বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৬:০২ পি.এম
রাজধানীর বংশালের একটি আবাসিক হোটেলে মো. শামীম হাসনাত (৪৬) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে বংশালের সিদ্দিক বাজারের ‘ঢাকা প্যালেস’ নামের আবাসিক হোটেলের চতুর্থ তলার ১২১ নম্বর রুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
শামীম হাসনাত কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার শশেয়দিঘী গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের সন্তান।
এ ব্যাপারে বিস্তারিত নিশ্চিত করে বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মাহফুজুল হক জানান, বুধবার রাত থেকেই শামীমের রুমটি ভেতর থেকে বন্ধ ছিল বলে আমাদের জানিয়েছেন হোটেল কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার সকালে হোটেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মী সাহিদা বেগম রুমটি পরিষ্কার করতে গিয়ে দরজায় ধাক্কা দিলে তা খুলে যায়। তিনি শামীমকে বিবস্ত্র অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
পরে বিষয়টি জানিয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশের খবর দেয়। এরপর মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্তের পর এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ওসি।
হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, গত ঈদুল ফিতরের পর থেকেই শামীম ওই রুমে ভাড়ায় থাকতেন।
জানা গেছে, শামীম হাসনাত মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। এজন্য তিনি বাসায় না থেকে হোটেলে থাকতেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী ও তার মা-বোনদের কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত আরেক বোনও মারা গেছেন। এই ঘটনায় একই পরিবারের তিন বোন এবং মা মারা গেছেন।
এদিকে গণপিটুনিতে অভিযুক্ত যুবকও মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল পর্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা সবাই একে একে মারা যান।
জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবু তারেক এবং রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বাহারুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতদের মধ্যে মা শাহিনুর বেগম (৩৮), তার বড় মেয়ে সায়মা আক্তার (২১), মেজো মেয়ে ইকরা আক্তার (১৭) এবং ছোট মেয়ে শিফা আক্তার (৯) রয়েছেন। এ ছাড়া গণপিটুনিতে অভিযুক্ত ঘাতক অন্তর মজুমদারও মারা গেছেন।
অভিযুক্ত অন্তর নোয়াখালী সুবর্ণচর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি রায়পুরের ভ্রাম্যমাণ ফল ব্যবসায়ী ছিলেন।
এদিকে ঘটনাস্থলে অভিযুক্তকে গণপিটুনি দেওয়ার সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টাকালে পুলিশের ৬-৭ জন সদস্যও উত্তেজিত জনতার ইটপাটকেলে আহত হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শাহীনুরদের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়। প্রায় ১২-১৪ বছর ধরে রায়পুরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন। দীর্ঘ কয়েক বছরের জন্য শাহীনুর তার সন্তানদের নিয়ে ঘটনাস্থলের আমির হোসেন মাস্টারের বাসায় ভাড়া থাকতেন। ২০১৯ সালে তার স্বামী মো. কামাল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। এরপর থেকে তিনি ৩ মেয়েসহ ওই বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে তিন মেয়েসহ শাহীনুরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
অন্যদিকে আহত অবস্থায় সবাইকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা শাহীনুর, তার মেয়ে সায়মা ও শিফাকে মৃত ঘোষণা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় নেয়া পথে তার মেজো মেয়ে ইকরাও বিকেলে মারা যায়। ঘটনায় অভিযুক্ত অন্তরকে উত্তেজিত জনতা গণপিটুনি দিলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তিনিও মারা যান।
শাহীনুরের একমাত্র ছেলে সিফাত হোসেন রায়পুর বণিক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম মুরাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন।
মুরাদ বলেন, সিফাতের মা ও ৩ বোনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সকালে সে কাজে আসায় পুরো ঘটনার কিছুই জানত না। এই ঘটনায় সে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছে এবং কারো সাথে কথা বলার অবস্থারে নেই।
