ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সিঙ্গাপুরে মাটির গভীরে পরমাণু বর্জ্য সংরক্ষণ সম্ভব: গবেষণা


সিঙ্গাপুরে মাটির গভীরে পরমাণু বর্জ্য সংরক্ষণ সম্ভব: গবেষণা

ভবিষ্যতে যদি সিঙ্গাপুরে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তবে সেখানে উৎপাদিত তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ভূগর্ভের গভীরে নিরাপদে সংরক্ষণ করা সম্ভব হতে পারে। এ কথা একটি গবেষণায় উঠে এসেছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ এবং সুইডেনের একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের যৌথ গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, এ ক্ষেত্রে বড় ধরনের কোনও প্রযুক্তিগত বাধা এখনও শনাক্ত হয়নি।

গবেষণাটি মূলত বিদ্যমান তথ্য-উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত একটি ডেস্কটপ সমীক্ষা। তবে সিঙ্গাপুরের ভূতাত্ত্বিক পরিবেশের পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের জন্য ভবিষ্যতে মাঠপর্যায়ের জরিপ ও অনুসন্ধান প্রয়োজন পড়বে বলে জানিয়েছে দেশটির জ্বালানি বাজার কর্তৃপক্ষ (ইএমএ)।

২০২৩ সালে ইএমএ ও জাতীয় পরিবেশ সংস্থা (এনইএ) সুইডেনভিত্তিক পারমাণবিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠান এসকেবি ইন্টারন্যাশনালকে দায়িত্ব প্রদান করে, যাতে সিঙ্গাপুরে ঘনবসতিপূর্ণ ও ক্ষুদ্র আয়তনের দেশের প্রেক্ষাপটে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জগুলো মূল্যায়ন করা যায়।

আরও পড়ুন: ইনানীতে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে জবি শিক্ষার্থী লায়লা জাহান নাবিলার মৃত্যু, উপাচার্যের শোক

গবেষণাটি ২০২৩ সালে সম্পন্ন হলেও জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়েছিল ২০২৬ সালের মে মাসে। একই সঙ্গে সিঙ্গাপুর সরকার জানায় যে, ২০২৭ সালে দেশটি জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-এর মূল্যায়নের মুখোমুখি হবে। এই মূল্যায়নের মাধ্যমে তা নির্ধারণ করা হবে যে, পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের বিষয়ে সিঙ্গাপুর কতটা প্রস্তুত।

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অন্যতম প্রধান উপজাত হলো তেজস্ক্রিয় বর্জ্য। এতে এমন তেজস্ক্রিয় কণা থাকে, যা হাজার হাজার বছর পর্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থায় থাকতে পারে। সঠিক ব্যবস্থাপনা না করা হলে এগুলো মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা ও ক্ষয়প্রক্রিয়ার সময়কাল অনুযায়ী পারমাণবিক বর্জ্য সাধারণত বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। নিম্নমাত্রার বর্জ্যের মধ্যে দূষিত গ্লাভস, পোশাক ও অন্যান্য সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত থাকে। অপরদিকে, উচ্চমাত্রার বর্জ্যের প্রধান উৎস হলো ব্যবহৃত ইউরেনিয়াম জ্বালানি রড।

এই ব্যবহৃত জ্বালানি রডে থাকা প্লুটোনিয়াম-২৩৯-এর মতো উপাদান তেজস্ক্রিয়তা কমাতে প্রায় দুই লাখ ৪০ হাজার বছর সময় নেয়। ফলে এগুলোকে দীর্ঘমেয়াদে নিরাপদে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের গৃহহীনমুক্ত নগরী গড়তে চান ময়মনসিংহের প্রশাসক রুকুনোজ্জামান

এক সময় মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা পারমাণবিক বর্জ্য মহাকাশে পাঠিয়ে দেওয়ার ধারণা বিবেচনা করেছিল। কিন্তু বিপুল ব্যয় এবং উৎক্ষেপণ ব্যর্থতার ঝুঁকির কারণে সে পরিকল্পনা বাতিল করা হয়।

বর্তমানে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশগুলোতে ব্যবহৃত জ্বালানি রড প্রথমে বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিশেষ পানির পুলে ঠান্ডা করা হয় অথবা সুরক্ষিত কনটেইনারে সংরক্ষণ করা হয়। পরে এগুলোকে গভীর ভূগর্ভস্থ সংরক্ষণাগারে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করা হয়।

