মাসফিকুল হাসান, বেরোবি প্রতিনিধি
০৪:৫০ পি.এম
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রধান ফটকের সামনের পরিবেশ, সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সকল ধরনের যানবাহন পার্কিং এবং দোকানপাট স্থাপন নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
শনিবার (৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. ফেরদৌস রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেইটের সামনের পরিবেশ সুরক্ষা, নান্দনিকতা বজায় রাখা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ওই এলাকায় সকল প্রকার যানবাহন পার্কিং ও অস্থায়ী বা স্থায়ী দোকানপাট স্থাপন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও দৃষ্টিনন্দন অংশ। এর সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা নষ্ট করে এমন কোনো দোকান বা কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ উদ্যোগকে ক্যাম্পাসের পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের থলিয়ারা গ্রামে চায়ের দোকান উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। রবিবার সকাল থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দফায় দফায় চলা এ সংঘর্ষের ফলে নাটাই-অষ্টগ্রাম আঞ্চলিক সড়কে প্রায় তিন ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, থলিয়ারা গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ি এলাকায় শিরু মিয়ার একটি চায়ের দোকানকে কেন্দ্রে করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, দোকানে সারাক্ষণ টেলিভিশন চালু থাকায় সেখানে মানুষের জটলা লেগে থাকত এবং পথচারী নারী ও কিশোরীদের উদ্দেশে আপত্তিকর মন্তব্য করা হতো। এই কারণে সম্প্রতি একটি গ্রাম্য সালিশে দোকানটি উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
তবে, ওই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে গ্রামের মিন্দান আলীর বাড়ির লোকজন এবং মইধ্যের বাড়ির হাজী জয়নাল আবেদীনের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। রবিবার সকালে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে, তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন রামদা, বল্লম, টেঁটাসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এর ফলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলা, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।
সংঘর্ষ গ্রাম থেকে নাটাই-অষ্টগ্রাম আঞ্চলিক সড়কে ছড়িয়ে পড়লে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় টেঁটাবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে তিনজনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে বেলা ১১টার দিকে সদর থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। দুপুর ১টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
নাটাই উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইয়াকুব আলী ভূঁইয়া বলেন, কয়েক দিন আগে অনুষ্ঠিত একটি সালিশে চায়ের দোকান উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু একটি পক্ষ সেই সিদ্ধান্ত মেনে না নেওয়ায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত চারজনকে আটক করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটের ঐতিহ্যবাহী খানজাহান আলী (রহ.) এর মাজারের সংলগ্ন দিঘি থেকে কুমির নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কুমিরকেই পুনরায় দিঘিতে অবমুক্ত করার দাবিতে সোচ্চার খাদেমরা। রোববার (৭ জুন) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রধান খাদেম ফকির তরিকুল ইসলাম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, মাজার কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও আলোচনা না করেই দিঘি থেকে কুমির নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাগেরহাটের ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা করা হয়েছে। এর আগেও চিকিৎসার জন্য দুটি কুমির নিয়ে গেছিল, সেগুলোও ফেরত দেওয়া হয়নি। আমাদের চাওয়া হচ্ছে, যেকোন মূল্যে দিঘির কুমির ফেরত দিতে হবে। বাগেরহাটের ইতিহাস এবং ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দেন মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তরিকুল ইসলাম।
সম্মেলনে মাজারের খাদেম, পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং অর্ধশতাধিক স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
এটি জানা যায় যে, সাড়ে ৬০০ বছর আগে খানজাহান আলী (রহ.) যখন দিঘিটি খনন করেছিলেন, তখন পানির সুরক্ষার জন্য কুমির দিঘিতে ছাড়া হয়। সেই সময় থেকে মাজারে কুমির ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে প্রজনন না হওয়া, ঘুমের ওষুধ এবং মাছ ধরার জালে বেঁধে আহত হওয়ার কারণে খানজাহানের ছাড়া কুমিরগুলো মারা যেতে শুরু করে।
সর্বশেষ বংশধরের মৃত্যু হয় ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে। কিন্তু কুমির যখন আশঙ্কাজনকভাবে কমছিল, তখন ২০০৫ সালের ভারত থেকে ৬টি কুমির এনে দিঘিতে ছাড়া হয়। কিন্তু এর মধ্যে কয়েকটি মারা যায়। সর্বশেষ যে দুটো কুমির ছিল, তার মধ্যে একটি ২০২৩ সালের অক্টোবরে মারা যায়। এরপর থেকে সেখানে একটি নারী কুমির ছিল। এই কুমির একের পর এক মানুষ ও প্রাণিকে আক্রমণ করছিল। চলতি বছরের ৮ এপ্রিল কুমিরের আক্রমণে কুকুর মারা যাওয়ার ঘটনা দেশজুড়ে আলোচনায় আসে।
সবশেষে, ১ জুন রাত সাড়ে ৮ টার দিকে খানজাহান আলী (রহ.) এর মাজার সংলগ্ন দীঘির পূর্ব পাশে নারীদের ঘাটে গোসল করতে নামলে শিশু ফাতেমা আক্তারকে (৭) মাজারে থাকা একমাত্র কুমিরটি টেনে নিয়ে যায়। পরের দিন ২ জুন ভোরে দিঘি থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ৩ জুন কুমিরটিকে ধরে খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে দীঘিতে কুমিরের সাড়ে ৬০০ বছরের ইতিহাসের সমাপ্তি হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গতকাল ০৬/৬/২০২৬ তারিখ দুপুর অনুমান ০৩.৪০ ঘটিকায় নওগাঁ পৌরসভাস্হ উকিলপাড়া ডিবি অফিসের সামনে থেকে অজ্ঞাত নামা চোরেরা একটি ব্যাটারী চালিত অটোরিকসা চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়ার পর অটোরিকশার মালিক বিভিন্ন স্হানে অটোরিকশা টি খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে গোপন সূত্রে জানা যায় যে, চোরাই অটোরিকশা সহ দুই জন চোর নওগাঁ সদর মডেল থানার দুবলহাটি ইউনিয়নের পিরোজপুর এন্টিতলা বাজারে অবস্থান করতেছে।
জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় নওগাঁ সদর থানা পুলিশ, বাদী ও স্হানীয় জনগণের সহায়তায় ০৭/৬/২০২৬ তারিখ রাত ০২.১০ ঘটিকায় চোরাই অটোরিকশা উদ্ধার সহ চোর ১) মোঃ মন্টু (৩৩),পিতা-মোঃ আঃ রশিদ,সাং-সরিজপুর দক্ষিণ পাড়া ২) মোঃ সবুজ (৩২) পিতা- মৃত নাজিম উদ্দীন, সাং-পার নওগাঁ সরদার পাড়া,উভয় খানা+ জেলা- নওগাঁ কে গ্রেফতার করেছে।
এই সংক্রান্তে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীন সরকারের আমন্ত্রণে সরকারি সফরের উদ্দেশ্যে চীনের জন্য ঢাকা ত্যাগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
তিনি রোববার (৭ জুন) দুপুরে ঢাকা ছেড়ে যান।
এই সফরের উপলক্ষে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সাক্ষাতের সময় সফর-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
তথ্যমন্ত্রী চায়না মিডিয়া গ্রুপের আয়োজনে ৮-১১ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ‘পঞ্চম সিএমজি ফোরাম’-এ অংশগ্রহণ করবেন।
এছাড়া সফরকালে চীনের তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এই বৈঠকে তথ্য ব্যবস্থাপনা, গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং তথ্য বিনিময় সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে তথ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন যে, এই সফরের মাধ্যমে তথ্য ও গণমাধ্যম খাতে বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