বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:৫৫ পি.এম
রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের সমস্যা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু। তিনি জানান, আইসিইউ শয্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, জনবল নিয়োগ এবং নিরাপত্তা জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রমেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে তিনি এসব পরিকল্পনার কথা সাংবাদিকদের জানালেন।
মন্ত্রী জানান, আগামী দুই মাসের মধ্যে হাসপাতালের আইসিইউ শয্যা ১০টি বাড়িয়ে মোট ২০টিতে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া রোগীর স্বজনদের থাকার উপযোগী ব্যবস্থা দ্রুত নিশ্চিত করা হবে। অস্ত্রোপচার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে অ্যানেসথেশিয়ার ওষুধের সংকট দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় সরবরাহের ব্যবস্থা করার কথাও তিনি বলেন।
মন্ত্রী আরও জানান, হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য প্রায় দুই কোটি মানুষের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পরেও এখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নেই। আগামী এক মাসের মধ্যে হাসপাতালের পুরো এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি এক সপ্তাহের মধ্যে হাসপাতালের এলাকা আলোকসজ্জা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে চুরি-ছিনতাইসহ অপরাধ কমানো যায়। জলাবদ্ধতা নিরসন ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও তিনি জানান।
জনবল সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে হাসপাতালের আউটসোর্সিং জনবল খুবই কম। স্থানীয় ব্যক্তিদের এবং প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সহযোগিতায় অতিরিক্ত ৫০ জন আউটসোর্সিং কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এতে রোগীদের সেবা আরও সহজ হবে এবং দালালচক্রের দৌরাত্ম্য কমবে। তাঁরা বলেন, সকল কর্মচারীর জন্য নির্ধারিত পোশাক ও পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক হবে।
অন্যদিকে, স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট নিরসনে সরকার কঠোর পরিশ্রম করছে। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নির্মাণাধীন অবকাঠামো রয়েছে, কিন্তু জনবল সংকটের কারণে সেগুলো চালু করা যাচ্ছে না। এর সমাধানে দ্রুত নিয়োগ কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
আসাদুল হাবীব দুলু বলেন, গত ১৭ বছরে স্বাস্থ্যখাতে অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার সৃষ্টি হয়েছে। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে তিনি উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মন্ত্রী জানান, রমেক ক্যাম্পাসে একটি অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প চালু হয়েছে। চিকিৎসক ও নার্সদের সময়মতো দায়িত্ব পালন এবং রোগীদের সঙ্গে আন্তরিক আচরণের নির্দেশনাও তিনি দেন।
লাশ পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে হাসপাতালের তালিকাভুক্ত অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে নির্ধারিত ভাড়ায় সেবা দেওয়া হবে এবং চালানের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা চালু করা হবে।
মন্ত্রী জানান, হাসপাতাল প্রাঙ্গণে নির্মাণাধীন ১৫ তলাবিশিষ্ট ৪৬০ শয্যার ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগ বিশেষায়িত ভবনের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অকেজো চিকিৎসা সরঞ্জাম নিলামের মাধ্যমে অপসারণের উদ্যোগও নেওয়া হবে।
সভায় বিভাগের কমিশনার শহিদুল ইসলাম, রমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান, রমেকের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আনোয়ার হোসেন, রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে, মন্ত্রী হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে প্রায় চার ঘণ্টার একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন এবং পরে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।
পুনর্গঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। গত ২৭ জুলাই এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮-এর ১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।
পুনর্গঠিত কমিটির সদস্যরা হলেন- ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফজলুর রহমান, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী এবং নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক।
এ ছাড়া, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব পদাধিকারবলে নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পুনর্গঠিত নির্বাহী কমিটি ট্রাস্টের আইন, বিধিমালা এবং ট্রাস্টি বোর্ডের অর্পিত দায়িত্ব ও নির্দেশনা বাস্তবায়ন, ট্রাস্টের সার্বিক কার্যক্রম তদারকি, ট্রাস্ট ও এর অধীনস্থ বাণিজ্যিক ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, হিসাব নিরীক্ষা, ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণ এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে।
