ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আরও ৫ ব্রোকারেজ হাউজকে ফিক্স সার্টিফিকেশন দিল ডিএসই


আরও ৫ ব্রোকারেজ হাউজকে ফিক্স সার্টিফিকেশন দিল ডিএসই

ঢাকা, ১২ আগস্ট, ২০২৬ : এপিআই সংযোগের মাধ্যমে নিজস্ব অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ওএমএস) চালুর লক্ষ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পিএলসি আরও পাঁচটি ব্রোকারেজ হাউজকে ফিক্স সার্টিফিকেশন দিয়েছে।

সার্টিফিকেশন প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- এম্পেরর সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, গ্লোবাল সিকিউরিটিজ লিমিটেড, মো. ফখরুল ইসলাম সিকিউরিটিজ লিমিটেড, এসআইবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেড এবং স্টক অ্যান্ড বন্ড লিমিটেড।

আজ বুধবার ডিএসই’র বোর্ড রুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ডিএসইর প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা ড. মো. আসিফুর রহমান প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে ফিক্স সার্টিফিকেশন তুলে দেন।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা ও মহাব্যবস্থাপক (মার্কেট ডেভেলপমেন্ট) সাইয়িদ মাহমুদ জুবায়ের, উপমহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুর রহমান, জিশান মুহাম্মদ বিন হাসানসহ ডিএসইর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

ডিএসই সূত্র জানাচ্ছে, ২০২০ সাল থেকে এপিআই (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ইন্টারফেস) ভিত্তিক ব্রোকার হাউজ অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (বিএইচওএমএস) চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত সময়ের ধারাবাহিকতায় নাসডাক ম্যাচিং ইঞ্জিনে এপিআই সংযোগের মাধ্যমে নিজের অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে লেনদেন সম্পাদনের জন্য ৯৩টি ব্রোকারেজ হাউজ ডিএসইতে আবেদন করেছে।

আজকের পাঁচটি ব্রোকারেজ হাউজকে ফিক্স সার্টিফিকেশন দেওয়ার কারণে এখন পর্যন্ত মোট ৬৬টি ব্রোকারেজ হাউজ ফিক্স সার্টিফিকেশন পেয়েছে। এর মধ্যে ৫৬টি ব্রোকারেজ হাউজ ফিক্স সার্টিফিকেশন পাওয়ার পর এপিআই সংযোগের মাধ্যমে নিজের অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালু করেছে।

ডিএসই জানাচ্ছে, এপিআইভিত্তিক নিজের ওএমএস চালুর ফলে ব্রোকারেজ হাউজগুলোর লেনদেন পরিচালনা আরও আধুনিক এবং প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে যাবে এবং পুঁজিবাজারের ডিজিটাল অবকাঠামো আরো শক্তিশালী হবে।

আরও পড়ুন: তানজিন তিশার মামলার অধিকতর তদন্তের নির্দেশ সিআইডিকে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে হামলা চালাতে গিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে মার্কিন সৈন্যরা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০৬ পি.এম


ইরানে হামলা চালাতে গিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে মার্কিন সৈন্যরা!

ইরানে দীর্ঘ সামরিক অভিযান চালাতে গিয়ে চরম মানসিক অবসাদে ভেঙে পড়ছেন মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এর সামরিক নাবিক ও সৈন্যরা। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানবিরোধী অভিযানের কারণে প্রায় ২১০ দিন ধরে টানা সাগরে ভাসতে থাকা এই যুদ্ধজাহাজে এই বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, চরম হতাশা ও নিম্ন মনোবলের কারণে বেশ কয়েকজন নাবিক জাহাজ থেকে সাগরে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন। মার্কিন সামরিক বিষয়ক পত্রিকা মিলিটারি টাইমস, দ্য ক্রেডল ও ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দি ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদন থেকে রণতরিটির এই নজিরবিহীন দুর্ভোগের কথা জানা গেছে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে সান দিয়েগো থেকে রওয়ানা হওয়া আব্রাহাম লিংকন মে মাসে দেশে ফেরার কথা থাকলেও হরমুজ প্রণালি ও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ওয়াশিংটন-তেহরান সংঘাতের কারণে মোতায়েনের মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হয়। দেশে ফেরার কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত না থাকায় নাবিকদের মানসিক অবস্থা ভেঙে পড়েছে। অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘ সময় বন্দরে নোঙর না করায় জাহাজটিতে চরম খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। স্বজনদের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় নাবিকেরা জানান, কখনো কখনো দিনে তাদের কেবল আধা কাপ ভাত ও দুটি টরটিলা খেয়ে থাকতে হচ্ছে। সাবান ও টুথপেস্টের মতো মৌলিক জিনিসপত্রের মজুত শেষ হয়ে গেছে। ওপর দিকে টয়লেটগুলো নষ্ট, গোসলখানায় ছত্রাক জমে আছে এবং সপ্তাহের পর সপ্তাহ লন্ড্রি সেবা বন্ধ থাকায় চারদিকে তৈরি হয়েছে চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। এমন পরিস্থিতিতে নাবিকদের আত্মহত্যার চেষ্টার একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। অ্যানাবেল লোমা নামের এক নারী মিলিটারি টাইমসকে জানান, তার স্বামী এই রণতরি থেকে সাগরে ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। বর্তমানে তাকে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। একইভাবে মারিয়া রদ্রিগেজ নামে অপর এক নারী জানান, তার স্বামী এক সহকর্মীকে সাগরে ঝাঁপ দেওয়া থেকে শেষ মুহূর্তে টেনে তুলে বাঁচিয়েছেন। দ্য ক্রেডল জানিয়েছে, অন্তত ছয়জন নাবিক এভাবে ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। সান দিয়েগোতে প্রায় ২০০ নাবিকের পরিবার বৈঠক করে নৌবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত সচিব হাং কাওয়ের কাছে এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। চিকিৎসকেরা সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত বন্দরে বিশ্রামের সুযোগ না দিলে আরও অনেক নাবিক মানসিকভাবে পুরোপুরি ভেঙে পড়তে পারেন। যদিও এসব অব্যবস্থাপনা নিয়ে মার্কিন নৌবাহিনী সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি, তবে তারা দাবি করেছে নাবিকদের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং শিগগিরই ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টকে আব্রাহাম লিংকনের জায়গায় পাঠানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরে ১২০০ মিটার চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৪ পি.এম


