মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২০ পি.এম
চাটমোহর ক্রড়িা পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত আন্তঃইউনিয়ন ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনালে নিমাইচড়া ও হান্ডিয়াল ইউনিয়ন দল স্থান পেয়েছে।
গত রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সরকারি আরসিএন এন্ড বিএসএন মডেল পাইলট হাইস্কুল মাঠ বালুচরে অনুষ্ঠিত ১ম সেমিফাইনালে নিমাইচড়া ইউনিয়ন গুনাইগাছা ইউনিয়নকে পরাজিত করে ফাইনালে প্রবেশ করে।
এছাড়া, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত ২য় সেমিফাইনালে হান্ডিয়াল চাটমোহর পৌরসভাকে পরাজিত করে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। টুর্ণামেন্টে মোট ১১টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভা দল অংশগ্রহণ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিঘলিয়া উপজেলার গাজীরহাট ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর একটি কর্মী সন্মেলন সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫ টায় গাজীরহাট ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় কার্যালয়ে এই কর্মী সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবুল হাসান।
গাজীরহাট ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইফুল ইসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি শেখ শামীম হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই কর্মী সন্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর সদর থানা আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান, গাজীরহাট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল কাদের, এবং বারাকপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সহ-সভাপতি আ স মনির মিন্টু।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, "বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ইসলামের নির্দেশিত আদর্শ অনুসরণ করে নিজেদেরকে মানুষের পাশে দাঁড় করতে হবে।" তিনি আরও বলেন, সমাজে বর্তমানে নৈতিকতার অভাবের কারণে অন্যায় অপরাধ, জুলুম, চাঁদাবাজী, ধর্ষণ, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই এবং মানুষ হত্যার মতো ঘটনা ঘটছে। তাই সমাজের প্রতিটি সেক্টরে ইসলামের আদর্শিক মানুষ গঠনের ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এনায়েতুল্লাহ ইসলামিয়া সিনিয়র (ফাজিল) মাদ্রাসার গভর্নিং বডি গঠনের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, যা তদন্তের দাবি করেছে সংশ্লিষ্টরা। গতকাল মঙ্গলবার চাটমোহর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় এই দাবি উত্থাপন করা হয়। অভিযোগ করা হয়েছে যে, গভর্নিং বডি গঠনের প্রক্রিয়া অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। নিয়মতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত অভিভাবক প্রতিনিধি ও শিক্ষক প্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আবু ইসহাক গোপনে গভর্নিং বডি অনুমোদন করেছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। এই গভর্নিং বডির গঠন নিয়ে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) চাটমোহর উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় এই তদন্তের দাবি করা হয়। চাটমোহর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ মোখলেসুর রহমান বিদ্যুৎ, চাটমোহর পৌর বিএনপির সভাপতি আসাদুজ্জামান আরশেদ, চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আঃ রহিম কালু, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মোঃ জিয়ারুল হক সিন্টুসহ অন্যান্যরা এই দাবি উপস্থাপন করেন। সভার সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল মাহমুদ এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানান।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গভর্নিং বডিতে যাদের অভিভাবক প্রতিনিধি ও শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তারা কেউই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেননি এবং নির্বাচিতও হননি। শুধু তাই নয়, গভর্নিং বডির কোনো সভা ছাড়াই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আবু ইসহাক একজনকে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত দেখিয়েছেন। নিয়মতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত ৩ জন অভিভাবক প্রতিনিধি ও ৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধি বাদ দিয়ে এই গভর্নিং বডি অনুমোদন করা হয়েছে। গোপনে অনুমোদিত গভর্নিং বডির বিষয়টি জানাজানি হলে চাটমোহরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। দাবি উঠেছে কথিত এই গভর্নিং বডি বাতিলের। এরই মধ্যে গত শনিবার গভর্নিং বডির সভা আহ্বান করা হয়, যা মাদ্রাসায় না করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু ইসহাক তার বাড়িতে গোপনে সম্পন্ন করেন বলে জানা গেছে। এদিকে, গভর্নিং বডিকে অবৈধ দাবি করে গভর্নিং বডির দাতা সদস্য ও চাটমোহর পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ আসাদুজ্জামান আরশেদ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, মাদ্রাসায় নিয়ম বহির্ভুতভাবে গভর্নিং বডি গঠিত হয়েছে। কোনো সভা ছাড়াই সহ-সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। যাদের নির্বাচনের মাধ্যমে অভিভাবক প্রতিনিধি ও শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন, তাদেরকে গভর্নিং বডিতে রাখা হয়নি। এটি একটি বড় ধরণের জালিয়াতি ও অনিয়ম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যাদের রাখা হয়েছে, তারা কোনো নির্বাচনের মাধ্যমে আসেননি। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাউকে না জানিয়ে চরম স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে নিজের ইচ্ছেমতো অভিভাবক ও শিক্ষক প্রতিনিধি তৈরি করে গভর্নিং বডি অনুমোদন করিয়েছেন।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আবু ইসহাকের সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শফিউল ইসলাম জানান, তিনি গভর্নিং বডি গঠনের বিষয়টি জানেন না। দাতা সদস্যের অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তার নজরে এসেছে। তিনি বলেন, "আমি প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ পাওয়ার পর নিয়মতান্ত্রিকভাবে অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন করে নির্বাচিতদের তালিকা প্রকাশ করেছি। তারা কেন, কিভাবে বাদ যায়, সেটা আমার বোধগম্য নয়।" চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুসা নাসের চৌধুরী জানান, অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে 'নাশকতার' মামলার প্রেক্ষিতে উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম (৫৩)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার রাতে, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ এবং দৌলতপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে উপজেলার খলিসাকুণ্ডি ইউনিয়নের পাইকপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে যুবলীগ নেতা শহিদুল ইসলামকে আটক করা হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট এলাকায় সংঘটিত 'নাশকতার' ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে থানায় নিয়ে গিয়ে রাতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
শহিদুল ইসলাম খলিসাকুণ্ডি ইউনিয়নের পাইকপাড়া এলাকার মৃত মজিবর রহমানের পুত্র। তিনি দীর্ঘকাল ধরে দৌলতপুর উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান জানিয়েছেন, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ এবং দৌলতপুর থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে শহিদুল ইসলামকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোমবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ শহরের মধ্য দূর্গাপুর গ্রামে ১০/১১ বছর আগে স্বামীর দ্বারা লাগানো আগুনে অগ্নিদগ্ধ হয়ে যাওয়া এক প্রতিবন্ধী মহিলার উপর আবারও অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। শাহনাজ বেগম নামের ওই মহিলার স্বামী সাইদুল ইসলাম, ভাসুর আব্দুর রশিদ এবং জা আব্দুর রশিদের স্ত্রী নূর এ জান্নাতের দ্বারা অকথ্য নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি।
স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ১৭ বছর আগে আজাদুল ইসলামের কন্যা শাহনাজ বেগমের সাথে সাইফুল ইসলামের বিয়ে হয়। ১০/১২ বছর আগে সাইদুল ইসলাম দ্বিতীয় বিয়ে করতে বাধা দেয়ার কারণে স্ত্রী শাহনাজকে শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। এর ফলে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ এবং দুই হাত মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়। এরপর স্বামী বিদেশে চলে যায়। দীর্ঘদিন পর বিদেশ থেকে ফিরে এসে আবারও নির্যাতন শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় ২৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার স্বামী, ভাসুর এবং বড় জা শাহনাজের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়। বিছানায় আগুন ধরিয়ে দেয় এবং প্রচণ্ড নির্যাতন চালায়। তাদের দ্বারা পরনের কাপড়চোপরও ছিঁড়ে ফেলা হয়।
ভুক্তভোগী শাহনাজ বেগম বলেন, "দ্বিতীয় বিয়ে করতে বাধা দিলে আমাকে আগুনে পুড়ে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে।" তিনি আরও বলেন, "আমাকে আগুনে পুড়ে মেরে ফেলতে না পেরে বিভিন্ন নির্যাতন করছেন। আমি অগ্নিদগ্ধ প্রতিবন্ধী, আমি আমার স্বামীর এই নির্যাতনের বিচার দাবী করছি।"
ভুক্তভোগী শাহনাজ বেগমের মা বলেন, এই নির্যাতনের সংবাদ পেয়ে গ্রামের প্রতিবেদীরা ছুটে আসেন। নির্যাতন দেখে প্রতিবেশীরা কষ্ট পান। স্থানীয় এক প্রতিবেশী নারী জানান, প্রতিবন্ধী অসহায় দরিদ্র পরিবারের উপর এ ধরনের নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিহত করতে গিয়ে তাকেও লাঞ্চিত করা হয়েছে। এলাকাবাসী নওগাঁ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, "বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে প্রতিবন্ধী ঐ নারী অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