ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চন্দনাইশে হত্যা মামলার এজহারভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার


চন্দনাইশে হত্যা মামলার এজহারভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

পুলিশের বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে চট্টগ্রামের চন্দনাইশের দোহাজারী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর চাগাচর চৌকিদার পাড়া এলাকা থেকে মো. সেকান্দার ইসলাম প্রকাশ রাশেদ নামে এক এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) ভোরে অভিযানে অংশ নেওয়া চন্দনাইশ থানা পুলিশ নিজ বাড়ি থেকে আসামিটিকে আটক করে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আটককৃত রাশেদ চন্দনাইশ থানার মামলা নং-০৪(১০)১৯, জিআর-২২৩/১৯-এর আওতায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ৩৬(১) এর ১০(ক) ধারার এজাহারভুক্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে এলাকায় চুরি, মাদকসেবন এবং অন্যান্য বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া, রাশেদ উপজেলার দোহাজারী নাথপাড়ার আলোচিত ফুলতলা এলাকার ব্যবসায়ী স্বপন হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিসেবে পরিচিত। চন্দনাইশ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দিদারুল ইসলাম সিকদার জানিয়েছেন যে, আসামিকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: গাবতলীতে সার ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে তিন সাংবাদিককে জনতার গণপিটুনি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ভারতের মানবাধিকার সংগঠন এপিডিআরের প্রতিক্রিয়া

বন্দুকের মুখে নারী-শিশুদের বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে বিএসএফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪২ এম


বন্দুকের মুখে নারী-শিশুদের বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে বিএসএফ

 

ভারতের পশ্চিমবঙ্গভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রোটেকশন অব ডেমোক্রেটিক রাইটস (এপিডিআর) অভিযোগ জানিয়েছে যে, বাংলাদেশি সন্দেহে বহু মানুষকে জোরপূর্বক সীমান্তের দিকে নিয়ে গিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে আগামী ১১ জুন মালদা শহরে বিক্ষোভ মিছিল আয়োজনের ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।

রোববার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এপিডিআর দাবি করে, পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠনের আগে বিজেপি তাদের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিতে ‘ডিটেক্ট, ডিপোর্ট, ডিলিট’ অর্থাৎ চিহ্নিতকরণ, বহিষ্কার ও মুছে ফেলার নীতির কথা উল্লেখ করেছিল।

সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন সরকার বিএসএফকে জমি হস্তান্তর এবং তথাকথিত ‘হোল্ডিং সেন্টার’ বা আটককেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। এ কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে কথিত বাংলাদেশিদের শনাক্ত করে সেখানে রাখার পাশাপাশি পরবর্তীতে সীমান্ত পার করে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ।

এপিডিআরের দাবি, এই ‘পুশ ব্যাক’ নীতির কারণে বহু মানুষ বর্তমানে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যবর্তী সীমান্ত এলাকায় অনিশ্চিত অবস্থায় আটকে আছেন। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের বিভিন্ন স্থান থেকে সীমান্তে নিয়ে গিয়ে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বাংলাদেশ দিকে পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।

তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি এসব ব্যক্তিকে বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছে না। ফলে তারা সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ড বা জিরো পয়েন্ট এলাকায় দিনের পর দিন অবস্থান করতে বাধ্য হচ্ছেন। আটকে পড়াদের মধ্যে গর্ভবতী নারী ও শিশুও রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

সংগঠনটি আরো দাবি করেছে যে, খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে এসব মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। খোলা আকাশের নিচে রোদ, বৃষ্টি ও ঝড়ের মধ্যে তাদের মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে, যা একটি গুরুতর মানবিক সংকটের জন্ম দিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মানুষদের রেখে দেওয়ার পর বিএসএফ তাদের প্রতি দায় স্বীকার করছে না। বাহিনীটির অবস্থান হলো, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বাংলাদেশি হওয়ায় তাদের বিষয়ে বিএসএফের কোনো দায়িত্ব নেই। অন্যদিকে বিজিবির দাবি, এসব মানুষ যে বাংলাদেশের নাগরিক, তার কোনো প্রমাণ নেই; বরং তারা ভারতীয় নাগরিক হতে পারেন। ফলে দুই দেশের অবস্থানের মধ্যে পড়ে অনেকেই চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।