এসব স্থাপনার নাম ডিপ জিওলজিক্যাল রিপোজিটরি বা গভীর ভূতাত্ত্বিক সংরক্ষণাগার। সাধারণত ভূপৃষ্ঠের ৪০০ থেকে ৮০০ মিটার নিচে নির্মিত টানেল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এসব স্থাপনা গড়ে তোলা হয়, যার উদ্দেশ্য হলো তেজস্ক্রিয় পদার্থ হাজার হাজার বছর ধরে জীবজগত থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা।

বর্তমানে ফিনল্যান্ড, সুইডেন ও ফ্রান্সসহ বেশ কয়েকটি দেশ এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণ বা অনুমোদনের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে। এর মধ্যে ফিনল্যান্ডই একমাত্র দেশ যারা সম্পূর্ণরূপে একটি স্থাপনা নির্মাণ করেছে। দেশটির ‘অনকালো’ নামের ভূগর্ভস্থ সংরক্ষণাগারের কার্যক্রম ২০২৬ সালের শেষের দিকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন: ফ্রান্সের শাতো দ্য শঁতিলি জাদুঘরে ১০০ বছর পর প্রদর্শিত হবে বিরল গোলাপি হীরা

অনকালো প্রকল্পের প্রযুক্তির উন্নয়নে নেতৃত্ব দিয়েছে এসকেবি ইন্টারন্যাশনাল।

ইএমএ’র ভাষ্য অনুযায়ী, গবেষণায় সিঙ্গাপুরের জন্য সম্ভাব্য বিভিন্ন ধরনের গভীর ভূগর্ভস্থ সংরক্ষণ পদ্ধতি বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ফলাফলে দেখা যায়, কোনও বিকল্পই প্রযুক্তিগতভাবে অসম্ভব নয়।

সংস্থাটি বলেছে, “সিঙ্গাপুরে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সম্ভাব্য পদ্ধতিগুলোর ক্ষেত্রে কোনও মৌলিক প্রযুক্তিগত বাধা পাওয়া যায়নি। এমনকি উৎপাদিত বর্জ্যের পরিমাণও ছোট একটি দেশের জন্য অপ্রতিরোধ্য হবে না।”

একটি ১ গিগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রচলিত পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বছরে প্রায় সাত লাখ পরিবারের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করতে পারে। এমন একটি কেন্দ্র বছরে প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার লিটার পারমাণবিক বর্জ্য উৎপাদন করতে সক্ষম, যা একটি অলিম্পিক মানের সুইমিংপুলের প্রায় সাত ভাগের এক ভাগ জায়গা পূরণ করতে পারে।

আরও পড়ুন: গুজব ও বিশৃঙ্খলা রোধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের আহ্বান আনসার-ভিডিপির মহাপরিচালকের

এর মধ্যে প্রায় ৫ শতাংশ উচ্চমাত্রার বর্জ্য, যা মূলত ব্যবহৃত জ্বালানি। তুলনামূলকভাবে, সিঙ্গাপুরের সেমাকাউ ল্যান্ডফিলের ধারণক্ষমতা ১১ হাজারেরও বেশি অলিম্পিক মানের সুইমিংপুলের সমান।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, প্রচলিত পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ব্যবহৃত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিগুলো ক্ষুদ্র মডুলার রিঅ্যাক্টর (এসএমআর)-এর ক্ষেত্রেও কার্যকর হতে পারে।

সিঙ্গাপুর বর্তমানে এ ধরনের উন্নত ও তুলনামূলক নিরাপদ প্রযুক্তির ওপর বিশেষ নজর রাখছে। সাধারণত একটি ক্ষুদ্র মডুলার রিঅ্যাক্টরের উৎপাদনক্ষমতা ৩০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত হতে পারে, যা প্রচলিত ১ গিগাওয়াট কেন্দ্রের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।

ইএমএ জানিয়েছে, সঠিক বিকিরণ প্রতিরোধ ও সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ঝুঁকি অত্যন্ত কম পর্যায়ে রাখা সম্ভব।

আরও পড়ুন: রৌমারীতে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে ৫ জন নিহত, একই পরিবারের ৪ সদস্য

বিশেষজ্ঞদের মতে, সিঙ্গাপুরের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বিস্তৃত গ্রানাইট শিলাস্তর ব্যবহৃত জ্বালানি ও তেজস্ক্রিয় বর্জ্য সংরক্ষণের জন্য উপযুক্ত হতে পারে।

