কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
০৮:০৫ পি.এম
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রথম পর্যায়ের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহের সুবিধার্থে ট্যাব দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে উপজেলা মিনি হলরুমে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১০ ও ১১ অক্টোবর এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। এতে মোট ৫১ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেবেন। প্রথম দিনে আলফাডাঙ্গা, টগরবন্দ ও বানা ইউনিয়নের ১৩ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও দুজন সুপারভাইজারসহ মোট ১৫ জন প্রশিক্ষণে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিব। বক্তব্যে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য মাঠপর্যায়ে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই নিশ্চিত করতে হবে। প্রকৃত উপকারভোগীদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ভুল তথ্য যাতে অন্তর্ভুক্ত না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা ঝুমুর সরকার। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তথ্য সংগ্রহ ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংরক্ষণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করবেন। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান সরকার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের সমবায় ভবনে আয়োজিত একটি সভায় এই তথ্য প্রকাশ করেন।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকার যদি এই বিদ্যুৎ কিনতে সক্ষম হয়, তাহলে বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদার ১৪ হাজার থেকে ১৮ হাজার মেগাওয়াটের যে ব্যবধান রয়েছে, তা পূরণ করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, পরিকল্পনাটি সফল হলে ফেব্রুয়ারির পর দেশে আর লোডশেডিং থাকবে না বলে সরকারের আশা।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করলে প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা পাওয়া যাবে। এই সুবিধাটি ২০২৮ সাল পর্যন্ত বহাল থাকবে। এরপর বিদ্যুতের দাম কমে ইউনিটপ্রতি ৬ থেকে ৭ টাকা হতে পারে।
তিনি আরও জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বড় ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন করে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব। বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার সময় উৎপাদিত বিদ্যুৎ গ্রিডে দিয়ে বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল মন্তব্য করেছেন, "অনেকের মতো আমিও মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছি।"
শনিবার (১০ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি এই মন্তব্যটি করেন।
আসিফ নজরুল তার পোস্টে উল্লেখ করেন, "তেলাপোকাদের কামড়ে মো-দি দিশেহারা। মনে হয় না টিকতে পারবে বেশিদিন।"
মোদির পতন হলে ভারতের পরিস্থিতি কিভাবে পরিবর্তিত হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি লেখেন, "মোদির পতন হলে কি তার দেশ বদলে যাবে? কিছুটা তো বদলাবেই।"
তার মতে, মোদির পতন হলে ভারতে মুসলিমবিদ্বেষী রাজনীতির কিছুটা বাধার সম্মুখীন হতে পারে। এছাড়া, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ মিত্র কমে যাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
আসিফ নজরুল বাংলাদেশের মানুষের ওপর মোদি ও তার রাজনীতির প্রভাবের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, "মোদি আর তার রাজনীতির বলি হয়ে এ দেশের মানুষ নানাভাবে ভুক্তভোগী হয়েছিল। তারা ও তাদের পরিবার কিছুটা সান্ত্বনা পাবে।"
তিনি আরও বলেন, "মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছি আরও অনেকের মতো আমিও।"
এছাড়া, ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জাতীয় পে স্কেল-২০২৬ কার্যকর করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ উদ্দেশ্যে নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। বুধবার (৭ অক্টোবর) এ বিষয়ে প্রশাসন শাখা থেকে একটি চিঠি জারি করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর আওতাভুক্ত স্বশাসিত (পাবলিক বডিজ) ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারি করা গেজেটের কপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর আওতায় স্বশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য গেজেট জারি করে অর্থ বিভাগ। ওই গেজেটের ভিত্তিতে বর্তমানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব সারমিন সুলতানার সই করা চিঠিটি রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি। এসব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে গেজেটের কপি পাঠানো হয়েছে। এছাড়া দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স একাডেমির পরিচালককেও গেজেটের কপি প্রদান করা হয়েছে।
চিঠিতে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর গেজেটের দুটি কপি সংযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
এভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার প্রশাসনিক প্রক্রিয়া আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বিদ্যুৎ বিভাগের জন্য ৪১টি চলমান উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে, যেখানে বৈদেশিক উৎস থেকে প্রকল্প সাহায্যের পরিমাণ ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা। সরকারি অর্থায়নের (জিওবি) পরিমাণ ৪ হাজার ৭১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন হিসেবে ৩ হাজার ৩৮১ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
আজ শনিবার জাতীয় সংসদ ভবনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটি সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, যেখানে এই তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
বৈঠকে আরও জানানো হয়, বর্তমানে দেশে গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ১২ হাজার ২২ মেগাওয়াট, কিন্তু প্রকৃত উৎপাদন ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট। কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৬ হাজার ৯২৭ মেগাওয়াট, যেখানে প্রকৃত উৎপাদন ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট। তরল জ্বালানি ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ৬ হাজার ৪০৯ মেগাওয়াট, এবং প্রকৃত উৎপাদন ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, রফিকুল ইসলাম হিলালী, এস,এম, জাহাঙ্গীর হোসেন, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মমতাজ আলো, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান ও মো. আবুল হাসনাত অংশগ্রহণ করেন।
বৈঠকের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয় এবং কমিটির সভাপতি ও সদস্যবৃন্দের সঙ্গে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের উপস্থিত কর্মকর্তাদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম এবং বাজেট বরাদ্দ নিয়ে বৈঠকে পর্যালোচনা করা হয়।
বৈঠকে জানানো হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ এর মধ্যে ছাদভিত্তিক সৌর ব্যবস্থা স্থাপনকারী গ্রাহকরা ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০৩০ পর্যন্ত গ্রিডে দেওয়া উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটে ১০ দশমিক ৫০ টাকা পাবেন।
এছাড়া, কমিটি রুফটপ সোলার প্যানেল থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়া বিদ্যুতের পরিমাণ আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করে।
কমিটি কর্তৃক কিছু প্রশ্ন সম্বলিত লিখিত পেপার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়, যা আগামী বৈঠকে উত্তরসহ উপস্থাপনের জন্য সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