এপিডিআরের মতে, সীমান্তে চলমান এই পরিস্থিতি ভারতের তথাকথিত ‘থ্রি ডি’ নীতির ফল, যা সংবিধানবিরোধী ও বেআইনি। সংগঠনটি বলছে, এ নীতি ভারতের সংবিধানের ১৪ ও ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারণ এসব অনুচ্ছেদে দেশের ভেতরে অবস্থানরত প্রত্যেক ব্যক্তির সমঅধিকার এবং জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার সুরক্ষার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।

এপিডিআরের সহসভাপতি রঞ্জিত শূর অবিলম্বে ‘থ্রি ডি’ নীতি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থানরত সব মানুষকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং ‘পুশ ব্যাক’ কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।

তিনি আরো অভিযোগ করেছেন যে, এ ধরনের পদক্ষেপ মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের ঝুঁকি তৈরি করছে। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের (ইউএনএইচআরসি) হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ ২০২৬ : কবে শুরু, কোথায় খেলা, নতুন ফরম্যাট কী, ফেভারিট কারা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৪৭ এম


বিশ্বকাপ ২০২৬ : কবে শুরু, কোথায় খেলা, নতুন ফরম্যাট কী, ফেভারিট কারা?

ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া উৎসব। আর ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও ব্যতিক্রমী আসর। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল নিয়ে, তিনটি দেশে এবং ১০৪টি ম্যাচের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে ফিফা বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। ফলে বিশ্বকাপের পরিধি যেমন বাড়ছে, তেমনি বদলে যাচ্ছে টুর্নামেন্টের কাঠামোও। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে পাঠকদের মনে থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর উত্তর তুলে ধরা হলো বিস্তারিতভাবে।

কবে শুরু হবে বিশ্বকাপ?

২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু হবে ১১ জুন এবং শেষ হবে ১৯ জুলাই। অর্থাৎ টুর্নামেন্টটি চলবে টানা ৩৯ দিন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এত দীর্ঘ সময় ধরে আর কোনো আসর অনুষ্ঠিত হয়নি। দল এবং ম্যাচসংখ্যা বৃদ্ধির কারণেই টুর্নামেন্টের দৈর্ঘ্যও বেড়েছে। উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজটেকা স্টেডিয়ামে। স্বাগতিক মেক্সিকো সেই ম্যাচে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকার। আর ১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই মহাযজ্ঞ।

নতুন ফরম্যাটে কী পরিবর্তন এসেছে?

এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যায়। ১৯৯৮ সাল থেকে বিশ্বকাপ ৩২ দলের ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালে প্রথমবারের মতো অংশ নেবে ৪৮টি দল। এই দলগুলোকে ভাগ করা হবে চারটি করে দল নিয়ে ১২টি গ্রুপে। প্রতিটি দল গ্রুপপর্বে তিনটি করে ম্যাচ খেলবে। এরপর প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল সরাসরি পরের রাউন্ডে যাবে। পাশাপাশি ১২টি গ্রুপের মধ্যে সেরা আটটি তৃতীয় স্থানাধিকারী দলও নকআউট পর্বে জায়গা পাবে। নকআউট পর্বে মোট ৩২টি দল খেলবে। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ৩২ দলের নকআউট রাউন্ড দেখা যাবে।

টুর্নামেন্টের সূচি কেমন?

গ্রুপপর্ব চলবে ১১ জুন থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে ৭২টি ম্যাচ। এরপর ২৮ জুন থেকে শুরু হবে ৩২ দলের নকআউট পর্ব। ৪ থেকে ৭ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে শেষ ষোলো। কোয়ার্টার ফাইনাল হবে ৯ থেকে ১১ জুলাই। ১৪ ও ১৫ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে দুটি সেমিফাইনাল। ১৮ জুলাই হবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ১৯ জুলাই হবে মহারণ—ফাইনাল।

কোথায় অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপ?

বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তিনটি দেশ একসঙ্গে টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে। আয়োজক দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডা। সবচেয়ে বেশি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটির আটালান্টা, বোস্টন, ডালাস, হিউস্টন, কানসাস সিটি, লস অ্যাঞ্জেলেস, মিয়ামি, ফিলাডেলফিয়া, সিয়াটল, সান ফ্রান্সিসকো-সান্তা ক্লারা এবং নিউ ইয়র্ক-নিউ জার্সি অঞ্চলের স্টেডিয়ামগুলো বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করবে।

মেক্সিকোতে খেলা হবে মেক্সিকো সিটি, গুয়াদালাহারা এবং মন্টেরেতে। অন্যদিকে কানাডার দুটি শহর—টরন্টো ও ভ্যানকুভার—বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করবে। বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে আজটেকা স্টেডিয়াম। কারণ এই স্টেডিয়ামই প্রথম ভেন্যু হিসেবে তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপ আয়োজনের ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে।

