ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইমামদের আর্থিক ও সামাজিক অবস্থান সুসংহত করছে সরকার: হুইপ দুলু


ইমামদের আর্থিক ও সামাজিক অবস্থান সুসংহত করছে সরকার: হুইপ দুলু

নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় সংসদের হুইপ, এডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, সরকার ইমামদের আর্থিক ও সামাজিক অবস্থান সুসংহত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং খাদেমদের জন্য মাসিক সম্মানী ভাতা চালু করেছেন।

আজ জেলা মডেল মসজিদের সম্মেলন কক্ষে জেলার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের দিনব্যাপী সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এসব কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেছেন, বিগত ১৭ বছর ধরে দেশের ইমামবৃন্দ অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ইসলাম বিরোধী শক্তিগুলি এখন নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। তিনি বললেন, দেশে আর কখনো যেন ইসলাম বিরোধী শক্তি মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। ধর্মীয় নেতাদের বিভাজন পরিহার করে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

তিনি আরও বলেন, জেলার বিভিন্ন মসজিদের ১৭৮ জন ধর্মীয় নেতাকে সরকার মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদান করছে। এই সম্মানী ভাতার পরিধি ভবিষ্যতে শতভাগে উত্তীর্ণ হবে। এই সম্মানী ভাতার মাধ্যমে তাদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আবুল হায়াত। পুলিশ সুপার মো. শরীফুল হক বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাটোর জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. রিয়াজুল ইসলাম সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক জানিয়েছেন, চলতি অর্থ বছরে নাটোর জেলার ৫০ জন ইমাম রাজশাহীর ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিতে কৃষি কাজ, গাভী পালন, সামাজিক বনায়ন, মৎস্য চাষ ইত্যাদি বিষয়ভিত্তিক দেড় মাসের আবাসিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। ইমামদের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এই প্রশিক্ষণ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

আরও পড়ুন: সেনাপ্রধানের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ, এলএফটি-২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ও বৈষম্য বাড়ছে বলে অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


জাপানে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ও বৈষম্য বাড়ছে বলে অভিযোগ

জাপানে বিদেশি বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক আচরণ এবং সামাজিক বৈষম্য উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, গবেষক, মানবাধিকারকর্মী এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা এ তথ্য জানিয়েছেন। তাদের মতে, আগে কোরিয়ান ও কুর্দি বংশোদ্ভূত বাসিন্দারা বেশি বৈষম্যের শিকার হতেন, তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মুসলিম সম্প্রদায়কেও একইভাবে হয়রানির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের একটি প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাপানে মুসলিম জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য, গুজব ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের পরিবেশনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন মসজিদে নিয়মিতভাবে হুমকিমূলক ফোনকল ও ইমেইলে অভিযোগ করা হচ্ছে। বহু মুসলিম পরিবার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক হিরোফুমি তানাদার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ জাপানে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ২০ হাজারে পৌঁছাবে। ২০১৯ সালে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার। বর্তমানে দেশজুড়ে ১৬০টিরও বেশি মসজিদ রয়েছে।

গত কয়েক বছরে ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ওসাকায় একটি মসজিদ থেকে উচ্চস্বরে আজান দেওয়ার মতো গুজব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। পরে অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে হোক্কাইডোর এবেতসু শহরে পাকিস্তানি সম্প্রদায়ের পরিচালিত একটি মসজিদ এবং ব্যবহৃত গাড়ির শোরুমে একাধিক সন্দেহজনক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এছাড়া টোকিওর কাছের কানাগাওয়া প্রিফেকচারের ফুজিসাওয়ায় একটি নতুন মসজিদ নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ ও হয়রানির অভিযোগ ওঠে।

উত্তর কান্টো অঞ্চলের একটি মসজিদের দায়িত্বশীল ব্যক্তি, যিনি নিরাপত্তার কারণে ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন, জানাচ্ছেন যে গত এক বছর ধরে পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। তার ভাষ্যমতে, প্রতিদিন কয়েকটি ঘৃণামূলক ফোনকল এবং ইমেইল আসে, যেখানে মুসলিমদের জাপান ছাড়ার আহ্বান জানানো হয় এবং মসজিদ নির্মাণের বিরোধিতা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রায় তিন দশক আগে প্রতিষ্ঠিত এই মসজিদ স্থানীয় সমাজের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছে। নতুন অভিবাসীদের সমাজের সামাজিক নিয়ম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করা হয়েছে। কিন্তু নতুন সময়ে সেই ইতিবাচক পরিবেশে পরিবর্তন আসছে।

নামাজ পড়তে আসা এক পাকিস্তানি শিক্ষার্থী জানাচ্ছেন, তার জাপানি বন্ধু ও সহপাঠীরা ধর্মীয় পরিচয়কে সম্মান করেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া উত্তেজনাপূর্ণ প্রচারণা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। তার প্রশ্ন হচ্ছে, ব্যক্তিগত সম্পর্ক যখন ইতিবাচক, তখন এই ঘৃণার উৎস কোথায়?

জাপানে জন্ম নেওয়া পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত একজন তরুণ উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া বিদ্বেষ যদি নিয়ন্ত্রণ না করা যায়, তাহলে ভবিষ্যতে তা বাস্তব সহিংসতায় রূপ নিতে পারে।

এদিকে, মুসলিম জনগণের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইসলামিক কবরস্থান, হালাল খাবার এবং ধর্মীয়ভাবেও উপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থার চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে জাপানের প্রচলিত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামোর সঙ্গে এসব প্রয়োজনের সমন্বয় নিয়ে এখনো নানা আলোচনা চলছে।

আইচি প্রিফেকচারাল ইউনিভার্সিটির গবেষক মিচিতো ওহাশি মনে করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্থানীয় ছোটখাটো ঘটনাকে অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করার ফলে অনেক সময় অযথা ভয় এবং ভুল ধারণা তৈরি হয়। তার মতে, বিদ্যমান বিদ্বেষবিরোধী আইন আরও কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা প্রয়োজন।

ওহাশি বলেছেন, মুসলিমদের শুধুমাত্র ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে না দেখে সমাজের সাধারণ সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা এবং পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোই দীর্ঘমেয়াদে সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য সবচেয়ে কার্যকর পথ। তথ্যসূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইস-রা-য়েলের সামরিক সম্পর্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের একজোট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


ইস-রা-য়েলের সামরিক সম্পর্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের একজোট

ইসরায়েল ইস্যুতে মার্কিন রাজনীতিতে একটি অভূতপূর্ব ও নাটকীয় পরিবর্তন দেখা গেছে। আদর্শগতভাবে সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর দুই মার্কিন আইনপ্রণেতা— ক্যালিফোর্নিয়ার প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট রো খান্না এবং কেনটাকির কট্টর রিপাবলিকান টমাস ম্যাসি— এবার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইসরায়েলের সামরিক এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধি নিয়ে একটি আইনি ধারা বাতিলের দাবিতে একজোট হয়েছেন।

চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক প্রতিরক্ষা বিল ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স অথরাইজেশন অ্যাক্ট (এনডিএএ) ২০২৭’-এর একটি নির্দিষ্ট ধারাকে লক্ষ্য নিবদ্ধ করে, এই দুই নেতা যৌথভাবে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন। বিলটির ‘সেকশন ২২৪’ ধারায় মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি গবেষণা, উন্নয়ন, পরীক্ষা ও সামরিক একীকরণ সমন্বয়ের জন্য একজন বিশেষ ‘নির্বাহী এজেন্ট’ নিয়োগের কথা বলা হয়েছে।

রিপাবলিকান নেতা টমাস ম্যাসি এই ধারার তীব্র বিরোধিতা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, "মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীকে একীভূত করার এই ধারাটি যদি কমিটি থেকে পাস হয়ে আসে, তবে আমি বিলটি থেকে এটি পুরোপুরি বাদ দেওয়ার জন্য সংশোধনী প্রস্তাব তুলব। আমরা একটি সার্বভৌম দেশ..."

ম্যাসির এই অবস্থানের পরে, তার সাথে হাত মেলান ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি রো খান্না। গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলের ভূমিকার উপর কড়া সমালোচনা করে খান্না ম্যাসির পোস্টের জবাবে লেখেন, তিনি কমিটির ভেতরেই এই ধারাটি বাতিলের প্রস্তাব তুলবেন। এ ছাড়া, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি যোগ করেন, ট্রাম্প তাদের এই জোটকে কোনোভাবেই নস্যাৎ করতে পারবেন না।

