ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো গুছিয়ে আনার কাজ ৫০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে


বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো গুছিয়ে আনার কাজ ৫০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে

দেশজুড়ে বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো গুছিয়ে আনার কাজ ৫০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। অসম্পূর্ণ কোনো কমিটি থাকলে সেগুলোও পূর্ণাঙ্গ করতে তৃণমূলে সংশ্লিষ্ট নেতাদের নির্দেশনা দেয়া রয়েছে। সব কিছু গুছিয়ে নিয়ে চলতি বছরের শেষ নাগাদ সম্মেলনের আয়োজনের কথা ভাবছে ক্ষমতাসীন দল। সম্মেলন না হলে পাশাপাশি সম্মেলন পিছিয়ে যেতে পারে আগামী বছরের শুরুতে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পর বেশকিছু দলীয় ইস্যু সামনে এসেছিল বিএনপির। এর মধ্যে অন্যতম ছিল জাতীয় সম্মেলন, যা চলতি বছরে সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপির সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনের মধ্যে শুধুমাত্র যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা হয়েছে। এখনও অপেক্ষায় রয়েছে ছাত্রদল, স্বেচ্চাসেবক দল, মহিলা দলসহ উল্লেখযোগ্য ইউনিটগুলো।

আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান

এমন অবস্থার মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু জানান, পরিপূর্ণ সম্মেলন আয়োজনে তৃণমূল গুছিয়ে আনতে সারা দেশে বর্তমানে অর্ধেক কমিটি গঠনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, সাংগঠনিক কার্যক্রম গুছিয়ে আনতে দল গঠন ও পুনর্গঠনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তৃণমূলের কমিটি গঠনে কেন্দ্রের নজরদারিও রয়েছে।

নেতারা বলছেন, সাংগঠনিক কার্যক্রম উচু-নিচু ধারাবাহিকতায় চলমান থাকে। আর তাই চলতি বছর সম্মেলন আয়োজনে প্রয়োজন অনুকূল পরিস্থিতি।

আরও পড়ুন: বিদেশি ঋণ শোধে চাপ বাড়ছে, সহায়তার অর্থছাড় কমেছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিবন্ধীদের দক্ষ করে তুলতে কাজ করছে হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘সক্ষম’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


প্রতিবন্ধীদের দক্ষ করে তুলতে কাজ করছে হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘সক্ষম’

প্রতিবন্ধীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছে হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘সক্ষম’৷

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে অন্তর্ভুক্তিমূলক কাজের মাধ্যমে গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) তরুণ শিক্ষার্থীদের একটি গোষ্ঠী সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সক্ষম’ ইতোমধ্যে জেলার বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে নিয়মিত কাজ করছে এবং সর্ব মহলে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে দিনাজপুর হাবিপ্রবি জনসংযোগ বিভাগের পরিচালক মো. খাদেমুল ইসলাম প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাসসকে এ তথ্য জানানো হয়।

তিনি জানান, সম্প্রতি হাবিপ্রবি'র ভিসি অধ্যাপক ড. এনামুল্যাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যায়নরত তরুণ শিক্ষার্থীদের সামাজিক কাজে উৎসাহ দিয়ে প্রশংসা করেছেন।

সূত্রটি জানায়, ১০ মে দিনাজপুর শহরে অবস্থিত বুদ্ধি-প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয় পরিদর্শনের মাধ্যমে হাবিপ্রবির তরুণ শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘সক্ষম’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এখন সংগঠনটি শিশুদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশ, দক্ষতা উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন এবং সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত বিভিন্ন কাজ করছে।

সংগঠনের সদস্য রাকিবুল ইসলাম জানান, একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে একসঙ্গে পরিচয়ের পর সামাজিক একটি প্রকল্পে কাজ করতে গিয়ে ৮ জন তরুণ উপলব্ধি করেন যে, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী কাজ প্রয়োজন। সেখান থেকেই ‘সক্ষম’ নামে একটি তরুণ শিক্ষার্থীদের সংগঠন গড়ে ওঠে।

