পারভীন আক্তার , স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জ জেলা
০৭:০৬ পি.এম
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগ 'ওয়ান স্টুডেন্ট, ওয়ান ট্রি' এর আওতায় সোনারগাঁও উপজেলায় ১১ টি স্পটে মোট ১৯,৩২০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে বিভিন্ন জাতের গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জায়গায়ও এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোঃ রায়হান কবির।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আজহারুল ইসলাম মান্নান।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন-পুলিশ সুপার, নারায়ণগঞ্জ; উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সোনারগাঁও; বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ; রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ আগত শিক্ষার্থীবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একটি বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লোন অফিসারকে হানিট্র্যাপে’র ফাঁদে ফেলে ফ্ল্যাটে নিয়ে মারধর ও আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগে পাঁচ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি।
সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের উপকমিশনার তরিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. আনোয়ার হোসেন (৪৫), বদিউজ্জামান শাহীন (৪৫), মরিয়ম (৪৯), শাহাদাত হোসেন (৫৮) ও উর্মী বেগম (৩৯)।
ডিবি বলছে, এই পাঁচ ব্যক্তি একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। তারা ‘হানিট্র্যাপে’ (ঘনিষ্ঠতার প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদে ফেলা) মানুষকে জিম্মি করেন। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। একটি মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত শুক্র-শনিবার রাজধানীর সবুজবাগ, বাড্ডা ও খিলগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে নয়টি মুঠোফোন, একটি ওয়াকি–টকি ও চার হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
ডিবির কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম জানান, একটি বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের একজন ঋণ বিতরণকারী কর্মকর্তা পেশাগত কাজে গত ১৫ এপ্রিল রামপুরার দক্ষিণ বনশ্রীর একটি মার্কেটে যান। তখন এক নারী নিজেকে ঋণগ্রহীতা পরিচয় দিয়ে তার সঙ্গে পরিচিত হন। কর্মকর্তার ভিজিটিং কার্ড সংগ্রহ করেন নারী।
পরে কয়েক দিন মুঠোফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে কর্মকর্তার সঙ্গে এই নারী ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে এই নারী বনশ্রীর একটি হাসপাতালের সামনে দেখা করার প্রস্তাব দেন কর্মকর্তাকে। নির্ধারিত স্থানে পৌঁছানোর পর অপর এক নারী তাকে (কর্মকর্তার) রিকশায় করে বিভিন্ন গলি ঘুরিয়ে খিলগাঁও থানা এলাকার একটি ফ্ল্যাটে নিয়ে যান।
ঘটনাটির বিষয়ে ডিবির ভাষ্য, কর্মকর্তা ফ্ল্যাটে প্রবেশের কিছুক্ষণ পর আরও চারজন সেখানে হাজির হন। তারা কর্মকর্তাকে মারধর করেন। পরে এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে আপত্তিকর অবস্থার ভিডিও ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে তার মুঠোফোন, মানিব্যাগ, নগদ অর্থ, ব্যাংকের এটিএম কার্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র জোর করে নিয়ে নেওয়া হয়।
পরবর্তী সময়ে চক্রটি ভুক্তভোগীর কাছে তিন লাখ টাকা দাবি করে। পাশাপাশি তার ব্যাংক হিসাব থেকে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) মাধ্যমে মোট ১ লাখ ১০ হাজার টাকা তারা নিয়ে নেয় বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর। ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে ব্ল্যাকমেল করা হয়। এ ঘটনায় গত ২২ জুন খিলগাঁও থানায় একটি মামলা করেন ভুক্তভোগী।
ডিবির কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে এই ভুক্তভোগীসহ একাধিক ব্যক্তিকে একই কৌশলে ফাঁদে ফেলে চক্রটির অপরাধ–কাণ্ডের আলামত পাওয়া গেছে।’
গ্রেপ্তার পাঁচ ব্যক্তি এখন পুলিশি রিমান্ডে আছে বলে জানায় ডিবি। সংস্থাটি বলছে, খিলগাঁও থানার মামলার ঘটনাটিসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যাপারে আরও তদন্ত চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম বলেছেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আইন প্রয়োগ ও শাস্তির বিধান কার্যকর রেখে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও দীর্ঘদিন অন্যায়-অবিচারের শিকার হয়েছেন এবং তিনি প্রতিশোধপরায়ণ বা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না। বরং, প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশে ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। যদি কেউ অপরাধ করে, তবে অপরাধের ধরন ও গুরুত্ব অনুযায়ী যাকে অবশ্যই আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। শাস্তির বিধানের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশে প্রকৃত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা।
আজ সোমবার, জাতীয় সংসদ ভবনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর সহযোগিতায় এক পরামর্শ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
