ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে আলোচনার শীর্ষে কাউসার খান


ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে আলোচনার শীর্ষে কাউসার খান

ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনকে ঘিরে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও প্রত্যাশা। নতুন নেতৃত্বে কারা আসছেন—এ নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। এরই মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় থাকলেও সবচেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে সদ্য সাবেক ১ নম্বর সহ-সভাপতি কাউসার খাঁনের নাম।

দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত কাউসার খাঁন সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচি, মিছিল-মিটিং ও আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন বলে নেতাকর্মীদের দাবি। তার নেতৃত্বে বিভিন্ন সময়ে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে কর্মসূচি পালন এবং সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়ানোর বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।

বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে তার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন কর্মসূচি ও মিছিলে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি নতুন কমিটি নিয়ে আলোচনায় তার অবস্থানকে আরও জোরালো করেছে বলে মনে করছেন সংগঠনটির সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন: কাউখালীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শুরু হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

নেতাকর্মীদের একটি অংশ মনে করছেন, মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয়তা, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতার কারণে নতুন কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার দৌড়ে কাউসার খাঁন এগিয়ে রয়েছেন।

তবে নতুন কমিটিতে শেষ পর্যন্ত কারা নেতৃত্বে আসছেন, তা নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। ফলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে কারা থাকছেন, তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা চলছেই।

এদিকে নতুন কমিটি ঘিরে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তৃণমূলের প্রত্যাশা, সাংগঠনিকভাবে দক্ষ, ত্যাগী ও মাঠে সক্রিয় নেতাদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী ও কার্যকর কমিটি গঠন করা হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন কমিটিতে নেতৃত্বের ক্ষেত্রে কাউসার খাঁনের নাম এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। শেষ পর্যন্ত তিনি কোন দায়িত্ব পাচ্ছেন, নাকি অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন মুখ আসছে—এখন সেটিই দেখার বিষয়।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় শেরপুর-ময়মনসিংহ সীমান্তে ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন,

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সরকারের ঋণ কমেছে ৭৮৮ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৭ এম


তিন মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সরকারের ঋণ কমেছে ৭৮৮ কোটি টাকা

চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নতুন ঋণ নেওয়ার পরিবর্তে আগের ঋণের ৭৮৮ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে সরকার। এর ফলে, গত জুনের শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে সরকারের ঋণের পরিমাণ ৯৪ হাজার ৫২ কোটি টাকা থেকে কমে ২৪ সেপ্টেম্বর ৯৩ হাজার ২৬৪ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। তবে একই সময়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে সরকারের ঋণ বেড়ে ২৬ হাজার ৯৭৯ কোটি টাকা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত জুনের শেষে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে সরকারের ঋণ ছিল পাঁচ লাখ ৯১ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা। ২৪ সেপ্টেম্বর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয় লাখ ১৮ হাজার ৪০৩ কোটি টাকায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংক মিলিয়ে ব্যাংকব্যবস্থায় সরকারের মোট ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে সাত লাখ ১১ হাজার ৬৬৭ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মন্তব্য করেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ পরিশোধের ফলে অর্থনীতিতে নতুন টাকা সরবরাহের চাপ কমতে পারে। এতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ কিছুটা সহজ হতে পারে। তবে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া বেড়ে যাওয়ার কারণে সরকারের মোট ঋণ পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়াও জরুরি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, "সরকারের আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ঘাটতি থাকলে তা মেটাতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নিতে হয়।" তিনি আরও বলেন, "জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে আদায় করা করসহ অন্যান্য উৎসের আয় দিয়ে সরকারের সব ব্যয় মেটানো সম্ভব না হলে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ নেওয়া হয়।" সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ভর্তুকি, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং আগের ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধে এই অর্থ ব্যয় হয়।

তিনি জানান, বাজেটে সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের হিসাব করে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। আবার আয় বাড়লে সরকার সেই ঋণ পরিশোধ করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে এক লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এর মধ্যে প্রথম তিন মাসেই ঋণের পরিমাণ ২৬ হাজার ১৯০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, "সরকারের হাতে রাজস্ব আয়, সরকারি আমানত বা অন্য কোনো উৎস থেকে অর্থ এলে তা দিয়ে আগের ঋণের একটি অংশ পরিশোধ করা সম্ভব হয়।" তিনি আরও বলেন, "সরকারের নগদ অর্থের চাহিদা, রাজস্ব আদায়ের সময় ও ব্যয়ের ধরন অনুযায়ী ঋণ নেওয়া ও পরিশোধের পরিমাণ পরিবর্তিত হয়।"