বর্তমানে সংগঠনটি দিনাজপুর বুদ্ধি-প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

শিশুদের সঙ্গে গল্প, খেলাধুলা, গান, শিক্ষা-মূলক কার্যক্রম এবং হাতে-কলমে হস্তশিল্প তৈরির প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। তাদের তৈরি ওয়াল ম্যাট, কানের দুল, চুলের ক্লিপসহ বিভিন্ন হস্তশিল্প বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টল এবং ফেসবুক পেজের মাধ্যমে প্রদর্শন ও বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগটির মাধ্যমে শিশুদের দক্ষতার স্বীকৃতি ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে।

এ পর্যন্ত ১১টি ফিল্ড ভিজিট সম্পন্ন করেছে সংগঠনটি। বর্তমানে ৮ জন কো-ফাউন্ডারের ব্যক্তিগত অর্থায়নে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও বেশী বিশেষায়িত বিদ্যালয় এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

‘সক্ষম’-এর কো-ফাউন্ডার মাহামুদুল হাসান রিফাত বলেন, "দিনাজপুর বুদ্ধি-প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার আগে আমি জানতামই না যে প্রতিবন্ধিতা ও অটিজমের এতো বৈচিত্র্য রয়েছে। সেখানে গিয়ে বুঝেছি, তাদের অনুপ্রাণিত করতে নয়, বরং তাদের কাছ থেকেই অনুপ্রেরণা নেওয়া যায়। আমাদের লক্ষ্য ছিল সচেতনতা তৈরি করা এবং তাদের সমাজের মূলধারায় নিয়ে আসা। দুই মাসের নিবিড় কাজের পর মনে হচ্ছে আমরা সেই লক্ষ্য পূরণের পথে এগিয়ে যাচ্ছি।"

কো-ফাউন্ডার ইয়ামিন ফারিয়া বলেন, "সক্ষম-এর পথচলা সহজ ছিল না। অটিজম স্পেকট্রামের শিশুদের সঙ্গে কাজ করতে ধৈর্য, সময় ও আন্তরিকতা লাগে। তবে আমরা প্রমাণ করতে পেরেছি, সঠিক সুযোগ পেলে তারাও সমাজে নিজেদের সক্ষমতা দেখাতে পারে।"

আরেক কো-ফাউন্ডার আনিকা জাহান অবন্তী বলেন, "আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিবন্ধকতা কখনোই সম্ভাবনার অন্তরায় নয়। সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতা বিকাশে কাজ করছি। আমাদের কাজে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি স্যারসহ অনেক শিক্ষক আমাদের সংগঠনকে উৎসাহ দিয়ে কাজ করার জন্য প্রেরণা দিয়ে যাচ্ছেন।"

দিনাজপুর বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল শাহনেওয়াজ বলেন, "প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়। আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন নিজেদের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে এগিয়ে যাচ্ছে।"

তাদের পাশে সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

একজন অভিভাবক মো. সাহাদুল ইসলাম বলেন, "অনেক বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুই সূক্ষ্ম ও সৃজনশীল কাজে দক্ষ। কিন্তু মানুষ তাদের ওপর আস্থা রাখতে চায় না। ‘সক্ষম’ সেই আস্থার জায়গা তৈরি করছে, যা আমাদের আশাবাদী করে এগিয়ে যেতে উৎসাহ জুগিয়েছে।"

সংগঠনের কো-ফাউন্ডার ত্রয়ী সরকার বলেন, "‘সক্ষম’ আমাদের বিশ্বাসের প্রতিফলন, সঠিক সুযোগ পেলে প্রত্যেক মানুষই নিজের প্রতিভা দিয়ে এগিয়ে যেতে পারে। আমরা চাই, তারা আত্ম নির্ভরশীল হয়ে সমাজে সমান মর্যাদার সঙ্গে নিজেদের পরিচয় গড়ে তুলুক।"

