ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে নতুন সুখবর দিল ওমান


ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে নতুন সুখবর দিল ওমান

ওমান স্বল্পমেয়াদি ভ্রমণ সহজ করার পাশাপাশি পর্যটন খাতকে গতিশীল করতে নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য বিনামূল্যে ১৪ দিনের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করেছে। বিদেশি নাগরিকদের বাসস্থান আইনের নির্বাহী বিধিমালায় নতুন সংশোধনী এনে এই সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর গালফ নিউজের।

সম্প্রতি দেশটির সরকারি গেজেটে রয়্যাল ওমান পুলিশের জারি করা ১০৯/২০২৬ নম্বর সিদ্ধান্তটি প্রকাশিত হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পরদিন থেকেই নতুন নিয়মটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে। এই আদেশে স্বাক্ষর করেন পুলিশ ও শুল্ক বিভাগের পরিদর্শক জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল হাসান বিন মহসিন আল শুরাইকি।

নতুন এই নিয়মের আওতায়, ওমানের পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যোগ্য বিবেচিত দেশের নাগরিকদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অর্থাৎ শূন্য ওমানি রিয়াল ফি-তে এই ভিসা প্রদান করবে। তবে প্রাথমিক দফায় কোন কোন দেশের নাগরিকরা এই সুবিধা পাবেন, সেই তালিকা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি দেশটির কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, নির্ধারিত যোগ্য দেশের তালিকাটি পরে প্রকাশ করা হবে।

আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গে ২৪ ঘণ্টায় দুই ‘এনকাউন্টার’, বিজেপি সরকারের বার্তা কী?

ভ্রমণকারীদের জন্য এই নিয়মে নতুন একটি সুবিধাও রাখা হয়েছে। ১৪ দিনের এই ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পর্যটকরা চাইলে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ ও নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে সেটিকে অন্য যেকোনো ক্যাটাগরির ট্যুরিস্ট ভিসায় রূপান্তর করে নিতে পারবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে এফপিইউ ও সোয়াট প্লাটুন পাঠাতে ৯ সদস্যের কমিটি গঠন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে এফপিইউ ও সোয়াট প্লাটুন পাঠাতে ৯ সদস্যের কমিটি গঠন

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে আগামী দুই মাসের মধ্যে ১২৫ সদস্যের একটি ‘ফর্মড পুলিশ ইউনিট’ (এফপিইউ) এবং একটি সোয়াট প্লাটুন পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।

এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় যানবাহন, সরঞ্জাম ও মালামাল প্রস্তুত এবং যাচাইয়ের জন্য ৯ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ইন্টারনাল অপারেশনস শাখা থেকে জারি করা এক আদেশে এই তথ্য জানানো হয়।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী ‘পিসকিপিং ক্যাপাবিলিটি রেডিনেস সিস্টেম’-এর আওতায় বাংলাদেশ পুলিশকে এই বাহিনী পাঠাতে হবে। সেজন্য একটি এফপিইউ ও সোয়াট প্লাটুনের প্রয়োজনীয় সব ধরনের মালামাল এবং প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম তৈরি আছে কি না, তা পরীক্ষা করে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিতেই এই কমিটি কাজ করবে।

কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি (ফিন্যান্স) মো. আতিকুর রহমানকে। সদস্য হিসেবে আছেন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি নাছিমা আক্তার, আশরাফুজ্জামান, ও মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- কেপিএইচের পুলিশ সুপার মো. হুমায়ুন কবির, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি এ.এইচ.এম. ইয়াহদুল ইসলাম ও ড. মাসুরা বেগম, পুলিশ টেলিকমের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার বিন সালেহ এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জাহেদ পারভেজ চৌধুরী।

আদেশ অনুযায়ী, এই কমিটি যানবাহন, প্রধান প্রধান সরঞ্জাম এবং মিশনে টিকে থাকার মতো প্রয়োজনীয় সামগ্রী পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মেপে এবং পরীক্ষা করে দেখবে। পাশাপাশি আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় নতুন সরঞ্জাম কেনা ও সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু করবে।