অর্থবছরের শুরুতে সাধারণত রাজস্ব আদায় তুলনামূলক কম থাকে। অন্যদিকে সরকারি বিভিন্ন ব্যয় মেটানোর প্রয়োজন থাকে। ফলে ওই সময়ে ঋণ নেওয়ার চাপ বাড়তে পারে। পরে আয়-ব্যয়ের পরিস্থিতি অনুকূলে এলে সরকার ঋণ পরিশোধ করতে পারে। তবে এটি নির্দিষ্ট কোনো নিয়মে হয় না; সরকারের সামগ্রিক নগদ অর্থের অবস্থার ওপর নির্ভর করে।

অর্থনীতিবিদরা মন্তব্য করেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকার ঋণ নিলে ব্যাংকব্যবস্থায় নতুন টাকা সরবরাহ বাড়তে পারে। পণ্য ও সেবার সরবরাহের তুলনায় অর্থের প্রবাহ বেড়ে গেলে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ কমানো ইতিবাচক।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের অর্থের উৎসও গুরুত্বপূর্ণ। সরকার যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সমপরিমাণ বা তার বেশি ঋণ নেয়, তাহলে সরকারের মোট ঋণ কমার বদলে ঋণের উৎস পরিবর্তিত হতে পারে। বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ঋণ নিলে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রাপ্তির ওপরও চাপ তৈরি হতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেছেন, "বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নতুন ঋণ নেওয়ার পরিবর্তে আগের ঋণ পরিশোধ করা ইতিবাচক।" তবে তিনি সতর্ক করেছেন যে, সরকারি ঋণের সামগ্রিক চিত্র বুঝতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পাশাপাশি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও অন্যান্য উৎস থেকে নেওয়া ঋণের হিসাবও বিবেচনায় নিতে হবে।

সরকারের জন্য মূল চ্যালেঞ্জ হলো রাজস্ব আয় বাড়িয়ে ঋণনির্ভরতা কমানো। রাজস্ব আদায় বাড়লে দৈনন্দিন ব্যয় ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনায় ঋণের ওপর নির্ভরতা কমতে পারে। পাশাপাশি সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা বাড়ানো এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করাও জরুরি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জে সাত থানায় বিশেষ অভিযানে ১৫৪ জন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ এম


নারায়ণগঞ্জে সাত থানায় বিশেষ অভিযানে ১৫৪ জন গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জ জেলার সাতটি থানা ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সদস্য, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী, ছিনতাইকারী, চোর-ডাকাত।

সোমবার (৫ অক্টোবর) জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপরাধ অপারেশন তারেক আল মেহেদী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে বিভিন্ন থানার নিজ নিজ এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৮ জন সদস্য, ৬ জন মাদক ব্যবসায়ী, ৯৮ জন মাদকসেবী, ২ জন ছিনতাইকারী, ১ জন চোর, ৭ জন ডাকাত, ১৮ জন পরোয়ানাভুক্ত, ১১ জন নিয়মিত মামলার আসামি এবং ৩ জন অন্যান্য আইনে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ সদর থানার পুলিশ ১৫ পিস ইয়াবাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী, আটজন মাদকসেবী, নিয়মিত মামলার দুই আসামি ও পরোয়ানাভুক্ত দুইজনসহ মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ ২ জন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সদস্য, ২১০ গ্রাম গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী, ২৮ জন মাদকসেবী, ১ জন চোর, ৫ জন পরোয়ানাভুক্ত, ২ জন নিয়মিত মামলার আসামি ও ৩ জন অন্যান্য আইনে গ্রেপ্তার করে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পুলিশ ১৮ জন মাদকসেবী, ২ জন ছিনতাইকারী ও ৩ জন পরোয়ানাভুক্তসহ ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। বন্দর থানার পুলিশ ২২ জন মাদকসেবী ও ৪ জন পরোয়ানাভুক্তসহ ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করে।

সোনারগাঁ থানার পুলিশ ২ জন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সদস্য, ৫ গ্রাম হেরোইন ও ২০ পিস ইয়াবাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী, ১৪ জন মাদকসেবী, ৬ জন ডাকাত, ৪ জন পরোয়ানাভুক্ত এবং ২ জন নিয়মিত মামলার আসামিসহ মোট ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

রূপগঞ্জ থানার পুলিশ ৩ জন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সদস্য, ৯৫ পিস ইয়াবা, ৫০ গ্রাম গাঁজা ও ১ গ্রাম হেরোইনসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী, ৮ জন মাদকসেবী এবং ৫ জন নিয়মিত মামলার আসামিসহ ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

আড়াইহাজার থানার পুলিশ ১ জন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সদস্য ও ১ জন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানান, জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ দমনে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবী, ডাকাত, ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাইজেরিয়ায় বিমান দুর্ঘটনায় ৩২ জন নিহত, তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৮ এম


