ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদারীপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, কোকাকোলায় চেতনানাশক খাইয়ে হত্যার অভিযোগ


মাদারীপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, কোকাকোলায় চেতনানাশক খাইয়ে হত্যার অভিযোগ

মাদারীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে লামিয়া আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূকে নির্যাতনের পর কোমল পানীয়র সঙ্গে চেতনানাশক বা ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে পান করিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার ইতালি প্রবাসী স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান অভিযুক্ত স্বামী আরিফ বেপারী (৩০)।

নিহত লামিয়া আক্তার মাদারীপুর সদর উপজেলার হাসানকান্দি গ্রামের বাশার শেখের মেয়ে। অভিযুক্ত আরিফ বেপারী সদর উপজেলার নতুন রাজারহাট গ্রামের বাসিন্দা।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আরিফ বেপারী ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য মিলে লামিয়ার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাবিতে ডেঙ্গু সচেতনতায় হাল্ট প্রাইজের নতুন কর্মসূচি

অভিযোগ অনুযায়ী, নির্যাতনের পর কোকাকোলার সঙ্গে চেতনানাশক বা উচ্চমাত্রার ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে লামিয়াকে পান করানো হয়। পানীয়টি পান করার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাময়িকভাবে জ্ঞান ফিরে আসে।

স্বজনদের দাবি, জ্ঞান ফেরার পর লামিয়া তার মাকে বলেন, "আমাকে কোকাকোলার সঙ্গে কিছু মিশিয়ে খাইয়েছে। এরপর আমার আর কিছু মনে নেই।" এরপর তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে এবং বুধবার দুপুরে তিনি মারা যান।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর হাসপাতালের বিল পরিশোধ না করেই অভিযুক্ত স্বামী আরিফ বেপারী পালিয়ে যান। পালানোর সময় তিনি লামিয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও সঙ্গে নিয়ে যান বলে দাবি করা হয়েছে।

এদিকে, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে সাজসজ্জায় দেবালয়ের পরেই কৈলাশ পূজামণ্ডপ

লামিয়ার পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

তবে এ ঘটনায় পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলার অগ্রগতি ও তদন্তের ভিত্তিতে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মঠবাড়িয়ায় পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ৮০ ভুল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৩ পি.এম


মঠবাড়িয়ায় পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ৮০ ভুল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক
 
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় খাসমহল লতিফ ইনস্টিটিউশনের ষষ্ঠ শ্রেনীর ইংরেজী প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রে
প্রায় ৭০/৮০টি বানান ভুল নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। একটি প্রশ্নপত্রে বিভাবে এতগুলো ভুল থাকে এদিয়ে ক্ষোভ ঈস্খদাশ করেন অভিভাবকরা।
জানাগেছে, বুধবার সকালে ষষ্ঠ শ্রেনীর ইংরেজী প্রথমপত্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিতরণের পরে ভুল লক্ষ করা যায়। ভুলেভরা প্রশ্নপত্রটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আপলোড দিলে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।  ভাইরাল হওয়া প্রশ্নপত্রে দেখা যায়, পরীক্ষার প্রশ্ন পত্রে প্রায় ৭০/৮০টি বানান ভুল। এছাড়া গতকালের দশম শ্রেণির ২০২৬ সালের প্রাক-নির্বাচনী বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা প্রশ্নপত্রে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে প্রশ্ন আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও অভিভাবকরা।
স্থানীয় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির অভিভাবক সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশ্নের মান যদি এই হয় তাহলে লেখাপড়ার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই কিছু কুচক্রীমহল এমন ভুলে ভরা প্রশ্ন তৈরি করতে পারে। বিষয়টা ক্ষতিয়ে দেখতে হবে।
এ বিষয়ে খাসমহল লতিফ ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক মো. খলিলুর রহমান বলেন, প্রি-টেস্ট ও টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন আমরা নিজেরা প্রণয়ন করি না। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা কমিটি পরীক্ষার দিনই তা খোলে। আগে থেকে প্রশ্ন দেখার কোনও সুযোগ থাকে না।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরের একাডেমিক সুপারভাইজার নজরুল ইসলাম বলেন, স্কুলের প্রশ্ন বাইরে থেকে করার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষকের কাছ থেকেই প্রশ্ন নেওয়ার কথা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ ধরনের প্রশ্ন এড়িয়ে চলা উচিত ছিল। তাছাড়া বানান ভুলের ছড়ছড়ির বিষয়টিও গ্রহণযোগ্য নয়। প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা কমিটির প্রশ্নটি যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন ছিল। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদায়ী ভাষণে আবেগঘন স্টারমার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৩ পি.এম