বাড়ির মালিক ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলার পর লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক জানান, ঘাতক অন্তর তার স্ত্রীসহ প্রায় দেড় বছর ঘটনাস্থলে ভাড়া বাসায় থাকতেন। প্রায় ৭-৮ মাস আগে তিনি বাসা ছেড়ে চলে যান। সম্ভবত পূর্ব পরিচয়ের কারণে সকালে অন্তর ওই বাসায় যায়। এরপর ঘটনাটি ঘটে। রাণী নামে এক প্রতিবেশী অন্তরকে ওই বাসায় দেখে আসার কারণ জানতে চান, তখন অন্তর বলে সে পানির পাইপ ঠিক করতে এসেছে। রাণী এই কথা বিশ্বাস না করে কলাপসিবল গেট আটকে দিয়ে স্থানীয়দের খবর দেয়। যদি তিনি তা না করতেন, তাহলে হয়ত ঘটনাটি উদঘাটন করা সম্ভব হতো না। তদন্ত চলমান রয়েছে। তবে কেন তাদের হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়ে পুলিশ কিছু বলতে পারিনি।
রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম জানান, হাসপাতালে ৫ জনকে আহত অবস্থায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে দুই মেয়ে এবং তাদের মা মারা গেছেন। তার এক মেয়েকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়, পরে সেও মারা যায়। এছাড়া অভিযুক্ত একজন গণপিটুনিতে আহত হয়েছেন, তার মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। সদর হাসপাতালে তিনিও মারা যান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে মুসলিম খেলোয়াড়দের ধর্মীয় বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতার প্রতি সম্মান জানাতে ম্যাচসেরা (ম্যান অব দ্য ম্যাচ) পুরস্কার প্রদানের পদ্ধতিতে ফিফা পরিবর্তন করেছে।
এই বিষয়টি তখন উঠে আসে যখন মরক্কোর মিডফিল্ডার ইসমাইল সাইবারি স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন। ঐ ম্যাচে তিনি টুর্নামেন্টের দ্রুততম গোল করেন। কিন্তু যখন তিনি পুরস্কার গ্রহণ করেন, তখন সেখানে প্রচলিত স্পন্সর ব্র্যান্ডিং দেখা যায়নি। সাধারণভাবে, পুরস্কারের ব্যাকড্রপ ও ট্রফিতে বিয়ার ব্র্যান্ড মাইকেলব আলট্রার লোগো পাওয়া যায়, কিন্তু সাইবারির ক্ষেত্রে সেটির পরিবর্তে বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ব্র্যান্ডিংসহ একটি নিরপেক্ষ ডিজাইন ব্যবহৃত হয়।
এছাড়া একই ধরনের উপস্থাপনা ব্যবহার করা হয়েছে আরো কয়েকজন খেলোয়াড়ের জন্য। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মিসরের ইমাম আশুর, জর্ডানের আলি অলওয়ান, ইরানের রামিন রেজায়িয়ান, কাতারের মাহমুদ আবুনাদা এবং আইভরি কোস্টের ইয়ান দিয়োমান্দে।
ফিফার একজন মুখপাত্র বিষয়টি নিয়ে বলেছেন যে, নির্বাচিত খেলোয়াড়ের অনুরোধে স্পন্সরবিহীন পুরস্কার ও ব্যাকড্রপ ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। এটি অপ্রাপ্তবয়স্ক খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে।
ফুটবলে অ্যালকোহল স্পন্সরশিপ নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। ২০১৮ সালের বিশ্বকাপে মিসরের গোলরক্ষক মোহাম্মদ এল-শেনাওয়ি অ্যালকোহল স্পন্সরযুক্ত ম্যাচসেরা পুরস্কার গ্রহণে আপত্তি জানানোর পর ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল।
গ্রহণকারী স্পন্সরশিপ সম্পূর্ণরূপে বাতিল না করে, ফিফা এবার একটি সমঝোতামূলক পথ বেছে নিয়েছে। সংস্থাটি তাদের বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব বজায় রেখেই খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাসকে সম্মান জানাতে কাজ করছে। এর ফলে বিশ্বকাপের মঞ্চে বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তির বার্তাও আরো জোরালোভাবে তুলে ধরা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তান একসময় বিশ্ব ক্রিকেটে দাপট দেখাতে সক্ষম হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি ভিন্ন। ইমরান খানের সময় এবং জাভেদ মিয়াঁদাদ, সাঈদ আনোয়ার, ইনজামাম-উল-হক, ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনুস ও শোয়েব আখতারের মতো তারকা খেলোয়াড়রা একপ্রকার প্রতিপক্ষের জন্য আতঙ্ক হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু সেই সোনালী দিনগুলো এখন অতীত। বর্তমানে পাকিস্তান দল সাফল্য খুঁজতে বেশ কিছুটা সময় ব্যয় করছে।
পুরুষ দলের ধারাবাহিক ব্যর্থতার প্রভাব কেবল পুরুষদের উপর সীমাবদ্ধ নয়, নারীদের দলেও পড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সাফল্যের চেয়ে পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের পরিচিতি হয়ে দাঁড়িয়েছে বিতর্ক। ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত দলটি বিজয়ের স্বাদ খুব একটা পায়নি।
