বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:০১ পি.এম
কাতার রিপোর্ট করছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নিরসনে অনুষ্ঠিত পরোক্ষ বৈঠকগুলো একটি সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারক ‘ইতিবাচক অগ্রগতি’ রূপে শেষ হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য জানান।
তিনি উল্লেখ করেন যে, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতার ও পাকিস্তান আজ দোহায় যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের আলোচকদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক পরিচালনা করেছে। লেক লুসার্ন সম্মেলনের ফলাফলকে ভিত্তি করে ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’-এর বিষয়গুলোর মধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি গড়ে উঠেছে।
এছাড়া, তিনি জানান যে, উভয় পক্ষই আগামী সময়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে এবং ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনেইয়ের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের পর পরবর্তী বৈঠকের সময় যত দ্রুত সম্ভব নির্ধারণ করা হবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় খামেনেই নিহত হন। ইরানি গণমাধ্যম বর্তমানে তাদের প্রচারণার মূল মনোযোগ শেষকৃত্যের প্রস্তুতির দিকে নিবদ্ধ করেছে। আগামী সপ্তাহের শোকমিছিল চলাকালীন দেশের কার্যক্রমে পরিবর্তন আনাসহ এই বিশাল আয়োজনের প্রতীকী তাৎপর্য নিয়ে কাজ চলছে।
তেহরানের প্রধান আলোচক ও ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবফ সকল ইরানি নাগরিককে নেতার শেষকৃত্যে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে, ইরানি সেনাবাহিনী শোকমিছিল চলাকালীন কোনো ধরনের ‘ভুল পদক্ষেপ’ বা হিসাব-নিকাশ না করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সতর্ক করে দিয়েছে।
মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার এবং পাকিস্তান যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যকার আলোচনা ইতিবাচক ছিল এবং যত দ্রুত সম্ভব এই আলোচনা পুনরায় শুরু হবে। তবে দোহায় আলোচনা বিষয়গুলো বর্তমানে অস্পষ্ট রয়ে গেছে।
ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, চুক্তির অংশ হিসেবে তাদের অবরুদ্ধ সম্পদ বা অর্থ ছাড়ের বিষয়ে আলোচনার জন্যই তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, 'অ্যাক্সিওস'-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ইরানকে কিছু পদক্ষেপ নিতে বিরত রাখার চেষ্টা করছিলেন, যা হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর মাশুল বা ফি আরোপের পরিকল্পনার ওপর ভিত্তি করে ছিল।
তবে আপাতত ইসলামি প্রজাতন্ত্রটির স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়বে, কারণ তারা খামেনেইকে সমাহিত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে আয়োজিত এই শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শাসকগোষ্ঠী মূলত তাদের ঘটনায় দায়ী পক্ষগুলোর কাছে নিজেদের টিকে থাকার সক্ষমতা ও শক্তি প্রদর্শন করতে চাইছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কাতার থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ৪০ কোটি ডলারের নতুন ‘এয়ারফোর্স ওয়ান’ উড়োজাহাজে প্রথমবারের মতো সফর করেছেন। তিনি এই বিলাসবহুল উড়োজাহাজ নিয়ে বেশ গর্বিত। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেছেন, ‘আপনি চাইলে এটি লুকিয়ে রাখতে পারেন, অথবা সবাইকে দেখাতে পারেন।’
বোয়িং ৭৪৭-৮০০ মডেলের উড়োজাহাজটির রং আগের মতো হালকা নীল নয়। বরং এখন ট্রাম্পের পছন্দের গাঢ় নীল, লাল এবং সোনালি রঙে রঙ করা হয়েছে। এর ভেতরে রয়েছে দামি কার্পেট, শোয়ার মতো আসন, চামড়ার চেয়ার এবং কাঠের দারুণ কারুকাজ।
বর্তমান প্রেসিডেনশিয়াল বিমানগুলোর বয়স অনেক বেশি হয়ে গেছে। নতুন বিমান আসতে অন্তত ২০২৮ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে। এই জন্য নতুন উড়োজাহাজটি মাঝের সময় ব্যবহারের জন্য সাময়িকভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে।
যদিও দ্রুত তৈরির কারণে এই উড়োজাহাজে কিছু ঘাটতি থেকে গেছে। এটি আগের মতো উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে সজ্জিত নয়। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি মূলত দেশের অভ্যন্তরে ভ্রমণের জন্য বেশি উপকারী। তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে তিনি তুরস্কের ন্যাটো সম্মেলনে এই বিমানেই যাবেন।
