ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে প্রধান শিক্ষককে বিদায় সংবর্ধনা


ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে প্রধান শিক্ষককে বিদায় সংবর্ধনা

 

যে মানুষটি তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিদিন বিদ্যালয়ের ঘণ্টাধ্বনির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন গড়ার কাজে ছিলেন নিবেদিত, তার বিদায়ের দিন ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধায় ভাসিয়ে দিল সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীরা। কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার ছাতাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলামকে বিদায় জানানোর জন্য ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে, করতালির মধ্যে এবং সুসজ্জিত একটি গাড়িতে করে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে অনুষ্ঠিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে একটি আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ ৩১ বছরের শিক্ষকতা জীবনের স্বীকৃতি প্রকাশ করতে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাবেক শিক্ষার্থীরা এ সংবর্ধনার আয়োজন করেছেন।

আরও পড়ুন: বিএসএফকে ক্ষমা চাইতে বিজিবির কড়া বার্তা, ভ্যানচালককে মারধরের অভিযোগ

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার লিপিকা রানী পোদ্দার, সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. জয়নাল আবেদিনের সভাপতিত্বে। অম্বরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গৌতম কুমার দে সঞ্চালনায় শুরু হয় অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হয়ে বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কাউছার আহমেদ ভূইয়া এবং সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফাতিহা বিনতে বশীর।

এ সময় বক্তব্য রাখেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলী মেম্বার, সাবেক সভাপতি মোসলেম উদ্দিন মজুমদার, মহিচাইল জোবেদা মমতাজ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জামাল হোসেন, মহিচাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একেএম নজরুল ইসলাম, বাতাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শীবানী চক্রবর্তী, দৈনিক কালবেলার চান্দিনা প্রতিনিধি আকিবুল ইসলাম হারেছ, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফারজানা আক্তার এবং সাবেক শিক্ষার্থী আবুল বাশার ও মাসুদ রানা।

বক্তারা উল্লেখ করেন, ১৮ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে মো. নুরুল ইসলাম শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। দীর্ঘ ৩১ বছরের কর্মজীবনে তিনি শুধু পাঠদান করেননি বরং বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তাঁর প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়ে তিনতলা ভবন নির্মিত হয়েছে এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও সাফল্য অর্জনে তিনি নিরলস উৎসাহ প্রদান করেছেন। সততা, শৃঙ্খলা, কর্মনিষ্ঠা এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিকতার জন্য তিনি এলাকার লোকজনের কাছে একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মো. নুরুল ইসলামকে ক্রেস্ট, পোশাক ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বিদায়ের সময় তিনি দৃষ্টিতে আনেন কর্মজীবনের নানা স্মৃতি এবং উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন: ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে বিএনপি নেতা শামছুল হকের সংবাদ সম্মেলন

পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তৈরি হয় একটি আবেগঘন মুহূর্ত, যেখানে শিক্ষার্থীরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে করতালি ও ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে তাঁদের প্রিয় শিক্ষককে শেষবারের মতো সম্মান জানান। এরপর তাঁকে সুসজ্জিত একটি গাড়িতে করে বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিয়া গোয়েল তার হবু বরকে মারতে চাননি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৭ পি.এম


সিয়া গোয়েল তার হবু বরকে মারতে চাননি

সিয়া গোয়েল তার হবু বর কেতন আগরওয়াল হত্যার ঘটনার একটি নতুন দিক উন্মোচন করেছেন। পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের হত্যার ঘটনা তদন্তে পুলিশ নতুন নতুন তথ্য সংগ্রহ করছে। কেতনের বাগদত্তা সিয়া গোয়েল এবং তার প্রেমিক চেতন চৌধুরী মিলে পুনের লোহাগড় দুর্গ থেকে কেতনকে হত্যা করে।

এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা। গত ফেব্রুয়ারিতে সিয়ার কেতনের সঙ্গে বাগদান সম্পন্ন হয়। সিয়ার পরিকল্পনা ছিল, নভেম্বর মাসে জয়পুরে জমকালো আয়োজনে তাদের বিয়ে হবে। কিন্তু সিয়ার এ বিয়েতে মন ছিল না। সিয়া চেতন চৌধুরীকে ভালোবাসতেন। বিয়েতে তার মত না থাকলেও তিনি পরিবারের সামাজিক মর্যাদার কথা ভেবে মুখের ওপর না বলতে পারছিলেন। পরিবারকে সম্মানিত রাখতে, এ কারণে সিয়া পরিবারে কোনো আলোচনা করতে পারেননি। এমনকি সিয়া চেতনের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ের কথাও চিন্তা করেননি। প্রাথমিকভাবে বিয়ের আয়োজন থেকে সরে আসতে সিয়া এবং চেতন নানা পরিকল্পনা করছিলেন। শুরুতে সিয়ার উদ্দেশ্য ছিল কেতনকে আহত করা। কিন্তু বাধার সম্মুখীন হলে, তারা কেতনকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন।