এছাড়া জাতিসংঘ প্রতিনিধিদের পরিদর্শনের জন্য আগাম প্রস্তুতি নেওয়া, মালামালের পূর্ণাঙ্গ তালিকা (কার্গো লোড লিস্ট) তৈরি করা এবং পুলিশ সদস্যদের বিশেষ সোয়াট প্রশিক্ষণ দিয়ে মেধার ভিত্তিতে মূল বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করার দায়িত্বও থাকবে এই কমিটির ওপর।

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলি হোসেন ফকিরের অনুমোদনে জারি করা এই আদেশে স্বাক্ষর করেন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানবাধিকার ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থান এখনো অস্পষ্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ এম


মানবাধিকার ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থান এখনো অস্পষ্ট

পাকিস্তান প্রতি বছর ৫ আগস্ট ‘ইউম-ই-ইস্তাহসাল’ বা ’শোষণ দিবস’ পালন করে। ২০১৯ সালের এই দিনে, ভারত সরকার জম্মু-কাশ্মিরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের প্রতিবাদে এবং কাশ্মিরের জনগণের প্রতি সংহতি জানাতে পাকিস্তান দিনটি পালন করছে। এটি সংগঠিত করা হয় ভারতের নিয়ন্ত্রণে থাকা কাশ্মীরের জনগণের দুর্দশা উল্লেখ করে, বরং মানবাধিকার রক্ষার উদ্দেশ্যে তাদের প্রতি আবেগঘন আবেদন জানাতে। ‘শোষণ দিবস’ পালন শুধু একটি প্রতীক নয়, বরং কাশ্মিরের জনগণের জন্য আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণের মাধ্যম।

কিন্তু পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের সাম্প্রতিক সহিংসতা বাস্তবে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার একটি নতুন চিত্র প্রদর্শন করে, যা পাকিস্তানের রাষ্ট্র হিসেবে নির্ভরযোগ্যতার এক বড় পরীক্ষা। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসলামাবাদের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং আইনসভার সংরক্ষিত আসনের বিতর্কিত বরাদ্দের বিরুদ্ধে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মিরে বিক্ষোভ দমন করা হচ্ছে নিষ্ঠুরভাবে। আসলে গত ২৭ জুলাই থেকে নির্বাচনের জন্য শুরু হওয়া বিক্ষোভ ৫ জুন থেকে চলছে, যখন কাশ্মিরের বিভিন্ন স্তরের জনগণ তাদের দাবি জানাচ্ছেন। তাদের ৩৮ দফা তদবিরের মধ্যে প্রধান দাবি হলো বিধানসভায় কাশ্মিরের বাইরের কাশ্মিরী শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আসন বাতিল করা। আসলে, ইসলামাবাদ এটি ব্যবহার করে কাশ্মিরকে নিয়ন্ত্রণ করছে।

বিক্ষোভের সময় আন্দোলনের নেতারা অভিযোগ করেছেন যে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে ৬০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারী নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। অপরদিকে, পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে এবং বিক্ষোভে শত্রুভাবাপন্ন উপাদান অনুপ্রবেশ ঘটেছে বলে দাবি করে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এই প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের বক্তব্যগুলোকে উদ্বেগজনক আখ্যা দিয়েছে এবং একটি স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়ে রেখেছে। তারা জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটিকে নিষিদ্ধ করার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। এছাড়া, অ্যামনেস্টি কাশ্মিরে যোগাযোগ ব্যবস্থার পুনর্বহাল এবং স্বাধীন পর্যবেক্ষকদের প্রবেশের অনুমতির জন্য আহ্বান জানায়।

সবচেয়ে বেশি উদ্বেগের বিষয় হলো, কাশ্মিরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বক্তব্য ও প্রাকৃতিক উষ্ণতা। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মিরের বিক্ষোভকারীদের ‘ভারতের মতো শত্রু’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এই ধরনের ভাষা কেবল উত্তেজনা বাড়ায় না, বরং এটি নাগরিকদের গণতান্ত্রিক বৈধতা কেড়ে নিয়ে শাসক সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ভিন্নমতকেও দেশদ্রোহিতা হিসেবে উপস্থাপন করে। একটি সরকার যখন নিজেদের প্রতিবাদী নাগরিকদের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে, তখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রাণঘাতী দমনের মধ্যে বিভেদ যথেষ্ট দ্রুত হারিয়ে যায়।

