ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফিলিপাইনের ভূমিকম্পে মৃ-তের সংখ্যা বেড়ে ৪৬


ফিলিপাইনের ভূমিকম্পে মৃ-তের সংখ্যা বেড়ে ৪৬

ফিলিপাইনে ভূমিকম্পের কারণে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৪৬ জনে পৌঁছেছে। আজ, ১০ জুন, দক্ষিণ ফিলিপাইনে উদ্ধারকারীরা একটি ধসে পড়া সুপারমার্কেটের ধ্বংসস্তূপ থেকে একটি মৃতদেহ উদ্ধার করে।

গত ৮ জুন, ফিলিপাইনের মিন্দানাও উপকূলের কাছাকাছি ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে।

জাতীয় দুর্যোগ সংস্থা আজ ১০ জুন মৃতের সংখ্যা ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৪৬ করেছে। অন্যদিকে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে চার থেকে বেড়ে ১৭ হয়েছে। তবে বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তর নিশ্চিত করেছে যে, এই মৃতের সংখ্যার মধ্যে ডেলুভিওর নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

আরও পড়ুন: সৌদিতে আটকে পড়া ৪০ ওমরাহ পালনকারী দেশে ফিরলেন

ভূমিকম্পের ফলে ভবনগুলো ধসে পড়ে এবং ভূমিধস ঘটে। এরপর, দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপের একটি বিস্তীর্ণ এলাকায় সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়। ৩৯ বছর বয়সী জোয়ি ডেলুভিও জেনারেল সান্তোস সিটির একটি সুপারমার্কেটের কর্মচারীদের মধ্যে একজন ছিলেন। সেখানে ক্রমাগত আফটারশকের হুমকি সত্ত্বেও উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছিল।

স্থানীয় উদ্ধারকারী মিশেল চুয়া এএফপিকে জানান, ‘উদ্ধার অভিযানের শুরুতেই প্রাণ শনাক্তকারী যন্ত্র একটি ‘দুর্বল স্পন্দন’ শনাক্ত করেছিল, কিন্তু যখন তারা মৃতদেহটির কাছে পৌঁছায়, তখন প্রাণের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি।’

চুয়া আরো জানান, ডেলুভিওর মৃতদেহটি দুটি বিমের মাঝে চাপা পড়ে পাওয়া গেছে। বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা রাফায়েলিতো আলেহান্দ্রো একটি রেডিও সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘নিহতদের অধিকাংশই দাভাও অক্সিডেন্টাল প্রদেশের বাসিন্দা ছিলেন এবং তাদের বেশিরভাগই ভূমিধস বা ভবন ধসে মারা গেছেন।’

আরও পড়ুন: বিএনপি সরকার ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে নারীর কুরুচিপূর্ণ পোস্ট, অতঃপর আটক সাথী আক্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ভারতীয় মন্ত্রীদের বক্তব্যের মতো: হামিদুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:০১ পি.এম


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ভারতীয় মন্ত্রীদের বক্তব্যের মতো: হামিদুর রহমান

সীমান্ত হত্যা এবং পুশইন ইস্যুতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তার তীব্র সমালোচনা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে ভারতীয় মন্ত্রীদের বক্তব্যের মতোই শোনাচ্ছে। সরকারের এই সময় দেশের স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ হয়ে ভিনদেশের স্বার্থ চরিতার্থ করছে।

বুধবার (১০ জুন) রাজধানীর মগবাজারে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সীমান্ত এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা প্রকাশ করেন।

হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, ‘প্রতিবেশী রাষ্ট্র আমাদের সঙ্গে প্রতিবেশীর মতো আচরণ করছে না। কোন দেশের মানুষকে সীমান্তে সরাসরি গুলি করে হত্যার বিধান নেই, এটি মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। গত তিন মাসে দেশের বিভিন্ন সীমান্তে অর্ধশতাধিক পুশইনের ঘটনা ঘটেছে এবং দেড় হাজারেরও বেশি পুশইনের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং দেশপ্রেমিক জনগণের যৌথ ভূমিকার কারণে বড় ধরনের বিপর্যয় রুখে দেয়া সম্ভব হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, সরকারকে দায়িত্বশীল স্থান থেকে ভিনদেশের স্বার্থ চরিতার্থ না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যে কোন মূল্যে পুশইন প্রতিহত করা হবে।

দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এই জামায়াত নেতা জানান, গত তিন মাসে সারা দেশে মোট ফৌজদারি মামলার সংখ্যা ৫১ হাজারের বেশি হয়ে গেছে। বিএনপি এরইমধ্যে নিজেদের দলের ১৮ জন নেতা-কর্মীকে খুন করেছে। এমনকি জামায়াতেরও ৪ জনকে খুন করা হয়েছে। আর সরকারের নীরবতাই প্রমাণ করে তারা এসব ঘটনার মদতদাতা।’

সরকারের ১০০ দিনের কার্যক্রমের সমালোচনা করে হামিদুর রহমান বলেছেন, ‘এই সরকারের ১০০ দিনের দেশ পরিচালনায় জনগণের অধিকার, নির্বাচনী ইশতেহার এবং প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কোন প্রতিফলন দেখা যায়নি। সরকার এখন অতীতের ফ্যাসিবাদী কায়দায় দেশ পরিচালনা করছে। এই সরকার যে আসলে কোন সংস্কার চায় না, তা ধাপে ধাপে প্রমাণিত হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জাতির সংস্কারের যে প্রত্যাশা ছিল, তা সম্পূর্ণ বিনষ্ট করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা এবং বিএনপির কেউ কেউ জনগণের সেই প্রত্যাশা পূরণ হতে দেয়নি। বিএনপি জনগণের রায় উপেক্ষা করে সংবিধান সংস্কারের শপথ লঙ্ঘন করেছে, অথচ বিরোধী দল হিসেবে আমরা দুটি শপথই রক্ষা করেছিলাম।’

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সীমান্ত সংক্রান্ত বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘সীমান্তের শূন্যরেখায় পুশইনের শিকার মানুষেরা বর্তমানে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে। সেখানে সরকারের ভূমিকা একেবারেই অপ্রতুল।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এই নতজানু ভূমিকা থেকে সরে এসে দেশের স্বার্থে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি।’ একই সাথে ড. জাহেদের বক্তব্যও প্রত্যাখ্যান করেছেন। পুশইন মোকাবিলায় সরকারকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) আরো শক্তিশালী করার আহ্বান জানান এনসিপি-র এই নেতা।

বিদ্যুৎ এবং জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির তীব্র সমালোচনা করে তিনি জানান, সরকারের একের পর এক গণবিরোধী সিদ্ধান্তে জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে। এই পরিস্থিতি এবং সীমান্ত আগ্রাসনের প্রতিবাদে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা করেছেন তিনি।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১২ জুন দেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে প্রতিবাদ সভা করবে ১১ দলীয় জোট। এরপর ১৫ জুন একযোগে চট্টগ্রামে সমাবেশ এবং রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করবে এই জোট। তাদের তৃতীয় ধাপের এই আন্দোলন চলমান থাকবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেবাননে ইসরাইলের হামলায় নিহত ১১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


লেবাননে ইসরাইলের হামলায় নিহত ১১

ঢাকা, ১০ জুন, ২০২৬ : দক্ষিণ লেবাননের ঐতিহাসিক শহর টাইর ও এর আশপাশের এলাকায় ইসরাইলের বিমান হামলায় মঙ্গলবার ১১ জন নিহত হয়েছেন। এর আগে, শহরটি খালি করার নির্দেশ দেয় ইসরাইলি সেনাবাহিনী।

এদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, লেবানন থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে ইসরাইলের ভূখণ্ডে প্রবেশ করে এক বন্দুকধারী সেনাদের ওপর গুলি চালালে, তাকে তারা হত্যা করে।

টাইর থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এনএনএ জানায়, টাইর ছাড়াও দক্ষিণ লেবাননের আরও এক ডজনের বেশি স্থানে হামলা চালানো হয়েছে। হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ইসরাইল তার অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, টাইরের কাছে এক হামলায় তিন জন নিহত হন।

এতে দক্ষিণাঞ্চলে ওই দিনের মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১ জনে পৌঁছেছে।