সিয়া এবং চেতন কয়েক সপ্তাহ ধরে হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে গবেষণা করেন। তারা ঘটনার আগে ও পরে সমস্ত পরিবেশনের বিষয় নিখুঁতভাবে পরিকল্পনা করেন। তাদের পরিকল্পনার বাস্তবায়নের জন্য ব্যবস্থা নিতে তারা কয়েকটি থ্রিলার সিনেমা দেখেন এবং ইন্টারনেটে হত্যার বিভিন্ন পরিকল্পনা গবেষণা করেন। তারা পাহাড় থেকে ধাক্কা দিয়ে হত্যা করার ভেন্যু চূড়ান্ত করার জন্য তাদের পরিকল্পনা করেন। লোনাভালা টাইগার পয়েন্ট এবং ভিসাপুর দুর্গ সহ বেশ কিছু স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তারা প্রস্তুতির জন্য অনেক যাচাই-বাছাই শেষে লোহাগড়কে নিরাপদ স্থানের জন্য বেছে নেন।

গত ৩১ মে প্রথম কেতনকে নিয়ে লোহাগড় যান সিয়া। তবে সেদিন হত্যা করার পরিকল্পনা ছিল না। সিয়া একটি ভালো জায়গা খুঁজে বের করেন কেতনকে ধাক্কা দেওয়ার জন্য। তাদের পরিকল্পনা ছিল ৩ জুন আবার লোহাগড় যাওয়া। কিন্তু ৬ জুনের জন্য তাদের ইন্দোনেশিয়ার বালিতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি কারণে সেই পরিকল্পনা বাতিল হয়ে যায়। অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করতে সিয়া কেতনের ব্যাগ থেকে তার পাসপোর্ট চুরি করে টয়লেটে ফ্ল্যাশ করে দেন। ফলে তাদের আর বালি যাওয়ার সুযোগ থাকে না। এরপর ১৪ জুন কেতনকে নিয়ে আবার লোহাগড় যান সিয়া। কিন্তু কেতন সেদিন বেঁচে যান। পরে ১৮ জুন, কেতনকে নিয়ে গিয়ে সিয়া এবং চেতন মিলে কেতনকে হত্যা করেন।

তাদের পরিকল্পনা নিশ্চিত করতে আরও কৌশল অবলম্বন করেন সিয়া এবং চেতন। হত্যার পর তারা নিজেদের ফোনের সমস্ত ডেটা মুছে ফেলেছিলেন। চেতন নিজের ফোন পুনেতে রেখে অন্য ফোন ব্যবহার করে লোহাগড় যান। যাতে ফোন ট্র্যাক করলে সে পুনেতেই বলেই মনে হয়। টোল প্লাজায় কোনো রেকর্ড না রাখার জন্য মোটরসাইকেল ব্যবহার করেন। এরপর সিসিটিভির কারণে চেতন মুখ ঢাকা হুডি পরে কেতন এবং সিয়াকে অনুসরণ করেন। কিন্তু পুলিশের সন্দেহের কারণে তদন্ত শুরু হয় এবং ২৩ জুন সিয়া এবং চেতন গ্রেপ্তার হন।

আরও জানা গেছে, কেতনের সঙ্গে বাগদানের পর সিয়া এবং চেতন গোপনে মন্দিরে বিয়ে করেছেন। এই বিষয়ে পুলিশ রাজস্থানের খাতু শ্যাম মন্দির পরিদর্শন করছে। এদিকে কেতনের মা রাখি আগরওয়াল তার সন্তান হত্যার দ্রুত বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে একটি আবেগঘন চিঠি পাঠিয়েছেন। তিনি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী থেকে হস্তক্ষেপ চেয়েছেন। রাখি লেখেন, “আমি কোনো সহানুভূতি বা বিশেষ সুবিধা চাই না। খালি সন্তান হত্যার দ্রুত ও ন্যায়বিচার চাই।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেবার মানোন্নয়নে বিআইডব্লিউটিএর কার্যক্রম আরও জোরদারের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৯ পি.এম


সেবার মানোন্নয়নে বিআইডব্লিউটিএর কার্যক্রম আরও জোরদারের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ব্যবস্থাকে আধুনিক, নিরাপদ ও দক্ষ করে গড়ে তোলার পাশাপাশি সেবার মান বৃদ্ধি এবং রাজস্ব আহরণ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার নির্দেশনা দিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।

বৃহস্পতিবার বিআইডব্লিউটিএ’র প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত “কর্তৃপক্ষের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও সেবার মানোন্নয়ন” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে অভ্যন্তরীণ নৌপথের গুরুত্ব অত্যন্ত অপরিসীম। তাই বিআইডব্লিউটিএ’র কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে। এছাড়াও সেবার গুণগত মান বৃদ্ধির পাশাপাশি রাজস্ব আহরণের নতুন নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধান এবং বিদ্যমান সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

