ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গ্রাহকদের আমানত ফেরত শুরু, এবার পূর্ণাঙ্গ ব্যাংকিং সেবার প্রস্তুতি


গ্রাহকদের আমানত ফেরত শুরু, এবার পূর্ণাঙ্গ ব্যাংকিং সেবার প্রস্তুতি

৫টি সংকটে পড়া বেসরকারি ব্যাংকের সব দায় ও সম্পদ একীভূত করে গঠিত 'সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক' এখন পূর্ণাঙ্গভাবে সচল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ চূড়ান্ত করার পাশাপাশি গ্রাহকদের আমানত ফেরত দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা এবং মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের পৃথক দুটি প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী সংসদে জানালেন, তীব্র আর্থিক সংকটে থাকা একটি সহ মোট ৫টি ব্যাংককে 'ব্যাংক রেজল্যুশন স্কিম, ২০২৫'-এর আওতায় আনা হয়েছে। এই স্কিমের অধীনেই ব্যাংকগুলোর সমস্ত দায় ও সম্পদ নবগঠিত সম্মিলিত ইসলাস ব্যাংকটিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর ফলে আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া এখন শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী খুলনায় পৌঁছেছেন, সুন্দরবন ও বানৌজা মোংলা পরিদর্শন করবেন

তিনি জানিয়েছেন, 'আমানত সুরক্ষা আইন, ২০২৬'-এর অধীনে উক্ত ৫টি ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য প্রাথমিকভাবে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা করে পরিশোধ করা হচ্ছে। এ ছাড়া বর্তমানে অন্যান্য ব্যাংকগুলো যা তারল্যসংকটে ভুগছে, সেগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগ নিবিড়ভাবে কাজ করছে। যদি পরিস্থিতির উন্নতি না হয় এবং প্রয়োজন দেখা দেয়, তবে ওই সব ব্যাংকের বিষয়ে 'ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬' অনুসারে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অর্থমন্ত্রী সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসিকে পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর ও সচল করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নানামুখী পরিকল্পনার সম্পর্কে জানান। তিনি উল্লেখ করেন, রেজল্যুশনের আওতায় আসা ৫টি ব্যাংকের গ্রাহকরা এখন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে তাদের আমানত উদ্ধার করতে সক্ষম হচ্ছেন। ব্যাংকটিকে দ্রুত পুরোপুরি সচল করার জন্য ইতোমধ্যে সরকার একটি নতুন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মনোনীত করেছে এবং তিনি দায়িত্বভারও গ্রহণ করেছেন। এরপর পরিচালনা পর্ষদে অন্যান্য যোগ্য পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এমডি নিয়োগের সঙ্গে সঙ্গে কোম্পানি সেক্রেটারি, চিফ ফাইন্যান্স অফিসার এবং চিফ টেকনোলজি অফিসার নিয়োগের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

সংসদে জানানো হয়েছে যে, নতুনভাবে গঠিত এই পরিচালনা পর্ষদ ব্যাংকটিকে দ্রুততম সময়ে সম্পূর্ণ কার্যকর ও পূর্ণ লেনদেন চালু করার লক্ষ্যে কাজ করছে। বর্তমান সময়ে ব্যাংকটির নতুন অর্গানাইজেশন কাঠামো এবং চাকরি প্রবিধানমালা প্রস্তুতকরণের কাজ চলছে। পাশাপাশি ৫টি ব্যাংকের আইটি, সিবিএস, জনবল এবং শাখাগুলো একীভূতকরণের জটিল প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এসব প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার মাধ্যমে খুব দ্রুত ব্যাংকটির স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পুরোদমে চালু করা সম্ভব হবে, জানালেন অর্থমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: যে পাপ করেছি, তার মাসুল এখন দিতে হচ্ছে: রুমিন ফারহানা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের প্রেসিডেন্টকে রাজকীয় সংবর্ধনা দিল পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান বহর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০১ পি.এম


ইরানের প্রেসিডেন্টকে রাজকীয় সংবর্ধনা দিল পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান বহর

