ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চুয়াডাঙ্গায় কোটি টাকার চুল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২


চুয়াডাঙ্গায় কোটি টাকার চুল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

চুয়াডাঙ্গা-দামুড়হুদা আঞ্চলিক মহাসড়কে কোষাঘাটা নামক স্থানে একটি চুলবোঝাই কাভার্ডভ্যান গতিরোধের পর অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রায় ৩৩০ কেজি ছিনতাই হওয়া চুল উদ্ধার করা হয়েছে। ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে কাভার্ডভ্যানের চালক ও ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ছিনতাইয়ের মূল্য প্রায় কোটি টাকা।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মো. শহিদুল ইসলাম (৪৭), যিনি দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা এবং সানোয়ার হোসেন সান্টু (৩৯), যিনি কানাইডাঙ্গা গ্রামের অধিবাসী।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় কয়েকজন চুল ব্যবসায়ী ঢাকা থেকে ২৩ বস্তায় মোট প্রায় ৩৩০ কেজি চুল কিনে তা প্রক্রিয়াকরণের জন্য চুয়াডাঙ্গায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে, সমিতির নিজস্ব কাভার্ডভ্যানে করে চুলের বস্তাগুলো দামুড়হুদা থানাধীন কার্পাসডাঙ্গা এলাকার একটি প্রসেসিং কারখানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

আরও পড়ুন: কাঁঠালিয়ায় ৫০ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর আনুমানিক ২টার সময় কাভার্ডভ্যানটি দামুড়হুদার কোষাঘাটা এলাকায় পৌঁছালে ৭-৮ জন ব্যক্তি গাড়িটির গতিরোধ করে। একপর্যায়ে তারা চালক এবং সংশ্লিষ্টদের জিম্মি করে কাভার্ডভ্যানে থাকা ২৩ বস্তা চুল নিয়ে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে, চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের দিকনির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ এবং দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে তদন্ত করতে থাকে। তদন্তের একপর্যায়ে ছিনতাইয়ের ঘটনায় কাভার্ডভ্যানের চালক এবং ম্যানেজারের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি পুলিশ নজরে আনে।

পরবর্তীতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তথ্যের ভিত্তিতে রোববার ভোরে চুয়াডাঙ্গা সার্কিট হাউস এলাকা থেকে ছিনতাই হয়ে যাওয়া ২৩ বস্তা চুল পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দামুড়হুদা মডেল থানায় সংশ্লিষ্ট ধারায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমের খোসা থেকে তৈরি হচ্ছে 'ম্যাংগো পিল টি'

দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন বলেন, এই ঘটনার লিখিত এজাহার আমরা পেয়েছি। দুজনকে সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা এখন প্রক্রিয়াধীন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গিনিতে ময়লার ভাগাড় ধসে প্রাণ গেল ৩০ জনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ এম


গিনিতে ময়লার ভাগাড় ধসে প্রাণ গেল ৩০ জনের

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনির রাজধানী কোনাক্রিতে ভারী বৃষ্টির পর ময়লার ভাগাড়ের বিশাল স্তূপ ধসে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন।

রোববার (২৩ আগস্ট) গভীর রাতে বর্জ্যের স্তূপ ধসে আশপাশের তাঁবু ও ঝুপড়িঘর চাপা পড়লে এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

দেশটির সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, স্থানীয় সময় রাত ২টার দিকে কোনাক্রির গবেসিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ৩০ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৬ জন, তবে তাদের অবস্থা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল।

দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকাজ শুরু করেন কর্মীরা। খননযন্ত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে ধসে পড়া বর্জ্যের স্তূপ সরিয়ে জীবিতদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ধসের পর বর্জ্যের স্তূপ এতটাই বিশাল আকার নেয় যে একটি বহুতল ভবনও এর নিচে চাপা পড়তে পারত।

