বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:৫৮ পি.এম
রাজধানীর কারওয়ান বাজার থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. মিন্টু শেখ ওরফে মিন্টু মিয়া (৪৮) কে গ্রেফতার করেছে র্যাবের সদস্যরা।
তিনি একাধিক অস্ত্র মামলাসহ মোট ২৯ মামলার আসামি। র্যাব-২ সূত্রে জানানো হয়েছে, বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব সদস্যরা জানতে পারে যে, রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী মিন্টু শেখ কারওয়ান বাজারে রয়েছেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তালিকাভুক্ত ছিনতাইকারী এবং শীর্ষ মাদক কারবারি।
র্যাব-২ এর একটি আভিযানিক দল তাৎক্ষণিকভাবে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মিন্টুকে গ্রেফতার করেছে। র্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গ্রেফতার মিন্টু দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্র প্রদর্শন করে ভয়ভীতি দেখিয়ে ছিনতাই, চুরি, মাদকসহ একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। মিন্টুর বিরুদ্ধে ডিএমপির তেজগাঁও থানায় দস্যুতা, হত্যাচেষ্টা ও অস্ত্র আইনে ১৪টি মামলা রয়েছে।
এছাড়া, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় আরও ৭টি মামলাসহ দেশব্যাপী মোট আটটি মামলা রয়েছে। মিন্টুর অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা বুধবার লোহিত সাগরে সৌদি আরবের দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার দাবি করেছে। তাদের দাবি, তারা এই হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের মধ্যে নতুন সাধারণ সংঘাতের সৃষ্টি হতে পারে এমন পরিস্থিতিতে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের সামরিক স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালিয়েছে। টানা দ্বাদশ রাতের মতো ইরানে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।
দুবাই থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর জানিয়েছে। হুথিরা জানায়, ‘এনসেলিয়া’ ও ‘লায়লা’ নামের দুটি সৌদি তেলবাহী ট্যাংকারে তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে অবরোধ অমান্য করায়। ব্রিটিশ নৌ নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউকেএমটিও জানিয়েছে যে, আল শুকাইকের দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় ৭০ নটিক্যাল মাইল দূরে একটি ট্যাংকারের ক্যাপ্টেন অজ্ঞাত একটি বস্তুর আঘাতের তথ্য দিয়েছেন। এই ঘটনায় জাহাজে আগুন লাগে এবং নাবিকরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালান।
সৌদি বন্দরগুলো অবরোধে হুথিদের হুমকির পর লোহিত সাগরে এ উত্তেজনা সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোর ওপর চাপ আরও বেড়েছে। হরমুজ প্রণালী ঘিরে চলমান সংঘাতের কারণে এসব নৌপথ আগেই অস্থির অবস্থায় ছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজে প্রতিটি হামলার জবাবে ইরানের একটি করে সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করা হবে। এই ঘোষণার জবাবে তেহরানও ‘চোখের বদলে চোখ’ নীতিতে পাল্টা জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছে, ফলে উভয় পক্ষের হুমকির তীব্রতা আরও বেড়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি নৌপথের ওপর সংঘাতের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া প্রাথমিক সমঝোতা ভেঙে পড়েছে। তেহরান আবারও অবরোধ কার্যকর করেছে এবং প্রণালী অতিক্রমের চেষ্টা করা জাহাজে গুলি চালাচ্ছে। ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘হরমুজ প্রণালীতে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান যখনই কোনো জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট, ড্রোন বা অন্য কোনো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালাবে, তখনই যুক্তরাষ্ট্র একটি করে সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্রে বোমা হামলা চালিয়ে তা ধ্বংস করবে।’