বিদায়ী ভাষণে আবেগঘন স্টারমার

যুক্তরাজ্যের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার হাউস অব কমন্সে প্রাইম মিনিস্টার’স কোয়েশ্চেনস-এর অধিবেশনে শেষবারের মতো অংশ নিয়ে আবেগঘন বিদায় বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি এই সময় বলেন, ‘এটাই আমার রাজনৈতিক যাত্রার সমাপ্তি।’

স্টারমার তার বক্তব্যে লেবার পার্টির এমপি ক্যারোলিন হ্যারিসের একটি প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন, যেখানে তিনি তার রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি তার ঘনিষ্ঠ সমর্থক ও বন্ধু হিসেবেও হ্যারিসের নাম উল্লেখ করে তার এবং পরিবারের প্রতি সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

স্টারমার এ সময় আরও বলেন, ‘প্রত্যেক প্রধানমন্ত্রীই জানেন, দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে একদিন সেই দায়িত্ব অন্যের হাতে তুলে দেওয়ার সময়ও আসবে। আমার জন্য সেই দিন এসে গেছে। এটাই আমার রাজনৈতিক যাত্রার শেষ।’

বিদায়ী ভাষণে স্টারমার আরও জানান, তিনি লেবার পার্টিকে ২০১৯ সালের ঐতিহাসিক পরাজয় থেকে ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক বিজয়ে নিয়ে গিয়েছেন। এছাড়া তিনি দুই বছর সরকার পরিচালনার পর এমন একটি দেশ রেখে যাচ্ছেন, যা তার দায়িত্ব নেওয়ার সময়ের তুলনায় আরও ভালো অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা যা অর্জন করেছি, তার সবকিছু নিয়েই আমি গর্বিত।’

এ সময় তিনি তার রাজনৈতিক দল, লেবার এমপিদের, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সহকর্মীদের মিনিট বিশেষে ধন্যবাদ জানান।

স্টারমার নতুন সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাবেন বলেও উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার উত্তরসূরি এবং এই কক্ষের প্রত্যেক সহকর্মীকে আমি আন্তরিক সমর্থন জানাব।’

ভাষণের শেষ মুহূর্তে স্টারমার দর্শক সারিতে উপস্থিত নিজের পরিবারকে উদ্দেশ করে বলেন, গ্যালারিতে উপস্থিত যাদের জীবন এই লেবার সরকারের কারণে বদলেছে বা উন্নত হয়েছে এবং দেশের যেসব মানুষ নিজেদের অবহেলিত মনে করেন—আপনারাই আমাকে রাজনীতিতে আসতে অনুপ্রাণিত করেছেন। আমার স্ত্রী ও সন্তানদের বলছি, আমি তোমাদের ভালোবাসি। বিদায়।’

এর আগে অধিবেশনে কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি বাদেনক স্টারমারের সঙ্গে হালকা রসিকতা করেন এবং তার উত্তরসূরি অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে লক্ষ্য করে মন্তব্য করেন।

বাদেনক প্রশ্ন তোলেন, নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাওয়া বার্নহামের উচিত হাউস অব কমন্সে এসে প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়া, গ্রীষ্মকালীন বিরতির আড়ালে না থাকা।

জবাবে স্টারমার বলেন, তিনি নিশ্চিত যে বাদেনক তার উত্তরসূরিকেও একইভাবে কঠিন প্রশ্ন করবেন, যেভাবে এতদিন তাকে করেছেন। পাশাপাশি তিনি বার্নহ্যামকে নিজের ‘পূর্ণ সমর্থন’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এ সময় বাদেনক মন্তব্য করেন, ‘নতুন প্রধানমন্ত্রী কোনো জাদুকরি সমাধান নন।’

সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার (১৭ জুলাই) লেবার পার্টির নেতৃত্ব ছাড়বেন কিয়ার স্টারমার। এরপর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। আগামী সোমবার ১০ ডাউনিং স্ট্রিট ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেবেন স্টারমার।

অধিবেশনে স্টারমার, বাদেনক এবং লিবারেল ডেমোক্র্যাট নেতা এড ডেভি সম্প্রতি নিহত সাবেক কনজারভেটিভ মন্ত্রী অ্যান উইডিকম্ব-এর প্রতিও শ্রদ্ধা জানান। এড ডেভি বিদায়ী প্রধানমন্ত্রীকে ‘একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক’ আখ্যা দিয়ে তার জনসেবার প্রশংসা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ন্যাটো সম্মেলনে এরদোয়ানের চমক; বিশ্বনেতাদের দিলেন ‘ব্যতিক্রমী উপহার’!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৫ পি.এম


ন্যাটো সম্মেলনে এরদোয়ানের চমক; বিশ্বনেতাদের দিলেন ‘ব্যতিক্রমী উপহার’!