মধুপুরে ১২০০ মিটার চায়না দুয়ারী জাল জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার হাওদা বিলে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ মিটার অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এরপর জব্দ করা জালগুলো জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। জব্দ করা জালের আনুমানিক মূল্য প্রায় দুই লাখ টাকা।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ২টা পর্যন্ত উদ্যোগ নেওয়া হয় হাওদা বিলে। মধুপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নঈম উদ্দিনের নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানের সময় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আতিয়ার রহমান এবং মধুপুর থানার পুলিশ সদস্যরাও সহযোগিতা করেন।

অভিযানকালে হাওদা বিলের বিভিন্ন স্থানে পেতে রাখা বিপুল পরিমাণ অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার ও জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দকৃত জালগুলো জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, চায়না দুয়ারী জাল অত্যন্ত সূক্ষ্ম হওয়ায় মাছের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির ছোট জলজ প্রাণী ও দেশীয় মাছের পোনা আটকা পড়ে। এর ফলে এ ধরনের জালের অবাধ ব্যবহার জলজ জীববৈচিত্র্য ও দেশীয় মাছের প্রজননের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে।

প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে যে, অবৈধ ও ক্ষতিকর জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং দেশীয় মাছের প্রজনন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইন মেনে মাছ ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রিটিশ আমলের ঐতিহাসিক লঞ্চ ‘বনরানী’ ও ‘বনকন্যা’ নিলামে বিক্রি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৫ পি.এম


ব্রিটিশ আমলের ঐতিহাসিক লঞ্চ ‘বনরানী’ ও ‘বনকন্যা’ নিলামে বিক্রি

শতবর্ষের ঐতিহ্য এবং প্রত্নতাত্ত্বিক মূল্য থাকার পরও সুন্দরবনের ঐতিহাসিক দুটি লঞ্চ ‘এম এল বনরানী’ এবং ‘এম এল বনকন্যা’ নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে অচল অবস্থায় পড়ে থাকা এই লঞ্চ দুটি দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের জন্য সংরক্ষণ বা প্রদর্শনের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ার কারণে সুন্দরবনের শত বছরের ঐতিহ্য হারিয়ে গেছে, মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিলামে ‘এম এল বনরানী’ বিক্রি হয়েছে ২৬ লাখ ৯৫ হাজার ১০০ টাকায় এবং ‘এম এল বনকন্যা’ ২০ লাখ ২৭ হাজার টাকায়।

সুন্দরবন বিভাগের সূত্রে জানা যায়, ব্রিটিশ আমলে বৃহত্তর সুন্দরবনে বন কর্মকর্তাদের ব্যবহারের জন্য কলকাতার খিদিরপুর ডকইয়ার্ডে বিলাসবহুল লঞ্চ দুটি নির্মাণ করা হয়। ‘এম এল বনকন্যা’ ১৯০২ সালে ৩৮ হাজার টাকায় এবং ‘এম এল বনরানী’ ১৯০৮ সালে ৫২ হাজার ৯৪৭ টাকায় নির্মিত হয়। বনরানীর স্টিম ইঞ্জিনের ক্ষমতা ছিল ৩৫৪ অশ্বশক্তি।

১৯৬২ সালে লঞ্চ দুটির স্টিম ইঞ্জিন পরিবর্তন করে ডিজেল ইঞ্জিন স্থাপন করা হয়, এবং পরে ২০০৪ সালে দুটিতেই দাইও ইঞ্জিন বসানো হয়। ১৯৯৩ সালে সুন্দরবন বিভাগ পূর্ব ও পশ্চিম বিভাগে বিভক্ত হয়ে ‘বনরানী’ পশ্চিম বন বিভাগের অধীনে এবং ‘বনকন্যা’ পূর্ব বন বিভাগের অধীনে চলে যায়।