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি বলেছেন, দেশের অবকাঠামোর ওপর যেকোনো হামলার জবাবে একইভাবে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘আমাদের প্রতিরক্ষা নীতি স্পষ্ট। চোখের বদলে চোখ। ইরানের বিরুদ্ধে, আমাদের অবকাঠামোসহ যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে শক্তিশালী ও সিদ্ধান্তমূলক প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।’ ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম দেশের সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির ফল হবে শুধু যুদ্ধের আরও বিস্তার।
যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প তীব্র রাজনৈতিক চাপের মুখে রয়েছেন। মঙ্গলবার মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, এ পর্যন্ত যুদ্ধের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। মে মাসের মাঝামাঝি অবস্থায় এ ব্যয় ছিল প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার। তবে, চার মার্কিন সেনাসদস্যের মরদেহ গ্রহণের জন্য একটি বিমানঘাঁটিতে যাওয়ার পথে ট্রাম্প যুদ্ধবিরোধী জনমত জরিপ প্রত্যাখ্যান করেন। চার সেনাসদস্যের মধ্যে তিনজন জর্ডানে একটি সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় নিহত হয়েছেন এবং আরেকজন ইরাকি ভূখণ্ডে অবিস্ফোরিত একটি ইরানি ড্রোন নিয়ন্ত্রণের সময় নিহত হন।
ট্রাম্প বলেন, ‘মার্কিনরা জ্বালানির উচ্চমূল্য চায় না। তবে তারা যুদ্ধের বিরোধীও নয়।’ বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বুধবার সাময়িকভাবে প্রতি ব্যারেল ৯৫ ডলার ছাড়িয়ে যায়। এটি ছিল প্রায় ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ দাম। পরে কিছুটা কমলেও, দিনের শেষে অপরিশোধিত ফিউচার তেলের দাম প্রায় তিন শতাংশ বেশি ছিল।
এবারে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, বুধবার গ্রিনিচ সময় রাত ৯টা ৩০ মিনিটে ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সর্বশেষ হামলা শুরু হয়। তাদের ভাষ্য, আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে চলাচলকারী বেসামরিক নাবিক ও বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হুমকি সৃষ্টি করার সক্ষমতা আরও দুর্বল করাই ছিল এই হামলার উদ্দেশ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক কলেজ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আফতাব মজুমদার জয়কে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
রাতে নগরীর হালিশহর থানার বিডিআর মাঠ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে। চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সবুজ মাহমুদ জানিয়েছেন, চান্দগাঁও থানায় দায়ের হওয়া একটি ধর্ষণ মামলার আসামি হিসেবে আফতাব মজুমদার জয়কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মামলার নথির মতে, চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ মহিলা কলেজের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে আফতাবের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠলে তিনি ওই শিক্ষার্থীকে বিয়ের আশ্বাস দেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে চান্দগাঁও এলাকার সুইট প্যালেস নামে একটি আবাসিক হোটেলে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন আফতাব। পরে, শিক্ষার্থী বিয়ের বিষয়ে চাপ দিলে তিনি তা অস্বীকার করেন এবং সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। ভুক্তভোগী পরে জানতে পারেন, আফতাব আগেই বিবাহিত এবং তার একটি সন্তান রয়েছে।
এ ঘটনার জন্য রোববার (১৯ জুলাই) ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চান্দগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন। এই মামলার ভিত্তিতেই অভিযান চালিয়ে আফতাব মজুমদার জয়কে গ্রেফতার করা হয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য এনসিপি ও এর সহযোগী সংগঠন যুবশক্তির দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহধর্মিণী এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান মেডিকেল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন যে, চিকিৎসক হিসেবে পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ এবং দেশপ্রেম ধারণ করে দেশের মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। বিশেষভাবে গ্রামাঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য নতুন প্রজন্মের চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
আজ রাজধানীর হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতাল ও কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শিক্ষা ক্ষেত্রে কৃতিত্বের জন্য সম্মাননা-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ডা. জুবাইদা রহমান শিক্ষা ক্ষেত্রে কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান এবং তাদের কঠোর শিক্ষাজীবনের মধ্যেও সাংস্কৃতিক চর্চা অব্যাহত রাখার জন্য প্রশংসা করেন। এর আগে তিনি কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা সনদ তুলে দেন।
তিনি বলেন, সংস্কৃতি হচ্ছে মানব সভ্যতার ভিত্তি। চিকিৎসাবিজ্ঞানে অধ্যয়নের সুযোগ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা দেশের অন্যতম মেধাবী। কিন্তু মেধার পাশাপাশি মানবিক মন নিয়ে একজন চিকিৎসক অসুস্থ মানুষের সেবার মাধ্যমে জীবনের প্রকৃত সার্থকতা অর্জন করেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, মেডিকেল শিক্ষার্থীরা বিদেশে উচ্চতর ডিগ্রি ও প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফিরে এসে মানুষের পাশে দাঁড়াবেন এবং সংকটকালীন সময়ে চিকিৎসাসেবা প্রদান করবেন।
ডা. জুবাইদা রহমান বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, দেশে প্রতি এক হাজার মানুষের বিপরীতে চিকিৎসকের সংখ্যা মাত্র ০.৮৩। একজন চিকিৎসককে প্রায় ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ রোগীর সেবা দিতে হয়। গ্রামাঞ্চলে এই সংকট আরও প্রকট হয়ে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, দেশের ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ চিকিৎসক শহরাঞ্চলে কর্মরত থাকলেও প্রায় ৭৮ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করেন। নার্সের সংখ্যাও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত মানের তুলনায় অনেক কম।
তিনি যোগ করেন, সরকারি চিকিৎসকদের অনুপাতও অত্যন্ত কম হওয়ার কারণে চিকিৎসা ব্যয় এখনও দারিদ্র্যের অন্যতম কারণ হয়ে রয়েছে। শিক্ষা জীবনে শিক্ষার্থীরা দেশসেবার অঙ্গীকার নিয়ে এগিয়ে এলে ভবিষ্যতে এ পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব হয়ে উঠবে।
এছাড়া, ডা. জুবাইদা রহমান আরও বলেন যে, এমন একটি চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে, যেখানে চিকিৎসার অভাবে কোনো গ্রামবাসী প্রাণ হারাবে না এবং কোনো অন্তঃসত্ত্বা মা কিংবা নবজাতক প্রতিরোধযোগ্য কারণে মৃত্যুবরণ করবে না।
তিনি বলেন, সবার স্বাস্থ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এ লক্ষ্য অর্জনে নতুন প্রজন্মের চিকিৎসকদের এগিয়ে আসতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বন্যার কারণে গত ১৩ জুলাই যারা পদার্থবিজ্ঞান-হিসাববিজ্ঞান-যুক্তিবিদ্যা বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারেননি, তাদের জন্য পরীক্ষার একটি নতুন সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, তারা নিবন্ধন করে আবার পরীক্ষা দিতে পারবেন।
শিক্ষামন্ত্রী বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে এই তথ্য জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, আগামী দিনে গত ১৩ জুলাইয়ের পরীক্ষাগুলো পুনরায় নেওয়া হবে।
যেসব শিক্ষার্থী ওই দিন পরীক্ষা দিতে পারেননি, শুধু তারাই এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।
এছাড়া, যারা পরীক্ষায় খারাপ করেছেন, তারা কি এই সুযোগ পাবেন এর উত্তর দিতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘না। এটা তো সম্ভব না। যারা দিয়েছে, তাদের আর পরীক্ষা দিতে হবে না।
তিনি আরও যোগ করেন, পরীক্ষায় প্রশ্নে ভুল ছিল, সেটাতে আমরা সবাইকে নম্বর দিয়ে দিচ্ছি তো। এরপর আর কোনো কথা নেই।’
গত ১৩ জুলাই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রামের ৫ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। ভারি বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে ওইদিন পরীক্ষার পরিবেশন নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়।
এ নিয়ে ১৪ জুলাই সারা দেশে আন্দোলনে নামেন পরীক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রত্যুত্তরে শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা দেন, ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা পুনরায় নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