ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিবন্ধনের দাবিতে ৪ বছর মেয়াদি ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের পদযাত্রা


নিবন্ধনের দাবিতে ৪ বছর মেয়াদি ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের পদযাত্রা

প্রধান শহরে নিবন্ধনের জন্য ৪ বছর মেয়াদি ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীরা পদযাত্রা ও মহাসমাবেশে অংশগ্রহণ করেছেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদ। নানা বিভাগ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারী, বিভিন্ন ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির শিক্ষার্থী এবং পেশাজীবীরা এতে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া সংগঠনের কেন্দ্রীয়, বিভাগীয়, মহানগর ও জেলা পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশের বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নীতির আলোকে ৪ বছর মেয়াদি ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের জন্য বিএমডিসি মাধ্যমে সীমিত পরিসরে পেশাগত নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: ২৪ ঘন্টায় ডিএমপি’তে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২১১১টি মামলা

তারা উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র-স্বীকৃত কোর্সের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকার পাঠ্যক্রম, ভর্তি, পরীক্ষা, ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ এবং সনদ প্রদানের ব্যবস্থা নিয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের জন্য কর্মপরিধিও নির্ধারণ করেছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বিএমডিসির নিবন্ধনের সুযোগ থেকে তারা বঞ্চিত রয়েছেন।

বাংলাদেশ ڈেন্টাল পরিষদের মহাসচিব লায়ন মুহাম্মদ কামাল বলেন, প্রশিক্ষিত ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের কর্মসংস্থান ও পেশাগত বৈষম্য নিয়ে উদ্বেগ এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে।

কোর্সের নাম ও সিলেবাসের অসঙ্গতির কারণে বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সমস্যা হচ্ছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় আগে থেকে নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।

বক্তারা আরো উল্লেখ করেন, সমযোগ্যতাসম্পন্ন মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্টরা বিএমডিসি আইন, ২০১০-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী নিবন্ধনের সুযোগ পাচ্ছেন। কিন্তু রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত ৪ বছর মেয়াদি ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীরা সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

আরও পড়ুন: ভূমি খাতে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে

তারা সরকারের প্রতি অনতিবিলম্বে বিএমডিসি আইন, ২০১০-এর ৩৫ ধারার আওতায় তফসিল সংশোধন অথবা ৩৬ ধারার অধীনে আলাদা বিধিমালা তৈরির দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদারে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪২ পি.এম


ভূমিকম্প মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদারে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. ইকবাল হোসেন বলেছেন, ভূমিকম্পের মতো বৃহৎ দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতিকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

এ লক্ষ্যে অনুসন্ধান, উদ্ধার অভিযান পরিচালনা এবং জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে আধুনিক সরঞ্জাম সংগ্রহসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

আজ জাতীয় সংসদে ৭১ বিধিতে সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩ এর সরকারি দলের সদস্য রাশেদা বেগম হীরার জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ‘ভূমিকম্প ও অন্যান্য দুর্যোগকালীন অনুসন্ধান, উদ্ধার অভিযান পরিচালনা এবং জরুরি যোগাযোগের জন্য যন্ত্রপাতি সংগ্রহ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

প্রকল্পের আওতায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি), বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশসহ দুর্যোগ মোকাবিলায় সম্পৃক্ত ১০টি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক আরবান সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ (ইউএসএআর) সরঞ্জাম, ভারী উদ্ধার যন্ত্রপাতি, জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বিশেষায়িত উদ্ধার উপকরণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা মহানগরী ও এর আশপাশের জেলার জন্য এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ পর্যন্ত ৪৩ হাজার ২৩৭ জন স্বেচ্ছাসেবী এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ২১ হাজার ৬০০ জন সদস্যসহ মোট ৬৪ হাজার ৮৩৭ জনের তথ্যভান্ডার (ডেটাবেস) প্রস্তুত করা হয়েছে।

মো. ইকবাল হোসেন বলেন, নিয়মিত মহড়া, প্রশিক্ষণ, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