অন্যদিকে, যখন ইসলামাবাদ বিশ্ববাসীকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের সমালোচনা করতে আহ্বান করে, তখন এই মুহূর্তেই নিজেদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের পক্ষে সাফাই গায়। এই বৈপরীত্যকে অতিক্রম করা সম্ভব নয়। আসলে মানবাধিকারের সংজ্ঞা আলাদা আলাদা করে বিচার করা সম্ভব নয়, তা হওয়া উচিতও নয়। কূটনৈতিক সুবিধার জন্য একদিকে নির্বাচনে শক্তি ব্যবহার করা এবং অন্যদিকে নিজের দেশে অস্বীকার করা মোটেই চলতে পারে না।

স্বাধীনতার পর থেকে পাকিস্তানে মানবাধিকারের চিত্রের দোষ রয়েছে গুম, নির্বিচার আটক, বাকস্বাধীনতায় নিষেধাজ্ঞা এবং অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের নানা অভিযোগের মধ্যে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনগুলোতে বিভিন্ন অবস্থানে প্রতারণার চিত্র উঠে এসেছে। রাজনৈতিক কর্মীরা এবং জাতিগত সংখ্যালঘুদের প্রতি রাষ্ট্রের বলপ্রয়োগ থেকেই ভিন্নমতকে দমনের অভিযোগ করা হয়েছে। এই প্যাটার্নটি অন্য যেকোনো জায়গার চেয়ে বেলুচিস্তানে সবচেয়ে প্রকাশ্য। বছরের পর বছর ধরে, বেলুচ পরিবারের সদস্যরা তাদের অনলাইন নিখোঁজ আত্মীয়ের ছবি নিয়ে রাষ্ট্রের কাছে জবাব চাইছে। কিন্তু রাষ্ট্রের ভর্তি জবাব নেই, কখনো গুলি চালায়।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো বারবার জোরপূর্বক গুম এবং বিচারবহির্ভূত হত্যার পক্ষে অভিযোগ নথিবদ্ধ করেছে। কিন্তু পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ বারবার এই মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য প্রমাণিত হয়। তারা বলছে, বিচ্ছিন্নতাবাদী সহিংসতা এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার জন্য সামরিক অভিযানগুলো প্রয়োজনীয়। তবে একই ঘটনা পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তির ওপর গভীর ক্ষত সৃষ্টি হচ্ছে।

একটি সরকারের সামরিক শক্তি দিয়ে বৈধ রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা দমন করা হলে কী ধরনের ফলাফল হতে পারে তা বোঝার জন্য অন্য স্থানে যাওয়ার দরকার নেই। ১৯৭১ সালে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল পাকিস্তানের এই ধরনের দমন-পীড়ণের প্রতিবাদ জানাতে গিয়েই। বাংলাদেশের রাজনৈতিক আন্দোলন পাকিস্তানের স্বাধীনতার পরেও একই ঘটনা দারুনভাবে ঘটেছে। ইতিহাস সময়ের সাথে বদলায়, তবে ইতিহাসের শিক্ষা স্থায়ী। রাষ্ট্রগুলি নিপীড়নের মাধ্যমে স্থায়ী একতা অর্জন করতে পারে না; এভাবে হয়তো সাময়িকভাবে দমন করা সম্ভব, কিন্তু মর্যাদা, প্রতিনিধিত্ব ও ন্যায়ের দাবির মুখে একেবারেই নিষ্ক্রিয় করা যায় না।

এখন উল্লেখযোগ্য এই যে, মানবাধিকার প্রশ্নে পাকিস্তানের দ্বিচারিতা এবং বৈপরীত্যের বিরুদ্ধে যে তীব্র সমালোচনা আসছে, তা পাকিস্তানের ভেতর থেকেই আসছে। সাবেক রাষ্ট্রদূত মালিহা লোদি ইউরোপের দাবানলে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এবং কাশ্মিরের ঘটনার সময় প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নীরবতার ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছেন। পাকিস্তানি ভাষ্যকার এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও সরকারের অগ্রাধিকার কীভাবে দেশবাসীর দুর্ভোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, সে প্রশ্ন তুলেছেন। এই ধরনের সমালোচনাকে বিদেশি প্রচারণা বলে উড়িয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। বরং এটি সাংবিধানিক আদর্শ এবং সরকারের আচরণের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী ফারাকের প্রতিফলন।

