্যাশা করেছেন।

জনসভাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করছেন। বৃষ্টির মধ্যেও মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি জনসভাটিকে আরো প্রাণবন্ত করে তুলেছে।

সুতরাং, স্থানীয়দের মতে, প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও শ্রীমঙ্গলে এ ধরনের জনসমাগম ঘটানা বিরল, যা প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও উদ্দীপনার প্রতিফলন।

সফরসূচি অনুযায়ী, দুপুর ১টায় শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এবং দুপুর আড়াইটায় মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

আরও পড়ুন: বরিশালে মা ইলিশ সংরক্ষণে নৌবাহিনীর অভিযান, জাল জব্দ

এদিকে, দুপুর ১২টার দিকে, শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধানমন্ত্রীর আগমনের পূর্বে প্রবল বাতাসে তৈরি করা একটি প্যান্ডেল উপকারভোগীদের বসার জন্য ভেঙে পড়ে। সত্ত্বেও, এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং মূল মঞ্চেরও কোন ক্ষতি হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“‘বিএনপির নামগন্ধ রাখব না’ লেখা চিরকুটসহ বস্তু উদ্ধার”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:২৩ পি.এম


“‘বিএনপির নামগন্ধ রাখব না’ লেখা চিরকুটসহ বস্তু উদ্ধার”

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার নওদা মটমুড়া গ্রামে একটি দোকানের সামনে বোমাসদৃশ বস্তু ও হুমকিসংবলিত একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনাটি এলাকায় চরম চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। বুধবার (১৭ জুন) সকালে নওদা মটমুড়া গ্রামের শরিফুল ইসলামের দোকানের সামনে থেকে বোমাসদৃশ বস্তু এবং হুমকিসংবলিত চিরকুটটি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া চিরকুটটিতে লেখা ছিল, ‘এই দোকানে বিএনপির কোনো লোক বসবে না। যারা বসবে তাদের সমস্যা আছে। এই গ্রামে বিএনপির নামগন্ধ রাখব না।’

দোকান মালিক শরিফুল ইসলাম জানান, সাধারণত মঙ্গলবার রাতে ব্যবসা-বাণিজ্য শেষ করে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যান। বুধবার সকালে যখন দোকান খুলতে আসেন, তখন দোকানের সামনে একটি বোমাসদৃশ বস্তু এবং একটি হুমকিমূলক চিরকুট দেখতে পান। এরপর গাংনী থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তুটি এবং চিরকুটটি উদ্ধার করে।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিস মোর্শেদ চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তারা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তকরণ ও আটক করার চেষ্টা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“ইসরাইলের একাধিক বিমান হামলায় কাঁপল লেবানন”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:২৫ পি.এম


“ইসরাইলের একাধিক বিমান হামলায় কাঁপল লেবানন”

দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরাইলি বাহিনী বুধবার একাধিক বিমান হামলা পরিচালনা করেছে। এ তথ্য লেবাননের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে যে শান্তি চুক্তি হয়েছে, তাও সত্ত্বেও এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। শান্তি চুক্তির আওতায় লেবাননও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

এ বিষয়ে খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ) জানায়, ইসরাইলি যুদ্ধবিমান নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা এলাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী শহর কফর তেবনিতের পূর্বাঞ্চলীয় উপকণ্ঠ লক্ষ্য করে হামলা চালায়।

এছাড়া, দক্ষিণের জাহরানি অঞ্চলের আনসারিয়েহ শহরেও একটি ড্রোন হামলা অনুষ্ঠিত হয় বলে এনএনএ জানিয়েছে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, সোমবার যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শেষ করার চুক্তি ঘোষিত হয়, তখন থেকে লেবাননে সহিংসতা কিছুটা কমেছে। তবে চুক্তির পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলায় পাঁচজনের মতো নিহত হয়েছে।

সহিংসতা কিছুটা কমে যাওয়ার ফলে দক্ষিণ লেবাননের কিছু বাসিন্দা তাদের গ্রাম ও শহরে ফিরতে শুরু করেছেন। কিন্তু লেবাননের সেনাবাহিনী স্থানীয়দের নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে ফিরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

এদিকে, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ মার্চ মাসের শুরুতে ইসরাইলের দিকে রকেট ছুঁড়েছিল, যার ফলে তারা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে লেবাননকে জড়িয়ে ফেলে। এর প্রতিক্রিয়ায় ইসরাইল ব্যাপক বিমান হামলা এবং স্থল অভিযানের উদ্যোগ নেয়।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি মঙ্গলবার মন্তব্য করেন, যদি ইসরাইলি বাহিনী লেবানন ও দখলকৃত অঞ্চল থেকে সরে না যায়, তাহলে সংঘাতের পূর্ণ সমাধান সম্ভব নয়।