ওই হামলায় আরও নয় জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুই নারী রয়েছেন। এর আগে আট জন নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করে মন্ত্রণালয়।

সোমবার ইরান সতর্ক করে বলেছিল, লেবাননে হামলা অব্যাহত থাকলে তারা আবারও ইসরাইলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শুরু করবে। এর একদিন পরই এ হামলার ঘটনা ঘটল।

তেহরানের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের অবসানে যে কোনো সমঝোতায় লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ইরান সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ, ইরানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ইসরাইলের ওপর হামলা চালানোর মাধ্যমে লেবাননকে এ সংঘাতে জড়িয়ে ফেলে।

মঙ্গলবার হিজবুল্লাহ লেবানন কর্তৃপক্ষকে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার আহ্বান জানায়। 

তাদের মতে, তেহরানের সমর্থন থেকে লেবাননের উপকৃত হওয়া উচিত। 

কয়েক দিন আগে দক্ষিণ বৈরুতে ইসরাইলি বোমাবর্ষণের জবাবে ইরান ইসরাইলে হামলা চালায়।

গত সপ্তাহে লেবাননের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী ইরানকে দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বন্ধ করার আহ্বান জানান। 

এর আগে হিজবুল্লাহ ইসরাইলের সঙ্গে একটি শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল।

-বাসিন্দাদের সরে যাওয়া-

এএফপির এক সংবাদদাতা জানান, বাসিন্দাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ইসরাইলের সতর্কবার্তার পর টাইরের খ্রিস্টান অধ্যুষিত এলাকাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে বাসিন্দারা শহর ছাড়তে শুরু করেন।

উত্তরমুখী সড়কে তীব্র যানজট দেখা যায়।

আরেক সংবাদদাতা জানান, টাইর থেকে বাস্তুচ্যুত মানুষদের উত্তরাঞ্চলের উপকূলীয় শহর সিডনে আশ্রয় নিতে দেখা গেছে।

অনেকেই তড়িঘড়ি করে গাড়ির ছাদে মালপত্র বেঁধে নিয়ে যাচ্ছিলেন।

মার্চের ২ তারিখে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার প্রতিশোধ নিতে হিজবুল্লাহ ইসরাইলে রকেট হামলা চালানোর পর নতুন করে যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর থেকে টাইর শহরে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে ইসরাইল।

টাইর সিটি কাউন্সিলের সদস্য ওয়ালিদ আল-তাওয়িল বলেন, ‘এলাকাটি প্রায় ফাঁকা হয়ে গেছে। কেউ মালপত্র গুছিয়ে চলেম যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, আবার অনেকে ইতোমধ্যে চলে গেছেন। হাতে গোনা কয়েকজন এখনো রয়েছেন।’

তিনি আরও জানান, অধিকাংশ মানুষ সিডন অথবা বৈরুতের দিকে চলে গেছেন।

জাহরানি নদী টাইর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তরে। গত মাসে নদীর দক্ষিণের সব এলাকাকে ‘যুদ্ধাঞ্চল’ ঘোষণা করে ইসরাইলি সেনাবাহিনী।

-বাড়ছে হতাহতের সংখ্য-

এনএনএ জানায়, সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ জারির আগে টাইরের উপকণ্ঠে একটি হামলা চালানো হয়। পরে সতর্কবার্তা দেওয়ার পরও শহরের বিভিন্ন স্থানে নতুন করে হামলা হয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সতর্কবার্তার আগের ওই হামলায় অন্তত আট জন নিহত এবং ৩২ জন আহত হন। ধ্বংসস্তূপের নিচে তখনও জীবিতদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান চলছিল।

১৯৯০ সালে লেবাননের গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর অন্যান্য সংগঠন অস্ত্র সমর্পণ করলেও হিজবুল্লাহ তা করেনি। 

বর্তমানে দক্ষিণ লেবাননে প্রবেশ করা ইসরাইলি সেনাদের লক্ষ্য করে সংগঠনটি হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

লেবাননের কর্তৃপক্ষের হিসাবে, মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৬৬৬ জন নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১০ লক্ষাধিক মানুষ।

অন্যদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানায়, লেবাননে ২৯ জন ইসরাইলি সেনা ও একজন বেসামরিক ঠিকাদার নিহত হয়েছেন।