নাইজেরিয়ায় বিমান দুর্ঘটনায় ৩২ জন নিহত, তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ তিনুবু সোমবার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন। এই ঘোষণা তিনি দেন, যখন দেশটির ওন্দো রাজ্যে নাইজেরীয় বিমানবাহিনীর একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৩২ জন নিহত হয়। নিহতদের মধ্যে বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার মার্শাল সানডে কেলভিন আনেকে রয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই নিউজের রিপোর্ট অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির দপ্তরের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিহত বিমানবাহিনীর সদস্যদের সম্মানে দেশের সব জায়গায় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশও দিয়েছেন তিনুবু। সোমবার সকালে ওন্দো রাজ্যের ইগবোকোদা এলাকায় একটি নৌঘাঁটির কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। বিমানটি নিয়মিত একটি মিশনে বেনিন থেকে লাগোস যাচ্ছিল।

বিমানটিতে ২৫ জন যাত্রী এবং সাতজন ক্রু সদস্য ছিলেন। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনুবু বলেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য এটি একটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক সময়।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের সশস্ত্র বাহিনী এবং পুরো দেশের জন্য একটি বেদনাদায়ক সময়। নাইজেরিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের বিমানবাহিনীর সদস্যরা প্রতিদিন নিজেদের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলেন। তাদের আত্মত্যাগ কখনো ভোলা হবে না।’

বিমানটি কেন বিধ্বস্ত হয়েছে, তা জানতে নাইজেরীয় বিমানবাহিনীকে দ্রুত তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঠেকানোই এই তদন্তের উদ্দেশ্য।

দুর্ঘটনার পর উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান শুরু করায় বিমানবাহিনীর প্রশংসা করেন তিনুবু। তিনি দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য উদ্ধারকর্মী ও ওন্দো রাজ্য সরকারেরও প্রশংসা করেন। নিহতদের জন্য প্রার্থনা করেন তিনুবু। একই সঙ্গে নাইজেরীয় বিমানবাহিনীকে সরকারের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসপোসিতো স্পর্শ করলেন ইতালির ৯৫ বছরের রেকর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১৯ এম


এসপোসিতো স্পর্শ করলেন ইতালির ৯৫ বছরের রেকর্ড

তরুণ স্ট্রাইকার ফ্রান্সেস্কো পিও এসপোসিতো ইতালিয়ান জাতীয় দলের নতুন প্রজন্মের অন্যতম প্রধান মুখ হিসেবে নিজের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী ও উজ্জ্বল করেছেন। সোমবার রাতে বোলোগনার ঐতিহাসিক রেনাতো দাল’আরা স্টেডিয়ামে উয়েফা নেশনস লিগের একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচে তুরস্কের বিরুদ্ধে ৩-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে এসপোসিতো শেষ পেরেকটি ঠুকেছেন।

ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে জিয়ানলুকা স্কামাক্কার বদলি হিসেবে মাঠে প্রবেশ করেন এসপোসিতো। মাঠে নামার পর তিনি নিজের পারফরম্যান্সের ছাপ রাখতে খুব বেশি সময় নেননি। ম্যাচের ৮৭তম মিনিটে দুর্দান্ত একটি ফিনিশিংয়ে ইতালিকে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে দিয়ে জয় নিশ্চিত করেন এই উদীয়মান ফরোয়ার্ড।

২২ বছর বয়সে পৌঁছানোর আগেই আন্তর্জাতিক ফুটবলে এসপোসিতো তার সপ্তম গোলটি অর্জন করেছেন। ইতালির ফুটবল ইতিহাসে কিংবদন্তি ফুটবলার জিউসেপ্পে মেয়াৎসার পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে ২১তম জন্মদিনের আগে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৭টি গোল করার অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তিনি।

ক্রীড়া পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘অপ্টা’-র তথ্য অনুযায়ী, ১৯৩১ সালের ২৫ জানুয়ারি মাত্র ২০ বছর ১৫৫ দিন বয়সে আজ্জুরিদের হয়ে নিজের সপ্তম গোলটি করেছিলেন মেয়াৎসা। দীর্ঘ ৯৫ বছর পর সেই বিরল রেকর্ডে মেয়াৎসার পাশে এসপোসিতো নাম লেখালেন।

তুরস্কের বিরুদ্ধে এই জয় ইতালিকে উয়েফা নেশনস লিগের এক নম্বর গ্রুপে ৭ পয়েন্ট অর্জন করিয়েছে। বর্তমানে পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আজ্জুরিরা। শীর্ষে থাকা শক্তিশালী ফ্রান্সের চেয়ে তারা এখন ৩ পয়েন্টে পিছিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, ৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার তিন নম্বরে অবস্থান করছে বেলজিয়াম এবং ৪ ম্যাচে কোনো পয়েন্ট না পেয়ে গ্রুপের তলানিতে রয়েছে তুরস্ক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%