বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৩:৪১ এম
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের ফলে এক স্থানীয় বাঙালি নাগরিক গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৪ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে, উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রেজু আমতলী সীমান্তসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় একটি ঘটনা ঘটে।
সীমান্ত সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর গর্জনবুনিয়া বিওপির সীমান্ত পিলার-৪১ থেকে প্রায় ৪০০ মিটার বাংলাদেশের ভেতরে পাহাড়ি এলাকায় কলা বাগানে কাজ করার সময় ল্যান্ডমাইনটি বিস্ফোরিত হয়। এতে স্থানীয় বাসিন্দা মো. শফি (৩৫) গুরুতর আহত হন। তিনি ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রেজু আমতলী এলাকায় বাসিন্দা এবং কালুর পুত্র।
বিস্ফোরণের ঘটনার পর, স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্টরা আহত শফিকে উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য, তাঁকে কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এই ঘটনার কারণে সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং স্থানীয়রা সীমান্তসংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় চলাচলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন। নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক এবং নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হাসান এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কানাডাকে হারিয়ে সুইজারল্যান্ড তাদের নিয়েই বিশ্বকাপের নকআউটে উঠে গেছে। সুইসরা এখন ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। রানার্সআপ কানাডার বিরুদ্ধে তাদের জয় এসেছে ২-১ গোলে। একই সময় অনুষ্ঠিত কাতার-বসনিয়া এন্ড হার্জেগোভিনা ম্যাচে ইউরোপের দলটি ৩-১ গোলে জয়লাভ করেছে।
সুইজারল্যান্ড গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ৭ পয়েন্ট নিয়ে। বসনিয়ার সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট থাকলেও তারা গোল ব্যবধানে পিছিয়ে রয়েছে, ফলে কানাডা হয়েছে দ্বিতীয়। তৃতীয় অবস্থানে থাকা বসনিয়ার নকআউটপ্রসঙ্গে নির্ভর করছে অন্য গ্রুপগুলোর তৃতীয় হওয়া দলগুলোর ফলাফলের উপর। ১২ দলের মধ্যে সেরা আটে থাকতে পারলেই তারা শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেবে। কাতার বাদ পড়ে গেছে।
আগের ম্যাচে মাত্র ১ পয়েন্ট অর্জন করা বসনিয়া প্রথমার্ধ শেষে ২-১ গোলে এগিয়ে ছিল। ২৯ মিনিটে কেরিম আলাজবেগোভিচ একটি গোল করে দলকে লিড এনে দেয় এবং ৫ মিনিটের মধ্যে তাদের দ্বিতীয় গোলটি আসে কাতারের ভুলের মাধ্যমে। সুলতান আল ব্রেক আত্মঘাতী গোলটি করেন।
বিরতির কয়েক মিনিট আগে কাতারের পক্ষে হাসান গোল করে ব্যবধান কমান। তাকে সহায়তা দেন এডমিলসন জুনিয়র। কাতার দলটি বিরতির আগে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল, যদি না পেড্রো মিগুয়েলের গোলটি হত। কিন্তু তাদের আর গোল করার সুযোগ হয়নি। উল্টো ৮০ মিনিটে এরমিন মাহমিচের গোলকরা কাতারের আশা একপ্রকার শেষ করে দেয়।
কাতার-বসনিয়া ম্যাচের প্রথমার্ধে ৩ গোল দেখা গেলেও সুইজারল্যান্ড-কানাডা ম্যাচের প্রথম ৪৫ মিনিটে কোনো গোল হয়নি। তবে বিরতির পর সুইজারল্যান্ডকে এগিয়ে দেন রুবেন ভারগাস। ৫৭ মিনিটে তারা আরও একটি গোল করে, এবার জাল কাঁপান জোহান মানজাম্বি। ৭৬ মিনিটে কানাডার পক্ষে প্রমিস ডেভিড গোল করলেও, শুধু ব্যবধান কমিয়েছে, ম্যাচের ফল আর বদলাতে পারেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মায়ামি স্টেডিয়ামে ব্রাজিল এবং স্কটল্যান্ড একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে। এ পর্যন্ত দুদল ১০ ম্যাচে একত্রিত হয়েছে। ব্রাজিল ৮ ম্যাচে জয়লাভ করেছে, অন্যদিকে ২টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
নেইমার জুনিয়র এবং এন্দরিকদের কাউকেই ব্রাজিলের একাদশে রাখা হয়নি। তাদের সকলের স্থান হয়েছে বেঞ্চে।
বরাবরের মত ব্রাজিলের একাদশের সদস্যরা হলেন: অ্যালিসন বেকার, দানিলো, মার্কুইনহোস, গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহাস, ডগলাস সান্তোস, ক্যাসেমিরো, ব্রুনো গুইমারেস, লুকাস পাকুয়েতা, রায়ান, ম্যাথুস কুনহা এবং ভিনিসিউস জুনিয়র।
এই ম্যাচে, যদি ব্রাজিল জিতে বা ড্র করে, তাহলে তারা অন্তত রানার্সআপ হবে। তাদের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নকআউট নিশ্চিত করার পর স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের শুরুতেই গোল পেয়েছে ব্রাজিল।
ম্যাচের ছয় মিনিটের মধ্যে গোল করেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। এ কারণে সেলেসাওরা ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছে।
