০৬:৫৯ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) সরকারের অভিবাসন সেবা জোরদার করার জন্য এবং অভিবাসী ও প্রত্যাবর্তনকারীদের সহায়তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নয়টি জেলায় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা প্রদান করছে। এই কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন সম্পর্কিত তথ্য, সরকারি সেবা, সুরক্ষা এবং দেশে ফেরার পর পুনঃএকত্রীকরণ সহায়তা আরো সহজলভ্য করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) মাদারীপুরে প্রথম কৌশলগত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। পর্যায়ক্রমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, কুমিল্লা, ফেনী, পটুয়াখালী, খুলনা, রংপুর ও জামালপুরে একই ধরনের কর্মশালা আয়োজন করা হবে।
আইওএম জানায়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অর্থায়নে এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন ‘প্রত্যাশা ২ : অভিবাসন ব্যবস্থাপনা ও টেকসই পুনঃএকত্রীকরণের উন্নয়নে সেবা প্রদান ব্যবস্থা জোরদারকরণ’ প্রকল্পের আওতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পটির উদ্দেশ্য হলো, সরকারের সংস্কার ও উন্নয়নবিষয়ক পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামোসহ জাতীয় পর্যায়ের অভিবাসন-সংক্রান্ত অগ্রাধিকারগুলোকে স্থানীয় চাহিদার ভিত্তিতে বাস্তবায়নযোগ্য কার্যক্রমে রূপ দেওয়া।
মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সালাহউদ্দিন। এতে জেলা পুলিশ সুপার মো. ফজলে এলাহীসহ জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি), ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড, প্রবাসী কল্যাণ সেন্টার, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া অভিবাসন সেবাদানকারী সংস্থা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় জেলার অভিবাসন-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ, সেবার ঘাটতি এবং সেবা পেতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করা হয়। পাশাপাশি জেলাভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রম, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব, সময়সীমা ও সমন্বয়ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুগ্ম সচিব সালাহউদ্দিন বলেন, "অভিবাসনের সুফল সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিতে হলে বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য মানুষকে প্রস্তুত করা, পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়ায় তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং দেশে ফেরার পর পুনঃএকত্রীকরণে সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "জেলা-ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা জাতীয় অভিবাসন অগ্রাধিকারের সঙ্গে স্থানীয় বাস্তবতার সংযোগ ঘটাবে এবং সারা দেশে আরো সমন্বিত ও টেকসই অভিবাসন ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।"
জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার জানান, "জেলা পর্যায়ে সমন্বয় জোরদার করা জরুরি, যাতে অভিবাসী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা নির্ভরযোগ্য তথ্য এবং প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারেন। এই উদ্যোগ স্থানীয় চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করার পাশাপাশি অভিবাসন সেবাকে আরো সহজলভ্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানুষের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে কার্যকর পদক্ষেপ নির্ধারণে সহায়তা করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলা যুবদলের সহ-সভাপতি রুবেল শেখের একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা এবং সমালোচনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে এই বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্নও উঠেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে রুবেল শেখের সঙ্গে এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের দৃশ্য রয়েছে। তবে ভিডিওটি কোথায় এবং কখন ধারণ করা হয়েছে, সেই তথ্য এবং এটি কীভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করছেন।
স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ রয়েছে যে, রুবেল শেখের বিরুদ্ধে এর আগে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছিল। তবে পূর্ববর্তী এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।
এদিকে, ভিডিওটি সম্পর্কে মন্তব্য জানতে রুবেল শেখের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে শরীয়তপুর জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মৃধা জানিয়েছেন, "বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পর্তুগাল জাতীয় দলের সঙ্গে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর সাম্প্রতিক বিরোধের প্রেক্ষাপটে সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সতীর্থ ওয়েইন রুনি রোনালদোর আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
গত আন্তর্জাতিক বিরতিতে, পর্তুগাল দলের প্রধান কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে খেলার সময় নিয়ে মতবিরোধের কারণে রোনালদো পর্তুগাল দলের ক্যাম্প ত্যাগ করেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিবৃতিতে তিনি সতীর্থদের কাছে ক্ষমা চান, তবে একই সঙ্গে অভিযোগ করেন যে জেসুস তার সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন। রোনালদো নিজেকে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলে ও ডিয়েগো ম্যারাডোনা-র সঙ্গে তুলনা করেন।
দ্য ইউনাইটেড স্ট্যান্ড-এ কথা বলতে গিয়ে রুনি রোনালদোর মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেন।
রুনি বলেন, “রোনালদোকে নিয়ে আমার একটাই প্রশ্ন, ‘কেন?’ যেদিন লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে অবসর নিয়েছিলেন, ঠিক সেদিনই রোনালদো যেভাবে পর্তুগাল দল ছেড়েছেন এবং পরে যে বিবৃতি দিয়েছেন, তা সব দিক থেকেই ভুল ছিল।”
তিনি আরও বলেন, “সে যেভাবে তার কোচকে খাটো করেছে, সতীর্থদের ছোট করেছে, সেটা একেবারেই ঠিক হয়নি। পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনকেও সে অসম্মান করেছে। পুরো বিষয়টাই ভুল ছিল।”
“একজন ফুটবলার, একজন সতীর্থ এবং একজন কোচের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলেও বিষয়টি সুখকর ছিল না।”
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের প্রসঙ্গ টেনে রুনি বলেন, “এই সময়টা প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জীবনেই আসে। একসময় আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলতে হয়। দুর্ভাগ্যজনকভাবে রোনালদো বিষয়টি ভালোভাবে সামলাতে পারছে না। এটা দেখা অস্বস্তিকর।”
রুনি ও রোনালদো ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন-এর অধীনে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে একসঙ্গে খেলেছেন। পরে রোনালদো রিয়াল মাদ্রিদ-এ যোগ দেন, আর কয়েক বছর পর ইউনাইটেডকে বিদায় জানান রুনি। এই দুজন একসঙ্গে তিনটি প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা এবং একটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয় করেছিলেন।
রোনালদোর বিবৃতির একটি বিশেষ অংশে ক্ষুব্ধ হন রুনি। সেখানে রোনালদো উল্লেখ করেছিলেন, নরওয়ের বিপক্ষে পর্তুগালের নেশনস লিগ ম্যাচে তাকে বেঞ্চে বসিয়ে রাখার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করলে কোচ জেসুসের সংবাদ সম্মেলনে কী বলা উচিত ছিল।
এ প্রসঙ্গে রুনি বলেন, “আপনি কোনো কোচকে বলে দিতে পারেন না যে তাকে কী বলতে হবে। আমি আমার জীবনে এর চেয়ে বাড়াবাড়ি কিছু কখনও দেখিনি।”
অন্যদিকে, রোনালদো জানিয়েছেন যে ভবিষ্যতেও পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে খেলতে তিনি প্রস্তুত আছেন, যদি তাকে দলে ডাকা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