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে আকাশপথে রাজকীয় অভিবাদন জানানো হয়েছে পাকিস্তান বিমান বাহিনী (পিএএফ) দ্বারা।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) তার বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করার সাথে সাথে পিএএফের একটি বিশেষ এসকর্ট স্কোয়াড্রন সেটিকে চারপাশ থেকে ঘিরে স্বাগত জানায়।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানাচ্ছে, এই বিশেষ আকাশ প্রহরা আয়োজন করা হয়েছিল ইরানি প্রেসিডেন্টকে রাজকীয় সংবর্ধনা দেয়ার জন্য। এতে বিমান বাহিনীর অত্যাধুনিক ৬টি জেএফ-১৭ থান্ডার এবং এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের একটি শক্তিশালী ফরমেশন অংশগ্রহণ করে। মাসুদ পেজেশকিয়ান সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শেষে সরাসরি পাকিস্তান সফরে আসেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর আকস্মিক সামরিক হামলা চালানোর পর এটি প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের প্রথম বিদেশ সফর। পরে, যখন ইরানি প্রেসিডেন্টকে বহনকারী বিমানটি পাকিস্তানের মাটিতে অবতরণ করে, তখন তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা এবং উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ।

পাকিস্তান বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রীয় অতিথিদের জন্য আয়োজিত এই ঐতিহ্যবাহী আকাশ প্রহরা মূলত সফররত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের প্রতি পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের গভীর আতিথেয়তা ও কূটনৈতিক শ্রদ্ধাকে তুলে ধরার জন্য। একই সাথে, এই বিশেষ স্কোয়াড্রনে জেএফ-১৭ থান্ডার এবং এফ-১৬ বিমানের সক্রিয় অংশগ্রহণ পাকিস্তান বিমান বাহিনীর আধুনিক অভিযানিক সক্ষমতা এবং পেশাদারিত্বের একটি বড় প্রদর্শনও।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে সংসদে উত্তেজনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০১ পি.এম


কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে সংসদে উত্তেজনা

জাতীয় সংসদে পবিত্র কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে একটি উত্তেজনাপূর্ণ বাহাস চলে গেছে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, কোরআনের ‘ভুল ব্যাখ্যা’ দেওয়া হয়েছে। তারা বলেছে, কোরআনের আয়াত ও হাসিদের বাণী ঠাট্টা-বিদ্রুপের বিষয় নয়। অপরদিকে, সরকারি দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে অপব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। সরকারি দলের সদস্যরা উল্লেখ করেছেন যে, ভুলক্রমেও ইসলামের প্রতি অবমাননামূলক কিছু হলে তারা তার নিন্দা করবে। তবে বিষয়টিকে এইভাবে ব্যবহার করা উচিত হবে না। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদে জানিয়েছিলেন যে, কোরআনের অবমাননাকর কিছু হলে তা পরীক্ষা করে এক্সপাঞ্জ করা হবে।

বুধবার, ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেটের প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনায় বক্তব্য প্রদান করেন সরকার দলের এমপি আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ। তাঁর বক্তব্যের এক অংশে তিনি বিরোধী দলের সমালোচনা করে বলেছিলেন, ‘আমাদের ডান পাশে যারা আছেন, তাদের সেদিন মিছিলে যাওয়ার কারণ আমি জানি না। মাননীয় স্পিকার, আমাদের কাছে এসে আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং মাননীয় মন্ত্রীদের কাছে বাজেট চাইবেন, বরাদ্দ চাইবেন। কিন্তু রাস্তায় গিয়ে মিছিল করবেন।’

তিনি পবিত্র কোরআনের সূরা ইব্রাহিমের সাত নম্বর আয়াতের তেলওয়াত করে বলেন, ‘শোকর করতে হবে জীবনের। শোকর করতে হবে বরাদ্দের। শোকর করতে হবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। শোকর করতে হবে আমাদের মন্ত্রীদের। তাদের শোকর করা উচিত, কিন্তু তারা অস্বীকার করে।’ তিনি আরো বলেন, ‘এ জন্য তাদের কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে।’

উল্লেখ্য, সূরা ইব্রাহিমের এই আয়াতটির অর্থ হলো, যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর তবে আমি নিশ্চিত তোমাদের জন্য (আমার নেয়ামাত) বৃদ্ধি করে দেব। আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও তবে জানো, অকৃতজ্ঞদের জন্য আমার শাস্তি অবশ্যই কঠিন।

এ বক্তব্যের পর জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বলেন, কোরআন ও হাদিসের আয়াত ঠাট্টা বিদ্রুপের বিষয় নয়। এই বিষয়টি নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করা হলে তা দুঃখজনক। তিনি আরও বলেন, ‘ওই আয়াতের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে।’ তিনি প্রশ্ন করেছেন, ‘তাদের প্রশংসা করলে কি তারা আরো বাড়িয়ে দেবেন? আর তাদের ইয়ে না করলে আমাদের কি তাদের সঙ্গে মারামারি করতে হবে? এটা তো আসলে ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে।’