এর আগে আয়ারল্যান্ড এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের সময়ও জয় না পাওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ধারাবাহিক এই ব্যর্থতা দলের মধ্যে চাপ ও অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে এবং মাঠের বাইরের বিতর্কগুলোকেও উস্কে দিয়েছে।
এমন একটি পরিস্থিতিতে পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিতর্ক আবারও চরমে পৌঁছেছে। সিনিয়র ক্রিকেটার আলিয়া রিয়াজের হোটেল রুমে স্বামী আসা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, সিনিয়র খেলোয়াড় আলিয়া রিয়াজ তার হোটেল রুমে স্বামী আলী ইউনুসকে নিয়ে আসার ফলে অধিনায়ক ফাতিমা সানা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। তিনি বিষয়টিকে দলের শৃঙ্খলা ও প্রোটোকল ভঙ্গ হিসেবে উল্লেখ করে অবিলম্বে স্বামীকে রুম থেকে বের হয়ে যেতে বলেন।
পরে, বাংলাদেশের বিপক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের পূর্বে নির্ধারিত অনুশীলন এড়িয়ে আলিয়া স্বামীর সঙ্গে বাইরেই সময় কাটান, যা অধিনায়কের অসন্তোষ আরও বাড়িয়ে তোলে। এই কারণে আলিয়ার একাদশে থাকা না থাকার পক্ষে দাবিও তোলে ফাতিমা সানা।
কিন্তু অধিনায়কের আপত্তিকে অগ্রাহ্য করে কোচ ওয়াহাব রিয়াজ আলিয়াকেই চূড়ান্ত একাদশ ঘোষণা করেন। ঐ ম্যাচে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে ২৩ রানে পরাজিত করে, যেখানে আলিয়া ব্যাট হাতে কোন রান করতে পারেননি।
পরাজয়ের পর অধিনায়ক ফাতিমা সানা কোচিং স্টাফের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার অভিযোগ, দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কোচিং ইউনিট ব্যর্থ হচ্ছে।
অন্যদিকে, কোচের দাবি, খেলোয়াড়রা মাঠে পরিকল্পনা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারছেন না, যার ফলে ধারাবাহিক ব্যর্থতা দৃশ্যমান হয়ে উঠছে।
এদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না বললেও, দলের ভেতরের এই দ্বন্দ্ব এবং বিভাজন নিয়ে ক্রিকেট মহলে আলোচনা চলছে।
গত কয়েক বছরে একাধিক কোচ পরিবর্তন করলেও পাকিস্তান মহিলা দল সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। বর্তমান ব্যর্থতার সঙ্গে যুক্ত হওয়া এই বিতর্ক দলটির সংকটটিকে আরও গভীর করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরে প্রায় ১০ কোটি ৮২ লাখ ৯০ হাজার টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য এবং চোরাচালান পণ্য ধ্বংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে দিনাজপুর সেক্টর সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, দিনাজপুর সেক্টরের আওতাধীন জয়পুরহাট, ফুলবাড়ী এবং দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ২০২৩ সাল থেকে চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে এসব মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছেন।
ধ্বংস করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে ছিল ১৩ হাজার ১৯০ বোতল ফেনসিডিল, ২ লাখ ৪৮ হাজার ৫৯টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫১৬ দশমিক ৭৫ কেজি গাঁজা এবং ১ লাখ ৫ হাজার ৭৪৬ লিটার মদ। এছাড়া ৫ লাখ ৩৪ হাজার ১১৭টি বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান পণ্যও ধ্বংস করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মাদক একটি নীরব ঘাতক। এটি সমাজের তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’
বিজিবি রংপুর রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এস এম নাছের বলেন, ‘মাদক শুধু একটি অবৈধ দ্রব্য নয়, এটি ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য ভয়াবহ অভিশাপ। সীমান্ত দিয়ে মাদকের অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবি সর্বদা সজাগ রয়েছে এবং মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আমরা দৃढ़প্রতিজ্ঞ।’
অনুষ্ঠানে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। পরে অতিথিরা আনুষ্ঠানিকভাবে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য ধ্বংস কার্যক্রমে অংশ নেন। সীমান্ত এলাকায় মাদক এবং চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এ ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