বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:০৮ পি.এম
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে যুবদলের পদবঞ্চিত নেতারা। এই সাক্ষাতের সময় তারা বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি দেওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ জানান।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে রাজধানীর হেয়ার রোডের মির্জা ফখরুল ইসলামের সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয় এই সাক্ষাৎ। এতে যুবদলের পদবঞ্চিত নেতাদের মধ্যে অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ জন উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতাদের মধ্যে ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, মো. হুমায়ুন কবির, সাজ্জাদ হোসেন উজ্জ্বল, জাকির হোসেন খান, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির গ্রাম সরকার বিষয়ক সাবেক সম্পাদক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম রিয়ন, এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন বলেছেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল সেবা ও সফটওয়্যার সম্পূর্ণ দেশিয় প্রযুক্তি এবং বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের মেধায় তৈরি। এমনকি অত্যন্ত সাশ্রয়ী ব্যয়ে তৈরি একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যারের উদ্ভাবকও চুয়েটের একজন শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক কোর্সের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, চুয়েটে ভর্তি হওয়ার মধ্য দিয়ে তারা দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের একটি বিশেষ অংশে পরিণত হয়েছেন। এই যাত্রাকে অর্থবহ করতে হলে কঠোর অধ্যবসায়, গবেষণার মনোভাব এবং আত্মোন্নতির ধারাবাহিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণের সময় বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, কানাডা ও ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে চুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সাফল্যের সঙ্গে কাজ করতে দেখেছি। গুগল, অ্যামাজন, টেসলা, সিমেন্স, স্যামসাংসহ বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানে চুয়েটের শিক্ষার্থীরা দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন। বর্তমান নবীন শিক্ষার্থীরাও একদিন ঠিক এইভাবে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের যোগ্যতার পরিচয় দেবেন।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল রূপান্তরের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ভূমি সেবার বেশিরভাগ কার্যক্রম ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পরিচালিত হচ্ছে। ‘ভূমি অ্যাপ’-এর মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ, নামজারি, ই-পর্চাসহ বিভিন্ন সেবা ঘরে বসেই পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি ‘ভূমি দৃষ্টি’ নামে জিওফেন্সিং প্রযুক্তিনির্ভর একটি অ্যাপের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের সরকারি কর্মচারীদের উপস্থিতি ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদের ডিন ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ড. আসিফুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মদ আবু কাউছার, মেকানিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন ড. মুহাম্মদ রাশিদুল হাসান এবং রেজিস্ট্রার ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার মাঝিপাড়ায় নতুন নৌকা তৈরির ধুম ও পুরোনো নৌকা মেরামতের কাজ চলছে। বর্ষা মৌসুমে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে বগুড়ার সারিয়াকান্দি, সোনাতলা এবং ধুনট উপজেলার চরাঞ্চলসহ নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে এই কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। এতে করে মাঝিপাড়ার কারিগররা অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন।
