ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রাজপথে নামায় আন্দোলন পায় নতুন গতি


১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রাজপথে নামায় আন্দোলন পায় নতুন গতি

১৮ জুলাই: রাজপথে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে সক্রিয় হন, নতুন মোড় নেয় আন্দোলন।  রক্তাক্ত জুলাইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন ১৮ জুলাই। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল বন্ধ হয়েছে, এই কারণে আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কিন্তু সেদিন রাজপথে নেমে আসেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে আন্দোলন নতুন গতি পায় এবং শিক্ষার্থীদের ঘোষিত কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচি সফল হয়। সেদিন পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে ২৯ জন নিহত হন, সাংবাদিকসহ। আহত হয়েছেন অন্তত তিন হাজার মানুষ। আবু সাঈদ ও ওয়াসিমসহ নিহতদের হত্যার বিচার এবং বৈষম্যের অবসানের দাবিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেন। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের হল বন্ধ হওয়ার পর আন্দোলন কিছুটা থমকে গেলেও, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নতুন শক্তি নিয়ে রাজপথে নামেন। এক শিক্ষার্থী বলেন, 'রংপুরে আবু সাঈদকে হত্যার পর রাজপথে নামা আমাদের দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছিল।' আরেক শিক্ষার্থী বলেন, 'পুলিশের গুলির মুখেও তারা আন্দোলন থেকে সরে যাননি।' ১৮ জুলাই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার একপর্যায়ে কিছু পুলিশ সদস্য কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনে আশ্রয় নেন। সেখানে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে শব্দবোমা এবং কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনটি ঘিরে ফেললে, সেখানে ছাদ থেকে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ৬০ জন পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে রামপুরা, নতুনবাজার ও প্রগতি সরণিসহ বিভিন্ন এলাকাতেও শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি রেজাউল করিম জানান, 'অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতেই শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমেছিলেন।' বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আবু হুরাইয়া বলেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংগঠনিক সমন্বয়ের মাধ্যমে এদিন বড় প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের ডাকা কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচিতে দেশের ৪৭ জেলার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। স্কুল ও কলেজের অনেক শিক্ষার্থীও রাজপথে নামেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কর্তৃপক্ষ ওই সময় সারা দেশে ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করে। সংঘর্ষের ফলে যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, আজিমপুর, উত্তরা, বাড্ডা, ধানমন্ডি, সাভার, চট্টগ্রাম, নরসিংদী, মাদারীপুর ও সিলেটসহ বিভিন্ন এলাকায় মোট ২৯ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত তিন হাজার মানুষ। দুপুরে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার শেখ হাসিনা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিলেও আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, 'শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে কোনো সংলাপ নয়।' রাতে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার শেখ হাসিনা সারা দেশে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গুজব ঠেকাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দিনভর সংঘর্ষের পরেও রাতে শনির আখড়া, কাজলা, সাইনবোর্ডসহ বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত থাকে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীরা অভিভাবকদের আন্দোলনের পাশে থাকার আহ্বান জানান এবং পরবর্তী কর্মসূচির প্রস্তুতি নেন। জুলাইয়ের শুরু থেকেই আন্দোলনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী সক্রিয় থাকলেও, ১৮ জুলাইয়ের মধ্য দিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ শুরু হয়। আবু সাঈদ ও ওয়াসিমদের মৃত্যুর প্রতিবাদে সেদিন রামপুরা, নতুনবাজার, প্রগতি সরণি, উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে আসেন। সেই প্রতিরোধই পরবর্তী সময়ে আন্দোলনের গতি আরও ত্বরান্বিত করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষে মেক্সিকোতে গণবিয়ে, অংশ নিল ৭৫০ দম্পতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ এম


বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষে মেক্সিকোতে গণবিয়ে, অংশ নিল ৭৫০ দম্পতি

বিশ্বকাপ ফাইনাল আসন্ন, আর এই উপলক্ষে মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হলো গণবিয়ে। শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে ফিফা ফ্যান ফেস্টিভ্যাল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি।

শুধু কাজের দিন নয়, বরং প্রেম ও ফুটবলের মিলনের জন্য এই আয়োজনে ছিল ৭৫০টি দম্পতি। তারা নিজেদের ভালোবাসাকে আরো গভীর করে, নতুন জীবন শুরু করার জন্য এদিন একত্রিত হয়েছেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত দম্পতিরা প্রথাগত বিয়ের পোশাক পরে আসলেও অনেকেই নিজেদের প্রিয় ফুটবল দলের জার্সি ও মেক্সিকো জাতীয় ফুটবল দলের ঐতিহ্যবাহী সবুজ পোশাক পরিধান করেন।

বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর নবদম্পতিরা একে অপরকে চুম্বन করে এবং উপস্থিত স্বেচ্ছাসেবক ও দর্শনার্থীরা তাদের অভিনন্দন জানান করতালির মাধ্যমে।

