ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পটুয়াখালীতে জি-৯ কলার বাণিজ্যিক চাষে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা


পটুয়াখালীতে জি-৯ কলার বাণিজ্যিক চাষে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা

পটুয়াখালী, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় উচ্চ ফলনশীল জি-৯ (গ্র্যান্ড নাইন) জাতের কলার বাণিজ্যিক চাষ করে নতুন সম্ভাবনার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন কৃষক ও উদ্যোক্তা শাহ আলম জমাদ্দার।

আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদ, কৃষি বিভাগের পরামর্শ এবং সমন্বিত বাগান ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে তিনি লাভজনক কৃষির একটি সফল মডেল গড়ে তুলেছেন। কম খরচ ও স্বল্প সময়ে জি-৯ (গ্র্যান্ড নাইন) জাতের কলা চাষের পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন জাতের ফসলের চাষ ও ভালো ফলন পাওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে কলা চাষে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দশমিনা উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের দক্ষিণ রণগোপালদী গ্রামের বাসিন্দা শাহ আলম জমাদ্দার দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে কৃষিকাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত। প্রচলিত ফল চাষের পাশাপাশি নতুন ও লাভজনক জাতের ফসল নিয়ে কাজ করার আগ্রহ থেকেই তিনি উচ্চ ফলনশীল জি-৯ কলা চাষের উদ্যোগ নেন। অনলাইনে বিভিন্ন কৃষিবিষয়ক ভিডিও দেখে এ জাতের কলা সম্পর্কে ধারণা লাভের পর তিনি রংপুরের একটি নার্সারি থেকে প্রথম দফায় ১০০টি টিস্যু কালচার চারা সংগ্রহ করেন। বর্তমানে তার বাগানে দেড় শতাধিক জি-৯ কলার গাছ রয়েছে।

আরও পড়ুন: মাদারীপুরে ইসলামী আন্দোলনের জেলা মজলিসে শুরার বৈঠক অনুষ্ঠিত

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এসএসিপি-রেইনস প্রকল্পের আওতায় শাহ আলম জমাদ্দারকে নগদ আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি ৩০টি জি-৯ কলার চারা এবং প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিয়মিত তার বাগান পরিদর্শন করে আধুনিক পরিচর্যা পদ্ধতি, রোগবালাই দমন এবং উৎপাদন ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কারিগরি পরামর্শ দিয়ে আসছেন।

শাহ আলম জমাদ্দার বাসস’কে বলেন, এর আগে তিনি বরইসহ বিভিন্ন ফলের চাষ করে সফলতা অর্জন করেছিলেন। পরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরামর্শ এবং এসএসিপি-রেইনস প্রকল্পের সহায়তায় জি-৯ কলা চাষে উদ্বুদ্ধ হন। বর্তমানে তিনি প্রায় ২ একর জমিতে ১২ ফুট দূরত্ব বজায় রেখে কলার চারা রোপণ করেছেন। একই সঙ্গে জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে কলাগাছের মাঝখানে আমের চারা রোপণ করেছেন, যা সমন্বিত বাগান ব্যবস্থাপনার একটি কার্যকর উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, জি-৯ জাতের কলার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর উচ্চ ফলন এবং বাজারে ভালো দাম। সাধারণ জাতের তুলনায় এ কলার আকার বড় এবং প্রতিটি কাঁদিতে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০টি পর্যন্ত কলা ধরে। বর্তমানে তার বাগানের ১৫ থেকে ১৬টি গাছে ফল এসেছে। পাশাপাশি নিজস্ব নার্সারিতে উৎপাদিত প্রতিটি টিস্যু কালচার চারা ন্যূনতম ১০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন, যা তার জন্য অতিরিক্ত আয়ের উৎস তৈরি করেছে।