ঘটনাস্থলে সাইরে দিয়ালো নামে এক নারী সাংবাদিকদের জানান, এই দুর্ঘটনায় তার পাঁচ সন্তানই মারা গেছে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আমি আমার সব সন্তানকে হারিয়েছি। এখন সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা করা ছাড়া আমার আর কিছু করার নেই।’

দুর্ঘটনার মাত্র কয়েক দিন আগেই ভাগাড়টি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল গিনি সরকার। দেশটির আঞ্চলিক প্রশাসনমন্ত্রী জেনাব তোরে গত বৃহস্পতিবার বলেছিলেন, ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় ভাগাড়টি বন্ধ করে কোনাক্রির বাইরে বর্জ্য সরিয়ে নেওয়া হবে।

বর্ষাকালে পশ্চিম আফ্রিকার বিভিন্ন ঘনবসতিপূর্ণ ও অনুন্নত শহরে ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যা প্রায়ই প্রাণহানি ঘটায়। ভারী বৃষ্টির কারণে এবারও সেই আশঙ্কাই সত্যি হলো কোনাক্রিতে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু উরি বাহ। তিনি ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনার পাশাপাশি উদ্ধারকাজ তদারক করেন। এ সময় সরকার স্থানীয় বাসিন্দাদের শান্ত থাকার এবং উদ্ধারকর্মী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ হলেও গিনিতে দারিদ্র্য ও অবকাঠামোগত সংকট প্রকট। দেশে বিশ্বের অন্যতম বড় বক্সাইটের মজুত রয়েছে। সিমানদু অঞ্চলে রয়েছে বিপুল লৌহ আকরিকের মজুত। তবে বিশ্বব্যাংকের এপ্রিলের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির ১ কোটি ৫১ লাখ মানুষের মধ্যে প্রায় ৩৭ লাখ মানুষ প্রতিদিন ৪ দশমিক ২০ ডলারের কম আয়ে জীবনযাপন করেন।

ময়লার ভাগাড়টি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা গিনি সরকারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নগর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজে জাহাজ চলাচলে ফি আরোপের খসড়ায় অনুমোদন ইরানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ এম


হরমুজে জাহাজ চলাচলে ফি আরোপের খসড়ায় অনুমোদন ইরানের

ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিশন একটি খসড়া আইন অনুমোদন করেছে, যা হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের কাছ থেকে বিভিন্ন সেবার জন্য ফি নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানায়, এই খসড়া আইনটি ‘হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কৌশলগত পদক্ষেপ’ পরিকল্পনার তৃতীয় ধারা হিসেবে অনুমোদিত হয়েছে।

এই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, যে দেশগুলোর জাহাজ হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমোদন পেয়েছে, তাদের কাছ থেকে ইরানের দেওয়া বিভিন্ন সেবার বিপরীতে অর্থ নেওয়ার লক্ষ্যে ফি আরোপ করা হবে।

কমিশনের মুখপাত্র হাসান কাশকাভি জানান, সামুদ্রিক সেবা, পরিবেশ সুরক্ষা, বিশেষ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ, বীমা, নিরাপত্তা এবং অন্যান্য ধরনের সেবার জন্য ফি আদায় করা হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, হরমুজ প্রণালী ও পার্সি উপসাগরের নিজস্ব নিয়ম এবং পরিস্থিতি রয়েছে। তিনি ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইনবিষয়ক কনভেনশনের কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রস্তাবিত আইনটি প্রণালীর তীরে অবস্থিত দেশের অধিকারকেও বিবেচনায় নিয়েছে।

কাশকাভি আরও জানান, যেসব দেশের জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে, তাদের কাছ থেকেই ফি নেওয়া হবে। অর্থটি ইরানি রিয়াল অথবা তেহরান কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন মুদ্রায় পরিশোধ করা যাবে।

তবে এটি এখনো খসড়া আইন পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্তভাবে কার্যকর করার জন্য পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
২ বছর পর প্রতিশোধ

সাবেক প্রেমিকাকে সপরিবারে হত্যার উদ্দেশ্যে ইতালি যান শাহাদাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ এম


সাবেক প্রেমিকাকে সপরিবারে হত্যার উদ্দেশ্যে ইতালি যান শাহাদাত

বিয়ের প্রস্তাবে প্রত্যাখ্যাত হয়ে, ২২ বছর পরে প্রতিশোধ নিতে অবৈধভাবে ইতালিতে পাড়ি জমিয়েছিলেন নোয়াখালীর শাহাদাত হোসেন। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি সাবেক প্রেমিকা, তার স্বামী এবং তাদের এক কন্যাসন্তানকে ইতালির রাজধানী রোমে ২৬ জুন রাতে নৃশংসভাবে হত্যা করেন।

ইতালীয় পত্রিকার প্রতিবেদন, পুলিশ সূত্র এবং নিহতদের স্বজনদের কাছ থেকে জানা যায়, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ঘাতক শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে আরজু আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু বিয়ের প্রস্তাব আরজুর পরিবার প্রত্যাখ্যান করে। তারা ইতালিপ্রবাসী কামাল উদ্দিন বাবুলের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দেন।

বিয়ের পর কামাল উদ্দিন তার স্ত্রী আরজুকে নিয়ে ইতালি চলে যান। সেখানে তারা স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে তিনটি সন্তানের জন্ম দেন। তবে প্রত্যাখ্যাত প্রেমিক শাহাদাত এই বিয়ে মেনে নিতে পারেননি। দুই দশক ধরে তিনি আরজুর পরিবারের খোঁজখবর রাখতে থাকেন এবং প্রতিশোধ নিতে সুযোগের অপেক্ষায় থাকেন।

শাহাদাত হোসেন ২০২৩ সালের ২৪ নভেম্বর ইংল্যান্ডে যান। সেখান থেকে কিছুদিন আগে অবৈধভাবে ইতালির রোমে পৌঁছে সুকৌশলে আরজুর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। তিনি নিজেকে আরজুর ‘দূর সম্পর্কের আত্মীয়’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে তাদের বিশ্বাস অর্জন করেন। নিহত আরজুও সরল বিশ্বাসে তার পুরনো পরিচিত শাহাদাতকে তার বাড়িতে যেতে দিয়েছিলেন।

জুন ২৬ রাত্রে সেই হত্যাকাণ্ডের তদন্তকারীদের ধারণা, শাহাদাত ওইদিন ওই বাসায় গিয়ে প্রথমে আরজু ও তার পাঁচ বছরের মেয়ে আরিশাকে দেখেন। প্রথমে আরজুকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে শিশু আরিশাকেও নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পরও শাহাদাত পালিয়ে যাননি। বরং তিনি অত্যন্ত ধীরস্থিরভাবে ঘরের মেঝের রক্তের দাগ পরিষ্কার করেন এবং লাশগুলো লুকিয়ে রাখেন। তিনি জানতেন, একে একে পরিবারের অন্য সদস্যরাও বাসায় ফিরবেন। তিনি অপেক্ষা করতে থাকেন বাকিদের হত্যার জন্য। কিছু ক্ষণ পর আরজুর স্বামী বাবুল কাজ থেকে বাসায় ফিরলে তাকেও উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।

সবশেষে বাসায় ফেরেন বড় ছেলে আয়ান (২০)। আয়ান তদন্তকারীদের জানান, তিনি ঘরে ঢুকে শাহাদাতকে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বসে থাকতে দেখেন। শাহাদাত তাকে বলেন যে তার মা-বাবা ঘুমাচ্ছেন। কিন্তু আয়ান যখন তার মা-বাবার কক্ষের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন হঠাৎ খাটের নিচ থেকে তার ছোট বোন আরিশার একটি পা বেরিয়ে থাকতে দেখেন। মুহূর্তেই আয়ান বুঝতে পারেন যে ভয়াবহ কিছু ঘটেছে। ঠিক তখনই শাহাদাত তার হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র নিয়ে আয়ানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন।