অন্যদিকে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইলি বাহিনী প্রয়োজনমতো লেবাননে অভিযান চালিয়ে যাবে এবং মোতায়েন থাকবে।

হিজবুল্লাহ এখন পর্যন্ত মঙ্গলবারের পর থেকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার কোনো নতুন দাবি জানাননি। সংগঠনটির নেতা নাইম কাসেম বুধবার টেলিভিশনে ভাষণ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।

মঙ্গলবার তিনি ইরানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ইরান ইসরাইলের সামরিক অভিযান ‘তাৎক্ষণিক ও স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে’ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮২৬-এ। উদ্ধারকর্মীরা এখনও ধ্বংসস্তূপ থেকে অপর লাশ উদ্ধার করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“পিরিয়ড ট্যাক্স প্রত্যাহার, পাকিস্তানে সামাজিক ট্যাবু ভাঙার নতুন ধাপ”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:২৭ পি.এম


“পিরিয়ড ট্যাক্স প্রত্যাহার, পাকিস্তানে সামাজিক ট্যাবু ভাঙার নতুন ধাপ”

পিরিয়ড ট্যাক্স প্রত্যাহার, পাকিস্তানে সামাজিক ট্যাবু ভাঙার লড়াই।

রক্ষণশীল পাকিস্তানে নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য ও পিরিয়ড বিষয়টি যেন নিষিদ্ধ। জনপরিসরে এটি নিয়ে আলোচনা করা লজ্জার বিষয়, প্রায় অপরাধের সমতুল্য।

সামাজিক ট্যাবু ভাঙার চেষ্টা করতে দেখা যাচ্ছে অধিকারকর্মীদের, যারা বছরের পর বছর ধরে কাজ করে আসছেন। তবে এই বিশাল সামাজিক অচলায়তন ভাঙা এক দিনের কাজ নয়; দিনের পর দিন চেষ্টা চালাতে হবে। প্রকৃতপক্ষে, পাহাড়েরও ঘুম ভাঙাতে একসময় আঘাত করতে হয়।

বর্তমানে, দুটি তরুণ আইনজীবী সরকারের বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ করে সরকারের টনক কিছুটা নড়িয়েছে। ‘পিরিয়ড ট্যাক্স’ হিসেবে পরিচিত স্যানিটারি পণ্যের ওপর থেকে ১৮ শতাংশ বিক্রয় কর প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান সরকার।

নারীদের পিরিয়ড বিষয়টি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া, যদি সঠিক নিয়ম মেনে এবং স্বাস্থ্যকর স্যানিটারি পণ্য ব্যবহার করা হয়, তাহলে নারীরা পিরিয়ডকালীনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র বা সংসারে স্বাভাবিকভাবে নিজেদের কাজ চালিয়ে যেতে পারেন।

ইউনিসেফের মতে, পাকিস্তানে মাত্র ১২ শতাংশ নারী বাণিজ্যিক স্যানিটারি পণ্য ব্যবহার করেন। বাকি নারী একটানা কাপড়ের টুকরা বা অস্বাস্থ্যকর ঘরোয়া সামগ্রী ব্যবহার করেন, যা তাদের জন্য স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করে এবং অনেক সময় স্বাভাবিক কাজের ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করে। স্যানিটারি পণ্য ব্যবহারের এই আটকে থাকার মূল কারণ হচ্ছে এর উচ্চমূল্য। দীর্ঘদিন ধরে স্যানিটারি পণ্যকে বিলাস পণ্যের তালিকায় রাখা হয়েছিল।

দুই তরুণ আইনজীবী সরকারের বিরুদ্ধে করা এক মামলার সূত্রে সামাজিক পরিসরে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। গত বছরের অক্টোবরে ২৯ বছর বয়সী আহসান জাহাঙ্গীর খান ও ২৫ বছর বয়সী মাহনুর ওমর পিরিয়ড ট্যাক্স প্রত্যাহার করতে এবং স্যানিটারি পণ্যকে বিলাসপণ্যের বদলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে ঘোষণা করার দাবিতে আদালতে মামলা করেন।