ঐতিহাসিক এই জলযান দুটিতে বিভিন্ন সময়ে ব্রিটেনের রানি, প্রিন্স, আইরল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং বিদেশি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা সুন্দরবন ভ্রমণ করেছিলেন।

যদিও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারের অভাবে লঞ্চ দুটি একসময় অচল হয়ে পড়েছিল। এরপর খুলনার চানমারী এবং ফরেস্ট ঘাট এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় রাখা হয়। সর্বশেষ ‘বনরানী’ চালানো হয়েছিল ২০১৬ সালে।

লঞ্চ দুটি পুনরায় সচল করার জন্য খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছে সংস্কার ব্যয়ের প্রাক্কলন চেয়েছিল সুন্দরবন বিভাগ। শিপইয়ার্ডের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিটি লঞ্চ সংস্কারের জন্য প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা প্রয়োজন ছিল, এবং মোট ৭ কোটি টাকা লাগতো। ২০১৮ সালে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলেও পরে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে জরাজীর্ণ ও অচল লঞ্চ দুটি গত মার্চে নিলাম টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে, তবে নিলামগ্রহীতারা এখনো লঞ্চ দুটি বুঝে নেননি।

তিনি বলেন, শতবর্ষের মূল লঞ্চ দুটির আদলে প্রতিকৃতি তৈরি করা হলে নতুন প্রজন্ম সুন্দরবনের এই ইতিহাস সম্পর্কে আরো জানতে পারবে।

বন বিভাগের খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক (সিএফ) ইমরান আহমেদ জানান, ‘বনরানী’ এবং ‘বনকন্যা’র ঐতিহাসিক মূল্য রয়েছে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে লঞ্চ দুটির স্মৃতি তুলে ধরার জন্য প্রতিকৃতি তৈরির পরিকল্পনা আছে। মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে এ কাজ শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামগতির মাহমুদা বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় ভরাডুবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:১৭ পি.এম


রামগতির মাহমুদা বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় ভরাডুবি

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার বড়খেরী ইউনিয়নের মাহমুদা বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ভরাডুবি ঘটেছে।

বিদ্যালয় থেকে ৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে পাস করেছে মাত্র ১০ জন শিক্ষার্থী।

অর্থাৎ, পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৪৪ জন ফেল করেছে। এ বছর বিদ্যালয়টির পক্ষ থেকে কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ অর্জন করতে পারেনি।

বিদ্যালয়ের ফলাফলে ভরাডুবির কারণে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা প্রলয়িত হয়েছে। ৪৪ জনের অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান, পাঠদান পদ্ধতি এবং পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির ওপর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা চলছে।

একই পরিস্থিতি দেখা গেছে ওই ইউনিয়নের রঘুনাথপুর পল্লী মঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয়, চরনেয়ামত জনতা মডেল একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়, সুলতানা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং পূর্ব চরমেহার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে। গত বছরের মতো এবারও এসএসসির রেজাল্টে এই ৫টি বিদ্যালয়ের পাসের হার নিম্নমুখী।

অভিভাবকরা বলছেন, একটি বিদ্যালয় থেকে এত সংখ্যক শিক্ষার্থীর ফেল করা একটি গুরুতর বিষয় এবং এর সঠিকভাবে পর্যালোচনা প্রয়োজন। বিশেষ করে জানা উচিত, কোন পরিচয়গুলি শিক্ষার্থীরা বেশি অকৃতকার্য হয়েছে এবং নিয়মিত পাঠদান ও মূল্যায়ন কার্যক্রম কেমন ছিল। পরীক্ষার পূর্বের প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখা উচিত। প্রধান শিক্ষকসহ সকলকে জবাবদিহির আওতায় আনার বিষয়টি জোরালোভাবে দাবী করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ৩ জন অভিভাবক মন্তব্য করেন, ফলাফলের খারাপ হওয়ার পিছনে শিক্ষার্থীরা দায়ী হলেও শিক্ষকরা এর চেয়ে বেশি দায়ী। তারা শিক্ষা পরিবেশ তৈরীর ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছেন। সরকারের দেওয়া বেতনভাতা গ্রহণ করে শিক্ষাকে বাণিজ্যে পরিণত করার ফলে এমন বিপর্যয় ঘটেছে।

বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক জহির উদ্দিন মো. বাবর হতাশা প্রকাশ করে বলেন, গতবছরেও এ ধরনের বিপর্যয় ঘটেছিল। এ বছরও একই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকটকেই এ সমস্যা জন্য দায়ী করছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোস্তফা হোসেন জানিয়েছেন, ফলাফলে ভরাডুবি হওয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের যে কোনো মাধ্যমে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%