পাকিস্তান নিঃসন্দেহে জঙ্গিবাদ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখোমুখি। তবে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো বুঝতে পারা উচিত, তাদের নিরাপত্তার হুমকি রয়েছে কিনা, তা বিচার্য নয়, বরং তারা কীভাবে সেগুলোর মোকাবিলা করছে সেটাই এর মূল বিষয়। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন দাবি করে যে, বলপ্রয়োগ হওয়া উচিত প্রয়োজনীয়, আনুপাতিক এবং জবাবদিহিমূলক।

যতদিন না পাকিস্তান পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর, বেলুচিস্তান, সিন্ধু এবং খাইবার পাখতুনখোয়ায় নাগরিক স্বাধীনতার প্রতি সেই একই প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করছে, যা তারা অন্য পরীক্ষায় দাবি করে; ততদিন তাদের মানবাধিকারের পক্ষে ওকালতি দেশের ভেতরের অস্বস্তিকর বাস্তবতার কারণে ম্লান হতে থাকবে। মানবাধিকারের সবচেয়ে শক্তিশালী রক্ষা একটি দেশের নিজস্ব সীমার ভেতরে শুরু হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমার ট্যালেন্ট আছে, ওদের নেই’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


‘আমার ট্যালেন্ট আছে, ওদের নেই’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিউ জার্সির নিজস্ব গলফ কোর্সে আরও দুটি শিরোপা জয়ের দাবি করে প্রতিদ্বন্দ্বীদের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, 'এটাকেই ট্যালেন্ট (প্রতিভা) বলে। ট্যালেন্ট আমার আছে, ওদের নেই।'

রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প ন্যাশনাল গলফ ক্লাব, বেডমিনস্টারে নিজের 'জয়সূচক শট'-এর একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। তিনি জানান, এ বছর সুপার সিনিয়র ও সিনিয়র— দুই বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, তার মালিকানাধীন বিভিন্ন গলফ কোর্সে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় তিনি এখন পর্যন্ত ৪০টিরও বেশি শিরোপা জিতেছেন। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গলফ খেলায় প্রতারণার বিভিন্ন অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

trump

ট্রাম্পের দাবি, সর্বশেষ প্রতিযোগিতায় তিনি দুই আন্ডার পার ৭০ স্কোর করে শিরোপা জিতেছেন।

ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, 'আমি ৭০ স্কোর করে জিতেছি। এটা আমার জন্য বড় সম্মানের। কারণ অন্যদের মতো অনুশীলনের জন্য আমি খুব কম সময় পাই। আমি অন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত থাকি। এটাকেই প্রতিভা বলে। আমার আছে, তাদের নেই।'

পোস্টের সঙ্গে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, গ্রিনের দিকে শট নেওয়ার আগে ট্রাম্প দুবার অনুশীলনী সুইং করেন। এরপর বলটি আঘাত করে তৃতীয় বাউন্সেই থামিয়ে দেন। মাইডাসের প্রধান সম্পাদক রন ফিলিপকোভস্কি প্রকাশিত আরেকটি ভিডিওতে ট্রাম্পকে বিজয়ীর ট্রফি গ্রহণ করতে এবং উপস্থিত দর্শকদের দাঁড়িয়ে অভিবাদন পেতে দেখা যায়। এতে দাবি করা হয়েছে, এটি মার্কিন প্রেসিডেন্টের ৪৩তম ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা।

বেডমিনস্টারের সিনিয়র মেনস ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে সাধারণত ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সি খেলোয়াড়রা অংশ নেন। আর সুপার সিনিয়র বিভাগটি ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য। বেডমিনস্টারের পিজিএ ক্লাব চ্যাম্পিয়ানশিপ সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প ২০২৩ সালে সিনিয়র ও সুপার সিনিয়র— উভয় বিভাগেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। এছাড়াও ২০২৪ সালে তিনি সিনিয়র বিভাগের শিরোপা জেতেন।