দুটি ম্যাচ শেষে ব্রাজিল এবং মরক্কোর উভয়ের সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট। একই সময়ে, মরক্কো মুখোমুখি হবে গ্রুপের তলানিতে অবস্থান করা হাইতির।
ফলে দুটি দলই যদি জিতে যায়, তাহলে গ্রুপসেরা নির্ধারিত হবে গোল ব্যবধানে। বর্তমানে +৩ গোল ব্যবধান নিয়ে এগিয়ে রয়েছে ব্রাজিল, যেখানে মরক্কোর গোল ব্যবধান +১। এর জন্য স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে প্রতিটি গোল খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
ইতিহাসও ব্রাজিলের পক্ষে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এখন পর্যন্ত ১০টি ম্যাচ খেলেছে। এর মধ্যে ৮টি ম্যাচে জয় পেয়েছে সেলেসাওরা এবং বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে অন্য আরেকটি কার্ড দেখলে নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন না কাসেমিরো এবং ডগলাস সান্তোস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লাইভগ্রুপ সি
স্কটল্যান্ড ০–১ ব্রাজিল
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬
পরবর্তী খেলাসমূহ
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬[গ্রুপ সি] ভোর ৪টা
মরক্কো – হাইতি
মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়াম, আটলান্টা, যুক্তরাষ্ট্র
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬[গ্রুপ এ] সকাল ৭টা
মেক্সিকো – চেক প্রজাতন্ত্র
এস্তাদিও আজতেকা, মেক্সিকো সিটি, মেক্সিকো
আরও পড়ুন
সাশ্রয়ী মূল্যে এআই স্মার্ট চশমা বাজারে আনার ঘোষণা মেটার
হোয়াটসঅ্যাপ না খুলেই হোম স্ক্রিন থেকে পাঠানো যাবে ভয়েস মেসেজ, কীভাবে?
হোয়াটসঅ্যাপে বাড়ছে সাইবার হামলা, ৫ উপায়ে সুরক্ষিত রাখুন অ্যাকাউন্ট
এআই মানুষের বিকল্প নয় বরং বাড়াবে কর্মসংস্থান: জেফ বেজোস
বিজ্ঞান ও গবেষণার জগতকে বদলে দিতে আসছে ‘চ্যাটজিপিটি ফর সায়েন্স’
দ্রুতগতির ইন্টারনেট এখন দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। অনলাইন মিটিং, অনলাইন ক্লাস, ভিডিও স্ট্রিমিং কিংবা সাধারণ ব্রাউজিং—সবকিছুর জন্যই নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন। তবে অনেক সময় ভালো ব্রডব্যান্ড প্যাকেজ ব্যবহার করলেও কাঙ্ক্ষিত গতি পাওয়া যায় না। এমন পরিস্থিতিতে কিছু সহজ কৌশল অনুসরণ করে ইন্টারনেটের কার্যকারিতা বাড়ানো সম্ভব।
প্রথমেই রাউটারের অবস্থানের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। অনেকেই রাউটারকে আলমারি, টিভির পেছন বা মোটা দেয়ালের পাশে রাখেন, যা ওয়াই-ফাই সিগন্যালের পথে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে সংযোগ দুর্বল হয়ে যায় এবং ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে। তাই রাউটার এমন জায়গায় রাখা উচিত, যেখানে চারপাশ খোলা থাকে এবং সিগন্যাল সহজে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
রাউটার দীর্ঘদিন একটানা চালু থাকলেও এর কর্মক্ষমতায় প্রভাব পড়তে পারে। তাই নির্দিষ্ট সময় পরপর রাউটার বন্ধ করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আবার চালু করা ভালো। এতে ডিভাইসটি নতুন করে কার্যক্রম শুরু করতে পারে এবং অনেক ক্ষেত্রে ধীরগতির সমস্যা দূর হয়।
রাউটারের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বাসার এক কোণে রাউটার রাখলে দূরের কক্ষগুলোতে সিগন্যাল দুর্বল হতে পারে। এজন্য রাউটারকে যতটা সম্ভব ঘরের কেন্দ্রীয় স্থানে রাখার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এতে পুরো বাড়িতে তুলনামূলকভাবে সমান সিগন্যাল পাওয়া যায়।
যদি এসব পদ্ধতিতেও সমস্যার সমাধান না হয়, তাহলে রাউটারের রিসেট অপশন ব্যবহার করা যেতে পারে। অধিকাংশ রাউটারে একটি ছোট রিসেট বাটন থাকে, যা চেপে ধরলে ডিভাইসটি ডিফল্ট সেটিংসে ফিরে যায়। এতে অনেক প্রযুক্তিগত ত্রুটি দূর হতে পারে। তবে রিসেটের পর পুনরায় নেটওয়ার্ক সেটআপ করতে হবে।
এ ছাড়া রাউটারের সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার নিয়মিত হালনাগাদ রাখা প্রয়োজন। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো নিরাপত্তা ও কর্মক্ষমতা উন্নত করতে নিয়মিত আপডেট প্রকাশ করে। পুরোনো সফটওয়্যার ব্যবহার করলে ইন্টারনেটের গতি ও স্থিতিশীলতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
সব মিলিয়ে, ধীরগতির ইন্টারনেট মানেই যে নতুন বা আরও ব্যয়বহুল প্যাকেজ নিতে হবে, তা নয়। অনেক ক্ষেত্রে রাউটারের সঠিক ব্যবহার, অবস্থান পরিবর্তন, পুনরায় চালু করা, রিসেট করা কিংবা নিয়মিত আপডেটের মাধ্যমে সংযোগের গুণগত মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করা সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