০৪:১১ পি.এম
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার অন্তর্গত গ্রাম আদালতের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ কর্মশালাটি সোমবার দুপুর ১২ টায় সদর উপজেলা কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজন করা হয়।
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান উক্ত কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন। কর্মশালায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রম, বিচার প্রক্রিয়া, সুবিধা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে এর গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: অন্তঃসত্ত্বাদের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য বরাদ্দে দুর্ভোগ, পাকা হলো নেতার বাড়ির সড়ক
এ সময় বিভিন্ন বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ে ছোটোখাটো বিরোধ দ্রুত, সহজ এবং স্বল্প ব্যয়ে নিষ্পত্তির জন্য একটি কার্যকর ব্যবস্থা। যদি জনগণের মধ্যে এই বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে আদালতের ওপর চাপ কমবে এবং স্থানীয়ভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির সংস্কৃতি আরও মজবুত হবে।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান উল্লেখ করেন, গ্রাম আদালত সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় বিচার সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। এই সেবার সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন।
কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এ এটি আয়োজনে প্রতিপাদ্য ছিল ‘অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে, সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে’।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ অনুসারে স্থানীয়ভাবে ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিরোধের সহজ এবং দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে ইউনিয়ন আদালত গঠিত হয়। গ্রাম আদালত ৩০০,০০০ টাকার মধ্যে ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা রাখে।
আরও পড়ুন: ২১ বছর ধরে সড়ক নেই, বাঁশের সাঁকোতে ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যায় শিশুরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন