ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চেয়ারম্যানের চেয়ার নিয়ে বিরোধ, সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক


চেয়ারম্যানের চেয়ার নিয়ে বিরোধ, সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার ৭ নম্বর বড়ইউড়ি ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব এবং চেয়ারে বসা নিয়ে বিরোধের জেরে বর্তমান চেয়ারম্যান ফরিদ উদ্দিন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কপিল উদ্দিনের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

সোমবার সকাল ১০টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়কে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষটি প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় কয়েকজনকে বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: এমপির হস্তক্ষেপের পরও কমেনি ডাকাতি, নাসিরনগরের আনন্দপুরে ফের ডাকাতি আজ ভোররাতে আবারও ডাকাতির ঘটনা, আতঙ্কে স্থানীয়রা

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের কাছ থেকে জানা যায়, বড়ইউড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদ উদ্দিন সম্প্রতি একটি মামলায় কারাগারে বন্দি ছিলেন। তার অনুপস্থিতিতে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কপিল উদ্দিন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে জামিনে মুক্ত হয়ে ফরিদ উদ্দিন ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ করতে আসলে উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব হস্তান্তর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে টানাপোড়েন চলছিল।

সোমবার এ বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষের সমর্থকেরা সংঘর্ষে প্রবৃত্ত হয়। এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ নাজমুল হক বলেন, চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ও চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি আরো জানান, নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: গ্রাহকের বাড়িতে পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম, ১ লাখ ১০ হাজার টাকার বিল নামলো ১১৮২ টাকায়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাল্টার উপকূলের কাছে অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে ১০ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৪ পি.এম


মাল্টার উপকূলের কাছে অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে ১০ জনের মৃত্যু

ভূমধ্যসাগরে মাল্টার উপকূলের কাছে ইউরোপগামী অভিবাসীদের একটি নৌকা ডুবে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু ঘটেছে।

ইতালীয় কোস্টগার্ড জানিয়েছে যে, নৌকাটি লিবিয়ার উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। এতে প্রায় ৬০ জন আরোহী ছিলেন।

এক বিবৃতিতে ইতালির কোস্টগার্ড জানায়, নৌকাটি যখন উল্টে যায়, তখন মাল্টা কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে সহায়তা চাইলে ইতালীয় টহলজাহাজ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।

কোস্টগার্ডের তথ্যমতে, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উদ্ধারকারীরা ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। একই সঙ্গে নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দুর্ঘটনার সময় নৌকাটির অনেক যাত্রী সাগরে ছিটকে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে, ঘটনাস্থলের কাছাকাছি অবস্থানরত একটি মাছ ধরার জাহাজ প্রায় ৪৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করার সফলতা দেখিয়েছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে নারী ও শিশুও থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও তাদের পরিচয় ও জাতীয়তা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

লিবিয়া ও উত্তর আফ্রিকার অন্যান্য অঞ্চল থেকে ইতালি ও মাল্টার উদ্দেশে যাত্রা করা মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় (সেন্ট্রাল মেডিটেরেনিয়ান) রুটকে বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক অভিবাসন পথগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়। যুদ্ধ, দারিদ্র্য, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মানবাধিকার সংকট থেকে বাঁচতে প্রতি বছর হাজার হাজার ব্যক্তি এই পথ ধরে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই, অনিরাপদ নৌযান এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এর তথ্যানুসারে, চলতি বছরের রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় রুট পাড়ি দিতে গিয়ে অন্তত ৮২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫ সালে এই রুটে এক হাজার ৩৩০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল, যা ইউরোপমুখী অভিবাসন সংকটের ভয়াবহতাকেই উপস্থাপন করে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরেই ভূমধ্যসাগরে উদ্ধার তৎপরতা জোরদার এবং অভিবাসীদের জন্য নিরাপদ ও বৈধ পথ তৈরির প্রশ্নে আহ্বান জানিয়ে আসছে। সর্বশেষ এই দুর্ঘটনা আবারও ইউরোপমুখী অভিবাসন সংকট এবং সমুদ্রপথে মানবপাচারের ঝুঁকি নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁ মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ৯০ কেজি গাজা (যার আনুমানিক মূল্য ৪০ লক্ষ টাকা), সহ দুইজন বড় মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ পি.এম


নওগাঁ মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ৯০ কেজি গাজা (যার আনুমানিক মূল্য ৪০ লক্ষ টাকা), সহ দুইজন বড় মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

গত ০৬ জুন পুলিশ সুপারের কাছে সংবাদ আসে যে পাড়ইল ইউনিয়নে ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি তদন্ত করার জন্য অফিসার ইনচার্জ নেয়ামতপুর থানা কে নির্দেশনা প্রদান করা হয় । তদন্তের ধারাবাহিকতায় গতকাল ৭ জুন রাতে সাসপেক্ট হামেদুল নামে ব্যক্তিকে আটক করা হয়। হামিদুল কে জিজ্ঞাসাবাদে তার কথাবার্তা সন্দেহ হলে তার বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজেকে মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মর্মে স্বীকার করেন।