সভায় তিনি বিআইডব্লিউটিএ’র কার্যক্রমকে আরও জনকল্যাণমুখী ও ফলপ্রসূ করতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন। এর মধ্যে রয়েছে—ড্রেজিং কার্যক্রম ব্যয়-সাশ্রয়ীভাবে পরিচালনা করে অধিক প্রয়োজনীয় নৌপথে অগ্রাধিকারভিত্তিতে খনন নিশ্চিত করা; নৌপথে চলাচলের নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বয়া, বাতি, বিকন ও অন্যান্য নৌ-চিহ্ন আরও দৃশ্যমান করতে প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ; বন্দর বিভাগের ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের ৭ম দফা পর্যন্ত ইজারায় অনিষ্পন্ন ঘাটসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তি; ফোরশোর ও তীরভূমি ব্যবহার ফি যুগোপযোগী করে রাজস্ব বৃদ্ধি এবং ঘাট/পয়েন্ট সংক্রান্ত দেওয়ানি মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ; নদীবন্দর এলাকায় মালামাল ওঠানামার ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে অটোমেশন ব্যবস্থা চালু করা; নৌপথে চলাচলকারী বিভিন্ন নৌযানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা; এবং রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্ভাবনাময় নতুন খাত চিহ্নিত করে দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করা।

প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, প্রদত্ত নির্দেশনাসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিআইডব্লিউটিএ’র সেবার গুণগত মান আরও বৃদ্ধি পাবে, রাজস্ব আহরণ সম্প্রসারিত হবে, নৌপথের নিরাপত্তা জোরদার হবে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ব্যবস্থা আরও কার্যকর, নিরাপদ ও জনবান্ধব হয়ে উঠবে।

সভায় বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান মো. মুহিদুল ইসলাম কর্তৃপক্ষের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, সেবার মানোন্নয়ন এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের ওপর একটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন। উপস্থাপনায় ড্রেজিং কার্যক্রম, নৌপথের নাব্যতা রক্ষা, নদীবন্দর ব্যবস্থাপনা, ইজারা কার্যক্রম, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সেবার ডিজিটাল রূপান্তরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়।

এ সময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়াসহ বিআইডব্লিউটিএ’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিঙ্গাপুরের সমর্থন চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসিয়ান ও আরসিইপি প্রত্যাশা পূরণে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১০ পি.এম


সিঙ্গাপুরের সমর্থন চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসিয়ান ও আরসিইপি প্রত্যাশা পূরণে

আজ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সিঙ্গাপুরের সমর্থন চেয়েছেন আসিয়ান এর ‘সেক্টোরাল ডায়ালগ পার্টনার’ হওয়ার আকাঙ্ক্ষা এবং রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে (আরসিইপি) যোগদানের প্রচেষ্টায়। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধানের লক্ষ্যেও তিনি দেশটির সহযোগিতা কামনা করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ম্যানিলায় আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের (এআরএফ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান। আলোচনা চলাকালে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরো গভীর করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন। তারা বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার কূটনৈতিক ও সুদৃঢ় সম্পর্ককে পারস্পরিক কল্যাণকর পদক্ষেপে রূপান্তর করতে সম্মত হয়েছেন। ড. রহমান বিশেষভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর সংগঠন (আসিয়ান)-এর সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার জন্য এবং বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি আরসিইপি-তে যোগদানের জন্য বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষায় সিঙ্গাপুরের সমর্থন কামনা করেছেন। এর পাশাপাশি দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধানের প্রচেষ্টায় সিঙ্গাপুরের সহযোগিতা চান তিনি। উভয় পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, দক্ষ জনশক্তি স্থানান্তর এবং বহুপক্ষীয় সংস্থায় পারস্পরিক সমর্থন আরো বৃদ্ধি করতে সম্মত হয়েছে। তারা বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতেও একমত পোষণ করেন। বৈঠককালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় ড. রহমানকে অভিনন্দন জানান বালাকৃষ্ণান। ড. রহমান তার সিঙ্গাপুরের সমকক্ষকে আশ্বস্ত করেন যে, ইউএনজিএ সভাপতি হিসেবে তার মেয়াদে সিঙ্গাপুরের মতো ছোট রাষ্ট্রগুলোর উদ্বেগ ও স্বার্থ তার অগ্রাধিকার তালিকায় শীর্ষে থাকবে। সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের মূল্যবান অবদানের কথা স্বীকার করেছেন এবং বাংলাদেশ থেকে এই নগর-রাষ্ট্রে দক্ষ জনশক্তির আগমনকে স্বাগত জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার-৩ হলেন মোবাইদুর ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১২ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার-৩ হলেন মোবাইদুর ইসলাম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার-৩ হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন মো. মোবাইদুর ইসলাম।

বুধবার (২২ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা গেছে।

উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী সই করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্য যেকোনও পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে মো. মোবাইদুর ইসলামকে প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার-৩ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের শর্তানুযায়ী, যোগদানের তারিখ হতে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে (যেটি আগে ঘটে) এই নিয়োগ কার্যকর থাকবে। এ ছাড়া তিনি জাতীয় বেতন স্কেলের সর্বশেষ ধাপ অনুযায়ী বেতন ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্য হবেন।

জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই নিয়োগের অন্য শর্তাবলি চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%