শাহ আলম আরও জানান, বাগান স্থাপনের প্রাথমিক পর্যায়ে তার প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। তবে সঠিক পরিচর্যা এবং বাজার পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে এ চাষ থেকে উল্লেখযোগ্য লাভ করা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদী। তার মতে, অন্যান্য অনেক ফসলের তুলনায় জি-৯ কলা চাষে শ্রমের প্রয়োজন কম। গাছ বড় হওয়ার পর প্রয়োজন অনুযায়ী বাঁশের ঠেকনা দিলেই তা নিরাপদ থাকে। এছাড়া তিনি নিয়মিত অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার না করে প্রয়োজন অনুযায়ী মোচা কাটার পর ফলকে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষায় সীমিত পরিসরে কীটনাশক প্রয়োগ করেন।

আরও পড়ুন: বাড়িতে ফিরল সৌদিতে নিহত সাহেদের নিথর দেহ, স্ত্রী-সন্তানের আহাজারি

তিনি বলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাফর আহমেদের পরামর্শে তিনি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, উন্নত জাতের ফলের চারা এবং লাভজনক বাগান ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। কৃষি বিভাগের নিয়মিত সহযোগিতা ও পরামর্শই তাকে নতুন উদ্যোগ গ্রহণে সাহস জুগিয়েছে।

শাহ আলম জমাদ্দারের নার্সারিতে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী অনুপ কুমার শানু বলেন, জি-৯ কলার এমন পরিকল্পিত ও পরিচ্ছন্ন বাগান এ এলাকায় খুব একটা দেখা যায় না। বাগানটি দেখে তিনি মুগ্ধ হয়েছেন। তার মতে, এ ধরনের আধুনিক ও উচ্চ ফলনশীল কলা চাষ অন্য কৃষকদেরও নতুনভাবে উদ্বুদ্ধ করবে। কৃষি বিভাগের সহায়তায় এমন উদ্যোগ বাড়লে কৃষকরা আরও বেশি লাভবান হবেন এবং এলাকার কৃষিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

নার্সারিতে ঘুরতে আসা দশমিনা উপজেলার সাংবাদিক সঞ্জয় ব্যানার্জি বলেন, জি-৯ কলার বাগান দশমিনায় সম্ভবত এটাই প্রথম। আশা করি এই বাগানের কলা দশমিনাসহ পাশ্ববর্তী উপজেলাসমূহ তথা দক্ষিণাঞ্চলে কলার চাহিদা পূরণে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। শাহ আলম জমাদ্দারের জন্য শুভ কামনা রইলো।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাফর আহমেদ বাসস’কে বলেন, জি-৯ একটি উচ্চ ফলনশীল, রোগসহনশীল ও বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক কলার জাত। ফলন বেশি হওয়ায় কৃষক সহজেই ভালো আয় করতে পারেন। কৃষি বিভাগ শাহ আলম জমাদ্দারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের কারিগরি পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: সিলেটে হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ২০০

তিনি আরো বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি সম্প্রসারণের মাধ্যমে প্রতিটি ইউনিয়নে শাহ আলমের মতো নতুন কৃষি উদ্যোক্তা গড়ে তুলতে কৃষি বিভাগ কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এআই প্রশিক্ষণে দুর্লভ বই ধ্বংস, উদ্বিগ্ন বই বিক্রেতারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৮ পি.এম


এআই প্রশিক্ষণে দুর্লভ বই ধ্বংস, উদ্বিগ্ন বই বিক্রেতারা

এআইয়ের প্রশিক্ষণের জন্য দুর্লভ বই ধ্বংস করতে যাওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন বই বিক্রেতারা।

অনলাইন ডেস্ক থেকে জানানো হয়, ১০ আগস্ট, ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘কখনো কখনো বইয়ের বিষয়বস্তুর চেয়েও বই নিজেই আপনাকে বেশি কিছু বলে’, এ কথা বলেছেন টিম হোয়াইট। তিনি মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উইলসন হলে মেলবোর্ন রেয়ার বুক ফেয়ারের জন্য নিজের স্টল সাজাচ্ছিলেন।