প্রেসিডেন্টের উড়োজাহাজের ছবি তোলা নিষেধ থাকলেও, হোয়াইট হাউসের কর্মীরা উড়োজাহাজের ভেতরের চমৎকার সব ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। মূলত ট্রাম্প বুধবার এই উড়োজাহাজে চড়ে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নর্থ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যে গিয়েছিলেন। কাতারকে এই উপহার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘যারা আমাদের সাথে খুব ভালো ব্যবহার করেছে, এটি তাদেরই উপহার।’ ব্যবহারের মেয়াদ শেষ হলে উড়োজাহাজটি ট্রাম্পের ‘প্রেসিডেনশিয়াল লাইব্রেরি’তে রাখা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় এডিপির ২০২৫–২৬ অর্থবছরের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় সরকারি উপকরণ বিতরণে অনিয়ম এবং স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার পর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা তাজুল ইসলাম একজন শিক্ষার্থীর নামে বরাদ্দ হওয়া সরকারি বাইসাইকেল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ফেরত দিয়েছেন। পাশাপাশি, অন্যান্য সরকারি উপকরণ বিতরণে অনিয়ম রয়েছে কি না, তা তদন্ত শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এডিপির বিশেষ বরাদ্দের আওতায় উপজেলার বিভিন্ন উপকারভোগীর মধ্যে বাইসাইকেল, সেলাই মেশিন, স্প্রে মেশিন, ছাগল, ফুটবল এবং হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। তবে এই বিতরণে দলীয় প্রভাব, স্বজনপ্রীতি এবং অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগের ভিত্তিতে, কোটচাঁদপুর কামিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাইমুন ইসলামের নামে একটি বাইসাইকেল বরাদ্দ হলেও সেটি তাকে না দিয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা তাজুল ইসলাম নিজেই মাস্টাররোলে স্বাক্ষর করে গ্রহণ করেন। অভিযোগ রয়েছে যে, পরে সেটি তার নাতনিকে প্রদান করা হয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়।
শিক্ষার্থী সাইমুন ইসলাম জানিয়েছেন যে, তার নামে বরাদ্দ হওয়া সাইকেলটি প্রাথমিকভাবে তিনি পাননি। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি আলোচনায় আসার পর বুধবার সাইকেলটি তার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
অভিযোগ উঠেছে, শুধু বাইসাইকেল নয়, সরকারি বরাদ্দের সেলাই মেশিন, স্প্রে মেশিন এবং অন্যান্য উপকরণও কিছু রাজনৈতিক নেতা এবং তাদের স্বজনদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে, মাওলানা তাজুল ইসলাম প্রথমদিকে দাবি করেছিলেন যে, সাইকেলটি প্রতিবেশী এক শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয়েছিল। তবে বিতর্কের সৃষ্টি হওয়ার পর সেটি প্রশাসনের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন বুলবুল সিডল মন্তব্য করেছেন যে, অভিযোগগুলো সত্য হলে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। সরকারি সম্পদ বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম গ্রহণযোগ্য নয়। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়টি ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মতিয়ার রহমানের নজরে আসলে তার পরামর্শে বুধবার দুপুরে বাইসাইকেলটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ফেরত দেওয়া হয়।
কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপা রানী বলেন, বাইসাইকেল বিতরণে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ পাওয়ার পর সেটি ফেরত নেওয়া হয়েছে এবং প্রকৃত উপকারভোগীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি সেলাই মেশিন, ছাগল, স্প্রে মেশিন এবং অন্যান্য সরকারি উপকরণ বিতরণে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা তদন্ত করার কাজ চলছে। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিললে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কয়েক মাসের স্থগিতাদেশের পর আবারও মার্কিন ডলার ইরাকে সরবরাহ করা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের দুই সহকারীর বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানযোগে সীমিত পরিসরে নগদ মার্কিন ডলার আবার বাগদাদে পাঠানো হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন গত এপ্রিল মাসে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের একটি চালান স্থগিত করে। একই সাথে ইরাকের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতার কিছু অংশও স্থগিত করা হয়েছিল।
এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ ছিল যে, ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়ারা ইরাকে মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনা ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থানে হামলা চালাচ্ছে এবং বাগদাদ সরকার তাদের নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
ইরাকে পাঠানো এই নগদ ডলার প্রধানত দেশের তেল বিক্রির আয় থেকে আসে এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে সংরক্ষিত থাকে।
এসব অর্থ বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়, যেমন স্থানীয় বৈদেশিক মুদ্রার বাজার, খুচরা ডলার লেনদেন এবং বিদেশ ভ্রমণ ও অন্যান্য বৈধ প্রয়োজন। তবে স্থগিতাদেশের সময় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যসংক্রান্ত ইলেকট্রনিক ডলার লেনদেন পুরোপুরি বন্ধ ছিল না।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরাকের নতুন প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি দায়িত্ব নেওয়ার পর ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণ, দুর্নীতিবিরোধী অভিযান এবং আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
এ মুহূর্তে দুর্নীতির অভিযোগে বহু কর্মকর্তা ও আইনপ্রণেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বিপুল পরিমাণ সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। ওয়াশিংটন এ পদক্ষেপগুলোকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বলেই যুক্তরাষ্ট্র ডলার সরবরাহ আংশিকভাবে পুনরায় চালু করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে এখনও যুক্তরাষ্ট্র ইরাকের সঙ্গে স্থগিত থাকা নিরাপত্তা সহযোগিতা পুরোপুরি পুনর্বহাল করেনি। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর কিংবা ট্রেজারি তথা অর্থ মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র পরীক্ষায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রামে ১ হাজার ৩৪০ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।
মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৭৩ হাজার ৮৬৩ জন। এরমধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৭২ হাজার ৫২৩ জন। এই হিসেবে প্রথম দিনের পরীক্ষায় অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর হার ১ দশমিক ৮১ শতাংশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রামের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, বোর্ডের আওতাধীন চট্টগ্রামসহ ৫ জেলায় ১১৪টি কেন্দ্রে সুষ্ঠু এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশে বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কোনো বহিষ্কার নেই। অনুপস্থিত ছিল ১ দশমিক ৮১ শতাংশ ছাত্রছাত্রী।
তিনি আরো জানান, ১৫টি সাধারণ ভিজিল্যান্স টিম এবং ৮টি বিশেষ ভিজিল্যান্স টিম বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছে।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড থেকে জানানো হয়, এই বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির মোট ২৮৩টি কলেজের এবার মোট পরীক্ষার্থী ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন। এরমধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ১১ হাজার ২৫৫ জন ছাত্র ও ১২ হাজার ৬৪৮ জন ছাত্রীসহ মোট পরীক্ষার্থী ২৩ হাজার ৯০৩ জন; মানবিক বিভাগে ৪৪ হাজার ২৩৮ জন (ছাত্র ১৬ হাজার ৩৪২ জন ও ২৭ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী); ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৫ হাজার ৫৮৫ জন ছাত্র এবং ১৫ হাজার ৯৫৪ জন ছাত্রীসহ মোট ৩১ হাজার ৫৩৯ জন পরীক্ষার্থী; গাহর্স্থ্য বিভাগে ৮ জন ছাত্রী।
অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার পরীক্ষার্থী ৭০ হাজার ৯৭৪ জন; কক্সবাজার ১২ হাজার ২৫৫; রাঙামাটি জেলায় ৫ হাজার ৪৩৯; খাগড়াছড়িতে সাত হাজার ৩৫৩ জন; বান্দরবান জেলায় তিন হাজার ৬৬৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