সিঙ্গাপুরে বুকিত তিমাহ গ্রানাইট নামে পরিচিত শিলাস্তর উডল্যান্ডস, সেমবাওয়াং, বুকিত বাতক ও মধ্যাঞ্চলে বিস্তৃত। এছাড়া পুলাউ উবিন দ্বীপেও গ্রানাইট রয়েছে।

তবে শিলাগুলোতে বড় ধরনের ফাটল বা ভূতাত্ত্বিক ফল্ট থাকা যাবে না। কারণ এসব ফাটলের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি প্রবাহিত হলে তেজস্ক্রিয় পদার্থ পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

অন্য একটি বিকল্প হিসেবে পাঁচ কিলোমিটার গভীর বোরহোল প্রযুক্তি বিবেচনা করা যেতে পারে। সিঙ্গাপুরের সীমিত ভূমির কারণে ঐতিহ্যগত টানেলভিত্তিক সংরক্ষণাগারের পরিবর্তে এই পদ্ধতি ব্যবহার সম্ভব।

আরও পড়ুন: ঢাকা থেকে রিয়াদগামী ফ্লাইট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

এই পদ্ধতিতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার গভীর সরু গর্ত খনন করা হয় এবং নিচের অংশে তেজস্ক্রিয় বর্জ্য রাখা হয়। এরপর বেন্টোনাইট মাটি, সিমেন্ট ও অ্যাসফল্ট দিয়ে গর্ত সিল করে দেওয়া হয়, ফলে বর্জ্য পুনরুদ্ধার করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

প্রযুক্তিগত সক্ষমতার চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে জনসাধারণের আস্থা অর্জন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সিঙ্গাপুরের বিশেষ ভৌগোলিক বাস্তবতা ও সীমাবদ্ধতার কারণে জনগণকে দীর্ঘ সময় ধরে সম্পৃক্ত রাখতে হবে।

প্রকৌশল পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এইচওয়াই-এর পারমাণবিক কৌশল বিশেষজ্ঞ ম্যাথিউ চিউ বলেন, ফিনল্যান্ডের অনকালো প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় চার দশক সময় লেগেছে। উপযুক্ত স্থান নির্বাচনেই প্রায় ২০ বছর সময় ব্যয় হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ বজায় রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, “সিঙ্গাপুরের বিশেষ ভৌগোলিক বাস্তবতা ও সীমাবদ্ধতার কারণে জনগণকে দীর্ঘ সময় ধরে সম্পৃক্ত রাখতে হবে। ভূগর্ভস্থ বর্জ্য সংরক্ষণের বিষয় আলোচনা শুরু করার আগে পারমাণবিক শক্তি সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে যদি এমন কোনও স্থাপনা নির্মাণ করা হয়, তাহলে তা আবাসিক এলাকা থেকে দূরে, কম জনবসতিপূর্ণ অঞ্চল বা উপযুক্ত উপকূলীয় দ্বীপে স্থাপন করা হতে পারে। সিঙ্গাপুর সরকার জানিয়েছে, পারমাণবিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে যেন দেশের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও উপযোগী সমাধান নির্ধারণ করা যায়। সূত্র: স্ট্রেইটস টাইমস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজৈরে মাদকবিরোধী সেমিনার অনুষ্ঠিত, শিক্ষার্থীদের ইংলিশ ক্লাস নিলেন জেলা প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০৭ পি.এম


রাজৈরে মাদকবিরোধী সেমিনার অনুষ্ঠিত, শিক্ষার্থীদের ইংলিশ ক্লাস নিলেন জেলা প্রশাসক

মাদারীপুরের রাজৈর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের উদ্যোগে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) সকাল ১১টায় বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিজ মর্জিনা আক্তার।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদ হাওলাদার-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে মাদকের ভয়াবহতা, এর সামাজিক ও পারিবারিক ক্ষতিকর প্রভাব এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. মাহফুজুল হক, নাহিদ নিয়াজ শিশির, ফজলুল হক, ননী গোপালসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মিজ মর্জিনা আক্তার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, মাদক একটি জাতির ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দেয়। দেশ ও সমাজকে এগিয়ে নিতে হলে শিক্ষার্থীদের মাদকের অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থেকে শিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হতে হবে।

