ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী নিয়োগে আগ্রহী মরিশাস


বাংলাদেশি দক্ষ কর্মী নিয়োগে আগ্রহী মরিশাস

মরিশাসে বাংলাদেশের শ্রমবাজার পুনরায় চালু হতে যাচ্ছে। এ উদ্দেশ্যে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলন ২০২৬-এর ফাঁকে মরিশাসের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বাংলাদেশি শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী অংশ নেন।

সোমবার (৮ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় জেনেভাস্থ জাতিসংঘ কার্যালয়ের সভাকক্ষে মরিশাসের শ্রমমন্ত্রী মুহাম্মদ রেজা কাসাম উতিমের সাথে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বন্ধ থাকা শ্রমবাজার পুনরায় চালু, বাংলাদেশি শ্রমিকদের বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই শ্রমবাজার পুনরায় সচল করতে দ্রুত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে মরিশাসের শ্রমমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নিয়োগে তার দেশ আগ্রহী। বিশেষ করে টেক্সটাইল শিল্পে দক্ষ কর্মীর চাহিদা রয়েছে। তিনি জানান, শ্রমবাজার পুনরায় চালুর লক্ষ্যে শিগগিরই সমঝোতা স্মারকের একটি খসড়া বাংলাদেশে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন: বিজেপি অফিসের সামনে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার হুমকি পশ্চিমবঙ্গের বিধায়কের

এছাড়া মরিশাস সরকার বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে বিনিয়োগের বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে বৈঠকে জানানো হয়। বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক মরিশাস সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, টেক্সটাইল ছাড়াও ডাক্তার, প্রকৌশলী, নার্স ও অ্যাকাউন্টেন্টসহ বিভিন্ন খাতে দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে বাংলাদেশ আগ্রহী।

তিনি দ্রুত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের জন্য মরিশাস সরকারের প্রতি আহ্বান জানান এবং মরিশাসের শ্রমমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী মিশনের প্রতিনিধি নাহিদা সোবহান, উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মাহবুবুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ মিশনের প্রথম সচিব মো. আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুরুষ বন্ধ্যত্বের চিকিৎসা ব্যয়ও নারীদের জটিল রোগের মতো উচ্চ: গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১১ এম


পুরুষ বন্ধ্যত্বের চিকিৎসা ব্যয়ও নারীদের জটিল রোগের মতো উচ্চ: গবেষণা

পুরুষ বন্ধ্যত্ত্বের চিকিৎসার ব্যয় নারীদের জটিল রোগ এন্ডোমেট্রিওসিসের চিকিৎসার ব্যয়ের সমান।

বন্ধ্যত্বকে এখনো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নারীর স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখা হয়, তবে চিকিৎসা বিজ্ঞান জানাচ্ছে, প্রায় অর্ধেক ক্ষেত্রে বন্ধ্যত্বের কারণ পুরুষ। সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষ বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার খরচ নারীদের জটিল রোগ এন্ডোমেট্রিওসিসের চিকিৎসা খরচের সঙ্গে প্রায় সমান ধরা হয়েছে।

ভারতের মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণাটি দীর্ঘদিনের একটি আর্থিক এবং স্বাস্থ্যগত বাস্তবতাকে তুলে ধরেছে, যা উপেক্ষিত ছিল। গবেষণা অনুযায়ী, বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার জন্য প্রতি ১০ দম্পতির মধ্যে ৬ জন আর্থিক চাপের সম্মুখীন হন।

গবেষণায় উল্লিখিত হয়েছে যে, বন্ধ্যত্বের চিকিৎসা নিতে আসা ৬০ শতাংশ দম্পতি ‘ক্যাটাস্ট্রফিক হেলথ এক্সপেন্ডিচার’-এর সম্মুখীন হন। অর্থাৎ, তাদের বার্ষিক আয়ের একটি বড় অংশ চিকিৎসায় ব্যয় হয়ে যায়। এর ফলে অনেক পরিবার ঋণ নিতে বাধ্য হন বা তাদের সঞ্চয় ভেঙে চিকিৎসা চালাতে হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, বিশ্বে প্রতি ৬ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন জীবনের কোনো না কোনো সময় বীজতলা সমস্যায় ভুগছেন।

গবেষণায় ৫০০ দম্পতির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় গড় ব্যয়  এন্ডোমেট্রিওসিস: প্রায় ১৬,৯৪৩ রুপি,

• পুরুষ বন্ধ্যত্ব: প্রায় ১৬,৫৬৬ রুপি,

• অন্যান্য বন্ধ্যত্ব সমস্যা: প্রায় ১১,৩১৭ রুপি।

এর মানে হলো, গবেষকরা বলছেন, পুরুষ বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার খরচও এন্ডোমেট্রিওসিসের চিকিৎসার সঙ্গে তুলনীয়, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং অবহেলিত বিষয়।