আয়ান প্রাণ নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় চিৎকার করে প্রতিবেশীদের ডাকেন। তার সেই চিৎকারে শাহাদাত ভয় পেয়ে পালিয়ে যান।

হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই শাহাদাত হোসেন লাপাত্তা। ইতালির সংবাদমাধ্যম ‘ইল মেসাজ্জেরো’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি হয়তো ইতালির সীমানা পেরিয়ে ইংল্যান্ডে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন, কারণ সেখানে তার স্ত্রী ও কন্যা বসবাস করেন। আবার এমনও হতে পারে যে, তিনি বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছেন।

এই চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডারের পর রোমের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে অস্বস্তি বিরাজ করছে। গতকাল শনিবার একটি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, নির্মম হত্যাকাণ্ডটি তদন্তের জন্য ইতালি পুলিশ বাংলাদেশের সহযোগিতা চেয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘এই ঘটনা বিদেশের মাটিতে আমাদের দেশের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।’

ইতালির সংবাদমাধ্যম ‘ফ্যানপোস্ট’ লিখেছে, তদন্তকারীরা শাহাদাতের আত্মহত্যার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছেন। কারণ হত্যাকাণ্ডের কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি তার ফেসবুকে কিশোর কুমারের ‘মেরা জীবন কোরা কাগজ’ গানটি শেয়ার করে একটি রহস্যময় স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘একজন মানুষ শুধু নিজে একা মরে না, নিজেও মরে অন্যকে মরার মতো করে রেখে যায়। তাই মরার সময় প্রিয়জনদেরও সঙ্গে নিয়ে মরা উচিত। তাতে কারো জন্য কাউকে কষ্ট পেতে হয় না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫ গোলের দুর্দান্ত জয়ে লা লিগা শুরু বার্সেলোনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:৫৫ এম


৫ গোলের দুর্দান্ত জয়ে লা লিগা শুরু বার্সেলোনার

বার্সেলোনার জন্য নতুন মৌসুমের শুরুটি হলো দুর্দান্ত। এলচেকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে লা লিগার শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু হল হান্সি ফ্লিকের দলের।

রোববার এলচের মাঠে খেলতে নেমে বার্সেলোনা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয়। বিশেষ করে ম্যাচে জোড়া গোল করেন রাফিনিয়া ও ফের্মিন লোপেস। জার্মান ফরোয়ার্ড কারিম আডেইয়েমি তার অভিষেক ম্যাচেই গোলের দেখা পান।

ম্যাচের ১৪তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক রাফিনিয়া। বক্সে ফাউলের শিকার হওয়ার পর পাওয়া স্পট কিক থেকে গোল করেন তিনি।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আডেইয়েমি ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। রাফিনিয়ার থ্রু বল ধরে দারুণ ফিনিশিংয়ে এলচের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি। বার্সেলোনার হয়ে নিজের প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচেই গোল পেলেন এই জার্মান তারকা।

দ্বিতীয়ার্ধে বার্সেলোনা আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে। ৬৭তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন রাফিনিয়া। চার মিনিট পর গর্ডনের আরেকটি দারুণ প্রচেষ্টায় বল পান ফের্মিন লোপেস এবং সহজেই সেটি জালে পাঠিয়ে দলের চতুর্থ গোল করেন।

৭৯তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে বার্সেলোনার বড় জয় নিশ্চিত করেন লোপেস।

ম্যাচে বার্সেলোনা ৫২ শতাংশ বল দখলে রেখে গোলের উদ্দেশ্যে ১১টি শট নেয়, যার সাতটি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে এলচে সাতটি শটের মাত্র দুটি লক্ষ্যে ছিল।

এই জয়ের ফলে এলচের বিপক্ষে লা লিগায় টানা ১১ ম্যাচ জিতে গেল বার্সেলোনা। নতুন মৌসুমে শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে এটি তাদের প্রথম বড় বার্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%