একটি মেক্সিকান দম্পতি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, "আমরা অনেকদিন ধরে বিয়ের কথা ভাবছিলাম, কিন্তু পর্যাপ্ত সুযোগ পাচ্ছিলাম না। বিশ্বকাপের এই ফুটবল উন্মাদনার মাঝে নিজেদের বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।"

আরেক নবদম্পতি জানান, "এই আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের জীবনের দুটি বড় ভালোবাসার মিলন ঘটেছে। একদিকে ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা, অন্যদিকে নিজেদের জীবনসঙ্গীর প্রতি ভালোবাসা।"

মেক্সিকান দম্পতিরা নিজেদের ফুটবল দলের প্রতি গর্ব প্রকাশ করে এবং জানান যে তারা বরাবরই দলের জন্য সমর্থন জুগিয়ে যাবেন।

অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়, "এই বিশেষ দিনে আইনিভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে মোট ৭৫০টি জুটি নিবন্ধন করেছিলেন।" বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশে এই জুটিদের আইনি ও সামাজিক বিবাহ সম্পন্ন হয়, যা বিশ্বকাপের আমেজে শহরটিতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে দুই চোরাই মোটরসাইকেলসহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


নোয়াখালীতে দুই চোরাই মোটরসাইকেলসহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

নোয়াখালীতে বিডিনিউজের জেলা প্রতিনিধি আবু নাছের মঞ্জুরের মোটরসাইকেলসহ দুটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সময়ে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তাদের মধ্যে একজন হলেন জেলার হাতিয়া উপজেলার শূণ্যের চর এলাকার মিরাজ উদ্দিনের ছেলে মোঃ ফয়সাল (৩৫) এবং অপরজন সুবর্ণাচর উপজেলার চর আলাউদ্দিনের রফিক উল্লার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম(৩২)।

শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার কাঞ্চন মেম্বারের পুল এলাকা থেকে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সুধারাম মডেল থানার ওসি মোঃ নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ জুলাই রাত ১০ টার দিকে নোয়াখালী জেলা শহরের পুরাতন বাসস্টান্ড এলাকা থেকে বিডিনিউজ ও ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিবেদক আবু নাছের মঞ্জুরের মোটরসাইকেল চুরি হয়। পরদিন তিনি এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এর আগে, দুই মাস আগে সোনাপুর থেকে জয়দেব নামে অপর এক যুবকের একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। শুক্রবার চোর চক্রের সদস্য ফয়সাল জয়দেবের মোটরসাইকেলটি ফেরত দেওয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে বিকাশ নম্বরে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা পাওয়ার পর ফয়সাল মোটরসাইকেল ফেরত দিতে গড়িমসি করেন।

এক পর্যায়ে জয়দেব ও তার বন্ধুরা কৌশলে ফয়সাল ও জাহাঙ্গীরকে ডেকে নিয়ে পুলিশের কাছে খবর দেন। এ সময় সুধারাম মডেল থানার এস আই ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালায় এবং ফয়সাল ও জাহাঙ্গীরের কাছ থেকে প্রথমে আবু নাছের মঞ্জুরের মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে। রাতে তাদের প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী জয়দেবের মোটরসাইকেলটিও উদ্ধার করা হয়।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সাল ও জাহাঙ্গীর আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। জাতি হিসেবে তারা দীর্ঘদিন ধরে এক জেলা থেকে মোটরসাইকেল চোর করে এবং অন্য জেলায় পাচার করে আসছে। পুলিশের ধারণা, তারা নোয়াখালী থেকে গত কিছু দিন ধরে আরও কয়েকটি মোটরসাইকেল চুরি করেছে।

এ চক্রের বাকি সদস্যদের ধরতে অভিযান চালানোর কার্যক্রম চলছে। এ ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার তাদের আদালতে পাঠানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পর্তুগালের পার্লামেন্টে ‘বোরকা বিল’ পাস, প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের অপেক্ষায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ এম


পর্তুগালের পার্লামেন্টে ‘বোরকা বিল’ পাস, প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের অপেক্ষায়

পর্তুগালের পার্লামেন্টে জনপরিসরে মুখ ঢেকে রাখার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপকারী বহুল আলোচিত ‘বোরকা বিল’ চূড়ান্তভাবে অনুমোদন পেয়েছে।

 

শুক্রবার অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে ক্ষমতাসীন মধ্য-ডানপন্থী জোট, ডানপন্থী ও কট্টর ডানপন্থী দলগুলোর সমর্থনে বিলটি পাস হয়েছে। বর্তমানে এটি আইনে পরিণত হওয়ার জন্য প্রেসিডেন্টের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রেসিডেন্ট যদি চান, তাহলে তিনি বিলে স্বাক্ষর করতে পারেন, ভেটো দিতে পারেন অথবা সাংবিধানিক আদালতে পাঠিয়ে এর সাংবিধানিক বৈধতা যাচাইয়ের জন্য আবেদন করতে পারেন।