অবশ্যই, বর্তমানে ‘সক্ষম’-এর কো-ফাউন্ডার হিসেবে রয়েছেন মাহামুদুল হাসান রিফাত, ইয়ামিন ফারিয়া, আনিকা জাহান অবন্তী, মেহেদী হাসান সাকিব, সাফওয়াত সাইমা শাহানা, হাবিবুল বাশার, মো. রাহুল চৌধুরী এবং ত্রয়ী সরকার।

সংগঠনটির সদস্যদের বিশ্বাস, সমাজের সকল মানুষের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার মাধ্যমে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের জন্য একটি মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোমস্তাপুরে পুলিশের পৃথক অভিযান: ২১৭ বোতল এস্কাফ ও গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শাহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


গোমস্তাপুরে পুলিশের পৃথক অভিযান: ২১৭ বোতল এস্কাফ ও গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর থানা পুলিশ পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে ২১৭ বোতল অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য "এস্কাফ" সিরাপ এবং ০১ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। আজ ১০ জুলাই ২০২৬ তারিখ চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর থানা পুলিশ কর্তৃক পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ১০/০৭/২০২৬ খ্রি. রাত ১২:২০ ঘটিকায় গোমস্তাপুর থানার এসআই (নিঃ) মোঃ জেনারুল শেখ, এসআই সজল ঢালী, এসআই এমরান হোসেন এবং এসআই মোঃ শরিফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোমস্তাপুর থানাধীন রাধানগর ইউনিয়নের  বাঙ্গাবাড়ি গ্রামের জনৈক মোঃ আলম হোসেন এর বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে গ্রেফতারকৃত আসামি মোঃ আলম হোসেন ওরফে আলম মেম্বার (৬২)-এর শয়ন কক্ষের কাঠের খাটিয়ার নিচের মেঝে থেকে ০১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ২৫,০০০/- (পঁচিশ হাজার) টাকা। ধৃত আলম হোসেন শিবরামপুর গ্রামের মৃত ঘাটু শেখ ও মৃত আকিনা বেগমের ছেলে।

পৃথক আরেকটি অভিযানে আজ ভোর ০৪:২৫ ঘটিকায় গোমস্তাপুর থানার এসআই (নিঃ) মোঃ জেনারুল শেখ, এসআই সজল ঢালী, এসআই এমরান হোসেন এবং এসআই মোঃ সৈয়দ আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ রাধানগর ইউনিয়নের দাড়িপাতা কামারপাড়া গ্রামস্থ বারোদুয়ারী রেল ঘুন্টির দক্ষিণ পার্শ্বের পাকা রাস্তার উপর থেকে মোঃ সাহেদ আলী (৩৮) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে। পরবর্তীতে তার কাছে থাকা একটি প্লাস্টিকের বস্তার ভিতর থেকে ২১৭ বোতল অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য "এস্কাফ" সিরাপ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এই মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ১,৭৩,৬০০/- (এক লক্ষ তেহাত্তর হাজার ছয়শত) টাকা। গ্রেফতারকৃত সাহেদ আলী আলীনগর ইউনিয়নের ইমাননগর গ্রামের মোঃ শামসুদ্দিন ও মোসাঃ আশিয়ার ছেলে।

উভয় অভিযানে উদ্ধারকৃত আলামত স্থানীয় লোকজন ও উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে গোমস্তাপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক ২টি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব : প্রতিমন্ত্রী টুকু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব : প্রতিমন্ত্রী টুকু

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, চিকিৎসা পেশা অত্যন্ত মানবিক ও দায়িত্বপূর্ণ। মানুষ অসুস্থ হলেই সর্বপ্রথম হাসপাতালের শরণাপন্ন হয়।

এজন্য তিনি বলেন, চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। যদিও সীমিত জনবল রয়েছে, তবুও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মানুষের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভাটি হাসপাতালে উন্নত এবং রোগীবান্ধব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সমন্বয় সভা হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘টাঙ্গাইল জেলার মানুষ যাতে উন্নত ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পায়, সে লক্ষ্যে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। হাসপাতালের জনবল সংকট দ্রুত নিরসনের চেষ্টা করা হবে। তবে নতুন জনবল নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান জনবল দিয়েই সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে হবে।’

