প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে অবস্থিত একটি ভারতীয় রেস্তোরাঁর মালিক, ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাশমি ভাট জানিয়েছেন যে, তিনি তার রেস্তোরাঁয় ভারতীয় কর্মী নিয়োগ করেন না। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিওতে তিনি এ কথা জানিয়েছেন, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
‘সেভেন মঙ্কস ক্যাফে’-এর মালিক রাশমি ভাট ভিডিওতে বলেন, “আমি আমার ভারতীয় রেস্তোরাঁয় ভারতীয়দের নিয়োগ দিই না।” তিনি এই মন্তব্যের জন্য স্বীকার করেন যে, এটি সাধারণত মানুষকে বিস্মিত করে।
ভাটের ভাষ্য হলো, তাঁদের লক্ষ্য এমন একটি দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ দল গঠন করা, যারা রেস্তোরাঁর সাফল্যে সহায়তা করবে—এ ক্ষেত্রে কর্মীদের জাতিগত পরিচয় বা গায়ের রঙের গুরুত্ব নেই। তিনি বলেন, “আমরা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থী, একক মায়েরা এবং জীবনে নতুন সুযোগ খুঁজছেন এমন অবসরপ্রাপ্তদের নিয়োগ দিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, তার অনেক কর্মী চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে কখনো ভারতীয় খাবারও খাননি। তবে এখন তাঁরা সহজেই টিক্কা মাসালা ও কোরমার পার্থক্য বুঝে দিতে পারেন, সমোসা সম্পর্কে গ্রাহকদের ব্যাখ্যা করতে পারেন এবং নিজেদের পছন্দের খাবারও সুপারিশ করতে পারেন।
ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা ছিল, “আমার ভারতীয় রেস্তোরাঁয় প্রায় কোনো ভারতীয় কর্মী নেই। এ কারণেই এটি সফলভাবে কাজ করছে।”
ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকেই ভাটের নিয়োগ নীতির প্রশংসা জানিয়েছেন, কিন্তু কেউ কেউ এর সমালোচনা করেছেন।
একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “আমি চাই আমার ভারতীয় খাবার একজন ভারতীয়ই তৈরি করুক।”
আরেকজন লেখেন, “আপনার নিয়োগনীতি ভালো হতে পারে, কিন্তু যদি ভারতীয় রাঁধুনি না থাকে, তাহলে আমি সেখানে খাব না।”
অন্য একজন প্রশ্ন তোলেন, “আপনি যদি সচেতনভাবে একটি জাতিগোষ্ঠীকে বাদ দেন, তাহলে এটিকে কীভাবে অন্তর্ভুক্তিমূলক বলা যায়?”
রাশমি ভাটের এই মন্তব্য ও নিয়োগনীতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন