বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:২৯ পি.এম
রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ জানিয়েছেন, যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ রেলওয়ের লোকোমোটিভ ও কোচ (ক্যারেজ) সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, নতুন রেলপথ নির্মাণের পাশাপাশি পর্যাপ্ত লোকোমোটিভ ও ক্যারেজ সংগ্রহের মাধ্যমে যাত্রীসেবা সম্প্রসারণে সরকার সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয় সরকারের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এর অংশ হিসেবে রেলওয়েকে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও জনবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থায় রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
বর্তমান রেলওয়ের সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো লোকোমোটিভ ও ক্যারেজের ঘাটতি। এ কারণে যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। নতুন রেললাইন নির্মাণ হলেও পর্যাপ্ত ইঞ্জিন ও কোচের অভাবে অনেক ক্ষেত্রেই কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠার জন্য নতুন লোকোমোটিভ ও ক্যারেজ সংগ্রহের বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং ক্রয় প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, ভারত থেকে প্রায় ২০০টি ব্রডগেজ কোচ ও লোকোমোটিভ আনতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মিটারগেজ অঞ্চলে এখনও বড় ধরনের চাপ রয়েছে এবং মিটারগেজ লোকোমোটিভ সংগ্রহ না হওয়া পর্যন্ত ওই অঞ্চলে যাত্রীসেবায় কাঙ্ক্ষিত উন্নতি সম্ভব হবে না।
প্রতিমন্ত্রী আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে নতুন লোকোমোটিভ সংগ্রহের পদক্ষেপ বাস্তবায়নের আশাপ্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, নতুন রেললাইন নির্মাণের সঙ্গে সমন্বয় করেই লোকোমোটিভ ও কোচ সংগ্রহ করা হবে, যাতে রেলপথ চালুর সঙ্গে সঙ্গেই পূর্ণাঙ্গ যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা যায়।
নারায়ণগঞ্জ-কুমিল্লা কর্ড লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে এবং প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সিরাজগঞ্জ-বগুড়া নতুন রেললাইন প্রকল্পের কাজও চলমান রয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের জেলার মধ্যে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমে আসবে।
রাজধানী ঢাকার সাথে আশপাশের জেলা রেল যোগাযোগ জোরদারের জন্য নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ ও ভাঙ্গা এলাকায় কমিউটার ট্রেন সার্ভিস সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী পূর্বে আমদানিকৃত ডেমু ট্রেনগুলোর ভবিষ্যৎ ব্যবহারের বিষয়েও নতুন চিন্তা করছে সরকার। এক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে এগুলো সচল করার সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বর্তমানে বিভিন্ন স্টেশনকে বাণিজ্যিকভাবে উন্নত করার পরিকল্পনার কথাও তিনি জানালেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশনে বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে আধুনিক যাত্রীসেবা, উন্নত অপেক্ষাকক্ষ, বাণিজ্যিক সুবিধা এবং স্টেশন ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী ভবিষ্যতে নতুন লোকোমোটিভ ও কোচে যাত্রীদের জন্য ইন্টারনেট সুবিধা চালুর বিষয়েও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পাশাপাশি রেলওয়ের অব্যবহৃত জমি ও অবকাঠামো ব্যবহার করে বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে তিনি জানান, দেশের রেল লেভেল ক্রসিং আধুনিকায়নের কাজ শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে এবং যানজট কমাতে রেলক্রসিংগুলোতে আন্ডারপাস ও ওভারপাস নির্মাণের জন্য পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হচ্ছে পুরো রেল নেটওয়ার্ককে ধীরে ধীরে ব্রডগেজে রূপান্তর করা, যেখানে প্রয়োজন হলে ডুয়েল গেজ রাখা হবে। এটি পরিচালন ব্যয় কমাবে এবং রেল পরিচালনা আরও সহজ হবে।