সেমিনার শেষে জেলা প্রশাসক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ ইংরেজি ক্লাস গ্রহণ করেন। এছাড়া তিনি পরিবেশ সংরক্ষণে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে “ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি” কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

পরে তিনি রাজৈর থানা পরিদর্শন করেন এবং রাজৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে আয়োজিত একটি মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি করেছে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


রাজশাহীতে দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি করেছে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (রামেক) ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি চলছে দ্বিতীয় দিনের মত ছয় দফা দাবিতে।

সোমবার (৮ জুন) বেলা সোয়া ১১টায় রাজশাহী মেডিকেলের প্রধান ফটকের সামনে তারা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল থেমে থাকে ছয় দফা দাবিতে। দাবি পূরণের ঘোষণা না আসা পর্যন্ত তা কর্মবিরতি চলতে থাকবে বলেও তারা জানান।

এদিকে, ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করার কারণে রোগীরা পড়েছেন দুর্ভোগে। ইন্টার্ণ চিকিৎসকরা ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালন করছেন না, তাই কেবল জরুরি চিকিৎসাই বর্তমানে চলছে।

তবে হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস জানিয়েছেন যে মিড লেভেলের ডক্টর দিয়ে সংকট মোকাবেলা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামপুরে যুবকের ওপর হামলা ও ছিনতাই, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুবাশশির আলম রাহুল, জামালপুর প্রতিনিধি

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:০৯ পি.এম


ইসলামপুরে যুবকের ওপর হামলা ও ছিনতাই, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার পলবান্ধা উজানপাড়া এলাকায় এক যুবকের ওপর সংঘবদ্ধ হামলা চালিয়ে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত যুবকের দাদা মো. কুদ্দুস শেখ ইসলামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জুন ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে পলবান্ধা উজানপাড়া এলাকার মোঃশহিদ শেখের মুদির দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত যুবক স্বরণ শেখ (১৫) বিকাশের মাধ্যমে উত্তোলন করা ২৬ হাজার টাকা এবং স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে নেওয়া ১ লাখ টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্তরা তার পথরোধ করে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, পূর্ব বিরোধের জের ধরে মোঃ আলামিন (২৪) ও মোঃ রনি (২১), পিতা মোঃ ছামিউল শেখ; মোঃ মাসুদ (২৩), পিতা মোঃ চিরকু; এবং মোঃ ছামিউল হক (৪৫) ও মোঃ জামি (৩৮), পিতা মালপ উদ্দিন সহ আরো কয়েকজন মিলে লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে স্বরণ শেখের ওপর হামলা চালায়। হামলায় তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। একপর্যায়ে তাকে মাটিতে ফেলে দিয়ে তার কাছে থাকা ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা ও একটি ভিভো ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
স্বরণ শেখের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা আহত স্বরণকে উদ্ধার করে প্রথমে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে পরিবার জানিয়েছে।
অভিযোগকারী মো. কুদ্দুস শেখ বলেন, “নাতির চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এবং পারিবারিকভাবে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ দিতে কিছুটা সময় লেগেছে।”
এ বিষয়ে ইসলামপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগের তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সীগঞ্জে গ্রাম আদালতের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি নিয়ে কর্মশালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


মুন্সীগঞ্জে গ্রাম আদালতের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি নিয়ে কর্মশালা

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তর্গত গ্রাম আদালতের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ কর্মশালাটি সোমবার দুপুর ১২ টায় সদর উপজেলা কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজন করা হয়।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান উক্ত কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন। কর্মশালায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রম, বিচার প্রক্রিয়া, সুবিধা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে এর গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

এ সময় বিভিন্ন বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ে ছোটোখাটো বিরোধ দ্রুত, সহজ এবং স্বল্প ব্যয়ে নিষ্পত্তির জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থা। যদি জনগণের মধ্যে এই বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে আদালতের ওপর চাপ কমবে এবং স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির সংস্কৃতি আরও মজবুত হবে।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান উল্লেখ করেন, গ্রাম আদালত সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বিচার সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। এই সেবার সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন।

কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এ এটি আয়োজনে প্রতিপাদ্য ছিল ‘অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে, সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে’।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ অনুসারে স্থানীয়ভাবে ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিরোধের সহজ এবং দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে ইউনিয়ন আদালত গঠিত হয়। গ্রাম আদালত ৩০০,০০০ টাকার মধ্যে ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা রাখে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%