এপ্রিলের মাঝামাঝি প্রথম যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু কোনো পক্ষই তা মেনে চলেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন-ইসরাইলি হামলা প্রতিরোধে উপসাগরীয় দেশগুলোর ‘আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব’ রয়েছে: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:০৬ পি.এম


মার্কিন-ইসরাইলি হামলা প্রতিরোধে উপসাগরীয় দেশগুলোর ‘আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব’ রয়েছে: ইরান

তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি আক্রমণের প্রেক্ষাপটের মধ্যে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাধারণভাবে সতর্ক করেছে যে, মার্কিন এবং ইসরাইলি হামলা প্রতিরোধ করার বিষয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য একটি ‘আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব’ আছে।

একটি বিবৃতিতে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মনে করে যে, মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং ইসরাইল যেন তাদের ভূখণ্ড বা স্থাপনা ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে বৈরী কার্যকলাপের পরিকল্পনা, সংগঠন, বাস্তবায়ন বা সমর্থন করতে না পারে, সেজন্য এই অঞ্চলের সকল দেশের (বিশেষ করে পারস্য উপসাগরের দক্ষিণ উপকূলবর্তী দেশগুলোর) আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছে।

একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার পর প্রতিবাদ হিসেবে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানে হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টা পর এই বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এই হেলিকপ্টারটি গুলি করে ভূপাতিত করার জন্য ইরানকে দায়ী করেছেন।

এদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ‘ইরানের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষামূলক হামলা’-কে ইরানের অযৌক্তিক আগ্রাসনের এক উপযুক্ত জবাব হিসেবে বিবেচনা করেছে। পরবর্তীতে সেন্টকম হামলার সম্পন্ন হওয়ার ঘোষণা দিয়ে জানায়, এই হামলার ফলে হরমুজ প্রণালীর নিকটবর্তী ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ভূমি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং নজরদারি রাডার সাইটগুলোতে আঘাত হানা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এসব হামলার জবাবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর জানিয়েছে, তারা বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ওপর ড্রোন হামলা চালিয়েছে এবং তাদের ভাষায় মার্কিন ‘আগ্রাসন’ অব্যাহত থাকলে ‘আরও কঠোর জবাব’ দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। কেউ জানিয়েছে যে, পরে তারা কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আরও হামলার ঘোষণা দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেনাপ্রধান বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ আজ স্বীকৃত ও গ্রহণযোগ্য নাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:১০ পি.এম


সেনাপ্রধান বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ আজ স্বীকৃত ও গ্রহণযোগ্য নাম

সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, ‘বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ আজ একটা স্বীকৃত এবং অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য নাম। জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশ ১৯৮৮ সাল থেকে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছে।’ সেনাপ্রধান জানান, এই ধারাটি অব্যাহত থাকবে।

আজ বুধবার আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষে ঢাকার সেনাকুঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সেনাপ্রধান। তিনি জানান, বর্তমানে শান্তি রক্ষার কাজে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩ হাজার ৬০৮ জন, নৌবাহিনীর ৩০২ জন এবং বিমানবাহিনীর ২৬৭ জন, এবং পুলিশের ৩৫ জনসহ মোট ৪ হাজার ২১২ জন শান্তিরক্ষী বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৯টা শান্তিরক্ষী মিশনে নিয়োজিত আছেন।

পুরুষ সদস্যদের পাশাপাশি নারী শান্তিরক্ষীরাও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন জানিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশের সর্বমোট ৩ হাজার ৯০৫ জন নারী শান্তিরক্ষী সফলভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে ২৯৪ জন নারী সদস্য শান্তি রক্ষার কাজে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় নিয়োজিত আছেন।

সেনাপ্রধান বলেন, বর্তমান বিশ্বে শান্তিরক্ষা মিশনের প্রকৃত চ্যালেঞ্জ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। আমাদের শান্তিরক্ষীরা নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উন্নত প্রশিক্ষণ, নৈতিক মূল্যবোধ, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতা প্রমাণ রেখে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য সদা প্রস্তুত আছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%