টিম হোয়াইট অস্থায়ী তাকের ওপর প্লাস্টিকের আবরণে যত্ন করে রাখা মলাটবাঁধাই বই ও পুস্তিকা সাজিয়ে রেখেছিলেন। তিনি ‘বুকস ফর কুকস’ নামের একটি স্বাধীন বইয়ের দোকান চালান। তার মতে, বই শুধু ভেতরের লেখা বা তথ্যের জন্য নয়, বইয়ের আকার, মলাট ও চেহারাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন।

হোয়াইট বলেন, ‘খাবার ও সমাজের সম্পর্ক নিয়ে আমরা আগ্রহী। তাই আমরা বিভিন্ন ধরনের বই খুঁজি। এসব বই খাবার, সমাজ ও মানুষের জীবন সম্পর্কে নানা দিক তুলে ধরে।’ তিনি আরও বলেন, ‘দুর্লভ বই বিক্রেতাদের বেশিরভাগই এভাবে কাজ করেন। আমরা এমন বই ও জিনিস নিয়ে কাজ করি, যেগুলোর পেছনে একটি গল্প রয়েছে।’

তবে বই বিক্রেতা ও দুর্লভ বইয়ের বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, যেহেতু জেনারেটিভ এআই কম্পানিগুলো এআই প্রশিক্ষণের জন্য পুরোনো ও মূল্যবান বই কিনে সেগুলো নষ্ট করার পক্ষে, তাই এতে তারা ভীত। যুক্তরাষ্ট্রে বইয়ের লেখকদের করা একটি কপিরাইট মামলা থেকেই এই উদ্বেগের শুরু। লেখকেরা এআই কম্পানি অ্যানথ্রোপিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

চলতি বছরের শুরুতে প্রকাশিত আদালতের নথিতে জানা যায়, অ্যানথ্রোপিক ‘ধ্বংসাত্মক স্ক্যানিং’ পদ্ধতি ব্যবহার করেছিল। এই পদ্ধতিতে তারা বই কিনে বাঁধাই কেটে ফেলত। এরপর বইয়ের পাতাগুলো দ্রুত স্ক্যান করা হতো। স্ক্যান শেষ হলে বইয়ের বাকি অংশ ফেলে দেওয়া হতো। কম্পানিটি বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু আদালত রায় দেন, মার্কিন কপিরাইট আইনে এই কাজ বৈধ। আদালতের মতে, এটি ‘রূপান্তরমূলক ব্যবহার’-এর আওতায় পড়ে।

এখন দেখা যাচ্ছে, জেনারেটিভ এআই কম্পানিগুলোর মধ্যে এভাবে বই সংগ্রহের প্রবণতা বেশ সাধারণ ঘটনা। সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই কাজ সহজ করতে মধ্যস্থতাকারীরাও যুক্ত হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার পুরোনো বই বিক্রেতারাও এ নিয়ে চিন্তিত। তাদের প্রশ্ন, অজান্তেই তারা কি এআই কম্পানিগুলোর বই সংগ্রহের কাজে যুক্ত হয়ে পড়ছেন? কারণ, সম্প্রতি তারা অনেক অর্ডার পাচ্ছেন, যা সাধারণ ক্রেতাদের আচরণের সঙ্গে মিলছে না।

একাধিক বই বিক্রেতা গার্ডিয়ান অস্ট্রেলিয়াকে জানান যে, তারা কানাডার জুম বুকস নামের একটি কোম্পানির কাছ থেকে বইয়ের অর্ডার পেয়েছেন। কম্পানিটি নিজেদের বই পুনর্ব্যবহারকারী হিসেবে পরিচয় দেয়। অর্ডারগুলো সাধারণত অ্যাবেবুকস বা বিব্লিওর মতো বড় অনলাইন পুরোনো বইয়ের বাজার থেকে এসেছে। এসব সাইটে সস্তা পেপারব্যাক বই থেকে শুরু করে দুর্লভ ও দামি বইও বিক্রি হয়।