চিফ হুইপ উল্লেখ করেন, অতীতে বহু মানুষ স্বজন হারিয়েও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন। বাবা, ভাই কিংবা বোনের হত্যার বিচার পেতে অনেককে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। বর্তমান সরকার সেই বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আইন সংস্কার প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে উন্নয়ন সহযোগীদের সহযোগিতা ও গঠনমূলক মতামতকে সরকার স্বাগত জানায়। আইন ও নীতিমালার প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে নাগরিকের অধিকার সুরক্ষা এবং জীবনমান উন্নয়নই সরকারের লক্ষ্য। এই ক্ষেত্রে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্ব ও অবদানেরও তিনি প্রশংসা করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মুলার, ইউএনএইচসিএইচআরের মানবাধিকার কর্মকর্তা ইফতিখার সৈয়দ আলী এবং জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়ের হেড অব অফিস লইস বারবার। এছাড়া, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত, ইউএনডিপি বাংলাদেশের ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালী দয়ারত্ন এবং ইউএন উইমেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিংসহ কূটনৈতিক মিশন, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর জামতলা মোড়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অটোভ্যানের সিটের নিচ থেকে ১৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় গাঁজা বহনের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। দুপুরের সময় ওই এলাকার তথ্যের উপর ভিত্তি করে পুলিশ অভিযান শুরু করে এবং তাদের আটক করতে সক্ষম হয়।
অভিযান পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন। আটক হওয়া দুই ব্যক্তি হলেন পাথরডুবি ইউনিয়নের গোলাপ হোসেন (৩২) এবং সিরাজুল ইসলাম (২৩)। তারা উভয়েই যথাক্রমে মজিবর হোসেন ও আব্দুর রহিমের ছেলে।
পুলিশ জানায়, পাথরডুবি ইউনিয়ন থেকে আসা একটি অটোরিকশাচালিত ভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে সিটের নিচে তিনটি লাল প্যাকেটে মোড়ানো ১৪ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, পাথরডুবি ইউনিয়ন গাঁজা চোরাচালানের জন্য একটি পরিচিত রুট। এজন্য ওই এলাকায় নিয়মিত নজরদারি রাখা হচ্ছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তারা অভিযান পরিচালনা করে গাঁজা উদ্ধার করে এবং দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) ট্রেড লাইসেন্স, জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন, নাগরিকত্ব সনদ এবং ওয়ারিশ সনদসহ বিভিন্ন সেবা নিতে এসে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সেবাপ্রার্থীরা। অভিযোগ উঠেছে, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রমে বহিরাগত হিসেবে স্থানীয় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা-কর্মী হস্তক্ষেপ করছেন এবং দালালের ভূমিকায় কাজ করছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইউনিয়ন পরিষদে সচিব, গ্রাম পুলিশ ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্বে থাকলেও, বহিরাগত এসব ব্যক্তি সেবাপ্রার্থীদের কাগজপত্র যাচাই, বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া এবং দ্রুত কাজ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছেন। এভাবে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখা যায়, মূল ফটক দিয়ে প্রবেশের পরই কয়েকজন যুবক সেবাপ্রার্থীদের কাগজপত্র দেখে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলছেন। সচিবের কক্ষের সামনেও তাদের সক্রিয় উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
এ সময় নিজেকে ছাত্রদলকর্মী পরিচয় দিয়ে জনি নামের এক যুবক বলেন, ‘স্থানীয় সংসদ সদস্য ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মো. শামীম আহমেদকে পরিষদের কার্যক্রম দেখভালের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা শামীম আহমেদের পক্ষ থেকে সেবাপ্রার্থীদের সহযোগিতা করছি।’
তবে একাধিক সেবাপ্রার্থী অভিযোগ করেন, ওই যুবকেরা দ্রুত কাজ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা দাবি করেন। তাদের মাধ্যমে কাজ না করলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।
এছাড়া ট্রেড লাইসেন্সের ফি কমিয়ে দেওয়ার নামে সুবিধা নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় শাপলা হাউজিং এলাকার বাসিন্দা শাহিদা বেগম বলেন, ভোটার নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্র নিতে এসে কয়েকজন যুবক তার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে না পারায় তার কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মেইটকা গ্রামের বাসিন্দা লিয়াকত আলী বলেন, বাবার মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সনদ নিতে এসে তিনি নির্ধারিত টাকার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ চাওয়ার অভিযোগের মুখে পড়েন। পরে বিষয়টি ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের জানালে, তাদেরও অর্থ দিলে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার কথা বলেন বলে দাবি করেন।
অভিযোগের বিষয়ে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মো. শামীম আহমেদ বলেন, ‘আমরা কারো কাছ থেকে অর্থ নেয়নি। বরং আগে যারা দালালি করতো, তাদের পরিষদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
নিরাপত্তা ঝুঁকি ও দুর্নীতি রোধে পরিষদে বহিরাগতদের উপস্থিতি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকার পরও কীভাবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ইউনিয়ন পরিষদে সরকারি ফাইল পরিচালনা ও খবরদারি করছে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘এখন থেকে আমিই সবকিছু দেখবো। গ্রাহকদের যেন ভোগান্তি না হয় এবং বহিরাগতরা যেন খবরদারি করতে না পারে, সে জন্য আগামীকাল থেকে সবকিছু আমার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’
তবে এরপরই তিনি ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি শামীম আহমেদ ও তার সম্পাদককে কাল থেকে তার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