ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

ডিজেলের রেকর্ড দামে চাপে যুক্তরাষ্ট্র, কর ছাড়ের পথে ট্রাম্প


ডিজেলের রেকর্ড দামে চাপে যুক্তরাষ্ট্র, কর ছাড়ের পথে ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রে গত মাসে ডিজেলের দাম গ্যালনপ্রতি প্রায় ৬.৫০ ডলারে পৌঁছেছে, যা একটি রেকর্ড। এর ফলে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের আগে এই চাপ কমানোর জন্য কম দামের ডিজেল সহজলভ্য করার পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প এ লক্ষ্যে একটি নির্বাহী আদেশ প্রস্তুত করছেন। সোমবারের মধ্যে এটি ঘোষণা হতে পারে। এই আদেশে করমুক্ত ডিজেলের সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য কিছু ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

পরিকল্পনার একটি অংশ হিসেবে ‘রেড-ডাইড ডিজেল’ সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই ধরনের ডিজেল সাধারণত কৃষিকাজ ও নির্দিষ্ট কিছু অফ-রোড যানবাহনে ব্যবহৃত হয়।

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের সঙ্গে টানাপোড়েন, ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে উদ্বেগ

একই সঙ্গে, পরিবহন বিভাগ রাজ্যগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে সড়কে ব্যবহৃত ডিজেলের কর মওকুফের উদ্যোগ নিতে নির্দেশনা দিতে পারে। এতে ট্রাক পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতের ব্যয় কমে আসতে পারে, যেগুলো বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে।

ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য পরিবহনে ডিজেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, ফলে দাম বাড়লে পরিবহন ব্যবসা ও অন্যান্য খাতে এর প্রভাব পড়তে পারে।

ইরান ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে, যা দাম বৃদ্ধির একটি প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের তেল শোধনাগারে হামলাও পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করছে।

এদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে ডিজেলের সরবরাহ বাড়ানোর জন্য প্রশাসন তৎপর হয়েছে। ট্রাম্পের চাপের পর গত সপ্তাহে জি৭ দেশগুলো ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ছাড়তে সম্মত হয়েছে। এর আগে, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ডিজেল রপ্তানি সীমিত করার বিষয়টিও বিবেচনা করেছিলেন।

আরও পড়ুন: দিল্লিতে সিজেপির পতাকা মিছিল ঘিরে ২৫ হাজার নিরাপত্তাকর্মীর মোতায়েন

তবে জি৭-এর নতুন ডিজেলের সরবরাহের পরিমাণ এখনও স্পষ্ট নয়। কিছু অংশ মার্চে ঘোষিত বৈশ্বিক চুক্তির আওতায় আগেই অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী ৪ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ এম


দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী ৪ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী চার দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস প্রদান করেছে। এ সময়ের মধ্যে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, দিন ও রাতের তাপমাত্রা কয়েক ধাপে কমতে পারে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশ ত্যাগ করতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বুধবার বাড়বে বৃষ্টি

বুধবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

বৃহস্পতিবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। এ দিনও সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

শুক্রবার কমবে বৃষ্টির বিস্তার

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশ থেকে বিদায় নিতে পারে। এর ফলে বর্ষার শেষ পর্যায়ের এই বৃষ্টির পর দেশের আবহাওয়ায় ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজকের নামাজের সময়সূচি: ৬ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ এম


আজকের নামাজের সময়সূচি: ৬ অক্টোবর ২০২৬

আজ মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩, ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮।

ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ উল্লেখ করা হলো—

জোহরের নামাজ শুরু হবে দুপুর ১১টা ৫০ মিনিটে।

আসরের নামাজের সময় শুরু হবে ৪টা ২ মিনিটে।

মাগরিবের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে ৬টা ৪৪ মিনিটে।

এশার নামাজ শুরু হবে ৬টা ৫৭ মিনিটে।

আগামীকাল ফজর শুরু ৪টা ৪১ মিনিটে

আজ ঢাকায় সূর্যাস্তের সময় ৫টা ৪৩ মিনিট এবং আগামীকাল সূর্যোদয়ের সময় ৫টা ৫১ মিনিটে হবে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে আলোচনার শীর্ষে কাউসার খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ সাকিব আহমেদ ঢাকা

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ এম


ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে আলোচনার শীর্ষে কাউসার খান

ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনকে ঘিরে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও প্রত্যাশা। নতুন নেতৃত্বে কারা আসছেন—এ নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। এরই মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় থাকলেও সবচেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে সদ্য সাবেক ১ নম্বর সহ-সভাপতি কাউসার খাঁনের নাম।

দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত কাউসার খাঁন সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচি, মিছিল-মিটিং ও আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন বলে নেতাকর্মীদের দাবি। তার নেতৃত্বে বিভিন্ন সময়ে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে কর্মসূচি পালন এবং সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়ানোর বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।

বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে তার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন কর্মসূচি ও মিছিলে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি নতুন কমিটি নিয়ে আলোচনায় তার অবস্থানকে আরও জোরালো করেছে বলে মনে করছেন সংগঠনটির সংশ্লিষ্টরা।

নেতাকর্মীদের একটি অংশ মনে করছেন, মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতার কারণে নতুন কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার দৌড়ে কাউসার খাঁন এগিয়ে রয়েছেন।

তবে নতুন কমিটিতে শেষ পর্যন্ত কারা নেতৃত্বে আসছেন, তা নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। ফলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে কারা থাকছেন, তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা চলছেই।