ভিক্টোরিয়ার বেনাল্লায় ‘গুড রিডিং সেকেন্ডহ্যান্ড বুকস’-এর মালিক ডেলফিনা ম্যানর বলেন, মে মাসে তিনি জুম বুকসের কাছ থেকে একসঙ্গে তিন বাক্স বইয়ের অর্ডার পান। পরে তিনি কম্পানিটিকে অনুরোধ করেন, যেন ভবিষ্যতে এত বেশি বইয়ের অর্ডার না দেয়।

ম্যানর বলেন, ‘তারা অর্ডারের টাকা আগেই পরিশোধ করত এবং ডাক খরচ নিয়ে কোনো আপত্তি করত না। কিন্তু প্রতিবার প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি বইয়ের অর্ডার আসত। এতগুলো বই খুঁজে বের করা, প্যাকেট করা এবং কোনো বই বাদ পড়েনি তা নিশ্চিত করা আমার জন্য খুবই ঝামেলার ছিল।’

মেলবোর্নের সেইন্সবেরিস বুকসের মালিক জন সেইন্সবেরিও জানান, একই সময়ে তার দোকানের অনলাইন তালিকা থেকে জুম বুকসের অনেক অর্ডার এসেছিল। তিনি বলেন, অর্ডারগুলো বইয়ের দামের ওপর নির্ভর করত না। কোন বই কেন অর্ডার করা হচ্ছে, সেটিও স্পষ্ট ছিল না। অর্ডারে বিশেষ ধরনের বই, নিম্নমানের বই এবং কয়েক দশক পুরোনো বইও ছিল। এসব বই পাঠাতে সেইন্সবেরিসকে বিদেশে বেশ কয়েকটি বাক্স পাঠাতে হয়েছে।

সেইন্সবেরি তার প্রতিষ্ঠানকে ‘পুরোনো বইমেলার একজন সাধারণ বই বিক্রেতা’ হিসেবে বর্ণনা করেন। কারণ, তার দোকানে শুধু দুর্লভ বা বিশেষ বই বিক্রি হয় না। একই ধরনের অর্ডার পাওয়া অন্য বিক্রেতারাও মূলত সাধারণ পুরোনো বই বিক্রি করেন। তবে দামি ও বিশেষায়িত দুর্লভ বই বিক্রেতাদের কাছে এ ধরনের অর্ডার গেছে বলে মনে হয় না।

কিছু বই বিক্রেতার ধারণা, জুম বুকস হয়তো কম দামে বই কিনে পরে বেশি দামে বিক্রি করার জন্য এসব বই সংগ্রহ করছে। পুরোনো বইয়ের ব্যবসায় এ ধরনের কেনাবেচা সাধারণ ঘটনা। তবে জুম বুকসের কিছু নির্দিষ্ট অর্ডার তাদের কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়েছে।

একটি অর্ডারে, ১৯৭০-এর দশকের মৃত্তিকা বলবিদ্যার একটি ম্যানুয়ালের সঙ্গে ২০১০ সালের ‘বর্ন টু থান্ডার: চ্যাম্পিয়নস অব নিউজিল্যান্ড সাইক্লিং’ বই, ১৯৮২ সালে প্রকাশিত অস্ট্রেলীয় কবিতার একটি সংকলন এবং মেলবোর্নের হথর্ন এলাকার ইতিহাস নিয়ে একটি বই অন্তর্ভুক্ত ছিল। কবিতার বইটি মাত্র ৯ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। এটি প্রায় ২০ বছর ধরে দোকানের তাকেই পড়ে ছিল।

টিম হোয়াইট বলেন, এ ধরনের ঘটনা নিয়ে এক ধরনের ‘অদ্ভুত টানাপোড়েন’ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যদি এটি ২০ ডলারের একটি বই হয় এবং অস্ট্রেলিয়ায় এর ৫ লাখ কপি থাকে, তাহলে বইটি নষ্ট হলেও আমি খুব বেশি কষ্ট পাব না। কিন্তু কপিরাইট নিয়ে আমার আপত্তি থাকবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘কিন্তু বইটির মধ্যে যদি কোনো গল্প বা বিশেষ ঐতিহাসিক মূল্য থাকে, অথবা সেটি যদি একমাত্র কপি হয়, তাহলে বইটি নষ্ট হওয়া খুবই ভয়াবহ।’ তবে যেসব বই বিক্রেতার কাছে বিপুল পরিমাণ বই রয়েছে এবং সব বইয়ের তালিকা তৈরি করাই কঠিন, তাদের জন্য এ ধরনের বিক্রি সব সময় খারাপ নয়।