তিনি উল্লেখ করেন যে, এ ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কঠোর সতর্ক বাণী এসেছে, যে এগুলো ঠাট্টা বিদ্রুপের বিষয় নয়। জামায়াতের এই প্রতিনিধি বলেন, কোরআন ও হাদিসের ভুল ব্যাখ্যা নিয়ে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে। এ বিষয়গুলোর কোনো অবমাননা করা যাবে না। স্পিকারকে (হাফিজ উদ্দিন আহমদ) আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এরপর বলেন, আলমগীর মাহমদুল্লাহ ফরিদ একজন পুরোনো সংসদ সদস্য। তিনি কোরআন হাদিস নিয়ে কোনো ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করবেন না। তবে আমরা পরীক্ষা করে দেখব যদি কোনো ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সেটা এক্সপাঞ্জ হবে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ, এখানে কোরআন হাদিসের ভুল ব্যাখ্যা কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না।’ সংসদ সদস্যরা এ কথার প্রতি টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানান।

এ সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ফ্লোর নিয়ে বলেন, আমি বিতর্কে যাবো না। তিনি জানান, যদি বিরোধী দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ ওঠে যে, আমাদের একজন সংসদ সদস্য কোরআনের আয়াতে ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন তখন বিষয়টি যথাযথ নয়। তিনি বলেন, আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ ফরিদ একজন মওলানা এবং মাদ্রাসা পাশ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ‘যদি আমরা আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করি, আল্লাহ আমাদের আরো বাড়িয়ে দেবেন।’

তিনি জানান, বিষয়টিকে রাজনৈতিকভাবে অপব্যাখ্যা করা উচিত হবে না। বাংলাদেশের ৯২ শতাংশ মুসলমানের দেশে, যদি কোনো সংসদ সদস্যের বক্তব্য ভুলক্রমেও ইসলামের প্রতি অবমাননামূলক হয়, তাহলে আমরা তার নিন্দা করবো। তবে এটাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা অর্থহীন।

যখন বিরোধী দল আপত্তি জানাতে শুরু করে, স্পিকার বলেন, ‘আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ ফরিদ একজন প্রবীণ সংসদ সদস্য। তিনি এখানে কোনো ব্যঙ্গাত্মক কথা বলবেন না। আর তিনি যেহেতু মাদ্রাসার ছাত্র, তাই বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক করতে চাই না।’ এ সময় মুজিবুর রহমান বলেন, ‘এই আয়াতটি কেন নাজিল হয়েছে? এটি আল্লাহ তাআলা তার অগণিত নেয়ামতের বর্ণনা করেছে। তিনি বলেছেন, যদি তোমরা আল্লাহর নেয়ামতকে গুণতে চাও, তাহলে শেষ করতে পারবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আল্লাহর নিয়ামত ভোগ করি এবং আমি কিভাবে আল্লাহর বিরুদ্ধে কোনো কথা বলতে পারি? আমাকে যে শক্তি আল্লাহ দিয়েছেন, তার মাধ্যমে আল্লাহর বিধি-বিধানের পক্ষে কথা বলতে হবে।’

মুজিবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেভাবে বিষয়টি নিয়ে গিয়েছেন, তা একেবারেই সঠিক নয়। গত বাজেট বক্তৃতা সম্পর্কে বিরোধী দলের প্রশংসা করা উচিত।’

স্পিকার তখন জানান, এখানে প্রচুর মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত আলেম রয়েছেন। তবে আমার এই ট্রেজারি বেঞ্চেও দু’একজন আছেন। চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম বলেন, সংসদ সদস্য মাহফুজুল্লাহ একজন আলেম। স্পিকার বিষয়টি নিয়ে অবগত হতে পারেন। তিনি আলোচনাটি এখানেই শেষ করার অনুরোধ করেন এবং এরপর বাজেট আলোচনায় ফিরে যান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পে-স্কেল বাস্তবায়নে সচিব কমিটির ৫ সিদ্ধান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০২ পি.এম


পে-স্কেল বাস্তবায়নে সচিব কমিটির ৫ সিদ্ধান্ত

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতি হিসেবে অনুষ্ঠিত সচিব কমিটির বৈঠকে নতুন এই বেতন কাঠামো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি এবং মূল্যস্ফীতির বিষয়টি মাথায় রেখে বৈঠকে পাঁচটি প্রধান সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য হলো নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও বেতন বৈষম্য দূরীকরণ।

