শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৩৩ পি.এম
পদ্মা সেতু চালুর পর বাগেরহাট থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল ও যাত্রীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যহারে বেড়েছে। বাড়ছে যানবাহনের চাপও। এরসঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জেলার একমাত্র কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালকে আরও আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব করে গড়ে তুলতে সম্প্রসারণ ও জমি অধিগ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে বাগেরহাট পৌরসভা।
বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার যাত্রী টার্মিনালটি ব্যবহার করেন।
আটটি রুটে চলাচল করে তিন শতাধিক বাস ও মিনিবাস। ফলে পুরোনো এই টার্মিনালে ক্রমবর্ধমান যাত্রী ও যানবাহনের চাপ সামাল দিতে বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, টার্মিনালের বিভিন্ন অংশে গর্ত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতে এসব স্থানে পানি জমে কাদা সৃষ্টি হয়। জায়গা সংকটের কারণে কিছু দূরপাল্লার বাস টার্মিনালের বাইরে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে যাত্রী ওঠানামা করাচ্ছে। এতে যাত্রীদের ভোগান্তির পাশাপাশি ব্যস্ত সড়কে যানজট ও নিরাপত্তার বিষয়টিও সামনে এসেছে।
চট্টগ্রাম থেকে আসা যাত্রী রায়হান শেখ বাসস’কে বলেন, বাসে উঠতে বা নামতে গিয়ে অনেক সময় সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। বড় বাস পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আতঙ্ক লাগে। টার্মিনালের ভেতরে পর্যাপ্ত জায়গা থাকলে এ ধরনের ভোগান্তি অনেকটাই কমে যেত।
আরেক যাত্রী শাওন বলেন, বৃষ্টির সময় টার্মিনালের বিভিন্নস্থানে পানি ও কাদা জমে যায়। নারী, শিশু ও বয়স্কদের চলাচলে এতে বেশি অসুবিধা হয়। দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পাশাপাশি দ্রুত কিছু ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।
ঢাকা থেকে আসা যাত্রী শাফিন আহমেদ বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর বাস ও যাত্রী দুটোই বেড়েছে। এ অবস্থায় টার্মিনালের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো গেলে যাত্রীদের জন্য আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হবে।
যশোর থেকে আসা নাফিজা বলেন, টার্মিনালের ভেতরে পর্যাপ্ত বসা ও অপেক্ষার জায়গা নেই। বৃষ্টির সময় কাদা-পানি মাড়িয়ে বাসে উঠতে হয়। টার্মিনালটি সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হলে যাত্রীদের জন্য বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের চলাচল আরও সহজ হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০০৪ সালে পৌরসভা এলাকার মহাসড়কের পাশে দুই একর জমির ওপর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের মাধ্যমে বাগেরহাট বাস টার্মিনালটি নির্মাণ করা হয়। দুই দশকের বেশি সময় পার হওয়ায় এবং বাস ও যাত্রীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান অবকাঠামোর ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।
বাগেরহাট জেলা বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাসস’কে বলেন, টার্মিনালের বর্তমান অবস্থা উন্নত করা প্রয়োজন। বিভিন্ন স্থানে বড় গর্ত ও কাদার কারণে যাত্রীদের ওঠানামায় ভোগান্তি হচ্ছে। গর্তে পড়ে বাসের বিভিন্ন যান্ত্রিক ত্রুটিও দেখা দিচ্ছে।
তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অবহিত করা হয়েছে। টার্মিনাল সম্প্রসারণ ও সংস্কারের উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়িত হলে যাত্রী, চালক ও পরিবহন শ্রমিকদের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।
বাগেরহাট পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন বাসস’কে বলেন, বাগেরহাট পৌর বাসস্ট্যান্ডটি পুরোনো হওয়ায় এটিকে আধুনিকায়নের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে। জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হলে বাসস্ট্যান্ডটি আধুনিক ও উন্নত বাসস্ট্যান্ডে রূপান্তর করা হবে।
তিনি বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে বাসস্ট্যান্ডের বিভিন্নস্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে সেখানে ইট-বালু দেয়া হয়েছে। এরপরও কোনো সমস্যা থাকলে তা চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
যাত্রীরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে বাসস্ট্যান্ডটি ব্যবহার করতে পারেন, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বাসস্ট্যান্ডের লাইটের সমস্যাটিও দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে।
পৌরসভার প্রকৌশলী এস এম হাবিবুল্লাহ বাসস’কে জানান, বাস টার্মিনালটি সম্প্রসারণের জন্য আরও প্রায় তিন একর জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হলে টার্মিনালের পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি যাত্রীদের সুযোগ-সুবিধাও বৃদ্ধি করা হবে।