২০২৩ সালে শিরোপা জয়ের পর ট্রাম্প বলেছিলেন, 'কোনো এক কারণে আমি ভালো গলফার ও ক্রীড়াবিদ। আমি অনেক ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছি, আর এটি সব সময়ই বড় সম্মানের।'

তবে গলফ ক্যারিয়ারজুড়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগও ওঠেছে। ক্রীড়া লেখক রিক রাইলি তার 'কমান্ডার ইন চিট' বইয়ে ট্রাম্পের গলফ খেলা নিয়ে অভিযোগ তুলে ধরেছেন। এছাড়া অভিনেতা স্যামুয়েল এল. জ্যাকসন ২০১৬ সালে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে গলফে প্রতারণার অভিযোগ করেছেন।

রাইলি তার বইয়ে লেখেন, উইংড ফুট গলফ ক্লাবে ট্রাম্পের বল পায়ে ঠেলে আবার ফেয়ারওয়েতে ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ক্যাডিরা নিয়মিত দেখতেন, যেই কারণে তারা তার ডাকনাম রেখেছিলেন 'পেলে'।

এরপর স্কটল্যান্ডের ট্রাম্পের টার্নবেরি গলফ কোর্সে ধারণ করা একটি ভিডিও প্রকাশের পরও তার বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ ওঠে। ভিডিওতে দেখা যায়, ট্রাম্পের ক্যাডি তার আগে হাঁটতে হাঁটতে বলটি গর্তের খুব কাছে ফেলে দিচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে। পরে ট্রাম্প সেই বলের কাছ থেকে শট নেন।

তবে গলফে প্রতারণার সকল অভিযোগই ট্রাম্প এর আগে অস্বীকার করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্দিদশায় প্রথমবার রেড ক্রস কর্মকর্তার সঙ্গে সু চির সাক্ষাৎ, দাবি মিয়ানমার সরকারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ এম


বন্দিদশায় প্রথমবার রেড ক্রস কর্মকর্তার সঙ্গে সু চির সাক্ষাৎ, দাবি মিয়ানমার সরকারের

মিয়ানমারের আটক সাবেক নেত্রী অং সান সু চি বন্দিদশায় প্রথমবার আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) একজন প্রতিনিধি সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সোমবার দেশটির সরকারের এক মুখপাত্র এ তথ্য জানান।

৮১ বছর বয়সী সু চির স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী অং সান সু চি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কারাগারে রয়েছেন। ওই বছর মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তার নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত বেসামরিক সরকারের ক্ষমতাচ্যুত করে। এর পর থেকেই দেশটি রাজনৈতিক সংকট, সহিংসতা ও অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে।

২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে অং সান সু চি কোথায় আছেন এবং তাঁর স্বাস্থ্যের বর্তমান অবস্থা কী, তা স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। এ সময়ে কোনো বিদেশি নেতা বা কূটনীতিকও প্রকাশ্যে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি। এ কারণে আন্তর্জাতিক মহলে তাঁর জীবন নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে, অনেকেরই প্রশ্ন, অং সান সু চি কি এখনো বেঁচে আছেন, না কি তিনি মারা গেছেন।

সু চির ছেলে কিম আরিসও বিভিন্ন দেশের প্রেসিডেন্ট ও মন্ত্রীদের কাছে একটিই দাবি জানাচ্ছেন, তা হলো, মিয়ানমারের সামরিক সরকার যেন সু চির বেঁচে থাকার প্রমাণ দেয়।

মিয়ানমার সরকারের মুখপাত্র খাইন খাইন সো জানান, সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানী নেপিডোতে সু চি আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) মিয়ানমার প্রতিনিধি আর্নড ডি বেকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তবে এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে আইসিআরসি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

এপ্রিলের শেষ দিকে সামরিক বাহিনীর তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনের পর সাবেক জান্তা নেতা মিন অং হ্লাইং মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি হন।

এরপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়তে থাকলে কর্তৃপক্ষ জানায়, অং সান সু চিকে কারাগার থেকে গৃহবন্দি অবস্থায় রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%