সরকার আশা করছে, পুনর্গঠিত এই নির্বাহী কমিটির মাধ্যমে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রেমঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিবির ও রাকসুসংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে লাইব্রেরিতে ঢুকে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী। এই কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে এ গণস্বাক্ষর কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
জানা গেছে, গত ২৭ জুলাই রাকসু ভবনে হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে শিবির ও রাকসুসংশ্লিষ্টরা লাইব্রেরিতে ঢুকে শিক্ষার্থীদের মারধর করেন। হামলার এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই কর্মসূচি তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচির সমাপ্তির পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হবে।
কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবির হাসান হিমেল বলেন, "আমরা বুধবার মানববন্ধনের পাশাপাশি আজ সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এ গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছি, যা সরাসরি উপাচার্য বরাবর প্রদান করা হবে।"
তিনি আরও বলেন, "আগামী ২ আগস্ট আমাদের রাবি ক্যাম্পাসে রুহুল কবির রিজভী আসার কথা রয়েছে। আমাদের সেই কর্মসূচি বানচাল করার উদ্দেশ্যে হয়তো শিবির এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাতে পারে।"
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, "রাকসুর কাজ হলো শিক্ষার্থীদের সেবায় নিয়োজিত থাকা। কিন্তু রাকসু নেতাকর্মীরা সেই দায়িত্ব ভুলে শিবিরের সঙ্গে লাইব্রেরিতে, যেখানে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করে, সেখানে হামলা চালিয়েছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গতকাল মানববন্ধন করেছি এবং আজ সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছি। আমরা চাই, এ হামলায় জড়িত রাকসু ও শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম সন্দেহে আরও চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এক্ষেত্রে একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রন্ত হয়েছে ১ হাজার ৫ জন।
আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৮৭০ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২৭ হাজার ৪১০ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৩৫ জন, আর গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৮৭৪ জন।
অন্যদিকে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজার ১৮২ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩ জন।
যে তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৭৩৯ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় ছাত্রশক্তির ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় সৃষ্ট হট্টগোলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গঠিত তদন্ত কমিটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে, এমনটি জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।
এর আগে ২৬ জুলাই জাতীয় ছাত্রশক্তির দপ্তর সম্পাদক মাহফুজুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় সংগঠনের কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলা কমিটির দ্বারা। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হলেও এখনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনটি জমা পড়েনি।
সংগঠনের সূত্র জানায়, হবিগঞ্জ ও সিলেটে এনসিপি নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় সংগঠনের নেতাকর্মীরা ব্যস্ত থাকায় নির্ধারিত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি। বর্তমানে সরেজমিনে না গিয়ে ফোনে সংশ্লিষ্টদের (স্টেকহোল্ডারদের) সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রস্তুতের কাজ চলছে। পরবর্তী সিদ্ধান্তের পর বিস্তারিত জানানো হবে। ঘটনার দিনের পরিস্থিতির পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি জাহিদ আহসান এবং সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারের অনুমোদনক্রমে গঠিত তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটিতে রয়েছেন হাসিব আল ইসলাম, মাহফুজুর রহমান এবং শাবাব হোসেন মেহের।
ইবি শাখা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান জানান, ঘটনার পরপরই প্রাথমিকভাবে সংশ্লিষ্টতা চিহ্নিত হওয়ায় এনসিপির একটি নেতাকে শোকজ করা হয়েছে। তিনি বলেন, কেন্দ্র থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে কেউ আসেননি। এনসিপির শোকজ নোটিশের জবাব পাওয়ার পর হয়তো কিছু সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুলাই দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় আয়োজিত ‘বর্ষা বিপ্লবের স্মৃতিচারণ ও নতুন রাজনৈতিক ধারা বিনির্মাণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় ছাত্রশক্তির নবগঠিত কমিটিকে কেন্দ্র করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা হট্টগোল সৃষ্টি করেন। এ সময় ইবি শাখা ছাত্রশক্তির নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসানের সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব ইফতেহার উদ্দীনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন। এ ছাড়া প্রভৃত ছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ এবং সারোয়ার তুষার এবং যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা আলম মিতু। প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