সভায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব মুস্তাফিজুর রহমান, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম, টাঙ্গাইল গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শম্ভু রাম পাল, সিভিল সার্জন ডা. ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নূরুল আমিন মিঞা, হাসপাতালের পরিচালক ডা. আব্দুল কুদ্দুস, সদর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন, চিকিৎসক এবং স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

হাসপাতালের পরিচালক হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, বিদ্যমান সমস্যা এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে একটি উপস্থাপনা তুলে ধরে। সভায় হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, চিকিৎসক ও অন্যান্য জনবল সংকট দূরীকরণ, প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, রোগীদের চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মান বৃদ্ধি, ওয়ার্ডের পরিবেশ উন্নয়ন, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ এবং অ্যাম্বুল্যান্স সেবাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১০টি পদক্ষেপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৯ পি.এম


চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১০টি পদক্ষেপ

কয়েকদিন ধরে টানা ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যার কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশিত ১০টি পদক্ষেপের কথা বলেছেন তাঁর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

তিনি তুলে ধরেন যে, এই সংকটের সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রী খুব দ্রুততার সঙ্গে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। আজ দুপুরে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন একটি ফেসবুক পোস্টে ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত ১০টি উদ্যোগ’ শিরোনামে এই পদক্ষেপগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় দুর্যোগকবলিত এলাকার পরিস্থিতি সার্বক্ষণিকভাবে তদারকি করা হচ্ছে। দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে দলের এবং মতবাদের ঊর্ধ্বে উঠে বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ, দ্রুত উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং সংসদ সদস্যদের সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত ১০টি প্রধান উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে:

১. প্রধানমন্ত্রী নিজে সার্বক্ষণিকভাবে দুর্যোগকবলিত এলাকার খোঁজ-খবর নিচ্ছেন এবং মনিটরিং করাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ডিসি, ইউএনও এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সবার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে।

২. চট্টগ্রাম বিভাগের দুর্যোগকবলিত এলাকায় ইতোমধ্যে ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে, যেখানে ১২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।

৩. জেনারেল রিলিফ (জিআর) কর্মসূচির আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—এই ৫টি জেলার জন্য ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা নগদ অনুদান এবং ৩ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চাল দুর্গতদের কাছে দ্রুততম সময়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

৪. সরকারের নির্দেশনায় দুর্গত এলাকায় নিরাপদ খাবার পানি, স্যানিটেশন ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসেবা, শিশুখাদ্য এবং তিন বেলা খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।

৫. জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম গতিশীল করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রয়োজনে সেনাবাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে।

৬. প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সহায়তার বার্তা পৌঁছে দিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিবৃন্দ প্লাবিত অঞ্চল পরিদর্শন করছেন এবং সশরীরে দুর্গত এলাকায় অবস্থান নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।

৭. দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে রাষ্ট্র পরিচালনাকারী দল বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সহযোগী সংগঠনগুলো মাঠে নেমেছে। একই সঙ্গে সরকারের প্রশাসন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সেনাবাহিনী এবং কোস্টগার্ড মাঠপর্যায় থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত একযোগে কাজ করছে।

৮. ভারী বর্ষণ, বন্যা ও ভূমিধস পরিস্থিতির কারণে দুর্গত এলাকার চলমান এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

৯. এই দুর্যোগের কারণে হতাহতদের পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়ি বাড়ি পরিদর্শন করছেন।

১০. টানা ভারী বর্ষণে পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথের জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমাতে সেটি ৫ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ৪৭ কিলোমিটার রেলপথের উচ্চতা বৃদ্ধির কাজের দরপত্র প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাদের জন্য নিরাপদ স্থানে স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করবে সরকার।

ফেসবুক পোস্টের শেষে, মাহদী আমিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্ত, মানবিক প্রয়াস ও সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা খুব দ্রুত এই দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হব, ইনশাআল্লাহ। প্রধানমন্ত্রী এই সংকটে গভীর ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে আছেন এবং জনগণের সরকার সবসময় আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%