যাত্রীরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন পরিকল্পনার পাশাপাশি টার্মিনালের বর্তমান খানাখন্দ, পানি নিষ্কাশন, আলোকসজ্জা এবং যানবাহন পার্কিংয়ের সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা হলে সেবার মান আরও উন্নত হবে। একই সঙ্গে পদ্মা সেতুর কারণে বাগেরহাটে বাড়তে থাকা গণপরিবহন ও যাত্রীসেবার চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি আধুনিক, নিরাপদ ও যাত্রীবান্ধব বাস টার্মিনাল গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি সমৃদ্ধ ও কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দেশপ্রেমিক নাগরিক, ব্যবসায়ী, তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষকসহ সমাজের সর্বস্তরের জনসাধারণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানী ঢাকায় ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা কামনা করে তারেক রহমান বলেন, দেশ পরিচালনায় সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। তাই আসুন আমরা সবাই মিলে এ রকম একটি রাষ্ট্র গড়ে তুলতে কাজ করি, যাতে আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত সেই রাষ্ট্র গড়ে তুলতে সক্ষম হই।
অনুষ্ঠানে বক্তাদের দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, পূর্ববর্তী বক্তারা এবং বিশেষ করে ডক্টর আনিসুজ্জামান ইনোভেশন নিয়ে তার উপস্থাপন ও বক্তব্যে যে বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন, সেগুলোর মধ্য দিয়েই আমাদের আগামী দিনের কর্মপন্থা মোটামুটিভাবে নির্ধারিত হয়ে গেছে। আমরা যদি এসব কর্মপন্থা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করতে পারি, তবেই আমরা আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হব।
দেশের সার্বিক অগ্রগতিতে উদ্ভাবক ও ব্যবসায়ীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র ও সরকারের বর্তমান প্রয়োজনে উদ্ভাবনী শক্তি নিয়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকার উদ্যোক্তা ও গবেষকদের সর্বাত্মক সহায়তায় সব সময় পাশে থাকবে।
পরে তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, দেশি-বিদেশি উদ্ভাবক ও বিভিন্ন পর্যায়ের গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচির ঘোষণা করেছে। এই কর্মসূচি রোববার ও সোমবার (১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে।
ছাত্রদলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে আজ থেকে শুরু হয়েছে তিন মাসব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’。
এই অভিযানের অংশ হিসেবে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা, সার্বিক পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর শিক্ষাঙ্গন গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল দুই দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
কর্মসূচির আওতায় আগামী ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর (রোববার ও সোমবার) সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হবে। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে কেন্দ্র করে আবারও বিয়ের আলোচনা শুরু হয়েছে। ৩৭ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী নাকি আগামী ডিসেম্বরে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বিয়ের জন্য পাহাড়ঘেরা কালিম্পংকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
হিন্দুস্তান টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, মিমির বিয়ের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। তার ঘনিষ্ঠজনদের মধ্যে আমন্ত্রণপত্র বিতরণের কাজও চলছে। তবে, মিমি চক্রবর্তী কিংবা তার হবু বর এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের খবরটি নিশ্চিত করেননি। প্রশ্ন উঠেছে, কে সেই পাত্র?
মিমির হবু জীবনসঙ্গী বিনোদন জগতের কেউ নন। তিনি ভারতীয় নৌবাহিনীর একজন কর্মকর্তা। তার নাম সিদ্ধার্থ। অভিনয়জগতের বাইরের এই ব্যক্তির সঙ্গেই নাকি নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছেন মিমি।
মিমির বিয়ে নিয়ে এর আগে বিভিন্ন সময় গুঞ্জন শোনা গেছে। তবে, সম্প্রতি অভিনেত্রীর কিছু মন্তব্যের কারণে সেই আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের প্রশ্নের জবাবে তার কিছু ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য নতুন করে বিয়ের জল্পনা সৃষ্টি করেছে।
যদিও মিমির ঘনিষ্ঠ সহকারী জানিয়েছেন, বিয়ের বিষয়ে তার কাছে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য নেই। ফলে ডিসেম্বর মাসে মিমির বিয়ে হচ্ছে কি না, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়। অভিনয়ের পাশাপাশি বর্তমানে মিমি বেশ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ সহ একাধিক নতুন কাজের শুটিং চলছে তার। পেশাগত ব্যস্ততার মধ্যেই ব্যক্তিজীবনের নতুন অধ্যায় শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছেন কি না, সেটিই এখন টালিউডে কৌতূহলের বিষয়।
মিমি নিজে মুখ না খোলা পর্যন্ত তাই বিয়ের খবরটিকে আপাতত গুঞ্জন হিসেবেই দেখছেন তার অনুরাগীরা। তবে, যদি সত্যিই ডিসেম্বরের বিয়ের খবরটি সঠিক হয়, তাহলে বছর শেষে টালিউডের অন্যতম আলোচিত তারকা-বিয়ের সাক্ষী হতে যাচ্ছে দর্শকেরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