বাংলাদেশে খেলা দেখার সময়সূচি

তিনটি দেশ এবং চারটি ভিন্ন সময় অঞ্চলে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে সময়সূচি হবে বেশ বৈচিত্র্যময়। একেকটি ম্যাচের শুরু হওয়ার সময়ের মধ্যে পার্থক্য থাকবে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত। বাংলাদেশে বেশির ভাগ খেলাগুলো দেখা যাবে রাত ভোর ৪টা থেকে সকাল ৭টায়, আবার কোনো কোনো ম্যাচ রাত ১০টা, রাত ১টায়ও শুরু হবে।

শিরোপার প্রধান দাবিদার কারা?

বিশ্বকাপের আগে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে স্পেন। ইংল্যান্ডও রয়েছে শিরোপার দৌড়ে। ফ্রান্সকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা আবারও অন্যতম শক্তিশালী দল হিসেবে আসছে। বাছাইপর্বে কিছুটা অনিয়মিত পারফরম্যান্স করলেও বিশ্বকাপের মঞ্চে ব্রাজিলকে কখনোই হিসাবের বাইরে রাখা যায় না। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ঐতিহ্য ও প্রতিভার গভীরতা সব সময়ই তাদের অন্যতম দাবিদার করে রাখে।

কোন দলগুলো চমক দেখাতে পারে?

বিশ্বকাপের প্রতিটি আসরেই কিছু দল প্রত্যাশার চেয়ে ভালো করে। ২০২৬ সালে সেই তালিকায় থাকতে পারে নরওয়ে, মরক্কো, জাপান, কলম্বিয়া এবং মিসর।

কারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলবে?

২০২৬ বিশ্বকাপ নতুন কয়েকটি দেশের জন্য বিশেষ স্মরণীয় হতে যাচ্ছে। কুরাসাও, কেপ ভার্ডে, উজবেকিস্তান এবং জর্ডান প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলবে। দেশ হিসেবে নতুন নাম গ্রহনের পর এবারই প্রথম কঙ্গো রিপাবলিক বিশ্বকাপে খেলছে। তবে এই দেশটির পূর্বনাম ছিল জায়ারে। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে জায়ারে অংশ নিয়েছিল।

কেন ২০২৬ বিশ্বকাপ ইতিহাসে আলাদা?

এই বিশ্বকাপকে বিশেষ করে তুলেছে একাধিক কারণ। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে। প্রথমবারের মতো ম্যাচ সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে ১০৪-এ পৌঁছেছে। প্রথমবারের মতো তিনটি দেশ একসঙ্গে আয়োজন করছে টুর্নামেন্টটি। আবার প্রথমবারের মতো ৩২ দলের নকআউট পর্ব দেখা যাবে। সব মিলিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ শুধু আরেকটি বিশ্বকাপ নয়; এটি ফুটবলের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। উত্তর আমেরিকার মাটিতে আগামী জুনে শুরু হতে যাওয়া এই আসরকে ঘিরে তাই ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে বিশ্বজুড়ে অপেক্ষার প্রহর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেক্সাসের ‘ইন্ডিয়ান রেঁস্তোরায়’ যে কারণে একজন ভারতীয়কেও নিয়োগ দেননি মালিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৫৪ এম


টেক্সাসের ‘ইন্ডিয়ান রেঁস্তোরায়’ যে কারণে একজন ভারতীয়কেও নিয়োগ দেননি মালিক

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে অবস্থিত একটি ভারতীয় রেস্তোরাঁর মালিক, ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাশমি ভাট জানিয়েছেন যে, তিনি তার রেস্তোরাঁয় ভারতীয় কর্মী নিয়োগ করেন না। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিওতে তিনি এ কথা জানিয়েছেন, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

‘সেভেন মঙ্কস ক্যাফে’-এর মালিক রাশমি ভাট ভিডিওতে বলেন, “আমি আমার ভারতীয় রেস্তোরাঁয় ভারতীয়দের নিয়োগ দিই না।” তিনি এই মন্তব্যের জন্য স্বীকার করেন যে, এটি সাধারণত মানুষকে বিস্মিত করে।