নিক ডাওয়েস তার স্ত্রী জেনির সঙ্গে গ্রান্ট’স বুকশপ চালান। তার ধারণা, তাদের গুদামে প্রায় ৫ লাখ বই রয়েছে। ডাওয়েস বলেন, ‘কেউ যদি এসে আমার সব বই কিনে নিয়ে সেগুলো কেটে টুকরো করে ফেলে, তাহলে একদিকে আমার খারাপ লাগবে, অন্যদিকে খুশিও হব। কারণ এত বই একসঙ্গে বিক্রি করা সহজ নয়। কিন্তু কেউ যদি বলে, ‘এই বইটির আর কোনো কপি নেই, আমি এটিকে কেটে ফেলব’, তাহলে আমি বলব, বইটি আপনার কাছে না পাঠানোই ভালো।’

শুধু এআই কম্পানিই নয়, লাভের জন্য বই নষ্ট করার ঘটনা আগেও ঘটেছে। কিছু বিক্রেতা দুর্লভ বই কিনে সেগুলো কেটে ফেলেছেন। পরে বইয়ের ভেতরের ছবি বা অলঙ্করণের পাতাগুলো আলাদাভাবে বিক্রি করেছেন। চ্যাটেলেইন বুকসের দুর্লভ বই বিক্রেতা গ্বেন্থ টড বলেন, “আমি কোন বই বিক্রি করার পর যদি দেখি, সেটির ভেতরের ছবিগুলো আলাদাভাবে বিক্রি হচ্ছে, তাহলে বিষয়টি আমার কাছে খুবই খারাপ লাগে।”

তিনি ক্রেতাদের সম্পর্কে খোঁজখবর নেন, যাতে বইগুলো ‘ভুল হাতে’ না যায়। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে বই শুধু একটি বস্তু নয়, এর চেয়েও বেশি কিছু।’ অ্যানথ্রোপিকের একজন মুখপাত্র বলেছেন, কম্পানিটি কখনো জুম বুকস থেকে বই কেনেনি। তবে তিনি জানান, এআই শিল্পে বড় ভাষা মডেল প্রশিক্ষণের জন্য বই সংগ্রহ করা একটি প্রচলিত পদ্ধতি।

তিনি বলেছেন, অ্যানথ্রোপিক সাধারণ বাণিজ্যিক বাজার থেকেই বই সংগ্রহ করে। তাদের কোনো বই সংগ্রহের কর্মসূচিতে দুর্লভ বা পুরোনো বই কিনে নষ্ট করা হয় না।

জুম বুকসের সহপ্রতিষ্ঠাতা মনরূপ গিল সম্প্রতি লিঙ্কডইনে এক পোস্টে জানান, গত কয়েক মাসে তাদের কম্পানিটি দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। এর আগে জুম বুকস বই নষ্ট করে স্ক্যান করার অভিযোগও অস্বীকার করেছে। কম্পানিটির এক মুখপাত্র গার্ডিয়ান অস্ট্রেলিয়াকে বলেন, ‘আমরা পুরোনো বই সংগ্রহ করি এবং সেগুলো অক্ষত অবস্থায় আবার বিক্রি করি। আমরা বই digital করি না। আমাদের প্রধান লক্ষ্য বই পুনরায় ব্যবহার করা। কোনো বই আর ব্যবহার বা বিক্রি করা সম্ভব না হলে আমরা সেটি দায়িত্বশীলভাবে পুনর্ব্যবহার করি।’