বৈঠক সূত্র অনুযায়ী, সরকার আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করার চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। যদিও আইনি জটিলতা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতির কারণে কর্মচারীদের হাতে বর্ধিত বেতন পৌঁছাতে ২ থেকে ৩ মাস সময় লাগতে পারে, তবে ১ জুলাই থেকেই তা কার্যকর গণ্য হবে। পরবর্তী সময়ে বকেয়া বা অ্যারিয়ার্স হিসেবে সেই অর্থ প্রদান করা হবে। বলা হচ্ছে, প্রাথমিক পরিকল্পনায় তিন ধাপে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কথা থাকলেও, কর্মচারীদের দাবির প্রেক্ষিতে মাত্র দুই ধাপে পুরো পে-স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সরকারি চাকরিজীবীরা দ্রুততম সময়ে নতুন বেতন কাঠামোর পূর্ণ সুবিধা পাবেন।

আর্থিক চাপ বিবেচনায়, ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রথম ধাপে ৬০ শতাংশ সুবিধা প্রদানের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের জন্য প্রথম ধাপে ৪০ শতাংশ বর্ধিত বেতন প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া, ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের গ্রেডভিত্তিক বৈষম্য দূর করতে একটি বিশেষ রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে। মূল বেতন বাড়ানোর পাশাপাশি বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সাথে সংগতি রেখে বাড়িভাড়া এবং চিকিৎসা ভাতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধির বিষয়েও বৈঠকে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

পে-স্কেল ঘোষণার পর যেন কোনো ধরনের আইনি বা প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা না দেয়, সেজন্য আইনি ভেটিং এবং বিধিমালা সংশোধনের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি বেতন নির্ধারণ বা ফিক্সেশনের সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে স্বয়ংক্রিয় ও ডিজিটাল করার জন্য একটি কারিগরি রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে।

বৈঠক শেষে, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে বড় ধরনের স্বস্তি ফিরে এসেছে। এখন প্রশাসনিক এবং আইনি ধাপগুলো সম্পন্ন করে দ্রুত আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার সংসদে কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ পি.এম


এবার সংসদে কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংসদে কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই বিতর্কে সরকারি ও বিরোধীদলের এমপিরা মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসেন। প্রথমে কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মুহাম্মাদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ বলেন, বিরোধীদলের লোকেরা আমাদের কাছে এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাজেটে বরাদ্দ চাইবেন, আবার তারা রাজপথে বিক্ষোভও করবেন। এই কারণে আমি আল কোরআনের একটি আয়াত বলতে চাই। তিনি কোরআনের সুরা ইবরাহিমের আয়াত তেলাওয়াত করে অর্থ হিসেবে উল্লেখ করেন, ‘যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় কর, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের (নেয়ামত) বাড়িয়ে দেবো, আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও, নিশ্চয়ই আমার আজাব বড় কঠিন।’

অর্থ হিসেবে তিনি আরও বলেন, বাজেটের জন্য শুকর করতে হবে। বরাদ্দের জন্য শুকর করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য শুকর করতে হবে। বিরোধীদলের লোকেরা শুকর করে না।

উত্তরে পাবনা-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান বলেন, তাদের (সরকারি দলের) প্রশংসা করলে তারা আরো বাড়িয়ে দেবেন, আর প্রশংসা না করলে কি তারা আমাদের পিটাবেন? এটা আসলে কোরআনের আয়াতের খুব ভুল ব্যাখ্যা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, আমি বিতর্কে যেতে চাচ্ছি না। আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ একজন মাওলানা। তিনি যে আয়াতটি বলেছেন, সেটি প্রসঙ্গক্রমে বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় কর, তবে আমি নিশ্চয়ই তোমাদের (নেয়ামত) বাড়িয়ে দেবো, আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও, তো আমার আজাব বড় কঠিন। এখন এটা কেন রাজনৈতিকভাবে বিতর্ক হবে। ৯২ শতাংশ মুসলিমের দেশে সংসদে যদি কোনো নেতা ভুলক্রমেও ইসলামের প্রতি অবমাননাকারী বক্তব্য দেন তাহলে আমরা অবশ্যই তার নিন্দা করবো। তবে এটাকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা ঠিক হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%