এর আগে, গত বছর ইরানের সাথে ইসরায়েলের যুদ্ধে মার্কিন সম্পৃক্ততার বিরোধিতা করতে এই দুই নেতা একসাথে কাজ করেছিলেন। সম্প্রতি মার্কিন প্রাইমারি নির্বাচনে টমাস ম্যাসির হারার পেছনে এই ইসরায়েলবিরোধী জোট গঠন এবং শক্তিশালী মহলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াকেও প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন রো খান্না।

খান্না এক্স পোস্টে লিখেছেন, "এবং @RepThomasMassie, আমি সেকশন ২২৪-কে বাদ দেওয়ার জন্য কমিটির ভেতরেই একটি সংশোধনী প্রস্তাব নিয়ে আসব। ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে যতই পোস্ট করুন না কেন, ম্যাসি/খান্না অংশীদারিত্বকে তিনি নস্যাৎ করতে পারবেন না।"

গত মাসে এনবিসি-র "মিট দ্য প্রেস" অনুষ্ঠানে ম্যাসির প্রাইমারি নির্বাচনে হেরে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন খান্না। তিনি সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছিলেন যে, ইরানের যুদ্ধ এবং 'এপস্টাইন ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট'-এর বিরোধিতা করার কারণে তাদের যৌথ সহযোগিতার জন্য ম্যাসিকে "সরিয়ে দেয়" হয়েছে।

খান্না বলেন, "টমাস একজন সত্যিকারের বন্ধু। তিনি একজন ভালো মানুষ, এবং দুটি কারণে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, এপস্টাইন ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট পাস করার জন্য আমার সাথে কাজ করতে গিয়ে কিছু অত্যনত্ম শক্তিশালী মানুষের বিরুদ্ধে যাওয়ার সাহস তিনি দেখিয়েছিলেন। তিনি যেমনটা উল্লেখ করেছেন, এটি একটি ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক আইন যা শেষ পর্যন্ত ভুক্তভোগীদের জন্য ন্যায়বিচার এনেছে; আর এর ফলে কিছু মানুষ লক্ষ লক্ষ ডলার খরচ করেছে এবং খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার পেছনে লেগেছিলেন। এবং দ্বিতীয়ত, ইরানের এই যুদ্ধ থামাতে তিনি আমার সাথে কাজ করেছিলেন।"

মার্কিন কংগ্রেসে ইসরায়েলকে দেওয়া অন্ধ সমর্থনের যে ঐতিহ্য রয়েছে, তা ভাঙতে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের এই এক্সটাঙ্গ অবস্থানকে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সূত্র: টাইমস অফ ইসরাইল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙ্গামাটিতে পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


রাঙ্গামাটিতে পুলিশ কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

রাঙ্গামাটিতে এক পুলিশ কর্মকর্তা সাজেদুল হক (এসআই) এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (১ জুন) রাত পৌনে ১টার সময় শহরের তবলছড়ি পোস্ট অফিস কলোনির ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

ঘটনা ঘটার পরপরই রাতেই পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোসাইন এবং মো. জসীম উদ্দিন ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন।

পুলিশ জানায়, পরিবারের বরাতে সোমবার মধ্যরাতে স্ত্রীর সঙ্গে সাজেদুল হকের খুব তীব্র বাগবিতণ্ডা হয়েছিল। একপর্যায়ে তিনি ক্ষোভের কারণে নিজের রুমের দরজা বন্ধ করে দেন। বেশ কিছুক্ষণ পর সাড়া-শব্দ না পেয়ে তিনি ডাকার পরও দরজা না খোলায় তার স্ত্রী আতঙ্কিত হয়ে আমাদের জানায়।

কোতোয়ালি থানার ওসি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে রাতে রাঙ্গামাটির কোতোয়ালি থানার পুলিশ একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। তারা রুমের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় সাজেদুল হকের মরদেহ উদ্ধার করে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সাজেদুল হক রাঙ্গামাটি সদর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি তবলছড়ি পোস্ট অফিস কলোনির একটি ভাড়া বাসায় স্ত্রী ও এক সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন। তার গ্রামের বাড়ি জামালপুর জেলা সদরের হনুমানেরচর এলাকায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


হাম উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘন্টায় দেশে হাম উপসর্গ নিয়ে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে মোট আক্রন্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩৩৪ জন। 

আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৯২ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩৬২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৪২ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ১৩৬ জন।

১৫ মার্চ থেকে ২ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৯ হাজার ১০৬ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৮১২ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে।  

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৬ মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৫০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ৩৪ হাজার ৪৯৭ জন হাম সন্দেহে আক্রান্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৬ হাজার ৩৮১ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%