তবে জুম বুকস সচেতনভাবে এআই কম্পানিগুলোর কাছে বই নষ্ট করে স্ক্যান করার জন্য অক্ষत বই বিক্রি করেছে কি না, সে বিষয়ে কিছু জানায়নি। কম্পানিটি বলেছে, ‘আমাদের ব্যবসায়িক চুক্তিতে গোপনীয়তা রক্ষার শর্ত রয়েছে। তাই আমরা আমাদের গ্রাহকদের সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ বা আলোচনা করতে পারি না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন পার্বত্য জেলার এসএসসি ফলে সেরা লেকার্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


তিন পার্বত্য জেলার এসএসসি ফলে সেরা লেকার্স

এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে সেরা ফলাফল অর্জন করেছে রাঙ্গামাটির লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এ বছর এই প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৬১ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ পাস করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ৫৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। একই সাথে প্রতিষ্ঠানটি চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলেও ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে। ফলাফল প্রকাশের পর এই সাফল্যে আনন্দ মুখরিত হয়ে ওঠেন লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা। শিক্ষার্থীরা একে অপরকে অভিনন্দন জানিয়ে সাফল্যের আনন্দ ভাগ করে নেন। শিক্ষকেরা এবং অধ্যক্ষও কৃতী শিক্ষার্থীদের মিষ্টিমুখ করিয়ে বিশেষ অভিনন্দন জানান। ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মোট ১৬১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। তাদের প্রত্যেকেই উত্তীর্ণ হওয়ায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ১০০ শতাংশে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো, এর মধ্যে ৫৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে, অর্থাৎ মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ৩৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ শিক্ষার্থী পেয়েছে সর্বোচ্চ ফলাফল। কোনো শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়নি। তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফলাফল পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শতভাগ পাসের হার তাকে শীর্ষে নিয়ে এসেছে। তুলনামূলক ফলাফল অনুযায়ী খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাসের হার ৯৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাসের হার ৯৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাসের হার শতভাগ হওয়ায় এটি বিশেষ গুরুত্বের দাবি রাখে। শুধু তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে নয়, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলেও লেকার্সের অবস্থান ষষ্ঠ হওয়ায় এবারের এসএসসি ফলাফল রাঙ্গামাটির শিক্ষাঙ্গনে প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি বিশেষ অর্জন। সাফল্য পাওয়া শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, এই ফলাফল আসতে সময় লেগেছে। নিয়মিত পড়াশোনা, কঠোর পরিশ্রম এবং অভিভাবক ও শিক্ষকদের সহযোগিতা এই সাফল্যের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে। বিজ্ঞাপন আরও পড়ুন ময়মনসিংহ বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় ছাত্রীদের সাফল্য বেশি। শিক্ষার্থী জুঁই চাকমা বলেন, আমাদের শিক্ষকরা পড়াশোনার ক্ষেত্রে সবসময় আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। পরিবার থেকেও পেয়েছি সর্বোচ্চ সহযোগিতা। নিজেদের পরিশ্রম, শিক্ষক এবং পরিবারের সহযোগিতার ফলেই আজকের এই সাফল্য অর্জন করতে পেরেছি। শিক্ষক তুষার কান্তি দাশ বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও পরিশ্রমের পাশাপাশি তাদের নিয়মিত পাঠদান, একাডেমিক তদারকি এবং পরীক্ষার প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার কারণেই ভালো ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন। অধ্যক্ষ মেজর মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম বলেন, তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে প্রথম হওয়া এবং চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ষষ্ঠ স্থান অর্জন লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের জন্য অত্যন্ত আনন্দ এবং গর্বের বিষয়। এই অর্জনের পেছনে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আন্তরিকতা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতা রয়েছে। ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানবিক ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাবে। ফল প্রকাশের পর প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। কৃতী শিক্ষার্থীদের চারপাশে শিক্ষক ও সহপাঠীদের উচ্ছ্বাসের মাধ্যমে পুরো ক্যাম্পাস মুখর হয়ে ওঠে। কেউ সাফল্যের আনন্দে সহপাঠীদের সঙ্গে ছবি তুলছেন, কেউ আবার শিক্ষকদের সঙ্গে নিজেদের অর্জনের মুহূর্ত ভাগ করে নিচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভোলায় এসএসসিতে পাসের হার ৫৩.৭১ শতাংশ, মেয়েদের ফল সন্তোষজনক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