একটি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। একই মঞ্চে বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্রপ্রধানরা একত্রিত হয়েছিলেন। বিদায়বেলায় সবার হাতে তুলে দেওয়া হলো একটি লাল রঙের বাক্স। অনেকেই ভাবছিলেন, হয়তো থাকবে কোনো স্মারক, কলম বা ঐতিহ্যবাহী উপহার। কিন্তু বাক্স খুলতেই সবাই থমকে যান। কারণ, ভেতরে পাওয়া গেল একটি সচল ম্যাগনাম রিভলবার। আর তার পাশে ছিল ছয়টি তাজা গুলি। এই উপহার পেয়ে তারা রীতিমতো ধাঁধায় পড়ে গেলেন।

ঘটনাটি ঘটেছে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত ন্যাটোর সর্বশেষ শীর্ষ সম্মেলনে। আয়োজক দেশ হিসেবে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান অংশ নেওয়া বিশ্বনেতাদের প্রত্যেককে উপহার দেন একটি করে রিভলবার। অস্ত্রগুলোর গায়ে খোদাই করা ছিল সংশ্লিষ্ট নেতার নিজস্ব নাম। আর সঙ্গে দেওয়া হয়েছিল একটি বিশেষ নোট, যেখানে উল্লেখ ছিল যে, এই অস্ত্রের ক্ষেত্রে রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইন প্রযোজ্য হবে না। সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এর প্রতিবেদনে প্রকাশ হয়েছে এই তথ্য।

প্রথম এ বিষয়ে মন্তব্য করেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। সম্মেলন শেষে দেশে ফেরার পথে তিনি জানান যে, শুধু তিনিই নন, অন্য অনেক নেতাও একই ধরনের উপহার পেয়েছেন। বিষয়টি শুনে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও আলোচনা শুরু হয়েছে।

হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী পিটার মাজিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের নাম খোদাই করা রিভলবারের ছবিটি প্রকাশ করেন। অন্যদিকে বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী বার্ট ডি ওয়েভার দেশে ফিরে বুঝতে পারেন যে, উপহারটি সত্যিই কার্যকর একটি আগ্নেয়াস্ত্র। তিনি কোনো ঝুঁকি না নিয়ে সেটি সরাসরি বিমানবন্দর পুলিশের কাছে জমা দেন, যাতে নিরাপদে সংরক্ষণ করা যায়।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেন ও ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তাও পান একই উপহার। পরে ভন ডার লেনের কার্যালয় জানায় যে, অস্ত্রটি অকেজো করে একটি সামরিক জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হবে। এদিকে পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা দলও নেয় বাড়তি সতর্কতা। কারণ, ২০২২ সালে দেশটির পুলিশপ্রধান উপহার পাওয়া একটি ট্যাংকবিধ্বংসী অস্ত্র দুর্ঘটনাবশত বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বড় ধরনের বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছিলেন। সেই স্মৃতি এখনো অনেকের মনে তাজা।

অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস ও নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেটেনের রিভলবার এখনও তুরস্কেই রেখে দেওয়া হয়েছে। কারণ, সচল আগ্নেয়াস্ত্র আন্তর্জাতিকভাবে পরিবহন করা কঠোর আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে পড়ে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'যা আশা করেছিলাম তা নয়।'

তবে এরদোয়ান কেন এমন ব্যতিক্রমী উপহার বেছে নিয়েছেন, সে বিষয়ে তুরস্ক আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। ফলে এটি ছিল নিছক স্মারক, নাকি প্রতীকী কোনো বার্তা, তা নিয়েই চলছে নানা আলোচনা। একদিকে কেউ এটিকে তুরস্কের অস্ত্রশিল্পের প্রচারণা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ বলছেন, ন্যাটোর মতো সামরিক জোটের সম্মেলনে এর চেয়ে বেশি প্রতীকী উপহার হয়তো আর হতে পারে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে বেরোবিতে শোক পালন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৫ পি.এম


কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে বেরোবিতে শোক পালন

কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির ইন্তেকালের কারণে বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত রাষ্ট্রীয় শোকের অংশ হিসেবে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) আজ বিনম্র শ্রদ্ধায় শোক পালন করেছে।

রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে মরহুমের রুহের মাগফিরাত এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

দোয়া মাহফিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী উপস্থিত ছিলেন। দোয়া পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব ড. রকিব উদ্দিন আহাম্মেদ।

অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমানসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণও উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখযোগ্য যে, আধুনিক কাতারের অন্যতম স্থপতি, বাংলাদেশ ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের অকৃত্রিম বন্ধু এবং দেশটির সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি গত ১২ জুলাই ২০২৬ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%