তিনি আরও বলেন, বিল্ডিং কোড না মেনে নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ বহুতল ভবন শনাক্ত ও পরিত্যক্ত ঘোষণা, রাস্তা দখল করে নির্মিত বাউন্ডারি ওয়াল, দোকান ও স্থাপনা অপসারণ করে সড়ক প্রশস্তকরণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার কাছাকাছি হাসপাতাল নিশ্চিত করার বিষয়গুলো গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

তিনি বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এ বিষয়ে সরকারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

পরে সম্পূরক প্রশ্নে রাশেদা বেগম হীরা বলেন, সরকারের গৃহীত অধিকাংশ পদক্ষেপ ভূমিকম্প-পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলাকেন্দ্রিক হলেও ভূমিকম্প-পূর্ব দীর্ঘমেয়াদি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ভারতীয়, ইউরেশিয়ান ও বার্মা এই তিনটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে বাংলাদেশের অবস্থান হওয়ায় দেশটি তুলনামূলক বেশি ভূমিকম্প ঝুঁকিতে রয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৫ সালে ৬২টি এবং ২০২৪ সালে ৫৪টি ছোট মাত্রার ভূমিকম্প ভবিষ্যতে বড় ধরনের ভূমিকম্পের পূর্বাভাস হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

রাজধানীর সবুজবাগ, কামরাঙ্গীরচর, হাজারীবাগ, কাকরাইল, ইব্রাহিমপুর, পল্লবী, খিলগাঁও, কল্যাণপুর, গাবতলী, শ্যামপুর, মোহাম্মদপুর, উত্তরা, সূত্রাপুর ও মানিকদীসহ কয়েকটি এলাকা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি রাজধানীকে ধীরে ধীরে বিকেন্দ্রীকরণের উদ্যোগ নেওয়ারও পরামর্শ দেন।

জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, টেকটোনিক প্লেটসংক্রান্ত ঝুঁকি সম্পর্কে সরকার অবগত রয়েছে।

এ বিষয়ে সম্প্রতি দেশের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে ফল্ট লাইনের আশপাশের অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবিলায় বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ চলছে এবং উদ্ধার কার্যক্রম আরও কার্যকর করে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সব উদ্যোগ এখনো সম্পন্ন না হলেও কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে এ বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৩ পি.এম


১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

সরকার দেশের মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ভাষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।’ বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে সমাপনী বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘জনগণের সেবা নিশ্চিতে সব ধরনের কার্ড আনা হবে একটি ইউনিভার্সাল কার্ডের আওতায়। পাশাপাশি ক্ষমতায় এসে বর্তমান সরকার কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফের ঘোষণা দেয়।’ জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় ফ্যাসিবাদমুক্ত সংসদে বাজেট পাস হওয়া একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। বিগত সময়ে যেসব সংস্থা বাজেটের সমালোচনা করত, তারাই এবার এই বাজেটকে জনবান্ধব বলে মন্তব্য করেছে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষা খাতের বেহাল অবস্থার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এবার বাজেটে শিক্ষা খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, আগামীতে এই খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুলাউড়ায় মনু নদীর বিভিন্ন স্থানে বাঁধে ধস, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আহমেদ আক্তার রানা প্রতিনিধি কুলাউড়া উপজেলা

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


কুলাউড়ায় মনু নদীর বিভিন্ন স্থানে বাঁধে ধস, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও, হাজিপুর ও পৃথিমপাশা ইউনিয়নের মনু নদীর বিভিন্ন স্থানে নদীতীর ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে এখন ভয়াবহ ভাঙনের ঝুঁকি দৃশ্যমান হয়েছে। টানা বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, টিলাগাঁও ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামের মনু নদীর তীর, মিয়ারপাড়া, দক্ষিণ হাজিপুর, আশ্রয়গ্রাম, হাজিপুর ইউনিয়নের কঠারকোনা ও কাওকাপন বাজার এবং পৃথিমপাশা ইউনিয়নের রাজাপুরসহ বিভিন্ন স্থানে নদীতীর ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমানে মনু নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে থাকা সত্ত্বেও টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে, যা যেকোনো সময় নদীর পানি বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে উস্কে দিচ্ছে। বিশেষ করে টিলাগাঁও ইউনিয়নের তাজপুর এলাকায় প্রায় ৮০ ফুট বাঁধ ইতোমধ্যে ধসে গেছে। এর ফলে বাঁধসংলগ্ন সড়কের অর্ধেকেরও বেশি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া অবশিষ্ট অংশও চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

এলাকাবাসীর মধ্যে আশঙ্কা রয়েছে যে, যদি দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু না হয় তবে বাঁধ সম্পূর্ণ ধসে গিয়ে উপজেলার একাধিক ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়তে পারেন। এ অবস্থায় কৃষিজমি, বসতবাড়ি ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সুপ্তা সেন, লীলা সেন, লক্ষ্মী সেন, নিউটন চন্দ্র সেন, শ্রীকান্ত দে, সুমন দত্ত ও রাকু সেন জানান, তাজপুর এলাকার বাঁধটি বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় বড় ধরনের ভাঙন দেখা দিতে পারে এবং তাদের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। তাই তারা দ্রুত বাঁধ সংস্কারের জন্য সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

টিলাগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্বাস আলী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে ভাঙন ঘটলে শুধু টিলাগাঁও নয়, কুলাউড়ার আরও কয়েকটি ইউনিয়ন প্লাবিত হবে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি কৃষিখাতে গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি হবে।

টিলাগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত জানান, তিনি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো পরিদর্শন করেছেন এবং দ্রুত বাঁধ সংস্কার করার জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে দাবির কথা জানিয়েছেন। দ্রুত কাজ শুরু হলে বড় ধরনের দুর্যোগ এড়ানো সম্ভব হবে বলেও তিনি আশাবাদী।

কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা আক্তার বলেন, মনু নদীর ঝুঁকিপূর্ণ স্থান এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের অসমাপ্ত কাজগুলো পরিদর্শন করেছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ বিন অলিদ বলেন, কুলাউড়া উপজেলার মনু নদীর সব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। তাজপুরের ভাঙনস্থলও দেখা হয়েছে এবং সপ্তাহের মধ্যে সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলাবদ্ধতায় ঘরেই নবজাতকসহ প্রসূতির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


জলাবদ্ধতায় ঘরেই নবজাতকসহ প্রসূতির মৃত্যু

নোয়াখালীর হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপে জলাবদ্ধতার কারণে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় মৃত্যু হয়েছে এক প্রসূতির ও তার নবজাতকের। প্রসূতির নাম নাজমা আক্তার(৩০) এবং তার মৃত্যু ঘটে বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামপুর গ্রামে।

নিহত নাজমা আক্তার ইসলামপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. হক সাবের স্ত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৈরী আবহাওয়া ও উপকূলীয় এলাকায় ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেতের কারণে অস্বাভাবিক জোয়ারে নিঝুমদ্বীপের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে যায়। ইসলামপুর গ্রামের সড়ক ও চলাচলের পথ পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারণে যোগাযোগ সম্পূর্ণ ব্যাহত হয়ে যায়।

এ অবস্থায়, সকালে নাজমা আক্তারের প্রসববেদনা শুরু হলে তার স্বজনরা তাকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। তবে যাতায়াতের একমাত্র নৌকাটি ভাঙা থাকায় এবং জলাবদ্ধতার কারণে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীকালে ঘরেই প্রসবের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে নাজমা আক্তার ও তার অনাগত নবজাতকের মৃত্যু ঘটে।

নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লাভলী বেগম বলেন, নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নে কোনো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বা হাসপাতাল নেই। চিকিৎসার প্রয়োজন হলে সবাইকে হাতিয়া পৌরসভা এলাকায় যেতে হয়। কিন্তু জোয়ারের পানিতে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় নাজমাকে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে ঘরের ভেতরেই তার সন্তানসহ মৃত্যু হয়েছে। তার এর আগে দুইটি সন্তান রয়েছে, এবং এটি ছিল তার তৃতীয় সন্তান।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিঝুমদ্বীপ এলাকায় চিকিৎসাসেবার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%