যাতায়াত ও জীবনযাত্রার একমাত্র ভরসা হওয়ায় এই সময়টাতে কারিগরদের দম ফেলার ফুরসত পাওয়া সম্ভব হয়ে উঠছে না। শুধুমাত্র তাই নয়, নৌকার মালিকরা নতুন কাঠ ও বাঁশ সংগ্রহ করতে বিভিন্ন হাটে যাচ্ছেন এবং নৌকা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনছেন। এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলার ছোট ছোট নদীগুলোর জন্য বর্ষার সময়ে নৌকাই একমাত্র চলাচলের ভরসা। ফলে এই মৌসুমে কারিগরদের ব্যস্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বগুড়ার সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলায় বন্যা ও বর্ষাকালকে কেন্দ্র করে গ্রামে গ্রামে নৌকা তৈরির ধুম দেখা যাচ্ছে। অনেকেই পুরাতন নৌকায় আলকাতরা ও জোড়াতালি দিয়ে মেরামত করে যোগাযোগের উপযোগী করছে। অনেক ব্যক্তি শুধুমাত্র নিজেদের পরিবারের চলাচলের জন্য নৌকা তৈরি করছেন। তিনটি উপজেলার চরে লাখ লাখ মানুষের বসবাস রয়েছে। এইসব চরে শুকনো মৌসুমে যোগাযোগের জন্য পায়ে হাঁটার পথ থাকলেও বর্ষা মৌসুমে তা একেবারেই থাকে না। এই কারণে নৌকা যেন জীবন ও জীবিকার জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
প্রতিটি গ্রাম ও প্রতিটি বাড়ি যেন আলাদা আলাদা একটি দ্বীপ। তাই বর্ষা মৌসুমে যোগাযোগের জন্য নৌকাই একমাত্র ভরসা হয়ে উঠছে। প্রায় প্রতিটি পরিবারে একাধিক নৌকা রয়েছে। ছেলেমেয়েদের স্কুলে যাওয়া আসা, জীবন জীবিকার প্রয়োজন, অসুখে বিসুখে জরুরি প্রয়োজনে হাসপাতলে পৌঁছানোর জন্য সব কিছুর জন্য নৌকার প্রয়োজন হয়। তাই এই মৌসুমে নৌকা কেনা-বেচা ও পুরাতন নৌকা মেরামতের কাজ দারুণভাবে বৃদ্ধি পেয়ে যায়।
স্থানীয়দের কথা অনুযায়ী, যমুনা ও বাঙালি নদী বেষ্টিত সারিয়াকান্দি উপজেলায় বর্ষাকালে বন্যার তান্ডব দেখা দেয়। বন্যার পানিতে অনেকেই জীবন-জীবিকার তাগিদে মাছ শিকার করে থাকেন। তাৎক্ষণিকভাবে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে নৌকা প্রধান বাহন হয়ে দাঁড়ায়। এক চর থেকে অন্য চরে চলাচল করা ছাড়াও খেয়া পারাপারে নৌকা প্রধান বাহন হিসেবেও কাজ করে।
নৌকা তৈরির খরচ আকারভেদে ১৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। বর্তমানে যমুনা ও বাঙালি নদীতে পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। এ কারণে নৌকার প্রয়োজনতা উল্লেখযোগ্য হারে দেখা দিয়েছে। নদী পারের মানুষেরা নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পরেছেন। তারা ১০ হাত লম্বা থেকে ৭০ হাত পর্যন্ত লম্বা নৌকা তৈরি করছেন।
সারিয়াকান্দি উপজেলা সদরের চান্দিনা নোয়ারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হারুনুর রশিদ জানিয়েছেন, এবার তিনি ৩০ হাত একটি নৌকা তৈরি করাচ্ছেন। হারুনুর রশিদ ছাড়াও উপজেলার অনেকেই বর্ষায় ব্যবহার করার জন্য নতুন নৌকা তৈরি করছেন। নৌকা তৈরির সঙ্গে জড়িত কালিতলা ঘাটের আলম মিস্ত্রি জানিয়েছেন, তিনি ১০ হাত নৌকা তৈরি করে ১৩ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। গত বর্ষা মৌসুমে তিনি ৭০ থেকে ৭৫টি নৌকা তৈরি করেছিলেন এবং এবারও সেরকম নৌকা তৈরির ও মেরামতের অর্ডার পেয়েছেন। পর্যায়ক্রমে সেগুলো তৈরি ও মেরামত করার কাজ করবেন। এজন্য তাকে দিনরাত কাজ করতে হচ্ছে। ছোট নৌকার বেশির ভাগই যমুনা নদীতে মাছ ধরার কাজে ব্যবহার করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। এছাড়াও তিনি আরও বলেন, তার মতো আরও অনেকে বড় নৌকা তৈরি করছেন। যেগুলো ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে।
বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা ফরিদুর রহমান ফরিদ জানিয়েছেন, কৃষি পণ্য আনা-নেওয়া করার জন্য বর্ষাকালে নৌকা ব্যবহার করা হয়। নৌকা ছাড়া নদী পাড়ের মানুষের চলাচল সম্ভব নয়। এজন্য এ অঞ্চলের মানুষের মাঝে এখন পুরাতন নৌকা মেরামত ও নতুন নৌকা তৈরির ধুম পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলেকে টপকে গেলেন ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন। গতরাতে বিশ্বকাপ ফুটবলের রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে, ডি আর কঙ্গোর বিপক্ষে, ৭ মিনিটে পিছিয়ে পড়লেও অধিনায়ক হ্যারি কেনের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠে ছাড়ে ইংল্যান্ড। ম্যাচের ৭৫ এবং ৮৬ মিনিটে গোল দু’টি করেন কেন। ফলস্বরূপ, বিশ্বকাপের মঞ্চে কেনের গোল সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ তে। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় পেলের ১২ গোলের রেকর্ড ভাঙ্গলেন কেন। ১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০ সালে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য পেলে ১৬টি বিশ্বকাপ ম্যাচে ১২ গোল করেছিলেন। ফ্রান্সের জ্যঁ ফঁতেঁর ১৩ গোলকে স্পর্শ করেছেন কেন। জাতীয় দলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের মালিকও তিনিই। ১১৮ ম্যাচে ৮৪ গোল করেছেন কেন। এবারের আসরে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন কেন। নরওয়ের আর্লিং হালান্ডের সাথে ৫ গোলে তিনি রয়েছেন। ৬টি করে গোল নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে আছেন আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি ও ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। ২০১৮ বিশ্বকাপে ছয় গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছিলেন কেন। এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পাঁচ গোল করেছেন কেন। ইংলিশ খেলোয়াড়দের মধ্যে জিওফ হার্স্টের সাথে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে আছেন তিনি। ৬ গোল নিয়ে তালিকার শীর্ষে আছেন গ্যারি লিনেকার। দু’টি ভিন্ন বিশ্বকাপে পাঁচ বা তার বেশি গোল করা ষষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে রেকর্ড বইয়ের নাম তুলেছেন কেন। এর আগে এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন তেওফিলো কুবিলাস, মিরোস্লাভ ক্লোসা, থমাস মুলার, লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে। বিশ্বকাপে হেডের মাধ্যমে চার গোল করেছেন কেন। ১৯৬৬ সালের পর থেকে বিশ্বকাপে হেডে সবচেয়ে বেশি ৭ গোল করেছেন জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা। এরপর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫ গোল করেছেন গার্ড মুলার। ডি আর কঙ্গোর বিপক্ষে, ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। হাফ-টাইমে পিছিয়ে থেকে বিশ্বকাপে এই প্রথম জয় পেল ইংলিশরা। বিশ্বকাপের কোন ম্যাচে প্রথমে গোল হজম করার পরও, এটি ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় জয়। এর আগে ১৯৬৬ সালের ফাইনালে প্রথমে গোল হজম করে জয় পেয়েছিল ইংলিশরা। আফ্রিকান প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড এখন টানা ১০ ম্যাচ অপরাজিত। এর মধ্যে ছয়টিতে জয় এবং চারটিতে ড্র করেছে ইংলিশরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিলের বৈধতা নিয়ে জারি করা রুলের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। হাইকোর্ট আগামী ৯ জুলাই এই বিষয়ে রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) শুনানি শেষ হওয়ার পর বিচারপতি ফাহমিদা কাদের এবং বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায়ের দিন নির্ধারণ করেন।
আদালতে সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে, এই আসনের জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী নুরুল আমিনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির এবং আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
মামলার বিবরণ এবং আইনজীবীদের সূত্রে জানা গেছে, ঋণখেলাপির অভিযোগে নির্বাচন কমিশন ফটিকছড়ি আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল করেছিল। পরে সারোয়ার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনের ওই আদেশ স্থগিত করে তাকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ দেয়ার নির্দেশ দেন।
হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমিন আপিল বিভাগে 'লিভ টু আপিল' (আপিলের অনুমতি চেয়ে) আবেদন করেন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ জামায়াত প্রার্থীর লিভ টু আপিল গ্রহণ করেন। আদালত আদেশ দেন, সারোয়ার আলমগীর নির্বাচনের সুযোগ পাবে, তবে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই আসনের ভোটের ফলাফল প্রকাশ স্থগিত থাকবে।
পরবর্তী সময়ে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটে সারোয়ার আলমগীর বিজয়ী হন, তবে আদালতের ওই আদেশের কারণে নির্বাচন কমিশন এই আসনের চূড়ান্ত ফলাফল বা গেজেট প্রকাশ করতে পারেনি।
এদিকে, জামায়াত প্রার্থীর আপিলের শুনানি শেষে গত ১৬ জুন আদেশ দেন আপিল বিভাগ। আপিল নিষ্পত্তি করে সর্বোচ্চ আদালত সম্ভাব্য দুই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টকে রুলটি নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত রাখার আগের আদেশটি বহাল রাখা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় আজ হাইকোর্টে রুল শুনানি শেষ হলো, যার চূড়ান্ত ভাগ্য জানা যাবে আগামী ৯ জুলাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