অতঃপর গতকাল মধ্যরাতের পর অদ্য ইং ০৮/০৬/২৬ খ্রিঃ তারিখ পুলিশ সুপার, নওগাঁর দিক নির্দেশনায়, অফিসার ইনচার্জ নিয়ামতপুর থানার নেতৃত্বে নিয়ামতপুর থানার একটি বিশেষ টিম থানা এলাকার ৬নং পাড়ইল ইউনিয়নের তুলার বাঐল গ্রামের একটি বসতবাড়ীতে রাত্রী ০০.০৫ ঘটিকা হইতে ভোর ০৫ ঘটিকা পর্য়ন্ত রাত্রীব্যাপী অভিযান চালিয়ে ৯০(নব্বই) কেজি শুকনা গাঁজা চমৎকার প্যাকেট সহ সহ ০২ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত আসামীদ্বয়ের নাম ১। মোঃ হামেদুল ইসলাম(৩৫), পিতা- মোঃ এজামুল, মাতা- মোছাঃ হামেদা বেগম, , ২। মোঃ রশিদ(৪৪), পিতা- মৃত আজমুদ্দিন, মাতা- মৃত সফুরা বিবি, উভয় সাং- তুলার বাঐল, ইউপি- পাড়ইল, থানা- নিয়ামতপুর, জেলা- নওগাঁ বলিয়া জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়।

ধৃত আসামীদ্বয়কে পুলিশ সুপার নিজেও জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তাদের সাথে আরো কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী জড়িত আছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে তারা এই মাদক এখানে কখনো ট্রাকে কখনো হাইস মাইক্রোতে করে নিয়ে আসে। দোতালায় মাটির ভবনটি মাদকের গোডাউন হিসেবে ব্যবহার হয়। এছাড়াও অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা সীমান্ত দিয়ে এবং অন্যান্য স্থান থেকে হায়েস গাড়ি যোগে আরো কয়েকবার সংগ্রহ করে মজুদ রাখিয়া বিক্রয় করার কথা গ্রেফতারকৃত আসামিরা স্বীকার করে। এই গোডাউন থেকে নওগাঁ জেলার বিভিন্ন স্থানে এবং পার্শ্ববর্তী জেলায় পাইকারি ও খুচরা গাজার বিক্রি করা হয়। মাদক ব্যবসার টাকা ছাড়াও প্রতি ৩০ কেজি গাঁজাতে বাড়ির মালিক হিসেবে হামিদুল ৫০০০ টাকা করে পেয়ে থাকে।
এ সংক্রান্তে নিয়ামতপুর থানা, নওগাঁয় ০১ টি মামলা রুজু করা হয়েছে। সেই সাথে এই বিপুল পরিমাণ মাদক গাজা ব্যবসার স সাথে আরো কারা কারা জড়িত সে বিষয়ে গভীরভাবে পুলিশ তদন্ত করছে। এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার, নওগাঁ মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন নওগাঁ জেলা পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক প্রতিরোধে নওগাঁ জেলা পুলিশ আগামী দিনগুলিতে অভিযান আরো জোরদার করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দীপেন দেওয়ানকে ফেরাতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ সোহেল রানা, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


দীপেন দেওয়ানকে ফেরাতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী পদে অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানকে পুনর্বহালের দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয় নাগরিক সমাজ।
সোমবার (৮ জুন) সকাল ১০টায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটি আসন থেকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হন অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি ও সেতুবন্ধন গড়ে তোলার পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
বক্তারা দাবি করেন, রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে দীপেন দেওয়ানের গ্রহণযোগ্যতা ব্যাপক। তাঁর নেতৃত্বে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড গতিশীল হয়েছে। চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং পার্বত্য অঞ্চলের স্বার্থে তাঁকে পুনরায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানান তারা।
রাঙামাটি শাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক এস এম মঈন উদ্দিন মিন্টুর সভাপতিত্বে এবং রেজাউর রশিদ পাপ্পুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন রাঙামাটি সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য বাঞ্চিতা চাকমা, জুম অ্যাস্থেটিক কাউন্সিলের সভাপতি শিশির চাকমা, রাঙামাটি জেলা হেডম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি সুজিত দেওয়ান, সমাজসেবক আমির মোহাম্মদ ছাবের, অ্যাডভোকেট রাজীব চাকমা, নারী নেত্রী রাবেয়া সুলতানা, গৌরিকা চাকমা, মংসুই প্রু মারমা, অ্যাডভোকেট সুস্মিতা চাকমা, লুমা লুসাই এবং বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি রাঙামাটি জেলা শাখার সভাপতি মো. মইন উদ্দিনসহ অন্যান্যরা।
কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়ে দীপেন দেওয়ানকে পুনর্বহালের দাবি জানান। এ সময় তারা আশা প্রকাশ করেন, পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা ও জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকার তাদের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ: নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের আরও ১৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ: নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের আরও ১৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ-ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের তৃতীয় দফায় আরও ১৮ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসব ঘটনায় এনিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ৬৫জন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছে।    

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম। এর আগে, রোববার দিবাগত রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশওি স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশরাফুল করিম ওরফে বাবুর নেতৃত্বে বাঁধেরহাট বাজারের জিরো পয়েন্ট এলাকায় ছাত্রলীগের হাজার খানেক নেতাকর্মী বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিল চলাকালে তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার সূত্র ধরে পরের দিন শনিবার বিকেলে উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায় এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। একই দিন রাত ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে পাল্টা কালাদরাপ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিমের বাড়িতে হামলা ভাংচুর করে এবং তার একটি অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসব ঘটনায় দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে বাঁধেরহাটের ঘটনায় সুধারাম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

এদিকে, ঘটনার পরপরই সদর উপজেলার নোয়ান্নই ও কালাদরাপ ইউনিয়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে নোয়াখালী সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে। তবে পুলিশ প্রশাসনের দাবি, এটি নিয়মিত প্রশাসনিক বদলির অংশ।

ওসি মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম আরও জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ১১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%