ভাটের ভাষ্য হলো, তাঁদের লক্ষ্য এমন একটি দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ দল গঠন করা, যারা রেস্তোরাঁর সাফল্যে সহায়তা করবে—এ ক্ষেত্রে কর্মীদের জাতিগত পরিচয় বা গায়ের রঙের গুরুত্ব নেই। তিনি বলেন, “আমরা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থী, একক মায়েরা এবং জীবনে নতুন সুযোগ খুঁজছেন এমন অবসরপ্রাপ্তদের নিয়োগ দিয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, তার অনেক কর্মী চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে কখনো ভারতীয় খাবারও খাননি। তবে এখন তাঁরা সহজেই টিক্কা মাসালা ও কোরমার পার্থক্য বুঝে দিতে পারেন, সমোসা সম্পর্কে গ্রাহকদের ব্যাখ্যা করতে পারেন এবং নিজেদের পছন্দের খাবারও সুপারিশ করতে পারেন।

ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা ছিল, “আমার ভারতীয় রেস্তোরাঁয় প্রায় কোনো ভারতীয় কর্মী নেই। এ কারণেই এটি সফলভাবে কাজ করছে।”

ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই ভাটের নিয়োগ নীতির প্রশংসা জানিয়েছেন, কিন্তু কেউ কেউ এর সমালোচনা করেছেন।

একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “আমি চাই আমার ভারতীয় খাবার একজন ভারতীয়ই তৈরি করুক।”

আরেকজন লেখেন, “আপনার নিয়োগনীতি ভালো হতে পারে, কিন্তু যদি ভারতীয় রাঁধুনি না থাকে, তাহলে আমি সেখানে খাব না।”

অন্য একজন প্রশ্ন তোলেন, “আপনি যদি সচেতনভাবে একটি জাতিগোষ্ঠীকে বাদ দেন, তাহলে এটিকে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক বলা যায়?”

রাশমি ভাটের এই মন্তব্য ও নিয়োগনীতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাত ১০টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা রাখার অনুমতি চায় মালিক সমিতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১২:৫৮ এম


রাত ১০টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা রাখার অনুমতি চায় মালিক সমিতি

বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছে যাতে দেশের সব দোকান, বিপণিবিতান ও শপিংমল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়। সংগঠনটির দাবি, বিদ্যমান সময়সীমার কারণে খুচরা বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে; ফলে ব্যবসা, কর্মসংস্থান এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ক্ষতির মুখে পড়ছে।

রোববার, প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো একটি আবেদনপত্র এবং পরদিন প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এই দাবি তুলে ধরে। সমিতির সভাপতি নাজমুল হাসান মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, দেশের খুচরা বাণিজ্য অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খাত। শহর, মফস্বল এবং গ্রামীণ অঞ্চলের অসংখ্য দোকান, বাজার ও শপিংমলকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক মানুষের জীবিকা গড়ে উঠেছে। এই খাতের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছেন প্রায় ৭০ লাখ দোকানমালিক, কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা।

সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, ব্যাংকঋণের কিস্তি, কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য পরিচালন ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে গেছে। ফলে অনেক উদ্যোক্তা আর্থিক চাপের মধ্য দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন।

এছাড়াও চাকরি ও অন্যান্য পেশাগত ব্যস্ততার কারণে অধিকাংশ ক্রেতা দিনের পরিবর্তে বিকেল কিংবা সন্ধ্যার পর কেনাকাটার জন্য বাজারে আসেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে হওয়ায় সম্ভাব্য বিক্রির বড় একটি অংশ হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে।

সমিতির মতে, প্রতিদিন দুপুর ১২টা বা সরকার নির্ধারিত যে কোনো সময় থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান ও শপিংমল পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হলে ক্রেতারা সুবিধাজনক সময়ে কেনাকাটা করতে সক্ষম হবেন। একই সাথে ব্যবসায়ীদের বিক্রি বাড়বে, কর্মসংস্থান সুরক্ষিত থাকবে এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। এতে সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পেতে পারে, এমনকি মনে করছে সংগঠনটি।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সময়সীমা বাড়ানোর দাবি বাস্তবায়ন না হলে বিপুলসংখ্যক ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং বৃহৎ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর্থিক সংকটে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অনেক উদ্যোক্তা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হতে পারে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার গত ১ জুন থেকে দোকান, মার্কেট এবং শপিংমল সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার নির্দেশনা পুনরায় কার্যকর করে। ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাময়িকভাবে রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হলেও, সেই সুবিধার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আগের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। একই নির্দেশনার আওতায় বিলবোর্ডের আলোকসজ্জা, মেলা, বাণিজ্যমেলা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার বিধান কার্যকর রয়েছে।

তবে দোকান খোলার সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%