আন্তঃনগর ট্রেনে দাঁড়িয়ে যাতায়াতের (স্ট্যান্ডিং টিকিট) বিষয়ে তিনি বলেছেন, সরকার এ ব্যবস্থাকে সমর্থন করে না তবে অতিরিক্ত যাত্রীচাপের কারণে বাধ্য হয়ে অনেক সময় স্ট্যান্ডিং টিকিট দিতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, একজন যাত্রী এসি চেয়ারে বসে যাবেন, আর তার মাথার ওপর আরেকজন দাঁড়িয়ে থাকবেন, এটি কোনোভাবে কাঙ্ক্ষিত নয়। কিন্তু বর্তমানে চাহিদা এত বেশি যে অনেক সময় এ ব্যবস্থা রাখতে হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামীতে নতুন লোকোমোটিভ, ক্যারেজ ও ট্রেন সংখ্যা বাড়ানোর ফলে যাত্রীসেবা বিস্তৃত হবে এবং স্ট্যান্ডিং টিকিটের প্রয়োজনও ধীরে ধীরে হ্রাস পাবে। একই সঙ্গে যাত্রীদের অভিযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
তিনি জানান, আমাদের লক্ষ্য শুধু নতুন রেললাইন নির্মাণ নয়; বরং আধুনিক প্রযুক্তি, পর্যাপ্ত লোকোমোটিভ, উন্নত স্টেশন, নিরাপদ অবকাঠামো এবং মানসম্মত যাত্রীসেবা নিশ্চিত করে বাংলাদেশ রেলওয়েকে একটি সময়োপযোগী ও নির্ভরযোগ্য গণপরিবহন ব্যবস্থায় পরিণত করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীতে পিকআপ ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত যুবকের নাম জোহান (৩০)। এ ঘটনায় তার স্ত্রী সেতু (২৭) গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের রাজবাড়ী সদর উপজেলার চন্দনী ও আফড়া এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জোহান কুষ্টিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকার মোশারফ হোসেনের ছেলে। আহত সেতুকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জোহান ও তার স্ত্রী কালুখালী থেকে মোটরসাইকেলে করে রাজবাড়ী শহরের দক্ষিণ ভবানীপুর এলাকায় সেতুর বাবা আজিজুল হক টিটুর বাড়িতে যাচ্ছিলেন।
পথে চন্দনী ও আফড়ার মাঝামাঝি এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা মুরগির খাঁচাবাহী একটি পিকআপের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
উল্লেখ্য, সংঘর্ষের পর মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে ছিটকে পড়ে। এর ফলে, জোহান সড়কের পাশের জঙ্গলসংলগ্ন পানিভর্তি খালে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। স্থানীয়রা গুরুতর আহত সেতুকে উদ্ধার করে রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পাংশা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আল মামুন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি দৃঢ় সমর্থন বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
আজ সকালে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস. ওয়াই. রমাদান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই সাক্ষাতের সময় ফিলিস্তিনের ন্যায্য অধিকার এবং একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতি বাংলাদেশ অটল থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশের এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আন্তরিক ও ফলপ্রসূ আলোচনা করেন।
হুমায়ুন কবির ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি বাংলাদেশের অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একইসঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ন্যায়সঙ্গত এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান পুনরায় তুলে ধরেন।
রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস. ওয়াই. রমাদান বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রতি ফিলিস্তিনের প্রতি দীর্ঘদিনের এবং অবিচল সমর্থনের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে মিশর সত্যি স্বস্তির খবর পেয়েছে। অধিনায়ক মোহামেদ সালাহ, যিনি হ্যামস্ট্রিং চোটের কারণে দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, তিনি অবশেষে অনুশীলনে ফিরেছেন।
গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের আগে তিনি দলের আংশিক অনুশীলনে অংশ নিয়েছেন, যা মিসর শিবিরে ব্যাপক স্বস্তি এনেছে।