মামলার আবেদনের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানে স্থানীয়ভাবে তৈরি স্যানিটারি পণ্যের ওপর ১৮ শতাংশ বিক্রয় কর এবং আমদানি করা স্যানিটারি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ রয়েছে। ইউনিসেফের মতে, অন্যান্য কর যোগ করে নারীদের পিরিয়ড পণ্যের ওপর মোট ৪০ শতাংশ অতিরিক্ত মূল্য দিতে হয়, যা সুবিধাবঞ্চিত নারীদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। এই বিষয়ে দুই আইনজীবীর অনুকূলে লড়াই ছিল। তাদের দাবি, সরকার যেন স্যানিটারি পণ্যের দাম কমিয়ে নারীদের জন্য সহজলভ্য করে।

আধিকারকর্মীরা বলছেন, পাকিস্তান সরকার নারীদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার অধিকারকে অবহেলা করছে, যা তাদের সমাজে পূর্ণ অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি করছে। এটি সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন, যা লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য নিষিদ্ধ করে।

দুই আইনজীবীর মামলার পর আদালত সরকারের কাছে জবাব চায়। সরকারের দেয়া জবাবে বলা হয়, স্যানিটারি পণ্যের ওপর কর হার অতিরিক্ত বা বৈষম্যমূলক নয়, কারণ এটি রাষ্ট্রের রাজস্ব চাহিদা মেটানোর জন্য তৈরি হয়েছে। তবে বছরের শুরুতে আদালতের কাছে দেয়া জবাবে সরকার স্যানিটারি পণ্যের উপর এই করকে বৈষম্যমূলক মনে না করলেও বর্তমানে অবস্থান পরিবর্তন করেছে। দেশের জাতীয় বাজেট প্রস্তাবনায় স্যানিটারি পণ্যের ওপর থেকে ১৮ শতাংশ বিক্রয় কর প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে।

গত শুক্রবার পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব বলেন, এ ধরনের পণ্য নারীদের স্বাস্থ্য, মর্যাদা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে পূর্ণ অংশগ্রহণের জন্য অপরিহার্য।

বিক্রয় কর প্রত্যাহারের ওই প্রস্তাবকে স্বাগত জানানো হয়েছে, তবে আবেদনকারী দুজন আইনজীবী স্যানিটারি প্যাড তৈরির কাঁচামালের ওপর অতিরিক্ত শুল্কসহ স্যানিটারি পণ্যের ওপর থাকা করব্যবস্থাটি পুরোপুরি বিলোপের দাবি জানিয়েছেন।

জাহাঙ্গীর খান বলেন, এই মামলাটি স্যানিটারি পণ্যের ওপর থাকা করব্যবস্থার অযৌক্তিকতাকে সামনে এনেছে। তিনি বলেন, 'যদি এই সাংবিধানিক পিটিশনটি না করা হতো, তবে সরকার হয়তো কখনোই বুঝতে পারত না যে বিক্রয় কর নেওয়াও ভুল ছিল।'

অধিকারকর্মীরা বলছেন, ১৮ শতাংশ বিক্রয় কর প্রত্যাহার করলেও তা সাধারণ নারীদের জন্য সহজলভ্য হবে না। পাকিস্তানের প্রায় ৪৫ শতাংশ মানুষ বৈশ্বিক দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে, তাদের দৈনিক আয় ১ হাজার ১৭৫ পাকিস্তানি রুপি। এক প্যাকেট স্যানিটারি প্যাড কিনতে তাদের এক দিনের আয়ের তিন ভাগের এক ভাগ খরচ হতে পারে।

যাহোক, দুই আইনজীবীর মামলা এবং সরকারের বোধোদয়ের কারণ হিসেবে নারীদের পিরিয়ড ও পিরিয়ডকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে যে আলোচনা হচ্ছে, তার গুরুত্ব অনেক। পিরিয়ড নিয়ে সামাজিক ট্যাবু ভাঙতে, কুসংস্কার দূর করতে এবং এই লড়াইটিকে এগিয়ে নিতে এই আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে।

সরকার স্যানিটারি পণ্যের ওপর ১৮ শতাংশ বিক্রয় কর প্রত্যাহার করলেও মামলাটি এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। সরকারের জবাবের পর মামলাটি বর্তমানে চূড়ান্ত যুক্তিতর্কের জন্য প্রস্তুত। ওমর ও খানের মামলাটি সফল হলে, আদালত স্যানিটারি পণ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত সব কর—কাঁচামালের ওপর আমদানি শুল্ক ও আমদানি করা স্যানিটারি পণ্যের ওপর থেকে সকল কর প্রত্যাহারের নির্দেশ দিতে পারে।