এদিকে নতুন কমিটি ঘিরে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তৃণমূলের প্রত্যাশা, সাংগঠনিকভাবে দক্ষ, ত্যাগী ও মাঠে সক্রিয় নেতাদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী ও কার্যকর কমিটি গঠন করা হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন কমিটিতে নেতৃত্বের ক্ষেত্রে কাউসার খাঁনের নাম এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। শেষ পর্যন্ত তিনি কোন দায়িত্ব পাচ্ছেন, নাকি অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন মুখ আসছে—এখন সেটিই দেখার বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সরকারের ঋণ কমেছে ৭৮৮ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ এম


তিন মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সরকারের ঋণ কমেছে ৭৮৮ কোটি টাকা

চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নতুন ঋণ নেওয়ার পরিবর্তে আগের ঋণের ৭৮৮ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে সরকার। এর ফলে, গত জুনের শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে সরকারের ঋণের পরিমাণ ৯৪ হাজার ৫২ কোটি টাকা থেকে কমে ২৪ সেপ্টেম্বর ৯৩ হাজার ২৬৪ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। তবে একই সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে সরকারের ঋণ বেড়ে ২৬ হাজার ৯৭৯ কোটি টাকা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত জুনের শেষে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে সরকারের ঋণ ছিল পাঁচ লাখ ৯১ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা। ২৪ সেপ্টেম্বর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয় লাখ ১৮ হাজার ৪০৩ কোটি টাকায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংক মিলিয়ে ব্যাংকব্যবস্থায় সরকারের মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে সাত লাখ ১১ হাজার ৬৬৭ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মন্তব্য করেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ পরিশোধের ফলে অর্থনীতিতে নতুন টাকা সরবরাহের চাপ কমতে পারে। এতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ কিছুটা সহজ হতে পারে। তবে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া বেড়ে যাওয়ার কারণে সরকারের মোট ঋণ পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়াও জরুরি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, "সরকারের আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ঘাটতি থাকলে তা মেটাতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নিতে হয়।" তিনি আরও বলেন, "জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে আদায় করা করসহ অন্যান্য উৎসের আয় দিয়ে সরকারের সব ব্যয় মেটানো সম্ভব না হলে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ নেওয়া হয়।" সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ভর্তুকি, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং আগের ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধে এই অর্থ ব্যয় হয়।

তিনি জানান, বাজেটে সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের হিসাব করে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। আবার আয় বাড়লে সরকার সেই ঋণ পরিশোধ করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে এক লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এর মধ্যে প্রথম তিন মাসেই ঋণের পরিমাণ ২৬ হাজার ১৯০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, "সরকারের হাতে রাজস্ব আয়, সরকারি আমানত বা অন্য কোনো উৎস থেকে অর্থ এলে তা দিয়ে আগের ঋণের একটি অংশ পরিশোধ করা সম্ভব হয়।" তিনি আরও বলেন, "সরকারের নগদ অর্থের চাহিদা, রাজস্ব আদায়ের সময় ও ব্যয়ের ধরন অনুযায়ী ঋণ নেওয়া ও পরিশোধের পরিমাণ পরিবর্তিত হয়।"

অর্থবছরের শুরুতে সাধারণত রাজস্ব আদায় তুলনামূলক কম থাকে। অন্যদিকে সরকারি বিভিন্ন ব্যয় মেটানোর প্রয়োজন থাকে। ফলে ওই সময়ে ঋণ নেওয়ার চাপ বাড়তে পারে। পরে আয়-ব্যয়ের পরিস্থিতি অনুকূলে এলে সরকার ঋণ পরিশোধ করতে পারে। তবে এটি নির্দিষ্ট কোনো নিয়মে হয় না; সরকারের সামগ্রিক নগদ অর্থের অবস্থার ওপর নির্ভর করে।

অর্থনীতিবিদরা মন্তব্য করেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকার ঋণ নিলে ব্যাংকব্যবস্থায় নতুন টাকা সরবরাহ বাড়তে পারে। পণ্য ও সেবার সরবরাহের তুলনায় অর্থের প্রবাহ বেড়ে গেলে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ কমানো ইতিবাচক।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের অর্থের উৎসও গুরুত্বপূর্ণ। সরকার যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সমপরিমাণ বা তার বেশি ঋণ নেয়, তাহলে সরকারের মোট ঋণ কমার বদলে ঋণের উৎস পরিবর্তিত হতে পারে। বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ঋণ নিলে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রাপ্তির ওপরও চাপ তৈরি হতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেছেন, "বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নতুন ঋণ নেওয়ার পরিবর্তে আগের ঋণ পরিশোধ করা ইতিবাচক।" তবে তিনি সতর্ক করেছেন যে, সরকারি ঋণের সামগ্রিক চিত্র বুঝতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পাশাপাশি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও অন্যান্য উৎস থেকে নেওয়া ঋণের হিসাবও বিবেচনায় নিতে হবে।

সরকারের জন্য মূল চ্যালেঞ্জ হলো রাজস্ব আয় বাড়িয়ে ঋণনির্ভরতা কমানো। রাজস্ব আদায় বাড়লে দৈনন্দিন ব্যয় ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনায় ঋণের ওপর নির্ভরতা কমতে পারে। পাশাপাশি সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা বাড়ানো এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করাও জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%