তবে, তিনি এখনো পুরো শক্তিতে অনুশীলন করতে পারছেন না। এরপরও, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তাঁকে পাওয়া নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, সেটি কিছুটা কেটেছে। গ্রুপ পর্বের সময়, ইরান ম্যাচের আগে তিনি চোট পেয়েছিলেন এবং মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন।
খবরটি রয়টার্সের মাধ্যমে এসেছে।
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ইরানের বিরুদ্ধে খেলার সময় সালাহ হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লাগানোর কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। এরপর তাকে নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে মিসরীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন তাকে অনুশীলনে হাসিমুখে দেখতে পাওয়ার পর স্যোশাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশন দেয় ‘রাজা ফিরে এসেছেন’।
ডালাসে ৪ জুলাই রাউন্ড ১৬-তে উঠার লড়াইয়ে ‘দ্য ফারাওস’রা অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে ধনী প্রেসিডেন্ট হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়েছেন। ২০২৫ সালের আর্থিক বিবরণে দেখা গেছে, গত এক বছরে তার আয়ের বড় অংশ এসেছে ডিজিটাল মুদ্রাভিত্তিক (ক্রিপ্টোকারেন্সি) ব্যবসা থেকে। একই সঙ্গে গলফ ক্লাব, অবকাশকেন্দ্র, হোটেল এবং আন্তর্জাতিক লাইসেন্সিং ব্যবসা থেকেও তিনি বিপুল আয় করেছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি নৈতিকতা দপ্তরে জমা দেওয়া ট্রাম্পের আর্থিক বিবরণে ডিজিটাল মুদ্রাসংক্রান্ত ব্যবসা থেকে এক হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বেশি আয়ের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠান থেকেই প্রায় ৮০০ কোটি ডলার আয় হয়েছে। এ ছাড়া তার নামে চালু হওয়া একটি ডিজিটাল মুদ্রা থেকেও এসেছে কয়েক শ কোটি ডলার।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের ব্যবসাগুলোও আগের মতোই লাভজনক রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে থাকা তার গলফ ক্লাব, অবকাশকেন্দ্র, হোটেল ও বাণিজ্যিক স্থাপনা থেকে গত বছর ৫০০ কোটি ডলারের বেশি আয় হয়েছে। ফ্লোরিডার মার-আ-লাগো ক্লাব থেকেও এসেছে কয়েক কোটি ডলার।
এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন প্রকল্পে নিজের প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ আয় করছেন ট্রাম্প।
বিবিসির এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, একসময় ট্রাম্পের সম্পদের প্রধান ভিত্তি ছিল রিয়েল এস্টেট ও হোটেল ব্যবসা। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক খাত, বিশেষ করে ডিজিটাল মুদ্রায় বিনিয়োগ, তার সম্পদ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
ইতিহাসের অন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টদের সঙ্গে তুলনা করলে ট্রাম্পের সম্পদের পরিমাণ অনেক বেশি। মূল্যস্ফীতির সমন্বয় করেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির সম্পদের পরিমাণ ছিল আনুমানিক ১০০ কোটি ডলারের কিছু বেশি। আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটনের সম্পদের মূল্য ছিল কয়েক শ কোটি ডলারের সমপরিমাণ। তুলনায় ট্রাম্পের মোট সম্পদের পরিমাণ এখন কয়েক হাজার কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
তবে তার এই বিপুল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য নিয়ে সমালোচনাও রয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, দায়িত্বে থাকা একজন প্রেসিডেন্টের এত বড় ব্যবসায়িক স্বার্থ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বার্থের সংঘাত তৈরি করতে পারে।
যদিও হোয়াইট হাউস এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, ট্রাম্প সরাসরি তার ব্যবসা পরিচালনা করেন না। ব্যবসাগুলোর দেখভাল করেন family's সদস্য ও নিযুক্ত ব্যবস্থাপকরা।
সর্বশেষ আর্থিক বিবরণে ব্যবসা, প্রযুক্তিনির্ভর বিনিয়োগ, বিলাসবহুল স্থাপনা ও আন্তর্জাতিক লাইসেন্সিং কার্যক্রম থেকে পাওয়া আয়ের তথ্য ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে ধনী প্রেসিডেন্ট হিসেবে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