আবেদনকারী দুই আইনজীবী জানিয়েছেন, চূড়ান্ত বিজয় না আসা পর্যন্ত তারা নিজেদের লড়াই চালিয়ে যাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“ভুল আইভিএফের ঘটনায় নিজের নয় এমন শিশুকে বড় করছেন মার্কিন দম্পতি”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩০ পি.এম


“ভুল আইভিএফের ঘটনায় নিজের নয় এমন শিশুকে বড় করছেন মার্কিন দম্পতি”

যুক্তরাষ্ট্রে আইভিএফ পদ্ধতির ভুলের কারণে জন্ম নেওয়া একটি শিশুকে ঘিরে অস্বাভাবিক ও জটিল এক আইনি পরিস্থিতির অবসান ঘটেছে। শুরুতে মামলা হলেও শেষ পর্যন্ত এক দম্পতি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জৈবিকভাবে তাদের না হলেও তারা শিশুটিকে নিজেদের কাছেই রেখে বড় করবেন।

ঘটনার কেন্দ্রে রয়েছেন স্টিভেন মিলস এবং টিফানি স্কোর। ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর তারা একটি কন্যাশিশুর বাবা-মা হন। তবে জন্মের কিছুদিন পরই তাদের মনে সন্দেহ তৈরি হয়। কারণ দম্পতি দুজনেই শ্বেতাঙ্গ হলেও শিশুটির শারীরিক বৈশিষ্ট্য তাদের সঙ্গে মিলছিল না।

পরে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত ও পরীক্ষার পর জানা যায়, শিশুটির সঙ্গে তাদের কোনো জৈবিক সম্পর্ক নেই। অর্থাৎ আইভিএফ প্রক্রিয়ার সময় বড় ধরনের একটি ভুল হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। এই ঘটনার পর তারা ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো শহরের একটি ফার্টিলিটি ক্লিনিক এবং এর প্রধান চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

দম্পতির অভিযোগ, ২০২০ সালে তাদের শুক্রাণু ও ডিম্বাণু ব্যবহার করে তৈরি করা একটি ভ্রূণ ভুলভাবে অন্য এক নারীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়ে থাকতে পারে। সেই নারী এখন সেই শিশুটিকে জন্ম দিয়ে বড় করছেন, যে শিশুটি জৈবিকভাবে মিলস ও স্কোর দম্পতির সন্তান।

পরবর্তী সময়ে আইনজীবীরা জানান, শিশুটির জৈবিক বাবা-মাকে শনাক্ত করা হয়েছে। আদালতের নথিতে তাদের পরিচয় গোপন রেখে শুধু টপেশেন্ট ০০৪' হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

শুক্রবার আদালতে জমা দেওয়া এক নথিতে জানানো হয়, দুই পক্ষের মধ্যে একটি যৌথ অভিভাবকত্ব চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, স্টিভেন মিলস ও টিফানি স্কোরকেই শিশুটির স্থায়ী অভিভাবক হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে অন্য পক্ষের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

শিশুটির জৈবিক বাবা-মা জানিয়েছেন, তারা শিশুটির জীবনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চান। একই সঙ্গে তারা স্বীকার করেছেন, এই ঘটনায় কোনো পক্ষেরই সরাসরি দোষ নেই এবং এটি দুই পরিবারের জন্যই অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

সোমবার আদালত শুনানিতে বিচারক মার্গারেট শ্রাইবার এই সমঝোতাকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, শিশুটি এখনো খুব ছোট, এই পর্যায়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো দুই পক্ষের জন্যই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত।

মামলা শুরুর পর থেকেই দম্পতি বলে আসছিলেন, তারা শিশুটিকে বড় করতে প্রস্তুত। তবে তাদের মতে, শিশুটিকে তার জৈবিক বাবা-মায়ের সঙ্গে মিলিত করা এবং তারা চাইলে শিশুটিকে তাদের কাছে তুলে দেওয়া নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব।

সে সময় তাদের আইনজীবী বলেছিলেন, তারা এই শিশুটিকে খুব ভালোবেসে ফেলেছেন। তারা খুব খুশি হতেন যদি এই শিশুটিকে নিজেরাই বড় করতে পারতেন। কিন্তু তাদের চিন্তা ছিল যে সে অন্য কারো সন্তান। যে কোনো সময় কেউ এসে শিশুটিকে নিজের বলে দাবি করতে পারে এবং তাকে তাদের কাছ থেকে নিয়েও যেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%