পুরুষ বন্ধ্যত্বের চিকিৎসা কেন এত ব্যয়বহুল? এটি নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন জটিল পরীক্ষা এবং চিকিৎসা প্রক্রিয়া প্রয়োজন হয়, যার মধ্যে আছে হরমোন পরীক্ষা, স্পার্ম বিশ্লেষণ, জেনেটিক পরীক্ষা, অস্ত্রোপচার, আইইউআই এবং আইসিএসআইয়ের মতো সহায়ক প্রজনন প্রযুক্তি।

এই চিকিৎসায় সরাসরি চিকিৎসা ব্যয় ছাড়াও বারবার হাসপাতাল যাতায়াত, ওষুধ ও সময়ের ক্ষতি যুক্ত হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যয় সরকারি হাসপাতালের তুলনায় অনেক বেশি। বেসরকারি হাসপাতালের গড় ব্যয় প্রায় ১৪,২১৭ রুপি, তবে সরকারি হাসপাতালে এটি প্রায় ৮,৩৫৫ রুপি। সরকারি হাসপাতালে বিশেষায়িত সেবা শহরকেন্দ্রিক হওয়ার কারণে অনেক রোগীকে দূর থেকে আসতে হয়, যা পরিবহন এবং অন্যান্য খরচ বাড়ায়।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, মাত্র ১ শতাংশ দম্পতির কাছে বন্ধ্যত্ব চিকিৎসার জন্য কোনো স্বাস্থ্যবীমা রয়েছে। এর ফলে অধিকাংশ পরিবারকেই নিজেদের সঞ্চয় বা ঋণ নিয়ে চিকিৎসা চালাতে হচ্ছে।

গবেষকরা নীতিনির্ধারকদের উদ্দেশ্যে একটি সতর্কবার্তা দিয়েছেন, বন্ধ্যত্বকে শুধু ব্যক্তিগত সমস্যা হিসেবে না দেখে, এটিকে একটি জনস্বাস্থ্য ইস্যু হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। চিকিৎসা খরচ কমাতে বীমা সুবিধা বৃদ্ধি এবং সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় এই সেবার অন্তর্ভুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই গবেষণা পুরুষ বন্ধ্যত্বের প্রতি প্রচলিত সামাজিক ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করছে এবং প্রজনন স্বাস্থ্যে আরও সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজনীয়তাকে তুলে ধরছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলার তেঁতুলিয়া নদী থেকে যুবকের ম-র-দেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১৭ এম


ভোলার তেঁতুলিয়া নদী থেকে যুবকের ম-র-দেহ উদ্ধার

ভোলার লালমোহন উপজেলার তেঁতুলিয়া নদী থেকে শাহাদাত হোসেন (২৭) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মৃত শাহাদাত চাঁদপুর জেলার মতলব উজেলার মাথাভাঙা নেছামদি গ্রামের মো. ডালিমের ছেলে এবং ঢাকা-চরমোন্তাজ রুটে চলাচলকারী এমভি রেডসন-৫ লঞ্চের ক্যান্টিন বয় ছিলেন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে লালমোহনের নাজিরপুর ঘাট সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরের দিকে স্থানীয় জেলেরা তেঁতুলিয়া নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে সেটিকে টেনে নাজিরপুর ঘাটে নিয়ে আসে। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এরপর বিষয়টি নৌপুলিশকে জানানো হলে তাদের মাধ্যমে মরদেহের পরিচয় সনাক্ত করা হয়।

শাহাদাতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ জুন তেঁতুলিয়া নদীর নাজিরপুর এলাকা দিয়ে লঞ্চটি যাওয়ার সময় শাহাদাত লঞ্চ থেকে নদীতে পড়ে যায়। এ সময় নদীতে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাকে পাওয়া যায়নি।

এর পর দিন শাহাদাতের বাবা ডালিম নাজিরপুর এলাকায় এসে ছেলের সন্ধানে এলাকায় মাইকিং করে অনেক খোঁজাখুঁজি করেন। তিন দিন ধরে ওই এলাকায় অবস্থান করে তাকে না পেয়ে বাড়ি ফিরে যান। এরপর মঙ্গলবার দুপুরের পর জানা যায় স্থানীয় জেলেরা নদীতে একটি মরদেহ পেয়েছে। এ খবরে ছেলের পরনের জামাকাপড় দেখে মরদেহটি শাহাদাতের বলে সনাক্ত করেন। তবে শাহাদাত আগে থেকেই মৃগী রোগী ছিলেন বলে তার পিতা মো. ডালিম জানান।

লালামোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে। যেহেতু বিষয়টি নদীর সাথে সম্পর্কিত তাই নৌপুলিশকে জানানো হয়েছে। নৌপুলিশ এবং নিহতের পরিবার আসছে। তারা আসার পর এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডায়াবেটিস রোগীর জন্য কলা কতটা উপকারী, জানুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ এম


ডায়াবেটিস রোগীর জন্য কলা কতটা উপকারী, জানুন

ডায়াবেটিস রোগীর জন্য কলা খাওয়া পরিমিত পরিমাণে বেশ উপকারী। কলার মাঝারি গ্লাইসেমিক ইনডেক্স এবং উচ্চ ফাইবার উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়তে দেয় না। এতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। আরও পড়ুন: তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে যা করবেন, পুরুষ বন্ধ্যত্ব চিকিৎসার ব্যয় নারীদের জটিল রোগের মতোই বেশি: গবেষণা, আম খাওয়ার সময় ডায়াবেটিস রোগীদের যেসব সতর্কতা মেনে চলা জরুরি, টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীদের ওজন কমাতে কার্যকর যে নতুন ওষুধ, ঘন ঘন মাথাব্যথা কি ব্রেইন টিউমারের লক্ষণ? জানুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ। কলা খাওয়ার সঠিক নিয়ম এবং সতর্কতা: পাকা কলা: মাঝারি আকৃতির একটি পাকা কলা খাওয়া নিরাপদ। তবে বেশি পাকা বা খয়েরি রঙের কলা এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ এগুলোর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি থাকে। কাঁচা কলা: ডায়াবেটিসের জন্য কাঁচা বা অর্ধপাকা কলা সবচেয়ে বেশি উপকারী। এতে শর্করার পরিমাণ কম থাকে। আর খালি পেটে বড় কলা না খেয়ে প্রোটিন বা ফ্যাটজাতীয় খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া ভালো। এতে শর্করা ধীরে ধীরে রক্তে মিশে যায়। উপকারিতা: ১. ফাইবার: কলার ফাইবার হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে। ফলে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ২. ভিটামিন বি৬: এটি মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ ও স্নায়ু সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ৩. পটাশিয়াম: হৃদযন্ত্র ও রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। কলা পরিমিতভাবে খাওয়া গেলে তা আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগে ‘হিট’ প্রকল্পের ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩৫ এম


সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগে ‘হিট’ প্রকল্পের ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগের পক্ষ থেকে ‘জেনেটিক ও ক্লিনিক্যাল ডেটা ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক একটি ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়েছে। এই ওয়ার্কশপটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘হিট (HEAT)’ প্রকল্পের উইন্ডো-১ এর আওতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রকল্পটি ‘করোনাভাইরাসজনিত রোগের সংবেদনশীলতা, তীব্রতা এবং ফলাফলের সঙ্গে সম্পর্কিত হোস্ট জেনেটিক মার্কার শনাক্তকরণ: ভবিষ্যৎ মহামারি ব্যবস্থাপনায় এর প্রভাব’ বিষয়ক গবেষণা প্রকল্প (প্রকল্প পিন: ১১০৪৪) বাস্তবায়ন করছে। এই প্রকল্পের চতুর্থ ত্রৈমাসিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ওয়ার্কশপটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

ওয়ার্কশপের মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষাবিদ, গবেষক এবং শিক্ষার্থীদের একত্রিত করে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা ও বায়োমেডিকেল গবেষণায় জেনেটিক ও ক্লিনিক্যাল ডেটা ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরা। এছাড়া, এ বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করাও ছিল এর লক্ষ্য।

 

অনুষ্ঠানটির সমন্বয় করেছেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং হিট (HEAT) প্রকল্পের উপ-প্রকল্প ব্যবস্থাপক ড. নুসরাতুন নাহার। আয়োজক দলের অন্যান্য সদস্য হিসেবে ছিলেন ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. ইসরাত জাহান বুলবুল, সহকারী অধ্যাপক ইয়াসমিন বেগম, সহকারী অধ্যাপক ও প্রকল্পের আর্থিক ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল হাসান এবং প্রকল্পের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাদিয়া উজমা সিদ্দিকা।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হিট (HEAT) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. আসাদুজ্জামান, উপ-প্রকল্প পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান এবং এটিএফ (ATF) সচিবালয়ের ড. হাসনাত এম. আলমগীর।

 

ওয়ার্কশপে প্রায় ৪০ জন গবেষণায় আগ্রহী শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন।

 

অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ছিলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নাজির হোসেন। তিনি জিনগত তথ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নৈতিক ও প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জসমূহ তুলে ধরেন এবং গবেষণার তথ্য নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে একটি প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর পর্বও অনুষ্ঠিত হয়।

 

জিনতত্ত্ব ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি, তথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ গবেষণাকে আরও সমৃদ্ধ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার মাধ্যমে ওয়ার্কশপের সমাপ্তি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%