বিলটি প্রথম উত্থাপন করে কট্টর ডানপন্থী দল শেগা। ২০২৫ সালের অক্টোবরে সংসদে এর নীতিগত অনুমোদন মিললেও পরে এটি সংসদীয় কমিটিতে দীর্ঘ সময় ধরে আটকে ছিল।

চলতি বছরের জুনে ক্ষমতাসীন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (পিএসডি) সংশোধিত খসড়া পেশ করে, যেখানে ধর্মীয় পোশাককে সরাসরি লক্ষ্য না করে জননিরাপত্তা ও পরিচয় শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয়তাকে মূল যুক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়। সেই সংশোধিত সংস্করণই এবার সংসদে চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।

নতুন আইনে জনসমক্ষে এমন পোশাক বা আবরণ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা পুরোপুরি মুখ ঢেকে দেয় এবং পরিচয় শনাক্তে বাধা সৃষ্টি করে। এর আওতায় যে বোরকা ও নিকাব কার্যত নিষিদ্ধ হবে তা স্পষ্ট। তবে স্বাস্থ্যগত প্রয়োজন, পেশাগত নিরাপত্তা, ধর্মীয় উপাসনালয়, কূটনৈতিক স্থাপনা এবং বিমান ভ্রমণসহ কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে মুখ ঢাকার অনুমতি থাকবে।

আইনে অবহেলাজনিত অপরাধে ২০০ থেকে ২,০০০ ইউরো এবং ইচ্ছাকৃতভাবে আইন ভঙ্গ করলে ৪০০ থেকে ৪,০০০ ইউরো পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া কাউকে জোরপূর্বক মুখ ঢেকে রাখতে বাধ্য করলে আরও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। সংশোধিত খসড়ায় জরিমানার অঙ্ক নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা হওয়ার পর সর্বশেষ অনুমোদিত পাঠে এই সীমাই বহাল রাখা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

বিলটি অনুমোদনের পর পর্তুগালে বসবাসরত মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, আইনটি কার্যত মুসলিম নারীদের ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ করবে এবং সামাজিক বৈষম্য বাড়াবে।

মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও বলেছে, আইনটি ধর্মীয় স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতার জন্য একটি হুমকি হতে পারে। সংস্থাটি প্রেসিডেন্টকে বলেছে, তিনি যাতে বিলে স্বাক্ষর না করেন এবং সেই সঙ্গে সাংবিধানিক পর্যালোচনার জন্য পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে।

অন্যদিকে বিলটির সমর্থকদের দাবি, এটি কোনো নির্দিষ্ট ধর্মকে লক্ষ্য করে নয়; বরং জননিরাপত্তা, পরিচয় যাচাই এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আনা হয়েছে। তাদের মতে, জনপরিসরে সবার মুখ দৃশ্যমান থাকা নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনীয়।

প্রেসিডেন্টের অনুমোদন পেলে পর্তুগাল ফ্রান্স, বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক ও সুইজারল্যান্ডের মতো ইউরোপীয় দেশগুলোর কাতারে যোগ দেবে, যেখানে জনপরিসরে সম্পূর্ণ মুখ ঢেকে রাখার উপর বিভিন্ন মাত্রার নিষেধাজ্ঞা ইতোমধ্যেই কার্যকর রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটির জ্বালানি ট্যাংক ও সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫২ এম


বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটির জ্বালানি ট্যাংক ও সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি ইরানের

বাহরাইনে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পদ, জ্বালানি সংরক্ষণাগার এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান।

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের প্রকাশিত এক সামরিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'বিশ্ব ঔদ্ধত্যের অপরাধের জবাবে' ইরানের সেনাবাহিনী কর্তৃক বাহরাইনের শেখ ঈসা বিমানঘাঁটির বিমান হ্যাঙ্গার, বিমান পার্কিং এলাকা এবং জ্বালানি ট্যাংকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া, বলে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাহরাইনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ সেতুও হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শেখ ঈসা বিমানঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্র আঞ্চলিক বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে, বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে আসছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

ইরানের সামরিক বাহিনী তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, “আমাদের মাতৃভূমি রক্ষার সামরিক দায়িত্ব পালন করতে পেরে আমরা গর্বিত।”

তবে হামলায় কত ক্ষতি হয়েছে এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সেই সম্পর্কে ইরানের বিবৃতিতে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। এদিকে বাহরাইন বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে এই দাবির সত্যতা নিশ্চিত বা অস্বীকার করে কোন আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে এমন হামলার দাবি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এবং ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া भविष्यতে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%