ভোলায় এসএসসিতে পাসের হার ৫৩.৭১ শতাংশ, মেয়েদের ফল সন্তোষজনক

ভোলা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) এবং সমমানের পরীক্ষায় ভোলায় পাসের হার বর্তমানে ৫৩ দশমিক ৭১ শতাংশে পৌঁছেছে। জেলায় মোট ১৪ হাজার ১৯৬ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে ৭ হাজার ৬২৫ জন পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, পাসের দিক দিয়ে এবারো ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ৩ হাজার ৪৫৯ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ৪ হাজার ১৫৬ জন। এর মানে হলো, মোট উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর মধ্যে মেয়েদের সংখ্যা বেশি।

জেলায় এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৪০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্রদের সংখ্যা ১৫৭ জন এবং ছাত্রীদের সংখ্যা ১৮৩ জন। দেখা যাচ্ছে, জিপিএ-৫ অর্জনে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।

জেলা শিক্ষা অফিসের প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ভোলায় মোট ২২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। ফল প্রকাশের পর জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বহু শিক্ষার্থী ও অভিভাবক কাক্সিক্ষত ফল পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

ফলাফলের পরিসংখ্যান নির্দেশ করছে, সংখ্যার বিচারে শুধু পাসের হারেই নয়, বরং জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। তাই, জেলার মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষায় মেয়েদের ধারাবাহিক সাফল্যের বিষয়টি এবারের পরীক্ষায় আবারো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

জেলার সামগ্রিক পাসের হার ৫৩ দশমিক ৭১ শতাংশে নেমে আসার কারণে শিক্ষার্থীদের ফলাফল উন্নয়নে বিদ্যালয়ভিত্তিক বিশ্লেষণ, দুর্বলতার কারণ চিহ্নিতকরণ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন অনুভব করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১,৮৮০ মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ১,৮৮০ মামলা

ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চলে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৮৮০ টি মামলা করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে রোববার এসব মামলা করা হয়।

আজ ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।

সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১৬ টি বাস, ২ টি কাভার্ডভ্যান, ১২ টি সিএনজি ও ৩৮ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৩৩ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ২০ টি বাস, ১২ টি ট্রাক, ১৭ টি সিএনজি এবং ৭৭ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৫৭ টি মামলা দায়ের হয়েছে। একইভাবে ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ২৭ টি বাস, ৪ টি ট্রাক, ১৭ টি কাভার্ডভ্যান, ৫৩ টি সিএনজি ও ১৫৩ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩০৭ টি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।

ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ২০ টি বাস, ২৮ টি ট্রাক, ১৪ টি কাভার্ডভ্যান, ৫ টি সিএনজি এবং ৪২ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৪৫ টি মামলা হয়েছে। অন্যদিকে, ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১৩ টি বাস, ৪ টি ট্রাক, ১১ টি কাভার্ডভ্যান, ৪৭ টি সিএনজি ও ১১৫ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৪৭ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ১৯ টি বাস, ২৪ টি ট্রাক, ৩৯ টি কাভার্ডভ্যান, ৩৫ টি সিএনজি ও ২২৬ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪১৯ টি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।

এভাবে ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ২৫ টি বাস, ৬ টি ট্রাক, ৪ টি কাভার্ডভ্যান, ৩২ টি সিএনজি ও ৮৮ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৩৬ টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগেও ২০ টি বাস, ২ টি ট্রাক, ৯ টি কাভার্ডভ্যান, ৪০ টি সিএনজি ও ৭৯ টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৩৬ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও, অভিযানকালে মোট ৫০০ টি গাড়ি ডাম্পিং এবং ৩৫৯ টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%